Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ভবেশ চন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়: আমার মায়ের স্বপ্নপূরণের পঞ্চাশ বছর

IMG-20230109-WA0023
Dr. Sayan Paul

Dr. Sayan Paul

Oncologist
My Other Posts
  • January 10, 2023
  • 9:20 am
  • No Comments

আমার মা শ্রীমতী আরতি ভট্টাচার্য আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে একটা স্কুল শুরু করেছিলেন। তখন তিনি ত্রিশ-এর গন্ডি পেরোননি। সদ্য এম এ পাশ করে রিসার্চ করছেন, হাতে সরকারি কলেজের নিয়োগপত্র। কিন্তু মেয়েদের স্কুল তৈরি করার জেদ তখন পেয়ে বসেছে তাঁকে। সঙ্গী আরো ক’জন তরুণী–মনিকা মাসি, গৌরী মাসি ও আরো ক’জন। মাইনে পত্তর পাবার আশা নেই, বাড়ি থেকে চেয়ার টেবিল, মাদুর, পাটি নিয়ে শুরু হয় স্কুল। বাড়ি বাড়ি ঘুরে সংগ্রহ করা হয় ছাত্রী, তারা বেশির ভাগ সমাজের পিছিয়ে পরা বাড়ির মেয়ে, যাদের পড়াশোনার কথা কেউ কখনো ভাবেনি, কারণ তারা যে আর্থসামাজিক শ্রেণীর সেখানে মেয়েদের পড়াশোনার কথা ভাবা ছিল অসম্ভব।

এই ছাত্রী সংগ্রহ আমার মাকে অনেকদিন করতে হয়েছে। ছেলেবেলায় ভোর থাকতে উঠে আমি আর বাবা, মায়ের সংগে এই অভিযানে বেরোতাম। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা বোঝাতেন। সে মেয়ে তখন নেহাৎই শিশু হলেও হয়তো উপার্জন করে, সে যুগে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ হয়নি, সে শিশুর উপার্জন সংসার চালানোর জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই অবস্থায় সে বাড়ির মানুষদের রাজি করানো বড় সোজা কাজ ছিল না। প্রথমে ভাড়া বাড়ি তারপর স্থানাভাবে স্কুল উঠে যাবার উপক্রম। আবার মায়ের সঙ্গে আমি (তিন চার বছর বয়স আমার তখন) আর বাবা দরবার করতে চলেছি ডি এম, এস ডিও, পঞ্চায়েত-এর অফিসে। পাড়ায় পাড়ায়, গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে বোঝানো মেয়েদের স্কুল কত জরুরি। এই করে একদিন স্কুলের বাড়ি হল, সরকারি স্বীকৃতি হল। সে টিনের বাড়ি, মুলিবাঁশের দেওয়াল, নীচে বালি। গ্রীষ্মে প্রচন্ড গরমে মা প্রায় দিন মাইগ্রেনের ব্যাথা নিয়ে ফেরেন কিন্তু যতদিন ছাত্রীদের ঘরে ফ্যান লাগেনি টিচার্স রুমেও ফ্যান লাগান নি।

স্কুলটা ছিল আমাদের পরিবারের বর্ধিত অংশ। স্কুলের দিদিমণিরা আমার মায়ের বোন আর আমার সব মাসি (নিজের মাসি না থাকার অভাব তাঁরা কোনদিন বুঝতে দেননি) আর ছাত্রীরা আমার দিদি। একদম ছোট বেলায় সেই দিদিরা বিকেলে এসে আমাকে কোলে করে বেড়াতে নিয়ে যেত। মার অসুখ করলে সবাই দেখতে আসত। তারা নিজেরাই বিস্কিটের কৌটো খুলে বিস্কুট খেত, কুঁজো থেকে জল গড়িয়ে নিত। বহুদিন গিয়েছে মা বউ মাসি (মেট্রন)-কে দিয়ে চিঁড়ে মুড়ি বাতাসা আনিয়েছে স্কুলে সেই দিদিদের জন্য, তারা অনেকেই খেয়ে আসত না স্কুলে।

সেই স্কুল ধীরে ধীরে বড় হল। পাকা বিল্ডিং হল। ঘরে ঘরে ফ্যান আলো হলো। শয়ে শয়ে ছাত্রীরা পড়াশুনো করে, পাশ করে কলেজে গেল। মা সময় মেনে প্রধান শিক্ষিকার পদ থেকে অবসর নিলেন। কোন রাজনৈতিক দলের তাঁবেদারি করেননি। সে সময়ের শাসক দলের দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী নেতা নিজের অযোগ্য সন্তানকে অনৈতিক ভাবে শিক্ষিকা পদে ঢোকাতে প্রাণপণ চেষ্টা করলে মা রুখে দাঁডিয়েছেন। যোগ্য প্রার্থীর চাকরি পাওয়া সে নেতা গোষ্ঠী আটকাতে পারেনি। মা প্রাণনাশের হুমকির সামনেও অবিচল থেকেছেন। জীবনে আপোষ করেননি কোনদিন। তাই সরকারি বা বেসরকারি স্বীকৃতি হয়তো পাননি। কিন্তু যা পাওয়ার জন্য সারাজীবন কাজ করেছেন তা দুহাত ভরে পেয়েছেন।

এই পঞ্চাশ বছরে শয়ে শয়ে মেয়েরা পড়াশোনা শিখেছে, তারা বেশির ভাগ প্রথম প্রজন্ম যারা স্কুলে গিয়েছে। হয়তো হাজার প্রতিকূলতার সাথে যুদ্ধ করে তারা বিরাট বড় সাফল্য পায়নি, কিন্তু যে জ্ঞানের প্রদীপ এই স্কুল তাদের মধ্যে জ্বালিয়ে দিয়েছে তা নিশ্চয়ই পরবর্তী প্রজন্মকে সাফল্যের শিখর ছুঁতে সাহায্য করেছে।

আমার মায়ের এবং তাঁর কমরেড বাকি দিদিমণিদের এই পরিশ্রম এই ত্যাগ আজ হাজার হাজার ঘরে জ্ঞানের আলো, শিক্ষার আলো হয়ে জ্বলছে। আর একজন মানুষ যিনি সারাজীবন শুধু পাশে থেকে নয় সক্রিয় ভাবে নিরলস কাজ করে এই স্কুলের সংগে৷ থেকেছেন তিনি আমার বাবা। এই স্কুল আজ পঞ্চাশ বছর পূর্তি উৎসব করছে। “ভবেশ চন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়” কতিপয় শিক্ষিকার পরিশ্রমের ফসল, গর্বের সঙ্গে বলতে পারি আমার মা সেই শিক্ষিকাদের এবং শত শত ছাত্রীদের “বড়দি”।

PrevPreviousপ্রেগন্যান্সির সময় থাইরয়েডের সমস্যা কী ভাবে সামলাবেন?
NextСтавки На Спорт Онлайн Букмекерская Компания 1xbet ᐉ 1-x-bet ApresentandoNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

জনস্বার্থ-সচেতন চিকিৎসক: সবসময়েই সরকারের চক্ষুশূল!

February 10, 2026 No Comments

(এক) শ্রেণীবিভক্ত সমাজে ‘সরকার’ সবসময়েই রাষ্ট্রযন্ত্রের সেবাদাস ও পাহারাদার। ‘ইউনিয়ন’ সরকার হোক বা ‘রাজ্য’ সরকার। সরকারি ‘দল’-এ তফাৎ হয়। তার রঙ বদলায়। নেতৃত্ব পাল্টায়। সরকার

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বনাম সরকারি কর্মীদের ডি এ: বিষয়টি সত্যিই তাই?

February 10, 2026 No Comments

শিল্প থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গণ পরিবহন সমস্ত ক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনা তুলে বা নষ্ট করে দিয়ে সব কিছুর বেসরকারিকরণ (Privatization), ব্যক্তি বা পারিবারিক মুনাফাকরণ (Profiteering) এবং

পানিহাটি, ‘৭১

February 10, 2026 No Comments

(লং পোস্ট অ্যালার্ট) ১ নতুন বছর অপ্রত্যাশিত হিম নিয়ে নেমে এসেছিল আমার নিঃসঙ্গ যাপনের আঙিনায়। তারই মধ্যে একদিন মামাতো দিদির বিপন্ন, কিছুটা বিভ্রান্ত গলা পেলাম

এই মিছিল ডাক দেওয়ার অপরাধী, দুষ্কৃতী আর মদতদাতা শাসক নিপাত যাক

February 9, 2026 No Comments

পরিচিত সাথীদের খবর দিন। ডাক পাঠান।আমাদের মেয়ের জন্য, মেয়েদের জন্য নাছোড়, না হারা লড়াই চলছে। শরিক না হলে নিজের কাছে, নিজের মেয়ের কাছে, মা এর

“প্রতিবাদ প্রতিরোধে জোট বাঁধো”

February 9, 2026 No Comments

২০২৪ সালের ৯ই আগস্টের পর থেকে আজ পর্যন্ত সুদীর্ঘকাল অতিক্রান্ত; “অভয়া’র” মৃত্যু রহস্য উন্মোচন ও ন্যায়বিচারের দাবী-আজও অধরা! কবে এই নারকীয় বিভৎস ঘটনার ন্যায়বিচার মিলবে

সাম্প্রতিক পোস্ট

জনস্বার্থ-সচেতন চিকিৎসক: সবসময়েই সরকারের চক্ষুশূল!

Dipak Piplai February 10, 2026

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বনাম সরকারি কর্মীদের ডি এ: বিষয়টি সত্যিই তাই?

Bappaditya Roy February 10, 2026

পানিহাটি, ‘৭১

Dr. Sukanya Bandopadhyay February 10, 2026

এই মিছিল ডাক দেওয়ার অপরাধী, দুষ্কৃতী আর মদতদাতা শাসক নিপাত যাক

Abhaya Mancha February 9, 2026

“প্রতিবাদ প্রতিরোধে জোট বাঁধো”

Abhaya Mancha February 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

609297
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]