
আগুন
পাশের দেশে, তাসের দেশে আগুন জ্বলে সর্বনেশে, জ্বলছে দেখো সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক ওই, ভাঙছে গানের বাদ্য যত, দেশের গায়ে দ্বেষের ক্ষত আল্লাহ ডাকা মোল্লা কত,

পাশের দেশে, তাসের দেশে আগুন জ্বলে সর্বনেশে, জ্বলছে দেখো সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক ওই, ভাঙছে গানের বাদ্য যত, দেশের গায়ে দ্বেষের ক্ষত আল্লাহ ডাকা মোল্লা কত,

মায়া ওর মা’কে বাবার থেকে অনেক কাছের মনে করে। মায়া’র পুরো নাম মায়া-বন-বিহারিনী .. এরপর একটা চ্যাটার্জী বা ঘোষ জাতীয় কিছু থাকাই স্বাভাবিক ছিলো,তার বদলে

জাগো গো মা, আম্মি জাগো, মাম্মি ওঠো জেগে জাগো গো বা, আম্মা ও আই, মা-সা এবং বেবে, তোমার নামে অ-সেকুলার উঠছে ভীষণ রেগে, এজুনেলক্কু থাল্লি,

তোমার গোষ্ঠির নাম নিয়ে যদি কোনো হত্যাকাণ্ড হয়, যদি গণধর্ষণ ঘটে, যদি মানুষের ঘর পোড়ে, যদি শিশুরা অভুক্ত অনাথ হয়ে পথে পথে ঘোরে, তাহলে তোমাকে

আয়াত আর শ্লোক যেন যুদ্ধের সমর্থনে বিতরণ করা প্যামফ্লেট, ঈশ্বরের নাম রণহুঙ্কারের মতো বেজে ওঠে অনুসারী ঠোঁটে প্রতিটি উপাসনালয় যুদ্ধের ট্রেঞ্চ, অদৃশ্য সৈনিকেরা তাক করে

তুমি সব জানো হে কেশব, কে শব না হয়ে বেঁচে থাকে যুদ্ধের পরে, তাও জ্ঞাত আছো নিশ্চিত.. দুপক্ষে আত্মীয় গুরুজন ও স্বজন দেখে যুদ্ধের যুক্তিরা

ভগবানের প্রাসাদে ইঁটের অভাব হয় না। আল্লাহ রাম জগন্নাথ বা যিশুর স্বঘোষিত অছিরা চাইলেই হলো, সাথে শুধু একটু লেজুড় জুড়ে দিতে হবে, ‘ ইঁট না

মূলে ফিরে এসো এইবারে। একবার একসাথে লড়ি ওখানে কাজ আছে মান নেই, এখানে উল্টো ঠিক, রোজগার খাড়া বড়ি থোড় থেকে থোড় খাড়া বড়ি, তবুও ফেরত

মসী অসির চেয়ে বড়, ক্লান্তিকর সে মিথ্যা অসি যেমন লেখাতে চায়, কলম লেখে ঠিক তা, লেখক কথার প্রকৌশলী , ভাবনা ছড়ান অলিগলি, তার মানে সব

চারখানা ওটিপি দেওয়ার পরে রাষ্ট্র কৃপা করে জানালেন, পরের নির্বাচনে তুমি ভোট দিতে পারো। নাগরিক কৃতাঞ্জলিপুটে অভিবাদনে বললো, অহো ভাগ্য আমার, জন্মের থেকে বিদেশে যাইনি

জেমিমার মা হওয়া সহজ না এদেশে। দুহাজার সাল গেছে ছেলে ভালোবেসে, পুত্রবতী ভব বলে আশিস পেয়েছে সব সতী, কন্যাবতী হও বলে বর কি শুনেছো? মেয়ে

খামোখা কী যে অত খুঁজে চলো কাগজে সামান্য ঘটনাটা কোন বোকা না বোঝে, আতিপাতি নথি ঘেঁটে গোটা ঊনসত্তর, সে কাগজ যেই তুমি জমা দেবে সত্বর,

পাশের দেশে, তাসের দেশে আগুন জ্বলে সর্বনেশে, জ্বলছে দেখো সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক ওই, ভাঙছে গানের বাদ্য যত, দেশের গায়ে দ্বেষের ক্ষত আল্লাহ ডাকা মোল্লা কত,

মায়া ওর মা’কে বাবার থেকে অনেক কাছের মনে করে। মায়া’র পুরো নাম মায়া-বন-বিহারিনী .. এরপর একটা চ্যাটার্জী বা ঘোষ জাতীয় কিছু থাকাই স্বাভাবিক ছিলো,তার বদলে

জাগো গো মা, আম্মি জাগো, মাম্মি ওঠো জেগে জাগো গো বা, আম্মা ও আই, মা-সা এবং বেবে, তোমার নামে অ-সেকুলার উঠছে ভীষণ রেগে, এজুনেলক্কু থাল্লি,

তোমার গোষ্ঠির নাম নিয়ে যদি কোনো হত্যাকাণ্ড হয়, যদি গণধর্ষণ ঘটে, যদি মানুষের ঘর পোড়ে, যদি শিশুরা অভুক্ত অনাথ হয়ে পথে পথে ঘোরে, তাহলে তোমাকে

আয়াত আর শ্লোক যেন যুদ্ধের সমর্থনে বিতরণ করা প্যামফ্লেট, ঈশ্বরের নাম রণহুঙ্কারের মতো বেজে ওঠে অনুসারী ঠোঁটে প্রতিটি উপাসনালয় যুদ্ধের ট্রেঞ্চ, অদৃশ্য সৈনিকেরা তাক করে

তুমি সব জানো হে কেশব, কে শব না হয়ে বেঁচে থাকে যুদ্ধের পরে, তাও জ্ঞাত আছো নিশ্চিত.. দুপক্ষে আত্মীয় গুরুজন ও স্বজন দেখে যুদ্ধের যুক্তিরা

ভগবানের প্রাসাদে ইঁটের অভাব হয় না। আল্লাহ রাম জগন্নাথ বা যিশুর স্বঘোষিত অছিরা চাইলেই হলো, সাথে শুধু একটু লেজুড় জুড়ে দিতে হবে, ‘ ইঁট না

মূলে ফিরে এসো এইবারে। একবার একসাথে লড়ি ওখানে কাজ আছে মান নেই, এখানে উল্টো ঠিক, রোজগার খাড়া বড়ি থোড় থেকে থোড় খাড়া বড়ি, তবুও ফেরত

মসী অসির চেয়ে বড়, ক্লান্তিকর সে মিথ্যা অসি যেমন লেখাতে চায়, কলম লেখে ঠিক তা, লেখক কথার প্রকৌশলী , ভাবনা ছড়ান অলিগলি, তার মানে সব

চারখানা ওটিপি দেওয়ার পরে রাষ্ট্র কৃপা করে জানালেন, পরের নির্বাচনে তুমি ভোট দিতে পারো। নাগরিক কৃতাঞ্জলিপুটে অভিবাদনে বললো, অহো ভাগ্য আমার, জন্মের থেকে বিদেশে যাইনি

জেমিমার মা হওয়া সহজ না এদেশে। দুহাজার সাল গেছে ছেলে ভালোবেসে, পুত্রবতী ভব বলে আশিস পেয়েছে সব সতী, কন্যাবতী হও বলে বর কি শুনেছো? মেয়ে

খামোখা কী যে অত খুঁজে চলো কাগজে সামান্য ঘটনাটা কোন বোকা না বোঝে, আতিপাতি নথি ঘেঁটে গোটা ঊনসত্তর, সে কাগজ যেই তুমি জমা দেবে সত্বর,







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে