
বিষাদ-শিকার
ফ্রিজশটে ধরা ছিলো বিষণ্ণমন ফোকাস গেছিলো সরে জীবনের থেকে পৃথিবীর তাঁকে আর নেই প্রয়োজন, রুটিনে সময় রোজ সেই কথা লেখে.. এরকম বাজে স্ক্রিপ্ট কার যে

ফ্রিজশটে ধরা ছিলো বিষণ্ণমন ফোকাস গেছিলো সরে জীবনের থেকে পৃথিবীর তাঁকে আর নেই প্রয়োজন, রুটিনে সময় রোজ সেই কথা লেখে.. এরকম বাজে স্ক্রিপ্ট কার যে

রাজার হ্যাঁতে হ্যাঁ মিলাতে থাকবে যে ভিড় , সবার জানা। জটলা হবে পায়ের নিচে বুদ্ধিজীবীর, সবার জানা। বলবে তারা শাসক সেরা এই পৃথিবীর, সবার জানা।

দুশুঁড় ছ’পা’য় গড় দুপায়ে, ধর্মাবতার, ভাবনা যেটা ধরতে গেলে সকল নেতার তাকেই কেমন স্পষ্ট করে বিনা সময় নষ্ট করে বলেই দিলেন, রাষ্ট্র ভাবেন কাদের ভিলেন

উন্নয়নের কোনো সংজ্ঞা হয় না। আগে যা ছিলো, তার থেকে ভালো থাকলেই সেটাকে উন্নয়ন বলা যায়। যে ভিখারির দৈনিক রোজগার দশ টাকা ছিলো, এখন যদি

জিতলে যে ছেলেটাকে মারবে বলে তাক করে রেখেছিলে, জেতার পরে তাকে তুমি ছুঁতেও পারলে না। কারণ চোখের পলক ফেলার আগেই সে তোমার পতাকা তোমার আবির

বদলাতে চেয়েছে সকলে, তাই আজ রাজার পতন মসনদ যাদের দখলে, বুঝে নিন কী কী প্রয়োজন, বুঝে নিন মানুষ কী চায়, কোন দোষে গেলো প্রাক্তন, বদলিয়ে

গত দুটো সন্ধেতে গোটা শহরটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো, ঠিক যেন কেউ ‘চাক্কা জ্যাম’ ডেকেছিলো, রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ, প্রতিটি মোড়ে ‘নাকাবন্দি’, ড্রোন থেকে দেখলে রিকশা-বাইক-উবের-প্রাইভেট-ছোটাহাতি-বাসের অবস্থানে মনে

রাজার পক্ষে অক্ষৌহিনী, শাসনযন্ত্র এবং বিচার, ধর্মাধর্ম সংজ্ঞা সবই তেনার কথায় বসে ওঠে যদুপতি সম্ভবামি হওয়ার সময় পাননি যে আর, সেই কারণেই শকুনি আর দুঃশাসনের

কিছু মেল জেন্ডার ও ফিমেল জেন্ডার একসাথে মিললেন , বিষয় অ্যাজেন্ডার আইন সীমানা দেবে কারা ট্রান্স-জেন্ডার.. জেন্ডার.. সংজ্ঞাটা ঠিক হয় মন না শরীরে মগজে তা

ভাতার এখন ভাতার দাতা, ভাত আর পাতে দিচ্ছে কে প্রায়-মৃতদের অমৃত তাই, যা দেয় গোঁসাই বিষ ছেঁকে কিল পিঠে তাও সব মুখে খিল, পড়ছে না

মারাঠি না বলায় কারা যেন মেরে কার মুখ ফাটালো মহারাষ্ট্রতে সময় নেয়নি সেই ক্ষমা চাওয়া ভিডিওটি ভাইরাল হতে, পেছনে গর্বিত মারাঠিদের ‘জয় মহারাষ্ট্র’ শ্লোগান। ভাষার

পাশের দেশে, তাসের দেশে আগুন জ্বলে সর্বনেশে, জ্বলছে দেখো সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক ওই, ভাঙছে গানের বাদ্য যত, দেশের গায়ে দ্বেষের ক্ষত আল্লাহ ডাকা মোল্লা কত,

ফ্রিজশটে ধরা ছিলো বিষণ্ণমন ফোকাস গেছিলো সরে জীবনের থেকে পৃথিবীর তাঁকে আর নেই প্রয়োজন, রুটিনে সময় রোজ সেই কথা লেখে.. এরকম বাজে স্ক্রিপ্ট কার যে

রাজার হ্যাঁতে হ্যাঁ মিলাতে থাকবে যে ভিড় , সবার জানা। জটলা হবে পায়ের নিচে বুদ্ধিজীবীর, সবার জানা। বলবে তারা শাসক সেরা এই পৃথিবীর, সবার জানা।

দুশুঁড় ছ’পা’য় গড় দুপায়ে, ধর্মাবতার, ভাবনা যেটা ধরতে গেলে সকল নেতার তাকেই কেমন স্পষ্ট করে বিনা সময় নষ্ট করে বলেই দিলেন, রাষ্ট্র ভাবেন কাদের ভিলেন

উন্নয়নের কোনো সংজ্ঞা হয় না। আগে যা ছিলো, তার থেকে ভালো থাকলেই সেটাকে উন্নয়ন বলা যায়। যে ভিখারির দৈনিক রোজগার দশ টাকা ছিলো, এখন যদি

জিতলে যে ছেলেটাকে মারবে বলে তাক করে রেখেছিলে, জেতার পরে তাকে তুমি ছুঁতেও পারলে না। কারণ চোখের পলক ফেলার আগেই সে তোমার পতাকা তোমার আবির

বদলাতে চেয়েছে সকলে, তাই আজ রাজার পতন মসনদ যাদের দখলে, বুঝে নিন কী কী প্রয়োজন, বুঝে নিন মানুষ কী চায়, কোন দোষে গেলো প্রাক্তন, বদলিয়ে

গত দুটো সন্ধেতে গোটা শহরটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো, ঠিক যেন কেউ ‘চাক্কা জ্যাম’ ডেকেছিলো, রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ, প্রতিটি মোড়ে ‘নাকাবন্দি’, ড্রোন থেকে দেখলে রিকশা-বাইক-উবের-প্রাইভেট-ছোটাহাতি-বাসের অবস্থানে মনে

রাজার পক্ষে অক্ষৌহিনী, শাসনযন্ত্র এবং বিচার, ধর্মাধর্ম সংজ্ঞা সবই তেনার কথায় বসে ওঠে যদুপতি সম্ভবামি হওয়ার সময় পাননি যে আর, সেই কারণেই শকুনি আর দুঃশাসনের

কিছু মেল জেন্ডার ও ফিমেল জেন্ডার একসাথে মিললেন , বিষয় অ্যাজেন্ডার আইন সীমানা দেবে কারা ট্রান্স-জেন্ডার.. জেন্ডার.. সংজ্ঞাটা ঠিক হয় মন না শরীরে মগজে তা

ভাতার এখন ভাতার দাতা, ভাত আর পাতে দিচ্ছে কে প্রায়-মৃতদের অমৃত তাই, যা দেয় গোঁসাই বিষ ছেঁকে কিল পিঠে তাও সব মুখে খিল, পড়ছে না

মারাঠি না বলায় কারা যেন মেরে কার মুখ ফাটালো মহারাষ্ট্রতে সময় নেয়নি সেই ক্ষমা চাওয়া ভিডিওটি ভাইরাল হতে, পেছনে গর্বিত মারাঠিদের ‘জয় মহারাষ্ট্র’ শ্লোগান। ভাষার

পাশের দেশে, তাসের দেশে আগুন জ্বলে সর্বনেশে, জ্বলছে দেখো সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক ওই, ভাঙছে গানের বাদ্য যত, দেশের গায়ে দ্বেষের ক্ষত আল্লাহ ডাকা মোল্লা কত,







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে