Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দিনলিপি

IMG_20221129_004345
Dr. Parthapratim Gupta

Dr. Parthapratim Gupta

General physician. Clinical associate in a corporate hospital.
My Other Posts
  • November 29, 2022
  • 11:28 am
  • No Comments

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২

রাত দেড় টা বাজে। পার্কিং লটে বিশ্রামরত গাড়িটার গায়ে হেলান দিয়ে আকাশ দেখছিলাম আমি। রাতের অন্ধকারে হাসপাতালের বিপরীতপ্রান্তে বিস্তৃত মাছের ভেড়ির মধ্যে এক টুকরো চাঁদের আলো এসে পড়েছে। ছিপছিপে জ্যোৎস্নায় চিকচিক করছে সেই স্থবির জলরাশি। কোথাও কোন ঢেউয়ের ওঠানামা নেই। রাস্তার পার্শ্ববর্তী সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা গাছের দলগুলির মধ্যেও নেই কোন হেলদোল। সেরকমভাবে বাতাসও বইছে না তেমন। শুধু হেমন্তের আদুরে হিমেল পরশে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে কয়েক ঘর।

সব কিছু যেন বড্ড সুস্থির।

কিন্তু আসলে তা নয়।

গরম কফিতে আলতো চুমুক দিতে দিতে মাঝরাত্তিরে এই ভাবেই একটু প্রকৃতি নিরীক্ষণ চলছিল আমার। নাইট ‘অন কল’ -এর তাড়নায় ঘুম চোখে বিছানা থেকে উঠে আসতে হলো বেশ কিছুদিন পর। রোগী দেখা শেষ করে এবার বাড়ি ফেরার পালা। তার আগে একটু কফির কাপ হাতে মাঝরাতের মৌতাত। চুপকথাদের জাগিয়ে তোলা।

ফুটবল বিশ্বকাপের গরমাগরম বাজারে হাসপাতালে ইমার্জেন্সি একটু খালি খালি আজ। একটু আগেই মস্তিষ্কে স্ট্রোক হয়ে সোনারপুরের প্রলয়বাবু এসে পৌঁছেছেন আমাদের হাসপাতালে। সংজ্ঞাহীন রোগীর শ্বাসনালীতে টিউব পড়িয়ে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন আপৎকালীন ডাক্তারবাবুরা। তাঁদের উৎসাহ দিয়ে আমি ব্যস্ত হয়ে পড়লাম রোগীর সিটি স্ক্যান রিপোর্ট নিয়ে। অপারেশন না শুধুমাত্র ওষুধের মাধ্যমে পরবর্তী চিকিৎসা চলবে রোগীর, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে, দীর্ঘ আলোচনা চললো সিনিয়র এবং রোগীর স্বজনদের সঙ্গে।

সেই সমস্ত কথোপকথন এবং রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত পরিকল্পনা শেষ করে বেরিয়ে আসছি হাসপাতাল থেকে, দেখা হয়ে গেল শৌনকের সঙ্গে।

শৌনক, আমাদের হাসপাতালের কফি শপের রাতজাগা প্রহরী।

-স্যার,অনেকদিন পর এলেন?

-হ্যাঁ ঠিক ধরেছিস। মাঝরাতে না এলে, তোর সাথে তো আবার দেখা হয় না!

– বিশ্বকাপের কারণে কিনা জানি না, একদম ফাঁকা বাজার, স্যার। এক কাপ কফি চলবে?

– খাওয়াবি কফি? মাঝরাতে কফি খেলে আবার আমার ঘুম আসবে না। সকাল সকাল অপারেশন রয়েছে আগামীকাল।

শৌনক সে কথাকে বিশেষ পাত্তা না দিয়ে ভেন্ডিং মেশিন থেকে এক কাপ কফি বানিয়ে দিলে আমার জন্য।

গত বছরের শেষ দিকে যখন ওমিক্রনের ঢেউ আছড়ে পড়েছে কলকাতা শহরে তখন থেকেই দেখছি আমি ছেলেটাকে।রাতবিরেতে মাঝে মাঝে হাসপাতালে এলে , প্রায়শই ওর সঙ্গে দেখা হতো তখন। চতুর্দিকে রোগ আর সংক্রমণের করাল ছায়ার মধ্যেও হাসিমুখে পরিষেবা চালিয়ে যেতো শৌনক । উদ্বেগের আবহে কোভিড বিধি মেনেই চলতো দোকানের বেচা কেনা। কানে সর্বদা ইয়ারফোন গোঁজা থাকলেও তাতে ক্রেতাদের কখনো অসুবিধা হয় নি।

মাঝেমধ্যে রাতের অন কলে কফি খেতে খেতে কখন যেন টুকটাক জেনে গিয়েছি ওর সম্পর্কে। ছেলেটি কলেজে পড়ে, এখনো গ্র‍্যাজুয়েশন শেষ করতে পারেনি। কোভিডের থাবা য় আচমকা বাবা মারা যাওয়ার ফলে পরিবারে এসে পড়েছে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ । মা আর ছোট বোনের সংসারে, দিনের বেলা পড়াশোনা চালানোর সাথে সাথে রাতের এই ‘অড জব’ টা তাই বেছে নিয়েছে সে । বারুইপুরের বাড়ি থেকে এতদূর এসে কাজ করাটা অসুবিধাজনক হলেও, রোজগারের প্রয়োজনে কাজটা চালিয়ে যেতেই হবে ওকে।

এতদিন পড়াশোনার খরচ চালানো’র লোকটাকেই যে কোভিড কেড়ে নিয়েছে!

দাম মিটিয়ে কফির কাপ হাতে বেরিয়ে এলাম বাইরে। অতিমারির দাপট কমে যাওয়ায় রাতের হাসপাতাল এখন অনেক শান্ত। সেই চাপা উদ্বিগ্ন ভাবটাও কমে গিয়েছে রোগী কমার সাথে সাথে। মূল ফটকগুলির সামনে বিক্ষিপ্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকা সুরক্ষা কর্মীরা আড্ডায় ব্যস্ত। ভিতরে বসে থাকা রোগীর আত্মীয় স্বজনেরা কেউ ঝিমোচ্ছেন অথবা কেউ ব্যস্ত মোবাইল ফোনে।

অসুস্থ প্রলয় বাবুকে ইন্টেনসিভ কেয়ারে ভর্তি করে, বেরিয়ে এসে তাঁর আত্মীয়-বন্ধুরা ব্যস্ত পরিবারের অন্য মানুষদের সেই খবরাখবর জানাতে। সম্ভাব্য টাকা পয়সা খরচের একটা হিসাব পত্র করছেন হয়তো।

ক্যান্সারের রোগী প্রলয়বাবু ব্লাড প্রেশারের ওষুধ বন্ধ করে দিয়েই এই বিপত্তি নিয়ে এসেছেন হঠাৎ ।

এইসব চিন্তা নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরোলে কিন্তু বাইরের পৃথিবীটা একেবারেই অন্যরকম লাগে।বিশ্বকাপের বাজারে এই মাঝরাতেও অনেক বাড়িতে টেলিভিশন চলছে এখন। হৈ হৈ করে পার্টিতে মজেছে অর্ধেক পৃথিবী। আলো আঁধারে হাসপাতালের পার্কিং লট থেকে, দূরের আকাশ ছোঁয়া বাড়িগুলির খুদে খুদে জানালা থেকে রাতের অন্ধকারে চুঁইয়ে পড়ছে উচ্ছ্বাসের আলো। জেগে রয়েছে আনন্দের পল অনুপল।

সেখানে একই ধরিত্রীর অন্যপাশে হাসপাতালের আই সি ইউ-তে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা খেলছেন আরও কিছু মানুষ। কফি শপে বা অন্য কোন পেশায় এই রকম ‘অড জব’ করে জীবন যুদ্ধে টিঁকে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শৌনকের মতো যুবকেরা। কিছু চিকিৎসক মধ্যরাতের নীরবতার মাঝে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন কোন মৃত্যুপথ যাত্রীর হাত আঁকড়ে ধরার।

তবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এভাবেই ঘুরতে থাকে ঘড়ির কাঁটা। কেটে যায় দিন, মাস আর বছর। এই বৈপরীত্য নিয়ে বেঁচে থাকার নামই তো জীবন। তাই না?

আকাশের দিকে তাকাই আবার। খুদে খুদে তারার দল উঁকি মারছে আধো অন্ধকার থেকে। ফুটফুটে চাঁদটা বোধহয় হাসপাতাল বিল্ডিং-এর অন্য পাশে গিয়ে লুকিয়েছে।

ইঞ্জিন স্টার্টের আওয়াজে নৈঃশব্দ্য ভেঙে যায় খানিক। হেড লাইটের আলোয় পরিষ্কার পথঘাট। মাঝরাতের বাইপাসে চলমান ভারী ভারী ট্রাকগুলিকে সাথে নিয়ে এবার বাড়ি ফেরার পালা।
আবার কাল ফিরে আসার জন্য, একবুক আশা নিয়ে।

PrevPreviousরবি ঘোষ
NextMosbet: Onlayn Kazino Və Idman MərclərNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

এভাবে কি damage control সম্ভব?

October 20, 2026 No Comments

আমরা পরিষ্কার ভাবে জানতে চাইছি, ঠিক কী কী কারণে মেডিকেল কলেজ থেকে অ‍্যাপোলো হাসপাতালে রোগীদের স্থানান্তরিত করা হলো। জুনিয়ার ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ‍্য দপ্তর থেকে নির্দেশ

বকতিয়ার খিলজি, হিটলার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার

October 20, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুজোয় বুকস্টলের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে নামা দেখে দুজন ব্যক্তির কথাই মনে আসছে। এই দুই কুখ্যাত ব্যক্তি হলেন বকতিয়ার খিলজি ও হিটলার। বকতিয়ার খিলজি

বাঙালি কি এভাবে বইয়ের স্টলে বসে বসে মার খাবে?

October 20, 2026 No Comments

দুর্গাপুজোয় রাজ্য জুড়ে একটার পর একটা বামদের বুক স্টলে হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ দেখে মনে হচ্ছে বাঙালি নিজেকে খুবই অসহায়, নিরুপায়, অভাগা, ভীত সন্ত্রস্ত বলে মনে করছেন।

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর!

October 19, 2026 1 Comment

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর। (খেয়াল করুন, অর্বাচীন মাকুদের মতো করে – মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আজ যাদের বইয়ের স্টল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, সেই

বিট্টু তাবাহি – অসচেতন দেশে এক বিরল চেতনার নাম।i

October 19, 2026 1 Comment

আপনারা কি সুরেন্দ্র সিং চৌধুরীর নাম শুনেছেন? শোনেননি তো? না, না! এই না শোনাটা কোনো অন্যায় নয়। খুব কেউকেটা মানুষ নয় সুরেন্দ্র। এদেশে নামের পাশে

সাম্প্রতিক পোস্ট

এভাবে কি damage control সম্ভব?

Dr. Amit Pan October 20, 2026

বকতিয়ার খিলজি, হিটলার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার

Dr. Aindril Bhowmik October 20, 2026

বাঙালি কি এভাবে বইয়ের স্টলে বসে বসে মার খাবে?

Parichay Gupta October 20, 2026

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর!

Dr. Bishan Basu October 19, 2026

বিট্টু তাবাহি – অসচেতন দেশে এক বিরল চেতনার নাম।i

Somnath Mukhopadhyay October 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

692582
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]