
গগন মুখুজ্যের মোহর চতুর্থ (শেষ) পর্ব
পুজো কেটে গেল। কালীপুজো, ভাইফোঁটাও পেরিয়ে গেল ক্যালেন্ডারের ঘর – পলাশকান্তির সঙ্গে আকাশমণির পরিচয়টা আর এগরোলে আটকে রইল না। আলুকাবলি, ফুচকা, নন্দন, অ্যাকাডেমি, প্রিন্সেপ ঘাট,

পুজো কেটে গেল। কালীপুজো, ভাইফোঁটাও পেরিয়ে গেল ক্যালেন্ডারের ঘর – পলাশকান্তির সঙ্গে আকাশমণির পরিচয়টা আর এগরোলে আটকে রইল না। আলুকাবলি, ফুচকা, নন্দন, অ্যাকাডেমি, প্রিন্সেপ ঘাট,

পলাশকান্তি শ্লথ পায়ে বাজার থেকে ফিরছিল। রোদ চড়ে গিয়েছে, বদ্ধ বাতাসে ভ্যাপসা ভাব – তার কেমন দমবন্ধ লাগছিল। কতক্ষণে বাড়িতে ঢুকে বাজারের ক্ষীণকায় ব্যাগটি নামিয়ে

বউবাজারের মুখুজ্যেবাড়িতে বিয়ে হয়ে আসা ইস্তক মঞ্জুরানী নিয্যস জানে এ ভিটেয় ভূত আছে। তবে কিনা জানলেও তার বড় একটা কিছু যায় আসে না। বিয়ের অল্প

পুবের আকাশে আলতাপাটি শিমের রঙ ধরা মাত্র আরম্ভ হয়ে যায় বাস্তু গোলাপায়রাদের বকবকম। বারবাড়ির ঠাকুরদালানের পঙ্খের কাজ করা খাঁজগুলোয় ঘাড় গুঁজে রাত কাবার করে দেয়

এমন কিছু বেশি বছর আগের কথা নয়, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা- লোকসভা-পঞ্চায়েত/পুরসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাঁদের হার অথবা জিতের কারণ দর্শানোর জন্য

পুরোনো লেখা চুনকাম করা সাদামাটা দেওয়ালটার এবড়ো খেবড়ো গায়ে একটা ক্যালেন্ডারও দুলছে না। অবশ্য দোলবার মতো তেমন হাওয়াবাতাসও খেলে না এই বিশ ফুট বাই বিশ

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্ভাগ্যজনক অপমৃত্যুর বিষয়ে কিছু বলার জন্য এই পোস্ট নয়। তাঁর মর্মান্তিক অকালমৃত্যুপরবর্তী যে নাট্যরঙ্গ সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট এবং ভার্চুয়াল সংবাদমাধ্যমে দেখার সৌভাগ্য

কাঁচা সোনার রঙের একফালি রোদ এসে লুটিয়ে পড়েছে তেতলার ফ্ল্যাটের একচিলতে বারান্দায়। সোমনাথ পায়ে পায়ে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ালেন। একটা সিগারেট ধরাবেন নাকি? চট করে পিছন

সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরে যে রাতে হাওড়ার পাঁচপাড়া-রাধাদাসীর ইঁটভাটার পরিযায়ী শ্রমিক বউ তার জমাদার সুপারভাইজ়ারকে মুখের উপর বলে দিতে পারবে — ‘তুকে আরাম দিবার কাম

রবিবারের দুপুরবেলায় ফ্ল্যাটের একচিলতে পুবের বারান্দায় পাতলা হয়ে যাওয়া ডগা ফাটা ভিজে চুল শুকোতে শুকোতে সে ভাবছিল, এই বছর শীতটা কষে পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু দীর্ঘায়িত

(লং পোস্ট অ্যালার্ট) ১ নতুন বছর অপ্রত্যাশিত হিম নিয়ে নেমে এসেছিল আমার নিঃসঙ্গ যাপনের আঙিনায়। তারই মধ্যে একদিন মামাতো দিদির বিপন্ন, কিছুটা বিভ্রান্ত গলা পেলাম

‘কথা কও, কথা কও অনাদি অতীত অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও?’ খুব ছোটবেলার কথা বেশির ভাগ লোকেরই মনে থাকে না। তবে চার বছর বয়সের

পুজো কেটে গেল। কালীপুজো, ভাইফোঁটাও পেরিয়ে গেল ক্যালেন্ডারের ঘর – পলাশকান্তির সঙ্গে আকাশমণির পরিচয়টা আর এগরোলে আটকে রইল না। আলুকাবলি, ফুচকা, নন্দন, অ্যাকাডেমি, প্রিন্সেপ ঘাট,

পলাশকান্তি শ্লথ পায়ে বাজার থেকে ফিরছিল। রোদ চড়ে গিয়েছে, বদ্ধ বাতাসে ভ্যাপসা ভাব – তার কেমন দমবন্ধ লাগছিল। কতক্ষণে বাড়িতে ঢুকে বাজারের ক্ষীণকায় ব্যাগটি নামিয়ে

বউবাজারের মুখুজ্যেবাড়িতে বিয়ে হয়ে আসা ইস্তক মঞ্জুরানী নিয্যস জানে এ ভিটেয় ভূত আছে। তবে কিনা জানলেও তার বড় একটা কিছু যায় আসে না। বিয়ের অল্প

পুবের আকাশে আলতাপাটি শিমের রঙ ধরা মাত্র আরম্ভ হয়ে যায় বাস্তু গোলাপায়রাদের বকবকম। বারবাড়ির ঠাকুরদালানের পঙ্খের কাজ করা খাঁজগুলোয় ঘাড় গুঁজে রাত কাবার করে দেয়

এমন কিছু বেশি বছর আগের কথা নয়, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা- লোকসভা-পঞ্চায়েত/পুরসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাঁদের হার অথবা জিতের কারণ দর্শানোর জন্য

পুরোনো লেখা চুনকাম করা সাদামাটা দেওয়ালটার এবড়ো খেবড়ো গায়ে একটা ক্যালেন্ডারও দুলছে না। অবশ্য দোলবার মতো তেমন হাওয়াবাতাসও খেলে না এই বিশ ফুট বাই বিশ

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্ভাগ্যজনক অপমৃত্যুর বিষয়ে কিছু বলার জন্য এই পোস্ট নয়। তাঁর মর্মান্তিক অকালমৃত্যুপরবর্তী যে নাট্যরঙ্গ সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট এবং ভার্চুয়াল সংবাদমাধ্যমে দেখার সৌভাগ্য

কাঁচা সোনার রঙের একফালি রোদ এসে লুটিয়ে পড়েছে তেতলার ফ্ল্যাটের একচিলতে বারান্দায়। সোমনাথ পায়ে পায়ে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ালেন। একটা সিগারেট ধরাবেন নাকি? চট করে পিছন

সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরে যে রাতে হাওড়ার পাঁচপাড়া-রাধাদাসীর ইঁটভাটার পরিযায়ী শ্রমিক বউ তার জমাদার সুপারভাইজ়ারকে মুখের উপর বলে দিতে পারবে — ‘তুকে আরাম দিবার কাম

রবিবারের দুপুরবেলায় ফ্ল্যাটের একচিলতে পুবের বারান্দায় পাতলা হয়ে যাওয়া ডগা ফাটা ভিজে চুল শুকোতে শুকোতে সে ভাবছিল, এই বছর শীতটা কষে পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু দীর্ঘায়িত

(লং পোস্ট অ্যালার্ট) ১ নতুন বছর অপ্রত্যাশিত হিম নিয়ে নেমে এসেছিল আমার নিঃসঙ্গ যাপনের আঙিনায়। তারই মধ্যে একদিন মামাতো দিদির বিপন্ন, কিছুটা বিভ্রান্ত গলা পেলাম

‘কথা কও, কথা কও অনাদি অতীত অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও?’ খুব ছোটবেলার কথা বেশির ভাগ লোকেরই মনে থাকে না। তবে চার বছর বয়সের







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে