Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সাদা তোয়ালেঃ এক এনিমিয়া রোগীর গল্প

Blood donation hand vector illustration on a white background. An isolated flat icon illustration of blood donation hand with nobody.
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • December 4, 2019
  • 7:44 pm
  • No Comments

 

রাস্তা উঁচু হওয়ায় পানিহাটি হাসপাতাল তার ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে। এই ঘোর বর্ষাতেও ‘পানি হাটি’ হচ্ছেনা। বরঞ্চ স্কুটার নিয়ে শুকনো রাস্তা দিয়ে সোজা চলে যাচ্ছি এমারজেন্সির সামনে।
হাসপাতালের রাস্তায় মাছ ধরতে পারছেনা বলে অনেকেরই মন খারাপ। রিক্সাওয়ালাদের মন আরও খারাপ। আগে বর্ষার সিজিনে এই কোমর জলে ঢোবা রাস্তার কল্যাণে তাদের বেশ ভালই আয় হত।
তবে আমার খারাপ লাগছে না। তার প্রধান কারণ পায়ের চুলকানি রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছি। মাসের পর মাস জমা জল ভেঙে হাসপাতালে যাওয়ার ফলে গোটা বর্ষাকাল দুই পা চুলকাত। সে যেমন তেমন চুলকানি নয়। সেট্রিজিন, অ্যাভিল, ফেক্সোফেনাডিন সব ফেল মেরে যেত। নীচু হয়ে চুলকাতে চুলকাতে কোমরে ব্যথা হয়ে যেত। এবং সেই ব্যথা এখনও আছে। চুলকাতে গিয়ে জামার পকেট থেকে পড়ে একটি মোবাইল শহীদ হয়েছে।
তবে এটুকু ছাড়া পানিহাটি আছে পানিহাটিতেই। যাইহোক, জলের গল্প অন্য একদিন শোনানো যাবে। আজ ‘সাদা তোয়ালে’র গল্প শোনাব বলে লিখতে বসেছি। সেই গল্পে ফেরত আসি।
ওয়ার্ডে রাউন্ড দিতে ঢুকে আমার প্রথম কাজ বাড়ির লোককে ওয়ার্ড থেকে বের করা। আমাদের ছোটো হাসপাতাল। রোগীরা বেশীরভাগই স্থানীয়। তাদের বাড়ির লোকজন গেটম্যানের দূর্বল আপত্তি শুনতে চায়না। ওয়ার্ডে তাদের অবাধ যাতায়াত।
ওয়ার্ডে ঢুকেই আমি চিৎকার শুরু করি “বাড়ির লোক- বাইরে যান… বাড়ির লোক বাইরে যান…” আমার গলার আওয়াজ শুনেই ওয়ার্ডের সিস্টার  এবং আয়ারা আরও কুড়ি-ত্রিশ ডেসিবেল জোড়ে চিৎকার শুরু করেন। দু’চারজন গোঁয়ার ব্যক্তি থাকেন। তাঁরা কিছুতেই বার হতে চাননা।
কিন্তু আমরাও ছাড়ার পাত্র নই। যতক্ষণ না পর্যন্ত সব বাড়ির লোক বাইরে বেরচ্ছে ততোক্ষণ রোগীদেখা শুরু করিনা।
এই বাড়ির লোককে বার করার ব্যপারটা আমি শিখেছিলাম মেডিক্যাল কলেজে দীপাঞ্জন স্যারের কাছ থেকে। মেডিক্যাল কলেজে একিউট মেল ওয়ার্ডে পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ রোগীরা ভর্তি থাকত। মেঝে বারান্দা এমনকি বিছানার তলায় পর্যন্ত রোগী ভর্তি হত। আর রোগীর সংখ্যার দ্বিগুণ থাকত, তাদের বাড়ির লোক। কে যে বাড়ির লোক আর কে রোগী, মাঝে মাঝেই বোঝা অসম্ভব হয়ে উঠত। রোগীর বদলে রোগীর বাড়ির লোক ইঞ্জেকশান পেয়ে গেছে এমন ঘটনাও বিরল নয়।
দীপাঞ্জন স্যার ওয়ার্ডে ঢুকেই প্রথমে বাড়ির লোককে চিৎকার চেঁচামেচি করে বের করতেন। তাঁর একটা বিখ্যাত ডায়লগ ছিল, “এখানে থেকে কি করবি, তারচেয়ে তোরা বাড়ি গিয়ে একটু পড়াশুনো কর। একটু শিক্ষিত হ।”
আবার অন্যদিকে চলে যাচ্ছি। এবার সরাসরি গল্পে ফেরত আসি। গতকাল রাউন্ড দিচ্ছি মেয়েদের এক নম্বর ওয়ার্ডে। ওয়ার্ডে বেশ ভিড়। দুটি করে বেডে তিনজন করে রোগী আছে। বেশ কিছু রোগীকে ছুটি না দিলে এরপর নতুন রোগীকে জায়গা দেওয়া যাবে না।
গোটা তিনেক মেয়ে ঘুমের ট্যাবলেট, একজন ডেটল, আর দুজন ইঁদুর মারা বিষ খেয়ে ভরতি হয়েছে। সকলেই দিব্যি সুস্থ আছে। এদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হোল। বিষ খাওয়া রোগীদের ভগবানের নামে শপথ করে (মুসলমান হলে আল্লার নামে) বলতে হবে জীবনে আর ওসব খাবে না। তবেই ছুটি হবে।
তবে আজকাল ভগবান টগবান কেউ মানে না। তাই দুদিন বাদেই একই লোক আবার কেরোসিন তেল খেয়ে ভর্তি হয়।
দ্রুত রোগী দেখছি। আরও দুটো ডাইরিয়ার ছুটি হোল। একজন জ্বরের রোগীর রাতের পর আর জ্বর আসেনি। স্ট্রোকের রোগীটি অনেকদিন ভর্তি আছে। উন্নতি অবনতি কিছুই হচ্ছে না। একেও বাড়ি পাঠাই। দশটা ছুটি হোল। আরও গোটা পাঁচ ছয়েক ছুটি হলে ওয়ার্ডটা একটু খালি হবে।
একজন ত্রিশ বত্রিশ বছরের মহিলা ভর্তি হয়েছে। ভয়ংকর দুর্বলতা। মাথা তুলে বসতেই পারছে না। চোখের পাতা টেনে দেখলাম একদম সাদা। সিভিয়ার অ্যানিমিয়া। সংক্ষেপে ইতিহাস নিলাম। কোনও জায়গা থেকে রক্ত পরে না। মাসিক খুব কম হয়। জ্বর আসেনা। সেরকম উল্লখযোগ্য কিছু নেই। হিমোগ্লোবিন সহ দরকারি পরীক্ষা করতে দিলাম। মনে হচ্ছে দু-তিন বোতল রক্ত দিতে হবে।
একজন রোগীর পেছনে খুব বেশী সময় ব্যয় করা যাবে না। এখনও তিনটে ওয়ার্ড বাকি। পরের রোগীর কাছে চলে আসলাম। কিন্তু মনের মধ্যে একটা কিছু খচ খচ করছিল। আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলে দিচ্ছিল কিছু একটা গণ্ডগোল আছে। যেটা আমি ধরতে পারছি না।
দুপুর দুটো নাগাদ ছুটি লেখা শেষ করে ঐ মহিলা রোগীর কাছে গেলাম। এখন হাতে সময় আছে। একটু ভালভাবে দেখা যাবে।
রোগী এবং রোগীর আশপাশ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে খচ খচানির কারণ বুঝতে পারলাম। খচখচানির কারণ একটি ধপধপে সাদা তোয়ালে।
মহিলাটিকে দেখলেই বোঝা যায় তার বসবাস দারিদ্রসীমার নীচে। পরনের শাড়ি রংচটা, ময়লা। অনেক জায়গায় ফেঁসে গেছে। চামড়ায় জায়গায় জায়গায় হাজা হয়েছে। গা থেকে বোটকা গন্ধ বেরুচ্ছে। চেহারায় অপুষ্টির ছাপ।
অথচ মেয়েটির পায়ের কাছে একটি নতুন ছোট সাইজের ট্রাভেল ব্যাগ। সেটির চেন খোলা। এবং তার থেকে উঁকি মারছে একটি ধপধপে সাদা তোয়ালে।
মেয়েটির সাথে এই ব্যাগ কিছুতেই মেলানো যায় না। বুঝলাম এরজন্যই আমার মনে অস্বস্তি হচ্ছিল।
মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলাম, “এই ব্যাগ, এই তোয়ালে কোথায় পেলে?”
মেয়েটি কিছুতেই বলতে চাইছে না। আমি ভাবছি বেশি জোরাজুরি করা উচিৎ হবে কিনা। যদি বলে বসে, আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে আপনি এত মাথা ঘামাচ্ছেন কেন?
অবশেষে মেয়েটি বলল, গত পরশু এক স্বেচ্ছায়(!) রক্তদান শিবিরে রক্ত দিয়ে সে ওই দুটি মহার্ঘ্য বস্তু পেয়েছে।
গত এক বছরে সে বেশ কয়েকবার রক্ত দিয়েছে। এবং তার বিনিময়ে দেওয়াল ঘড়ি, টিফিন বক্স, কাপ সেট ইত্যাদি পেয়েছে। সঙ্গে বিরিয়ানির প্যাকেট।
কোনো মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে সে রক্ত দেয়নি। শুধু জিনিসগুলি পাওয়ার লোভে সে রক্ত দিয়েছে। এমনকি এক মাসে দুবার পর্যন্ত রক্ত দিয়েছে।
দীর্ঘশ্বাস চেপে ওয়ার্ড থেকে বেড়িয়ে এলাম। কাকে গালাগালি দেব। এই মেয়েটাকে, রক্তদান শিবিরগুলোর উদ্যোক্তাদের, নাকি মেয়েটির অভাবের কারণ যারা তাদের। তাদের মধ্যে কি আমি নিজেও পড়ি না।
গেটের সিকিউরিটির জয়ন্তদা অনেকদিন ধরেই হাসপাতালে একটা রক্তদান শিবির করার কথা বলছে। রক্ত দেওয়ার  পর শুধু একপিস সেদ্ধ ডিম আর এক গ্লাস দুধ। ব্যাস।
আমিই বলেছিলাম, একটা মেমেন্টো অন্তত না দিলে লোকে রক্ত দিতে উৎসাহ পাবে কেন?
এখন দিনের আলোর মত স্পষ্ট বুঝতে পারছি জয়ন্তদাই ঠিক।
PrevPreviousআত্মহত্যাঃ আমি জেনেশুনে ধূম করেছি পান
Nextসাপ আতঙ্ক ভয় না ভূতের কেত্তন, কোনটা ?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

থ্রেট কালচার ২.০ সরকার বদলেছে, শাসনের কায়দা কি বদলেছে?

November 3, 2026 No Comments

কিছুদিন আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পাশে নারায়ণ স্বরূপ নিগমকে বসিয়ে সংবাদমাধ্যমে বলছিলেন, সরকার বদলালেও থ্রেট কালচার এখনও বিদ্যমান। মন্ত্রীর সেই বক্তব্য শুনে অবশ্য বোঝার উপায় ছিল না

আমরা মানুষকে মেরে ফেলার জন্য নয়, বাঁচানোর জন্য এই পেশায় আছি

November 3, 2026 No Comments

Coincidence বা সমাপতন বলে একটা শব্দ আছে যার একটা অন্য নাম “কাকতালীয়”। কাক ডেকে উঠলো আর তার পরেই তালগাছ থেকে পাকা তাল টুপ করে খসে

বেতুলের মৃত গাছেদের প্রতি……

November 3, 2026 No Comments

একসঙ্গে ২৫০০০ গাছের মৃত্যু। এদেশে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও পৃথিবীর সবুজ রঙের মলাটটাকে নানান বাহানায় ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। পৃথিবীর বুক থেকে কমছে সবুজের পরিসর।

চার আঙুল নিয়েই চার বার

November 2, 2026 No Comments

বিষয়টি কিছুটা স্থূল হলেও এই নিয়ে চর্চা ইত্যাদি ব্রাজিলের রাজনীতিতে সুবিদিত। চতুর্থবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত ব্রাজিলের জনপ্রিয় শ্রমিক এবং জাতীয় নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা

নতুন সংকটের সামনে তেলেঙ্গানার কৃষি

November 2, 2026 No Comments

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব এসে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে বেশ খানিকটা বৃষ্টি ঝরিয়ে দিয়ে গেলেও দেশের মধ্য – দক্ষিণ ভাগের একটা বড়ো অংশ জুড়ে রীতিমতো খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি

সাম্প্রতিক পোস্ট

থ্রেট কালচার ২.০ সরকার বদলেছে, শাসনের কায়দা কি বদলেছে?

West Bengal Junior Doctors Front November 3, 2026

আমরা মানুষকে মেরে ফেলার জন্য নয়, বাঁচানোর জন্য এই পেশায় আছি

Dr. Samudra Sengupta November 3, 2026

বেতুলের মৃত গাছেদের প্রতি……

Somnath Mukhopadhyay November 3, 2026

চার আঙুল নিয়েই চার বার

Bappaditya Roy November 2, 2026

নতুন সংকটের সামনে তেলেঙ্গানার কৃষি

Somnath Mukhopadhyay November 2, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

698320
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]