
মানুষেরা কি আদতে শিকার, নাকি শিকারী?
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্ভাগ্যজনক অপমৃত্যুর বিষয়ে কিছু বলার জন্য এই পোস্ট নয়। তাঁর মর্মান্তিক অকালমৃত্যুপরবর্তী যে নাট্যরঙ্গ সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট এবং ভার্চুয়াল সংবাদমাধ্যমে দেখার সৌভাগ্য

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্ভাগ্যজনক অপমৃত্যুর বিষয়ে কিছু বলার জন্য এই পোস্ট নয়। তাঁর মর্মান্তিক অকালমৃত্যুপরবর্তী যে নাট্যরঙ্গ সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট এবং ভার্চুয়াল সংবাদমাধ্যমে দেখার সৌভাগ্য

কাঁচা সোনার রঙের একফালি রোদ এসে লুটিয়ে পড়েছে তেতলার ফ্ল্যাটের একচিলতে বারান্দায়। সোমনাথ পায়ে পায়ে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ালেন। একটা সিগারেট ধরাবেন নাকি? চট করে পিছন

সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরে যে রাতে হাওড়ার পাঁচপাড়া-রাধাদাসীর ইঁটভাটার পরিযায়ী শ্রমিক বউ তার জমাদার সুপারভাইজ়ারকে মুখের উপর বলে দিতে পারবে — ‘তুকে আরাম দিবার কাম

রবিবারের দুপুরবেলায় ফ্ল্যাটের একচিলতে পুবের বারান্দায় পাতলা হয়ে যাওয়া ডগা ফাটা ভিজে চুল শুকোতে শুকোতে সে ভাবছিল, এই বছর শীতটা কষে পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু দীর্ঘায়িত

(লং পোস্ট অ্যালার্ট) ১ নতুন বছর অপ্রত্যাশিত হিম নিয়ে নেমে এসেছিল আমার নিঃসঙ্গ যাপনের আঙিনায়। তারই মধ্যে একদিন মামাতো দিদির বিপন্ন, কিছুটা বিভ্রান্ত গলা পেলাম

‘কথা কও, কথা কও অনাদি অতীত অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও?’ খুব ছোটবেলার কথা বেশির ভাগ লোকেরই মনে থাকে না। তবে চার বছর বয়সের

সায়েবদের ক্রিসমাস আর আমাদের বড়দিন, কোনো উদযাপনের সঙ্গেই তাল রাখতে পারি না আর। গোল কাঁচের ঢাকনাওয়ালা দিশি ওভেনে মায়ের হাতের কাজু-কিসমিস দেওয়া কেক কিংবা তেত্রিশ

আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে যে বই পড়ে বা গান শুনে আমার ঠিক কি রকম অপার্থিব আনন্দ হয় সেটা বলে বোঝাতে হবে, আমি পারব না।

সময়কে আমি একটুও ভালবাসি না। আসলে এমন ছটফটে, পলায়নী মনোবৃত্তি সম্পন্ন লোককে আমার একটুও পছন্দ নয়। ধরে বেঁধে, খোশামোদ করে, ভয় দেখিয়ে কোনওভাবেই যাকে আটকে

২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পুজোর নির্ঘন্ট অনুযায়ী আজ ষষ্ঠী। হুতোমপেঁচি বিরসবদনে নতুন কাপড়টি পরে, অনেক হিসেব করে আব্রু বাঁচিয়ে হাঁটু অবধি সেই শাড়ির পাড় উত্তোলিত করে

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ গতকাল রাত বারোটা থেকে আজ ভোর ছ’টা পর্যন্ত কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রান্তে গড়ে আড়াইশো মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। মেঘভাঙা বৃষ্টি সচরাচর সমতলে

আজ প্রায় ছ’বছর বাদে আমার কর্মক্ষেত্র মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্কে ফের আয়োজন করা হয়েছিল বিশ্বকর্মা ঠাকুরের পুজোর। কোভিডের পরে এই প্রথম। ব্লাড ব্যাঙ্কে নানা যন্ত্রের

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্ভাগ্যজনক অপমৃত্যুর বিষয়ে কিছু বলার জন্য এই পোস্ট নয়। তাঁর মর্মান্তিক অকালমৃত্যুপরবর্তী যে নাট্যরঙ্গ সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট এবং ভার্চুয়াল সংবাদমাধ্যমে দেখার সৌভাগ্য

কাঁচা সোনার রঙের একফালি রোদ এসে লুটিয়ে পড়েছে তেতলার ফ্ল্যাটের একচিলতে বারান্দায়। সোমনাথ পায়ে পায়ে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ালেন। একটা সিগারেট ধরাবেন নাকি? চট করে পিছন

সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরে যে রাতে হাওড়ার পাঁচপাড়া-রাধাদাসীর ইঁটভাটার পরিযায়ী শ্রমিক বউ তার জমাদার সুপারভাইজ়ারকে মুখের উপর বলে দিতে পারবে — ‘তুকে আরাম দিবার কাম

রবিবারের দুপুরবেলায় ফ্ল্যাটের একচিলতে পুবের বারান্দায় পাতলা হয়ে যাওয়া ডগা ফাটা ভিজে চুল শুকোতে শুকোতে সে ভাবছিল, এই বছর শীতটা কষে পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু দীর্ঘায়িত

(লং পোস্ট অ্যালার্ট) ১ নতুন বছর অপ্রত্যাশিত হিম নিয়ে নেমে এসেছিল আমার নিঃসঙ্গ যাপনের আঙিনায়। তারই মধ্যে একদিন মামাতো দিদির বিপন্ন, কিছুটা বিভ্রান্ত গলা পেলাম

‘কথা কও, কথা কও অনাদি অতীত অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও?’ খুব ছোটবেলার কথা বেশির ভাগ লোকেরই মনে থাকে না। তবে চার বছর বয়সের

সায়েবদের ক্রিসমাস আর আমাদের বড়দিন, কোনো উদযাপনের সঙ্গেই তাল রাখতে পারি না আর। গোল কাঁচের ঢাকনাওয়ালা দিশি ওভেনে মায়ের হাতের কাজু-কিসমিস দেওয়া কেক কিংবা তেত্রিশ

আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে যে বই পড়ে বা গান শুনে আমার ঠিক কি রকম অপার্থিব আনন্দ হয় সেটা বলে বোঝাতে হবে, আমি পারব না।

সময়কে আমি একটুও ভালবাসি না। আসলে এমন ছটফটে, পলায়নী মনোবৃত্তি সম্পন্ন লোককে আমার একটুও পছন্দ নয়। ধরে বেঁধে, খোশামোদ করে, ভয় দেখিয়ে কোনওভাবেই যাকে আটকে

২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পুজোর নির্ঘন্ট অনুযায়ী আজ ষষ্ঠী। হুতোমপেঁচি বিরসবদনে নতুন কাপড়টি পরে, অনেক হিসেব করে আব্রু বাঁচিয়ে হাঁটু অবধি সেই শাড়ির পাড় উত্তোলিত করে

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ গতকাল রাত বারোটা থেকে আজ ভোর ছ’টা পর্যন্ত কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রান্তে গড়ে আড়াইশো মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। মেঘভাঙা বৃষ্টি সচরাচর সমতলে

আজ প্রায় ছ’বছর বাদে আমার কর্মক্ষেত্র মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্কে ফের আয়োজন করা হয়েছিল বিশ্বকর্মা ঠাকুরের পুজোর। কোভিডের পরে এই প্রথম। ব্লাড ব্যাঙ্কে নানা যন্ত্রের







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে