
কেন চেয়ে আছ গো মা, মুখপানে
‘কথা কও, কথা কও অনাদি অতীত অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও?’ খুব ছোটবেলার কথা বেশির ভাগ লোকেরই মনে থাকে না। তবে চার বছর বয়সের

‘কথা কও, কথা কও অনাদি অতীত অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও?’ খুব ছোটবেলার কথা বেশির ভাগ লোকেরই মনে থাকে না। তবে চার বছর বয়সের

সায়েবদের ক্রিসমাস আর আমাদের বড়দিন, কোনো উদযাপনের সঙ্গেই তাল রাখতে পারি না আর। গোল কাঁচের ঢাকনাওয়ালা দিশি ওভেনে মায়ের হাতের কাজু-কিসমিস দেওয়া কেক কিংবা তেত্রিশ

আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে যে বই পড়ে বা গান শুনে আমার ঠিক কি রকম অপার্থিব আনন্দ হয় সেটা বলে বোঝাতে হবে, আমি পারব না।

সময়কে আমি একটুও ভালবাসি না। আসলে এমন ছটফটে, পলায়নী মনোবৃত্তি সম্পন্ন লোককে আমার একটুও পছন্দ নয়। ধরে বেঁধে, খোশামোদ করে, ভয় দেখিয়ে কোনওভাবেই যাকে আটকে

২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পুজোর নির্ঘন্ট অনুযায়ী আজ ষষ্ঠী। হুতোমপেঁচি বিরসবদনে নতুন কাপড়টি পরে, অনেক হিসেব করে আব্রু বাঁচিয়ে হাঁটু অবধি সেই শাড়ির পাড় উত্তোলিত করে

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ গতকাল রাত বারোটা থেকে আজ ভোর ছ’টা পর্যন্ত কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রান্তে গড়ে আড়াইশো মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। মেঘভাঙা বৃষ্টি সচরাচর সমতলে

আজ প্রায় ছ’বছর বাদে আমার কর্মক্ষেত্র মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্কে ফের আয়োজন করা হয়েছিল বিশ্বকর্মা ঠাকুরের পুজোর। কোভিডের পরে এই প্রথম। ব্লাড ব্যাঙ্কে নানা যন্ত্রের

সম্প্রতি আমার এক বাল্যবন্ধুর সঙ্গে কথা হচ্ছিল ফোনে। কথা প্রসঙ্গে সে বলল –‘জানিস, কলকাতার সামাজিক চালচিত্তিরের অসম্পূর্ণ বৃত্তটা আজ পূর্ণ হয়ে গেল’। আমি বললাম –‘কি

খুব ছোটবেলায়, মামার বাড়ির ঠাকুরদালানে জগদ্ধাত্রী পুজোয় আলপনা আঁকতে শিখিয়েছিল ছোট মাইমা। আর একটু বড় হয়ে ইশকুলে যখন কিছুতেই দাঁত ফোটাতে পারছিলাম না কেমিস্ট্রিতে (অথচ

আজ একটি শোচনীয় মৃত্যুকাহিনীর মুখোমুখি হলাম কর্মক্ষেত্রে। মৃত্যু নয়, হত্যা। ঘাতকের নাম বাইপোলার ডিজর্ডার — একপ্রকারের মনোরোগ। অবিরল বৃষ্টির ময়লা, বিষণ্ণ আবহে মন আরও দ্রব

লেখাপত্র বন্ধ রয়েছে বেশ কিছুদিন। অন্তরের তাগিদ আসছে না একেবারেই। নিজস্ব লেখা দূরস্থান — সমাজমাধ্যমের বন্ধুদের পোস্টে মন্তব্যটুকুও করে উঠতে পারছি না। আমার নিউজফিডে যাঁদের

১ অঘ্রাণের শেষ। সরু আলপথের দু’ধারে দিগন্তবিস্তৃত ক্ষেতের ফসল কেটে নেওয়া সারা। যেদিকে দু’চোখ যায়, হালকা হলদে রঙের নাড়া পড়ে রয়েছে মাঠ জুড়ে। সুমিত সাবধানে

‘কথা কও, কথা কও অনাদি অতীত অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও?’ খুব ছোটবেলার কথা বেশির ভাগ লোকেরই মনে থাকে না। তবে চার বছর বয়সের

সায়েবদের ক্রিসমাস আর আমাদের বড়দিন, কোনো উদযাপনের সঙ্গেই তাল রাখতে পারি না আর। গোল কাঁচের ঢাকনাওয়ালা দিশি ওভেনে মায়ের হাতের কাজু-কিসমিস দেওয়া কেক কিংবা তেত্রিশ

আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে যে বই পড়ে বা গান শুনে আমার ঠিক কি রকম অপার্থিব আনন্দ হয় সেটা বলে বোঝাতে হবে, আমি পারব না।

সময়কে আমি একটুও ভালবাসি না। আসলে এমন ছটফটে, পলায়নী মনোবৃত্তি সম্পন্ন লোককে আমার একটুও পছন্দ নয়। ধরে বেঁধে, খোশামোদ করে, ভয় দেখিয়ে কোনওভাবেই যাকে আটকে

২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পুজোর নির্ঘন্ট অনুযায়ী আজ ষষ্ঠী। হুতোমপেঁচি বিরসবদনে নতুন কাপড়টি পরে, অনেক হিসেব করে আব্রু বাঁচিয়ে হাঁটু অবধি সেই শাড়ির পাড় উত্তোলিত করে

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ গতকাল রাত বারোটা থেকে আজ ভোর ছ’টা পর্যন্ত কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রান্তে গড়ে আড়াইশো মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। মেঘভাঙা বৃষ্টি সচরাচর সমতলে

আজ প্রায় ছ’বছর বাদে আমার কর্মক্ষেত্র মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্কে ফের আয়োজন করা হয়েছিল বিশ্বকর্মা ঠাকুরের পুজোর। কোভিডের পরে এই প্রথম। ব্লাড ব্যাঙ্কে নানা যন্ত্রের

সম্প্রতি আমার এক বাল্যবন্ধুর সঙ্গে কথা হচ্ছিল ফোনে। কথা প্রসঙ্গে সে বলল –‘জানিস, কলকাতার সামাজিক চালচিত্তিরের অসম্পূর্ণ বৃত্তটা আজ পূর্ণ হয়ে গেল’। আমি বললাম –‘কি

খুব ছোটবেলায়, মামার বাড়ির ঠাকুরদালানে জগদ্ধাত্রী পুজোয় আলপনা আঁকতে শিখিয়েছিল ছোট মাইমা। আর একটু বড় হয়ে ইশকুলে যখন কিছুতেই দাঁত ফোটাতে পারছিলাম না কেমিস্ট্রিতে (অথচ

আজ একটি শোচনীয় মৃত্যুকাহিনীর মুখোমুখি হলাম কর্মক্ষেত্রে। মৃত্যু নয়, হত্যা। ঘাতকের নাম বাইপোলার ডিজর্ডার — একপ্রকারের মনোরোগ। অবিরল বৃষ্টির ময়লা, বিষণ্ণ আবহে মন আরও দ্রব

লেখাপত্র বন্ধ রয়েছে বেশ কিছুদিন। অন্তরের তাগিদ আসছে না একেবারেই। নিজস্ব লেখা দূরস্থান — সমাজমাধ্যমের বন্ধুদের পোস্টে মন্তব্যটুকুও করে উঠতে পারছি না। আমার নিউজফিডে যাঁদের

১ অঘ্রাণের শেষ। সরু আলপথের দু’ধারে দিগন্তবিস্তৃত ক্ষেতের ফসল কেটে নেওয়া সারা। যেদিকে দু’চোখ যায়, হালকা হলদে রঙের নাড়া পড়ে রয়েছে মাঠ জুড়ে। সুমিত সাবধানে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে