Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

খুপরির গল্প ১৩ ★রাগ করা নিষেধ★

Screenshot_2023-05-11-08-14-07-13_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • May 11, 2023
  • 8:18 am
  • One Comment

প্রতিজ্ঞা করেছি চেম্বারে কিছুতেই রাগব না। কাল রাতে রূপালী বলেছে, ‘তুমি চেম্বারে এতো চিৎকার চেঁচামেচি করো কেন? ছি ছি… লজ্জায় আমার মাথা কাটা যায়।’

আমি অবাক হয়ে বললাম, ‘আমি চিৎকার চেঁচামেচি করি? একেবারেই না। কবে করলাম?’

‘ওই তো গতকাল আমি হাসপাতাল থেকে ফিরছিলাম, তুমি একটা বয়স্ক লোকের সাথে চিৎকার করছিলে, “আপনার জীবন, আপনি কীভাবে মরবেন পূর্ণ স্বাধীনতা আপনার আছে। আপনি রোজ একটু একটু বিষ খেয়ে তিলে তিলে কষ্ট করে মরবেন, নাকি একবারে বেশি বিষ খেয়ে আরামে টেঁসে যাবেন, সেটা আপনাকেই ঠিক করতে হবে।” আহা… কী মুখের ভাষা… একেবারে ডাক্তারের উপযুক্ত।’

বললাম, ‘ওই ভদ্রলোক-. যদিও তিনি সেটা কিনা তাই নিয়ে আমার সন্দেহ আছে, তিন বছর ধরে হাঁপানিতে ভুগছেন। কিন্তু কিছুতেই বিড়ি সিগারেট বন্ধ করছেন না। বন্ধ করতে বললেই বলেন, অনেক কমিয়ে দিয়েছি। আর সাতদিন বাদে বাদে কাশি নিয়ে দেখাতে আসছেন। তুমি আমার জায়গায় থাকলে তোমারও বিরক্তি লাগত।’

‘পরশুদিন তোমাদের চা দিতে নেমেছি, দেখি তুমি একজনকে বলছো, “ঘুষি মেরে আপনার নাক ফাটিয়ে দেওয়া উচিৎ। নেহাত বাবার বয়সী বলে কিছু বললাম না।” এটা ডাক্তারের ভাষা না মস্তানের?’

‘উনি নির্ঘাত সুগারের ওষুধ বন্ধ করে করলার জুস খাচ্ছিলেন। এই করলার জুস খাওয়ার কথা শুনলেই আমার মাথা গরম হয়ে যায়। কিছুতেই নিজেকে সামলাতে পারি না।’

‘কেন? কেউ করলার জুস খেলে তোমার সমস্যা কী? করলার জুস খাক, টেংরির জুস খাক, আমসত্ত্ব খাক, তুমি মাথা গরম করছো কেন?’

অবাক হয়ে বললাম, ‘আমসত্ত্ব খেলে তো আমি মাথা গরম করি না। আমসত্ত্ব অত্যন্ত ভালো খাবার… পুষ্টিকর খাবার। আজ পর্যন্ত আমসত্ত্ব খাবার জন্য আমি কাউকে কিছু বলিনি।’

‘ওসব শুনতে চাইনা। রাগ অত্যন্ত খারাপ জিনিস। ষড় রিপুর অন্যতম খারাপ রিপু। রাগ মানুষকে পশু বানিয়ে দেয়। যে যা ইচ্ছে করুক, তুমি আর রাগবে না, ব্যাস। হাসিমুখে কথা বলবে।’

আপাতত চেম্বারে রুগী দেখতে দেখতে হাসিমুখে থাকার চেষ্টা করছি। ‘প্রেশার এতো বেড়ে গেল কী করে? ওষুধ বন্ধ করে দিয়েছেন… সাবাস দাদা… আপনার সাহসকে কুর্নিশ। প্রেশার বেড়ে যেকোনো সময় মারা যেতে পারেন জেনেও আপনি যেভাবে অকুতোভয়ে জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য করে প্রেশারের ওষুধ বন্ধ করেছেন… আচ্ছা দাদা আপনার হাতে ঘড়ির মতো এটা কী?’

আমার থেকে কয়েকবছরের বড়ো মানুষটি পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি বললেন, ‘এটা ডিটক্স ম্যাগনেট। ব্যাটারিতে চলে। এই যে এই সুইচটা টিপলেই একটা ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হবে। এবং যার ফলে ব্লাডের ডি টক্সিফিকেশন হবে। আসলে আমাদের মতো যারা প্রেশার, কোলেস্টেরলের রোগী এবং চাকরির প্রেশারে ব্যায়াম টেয়ামের সুযোগ পাই না, তাঁদের রক্তে অনেক টক্সিন জমা হয় তো। সেগুলো তো দূর করতে হবে।’

আমি রীতিমতো অবাক হয়ে বললাম, ‘এই একটা সুইচ চাপলেই সব টক্সিন দূর হয়ে যাবে? হয় নাকি কখনো?’

‘কেন হবে না। আমাদের রক্তের মূল উপাদান হিমোগ্লোবিন। তাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। সেই হিমোগ্লোবিন যখন ম্যাগনেটিক ফিল্ডের মধ্যে দিয়ে যায়, তখন একটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়। আর এই আলোড়নই টক্সিন গুলিকে আলাদা করে ফেলে। আপনি নিশ্চয়ই সেন্ট্রি-ফিউজ যন্ত্রের মাধ্যমে আলোড়ন তুলে রক্তের বিভিন্ন উপাদানকে পৃথক করার কথা শুনেছেন?’

সেন্ট্রি-ফিউজ যন্ত্র দেখেছি অনেকবার। চালিয়েও দেখেছি। কিন্তু এতটা ফিউজ কাটা মানুষ খুব কমই দেখেছি। রূপালীর উপদেশ মনে পড়ল। রাগা যাবে না। আগে লোকজন আঙটি পরতো, মাদুলি কবজ পরতো। মানুষ যতো বিজ্ঞান মনস্ক হচ্ছে, কুসংস্কার গুলিও ততো বেশি বিজ্ঞানসম্মত হয়ে উঠছে। যেমন বিজ্ঞান সম্মত জ্যোতিষ, বিজ্ঞান সম্মত বাস্তু সংস্কার, বিজ্ঞান সম্মত হনুমান চল্লিশা যন্ত্র।

ভদ্রলোকটির তখনও উৎসাহ কমেনি। বলে চলেছে, ‘আপনাদের তো মানব শরীর নিয়ে অনেক বেশি জ্ঞান। আপনার এই ব্যাপারে কী মতামত, এভাবে কী ব্লাড ডিটক্স করা সম্ভব?’

‘ব্লাড ডিটক্স করা সম্ভব কিনা জানি না? তবে আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে এ পদ্ধতিতে মানব দেহ থেকে কমার্শিয়াল ভাবে লোহা নিষ্কাশন সম্ভব। এ ব্যাপারে আপনিই ভালো বলবেন। আপনি ইঞ্জিনিয়ার মানুষ।’

পরের রোগী মেজাজ আরও গরম করে দিলেন। সুগারের রোগী। মাস ছয়েক পরে দেখাতে এসেছেন। কিচ্ছু আনেননি। আগের প্রেসক্রিপশন, ওষুধপত্র, রিপোর্ট টিপোর্ট কিচ্ছু না। শুধু বলছেন, ‘আপনি ওষুধ লিখে দেন। আগের বার যে ওষুধ লিখে দিয়েছিলেন, ওটাই লিখুন। ওটা খেয়ে সুস্থ ছিলাম।’

বললাম, ‘সেই ওষুধটা অন্তত দেখান। না হলে কী করে লিখব?’

‘কী আশ্চর্য, আপনিই তো লিখেছিলেন, আর আপনিই মনে করতে পারছেন না। আপনি কারো চারশো সুগার ধরা পড়লে কী ওষুধ দেন? সেই ওষুধই লিখে দেন।’

বললাম, ‘আপনি আরেকবার সুগার করে কাল বা পরশু আসুন। সব কেঁচে গণ্ডূষ করতে হবে।’

‘কাল আসা সম্ভব নয়।’

‘তাহলে পরশু?’

‘বললাম তো, কাল, পরশু, তার পরের দিন… আপাতত আর আসা সম্ভব নয়। আজ রাতেই আমি পুনেতে ছেলের কাছে চলে যাচ্ছি। আপনি চার মাসের মতো ওষুধ দিয়ে দেন। ফিরে এসে যা হয় করা যাবে।’

প্রায় জিভের আগায় চলে এসেছিল, ‘মরণকালে হরি নাম করে বিশেষ লাভ নেই।’ চুপচাপ গিলে ফেললাম। কিছুতেই রাগা যাবে না। গৌর কে ডেকে বললাম, ‘একটা র‍্যান্ডম সুগার করো।’

র‍্যান্ডম সুগার এলো ৬৩০ মিগ্রা/ডেসিলি। সুগার দেখে রোগী ঘাবড়ে গেলেন। বললেন, ‘এতো কী করে হলো? আমি তো মাসখানেক ওষুধ খেয়েছিলাম।’

বললাম, ‘কবে কী ঘি খেয়েছিলেন, আর গন্ধ শুঁকে লাভ নেই।’ বলেই জিভ কাটলাম। মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে।

কথা কম বলে চটপট রোগী দেখতে শুরু করলাম। ঝগড়া ঝাঁটি ছাড়াই প্রায় শেষ করে এনেছি। এক মহিলা এসেছেন, একাধিক বাড়িতে ঘর মোছা, বাসন ধোওয়ার কাজ করেন। প্রেশার সুগার সব কিছুই আছে। ইনিও ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন না। তবে এনার ওষুধ না কেনার মূল কারণ আর্থিক। মহিলাকে বললাম, জন ঔষধি থেকে ওষুধ কিনতে। তাতে ওষুধের খরচ প্রায় তিনভাগের একভাগ হয়ে যাবে।

ভদ্রমহিলা বললেন, ‘যা গরম পড়েছে, আর পারা যাচ্ছে না। মাঝে মাঝেই মাথা ঘুরে যাচ্ছে। চোখ মুখও কেমন গর্তে ঢুকে যাচ্ছে।’ তারপর আমায় প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা ডাক্তারবাবু, ওই এনশিওর না কী একটা, যে বাড়িতে কাজ করি ওই বাড়ির বৌদি খায়, ওই টা খেলে কী চেহারা ভালো হবে? ওটার কী অনেক দাম?’

কিছুতেই রাগ করা যাবে না। অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে বললাম, ‘ওই সব না খেয়ে আগে ওষুধটা ঠিকঠাক খান। আর যদি পয়সা থাকে একটা করে ডিম সেদ্ধ খান। ঐসব গুড়োর থেকে কম পয়সায় অনেক বেশি পুষ্টি হবে।’

PrevPreviousডা বন্দনা দাসের হত্যা
Next‘পেলে’ এবং ঠান্ডা সন্দেশ রহস্যNext
3 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Ranjan Sengupta
Ranjan Sengupta
2 years ago

ডক্টর ভৌমিক কে জানাই ধন্যবাদ ও অভিনন্দন🙏 হোয়াটসঅ্যাপ এ এই রিকোনা পেয়ে,আপনার এই গল্পের নাট্য রূপান্তর ও অল্পবিস্তর সংলাপ যোগ করে করে নাটক ও শ্রুতি নাটকের রূপ দিয়েছি, পারিবারিক সম্মেলনে শ্রুতি হিসেবে মঞ্চস্থ করলাম, প্রচুর প্রশংসা ও দর্শকের হাঁসির খোরাক ও পেয়েছি । বড় কথা হাঁসির ঝলকে মানুষের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তির বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।আগামী দিনে মঞ্চ নাটক করার ইচ্ছে। আশাকরি আপনার অনুমোদন পাবো।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

পাল তুলে দাও হাল ধর হাতে দুস্তর সাগর হব পার

January 18, 2026 No Comments

পঞ্চায়েত যৌথ কর্মচারী সমিতির দ্বাদশ রাজ্য সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে সলিল শোভন রায় আর প্রতুল ভদ্র মঞ্চে অনুষ্ঠিত হল অভয়া স্মরণ। ‘শহীদ স্মরণে আপন মরণে রক্ত

পঞ্চায়েত কর্মচারী সমিতিসমূহের যৌথ কমিটি আয়োজিত অভয়া স্মরণ সভায় পুণ্যব্রত গুণের বক্তব্য। ১৬/১/২৬

January 18, 2026 No Comments

সাংবাদিকদের উপর হামলা: প্রশাসনের ভূমিকা

January 18, 2026 No Comments

১৭ জানুয়ারী, ২০২৬ গতকাল, ১৬ জানুয়ারী, জি ২৪ ঘন্টা সংবাদ চ্যানেলের সাংবাদিক সোমা মাইতি ও সঙ্গী চিত্র সাংবাদিককে কর্তব্যরত অবস্থায় মারধর করা হল বেলডাঙ্গায়। সংবাদ

অভয়া আন্দোলনঃ দ্রোহের দলিল

January 17, 2026 No Comments

২০২৪ এর ৯ আগস্ট আমাদের দেশে, আমাদের রাজ্যে, আমাদের শহরে ও বিশ্বে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তা এক কথায় অভূতপূর্ব। স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে

মহাশ্বেতা দেবী এবং সমীর পুততুণ্ড: সামান্য স্মৃতি

January 17, 2026 No Comments

মহাশ্বেতা দি পদ্মবিভূষণ, পদ্মশ্রী, ম্যাগসাইসাই, জ্ঞানপীঠ, সাহিত্য আকাদেমি প্রমুখ বহু নামী পুরস্কারে ভূষিতা স্বতন্ত্র রচনাশৈলীর অধিকারিণী প্রখ্যাত সাহিত্যিক এবং সমাজকর্মী মহাশ্বেতা দেবীর (১৯২৬ – ২০১৬)

সাম্প্রতিক পোস্ট

পাল তুলে দাও হাল ধর হাতে দুস্তর সাগর হব পার

Gopa Mukherjee January 18, 2026

পঞ্চায়েত কর্মচারী সমিতিসমূহের যৌথ কমিটি আয়োজিত অভয়া স্মরণ সভায় পুণ্যব্রত গুণের বক্তব্য। ১৬/১/২৬

Dr. Punyabrata Gun January 18, 2026

সাংবাদিকদের উপর হামলা: প্রশাসনের ভূমিকা

Abhaya Mancha January 18, 2026

অভয়া আন্দোলনঃ দ্রোহের দলিল

Doctors' Dialogue January 17, 2026

মহাশ্বেতা দেবী এবং সমীর পুততুণ্ড: সামান্য স্মৃতি

Bappaditya Roy January 17, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

604949
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]