Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

শিশুর একজিমা ও তিনটি সংলাপ

baby-eczema-on-face
Dr. Jayanta Das

Dr. Jayanta Das

Dermatologist
My Other Posts
  • June 28, 2023
  • 8:38 am
  • No Comments

সংলাপ ১
.
— ডাক্তারবাবু, একজিমা নয়তো?

— হ্যাঁ, একজিমাই তো।

— কি সব্বোনাশ! একজিমা?

— সব্বোনাশ? কেন, সর্বনাশের কী হল?

— একজিমা মানেই সারবে না। হাঁপানি হবে। নোংরা রোগ একটা।

— সারবে তো! না সারার কী আছে। আর হাঁপানি? হ্যাঁ, আপনার বাচ্চার যে একজিমা হয়েছে সেটার নাম অ্যাটোপিক একজিমা। অ্যাটোপি সারা দেহের একটা রোগ। যাদের অ্যাটোপিক একজিমা হয় তাদের হাঁপানি হবার সম্ভাবনা একটু বেশিই থাকে।

— তাহলে কি ওর একজিমার চিকিৎসা করাব না? মানে বলছিলাম কি, হোমিওপ্যাথি দেখাই?

— কেন? সব ব্যাপারেই তো আমাদের, মানে আপনার ভাষায় অ্যালোপ্যাথি ডাক্তারদের দেখান। হঠাৎ হোমিওপ্যাথির ওপর ভক্তি?

— মানে শুনেছি তো অ্যালোপ্যাথিতে স্টেরয়েড দেয়…

— তা দেয়। তো?

— স্টেরয়েড! মানে, এক্কেবারে স্টেরয়েড? খুব জোরালো ওষুধ যে ডাক্তারবাবু, ঐটুকু বাচ্চাকে দিলে সে কি আর…

— বাচ্চাকে তো বাচ্চার ডোজেই স্টেরয়েড দেওয়া হবে, বড়দের মাপে তো আর নয়। সেটুকু বাচ্চারা সবাই সহ্য করতে না পারলে স্টেরয়েড ওষুধটাই বাচ্চাদের জন্য কবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দিত।

— ইঞ্জেকশন দেবেন নাকি?

— না। ইঞ্জেকশন দেবার দরকার হয় না বললেই চলে।

— তবে সিরাপ?

— তাও এখন দেব না। দেব মলম।

— মলম তো বাইরের থেকে চিকিৎসা। আপনি যে বললেন এই রোগটা সারা দেহের?

— মলম চামড়ার মধ্যে দিয়ে দেহের মধ্যে গিয়ে কাজ করে। অসুখ যেটুকু চামড়ায়, মলম সেটুকু চামড়ায় দিলেই চলে। ইঞ্জেকশন দিলে সাধারণত সারা শরীরেই ওষুধটা ছড়িয়ে পড়ে, মলমে কেবল দরকারের জায়গায়।

— মলম চামড়ার মধ্যে দিয়ে দেহের ভেতরে চলে যায়? তাহলে তো ইঞ্জেকশনের মতোই হল যে, ডাক্তারবাবু। আপনি বলুন, এরকম স্ট্রং ওষুধ, তারপর ইঞ্জেকশন না হলেও অনেকটা ইঞ্জেকশনের মতোই… ঐটুকু তো বাচ্চা…

— কী জ্বালা! মলম আবার ইঞ্জেকশনের মতো হতে যাবে কেন। মলম মলম, আর ইঞ্জেকশন হল ইঞ্জেকশন। আরে, ঘাবড়ে গেলেন নাকি। না, না, মজা মারছি না। আচ্ছা বলুন তো, এই একটা টিউব মলম, এতে কতোটা ওষুধ থাকে?

— বলতে পারলে তো আমিই আপনার চেয়ারটায় বসতাম।

— আরে, আপনি এবার বোধহয় রেগেই গেছেন। আচ্ছা, আমি বলছি। একটা ইঞ্জেকশনে যতটা ওষুধ থাকে, ধরে নিন তার ছোটো এক অংশ থাকে এই গোটা টিউবে।

— তাতে কী?

— তাতে এই যে, মলমটা আপনার মেয়ে লাগাবে দশদিন কি পনেরো দিন ধরে। ইঞ্জেকশন দিলে রোজ ধরুন গোটা একটা ইঞ্জেকশন দিতে হতো। একটা ইঞ্জেকশনে একদিনে যতোটা ওষুধ বাচ্চার শরীরে যেত তার একটা অংশ মাত্র মলম দিয়ে যাচ্ছে, তাও একদিনের জায়গায় দশদিন ধরে। আবার তারও পুরোটা শরীরে অ্যাবজর্ব হচ্ছে না, মানে, শোষিত হচ্ছে না। কী, খুশি?

— কিন্তু মলম দিয়ে তো রোগটাকে চেপে দেবেন?

— চেপে দেব না তো কি রোগটাকে আল্লাদ দিয়ে মাথায় তুলব?

— না, ওঁরা যে বলেন রোগটাকে চেপে না দিয়ে বের করে দেওয়াই ভালো?

— হ্যাঁ, আপনার ঐ একরত্তি মেয়ে সারাদিন সারারাত চুলকোবে, ঘুমোতে পারবে না, ঘা হবে, ইনফেকশান হয়ে পুঁজ হবে, সেটাই আপনার ভালো লাগবে তো? তাহলে বাড়ি যান, রোগ বের করার জন্য আলাদা করে চেষ্টা করতে হবে না। ওষুধ না দিলে এমনিই বেরবে।

— আরে এবার দেখি আপনিই চটে যাচ্ছেন! ওঁরা যে বলেন, রোগটাকে চামড়ায় বেরোতে না দিলে ঐসব হবে। মানে হাঁপানি, আরও কী সব, সে সব ভারী জটিল রোগ যে!

— তা বের করে দিলে সেগুলো হবে না?

— কী জ্বালা ডাক্তারবাবু, আপনিই তো বললেন, আমার মেয়ের একজিমা হয়েছে মানে হাঁপানি হবার চান্স বেশি।

— তা চান্স তো বেশিই। কিন্তু সেটা কমানোর উপায় কি একজিমা না সারিয়ে রেখে দেওয়া?

— চেপে দিলেই তো পরে অন্যপথে বেরিয়ে আসবে… মানে ওঁরা যে বলেন…

— ওঁরা কী বলেন তার চাইতে বেশি কাজের কথা হল, কী ঘটে। একজিমা রোগীকে চিকিৎসা করে সারিয়ে দিলে, বা তার কষ্টগুলো কমিয়ে দিলে, হাঁপানি হবার চান্স মোটেই বাড়ে না।

— বলছেন?

— বলছি মানে? এটা আমার মুখের কথা নয়। অনেক রোগীকে দেখে, বছরের পর বছর ধরে তাদের অবসারভেশন করে, মানে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে, খুব নিশ্চিত সিদ্ধান্তে আসা গেছে যে একজিমার চিকিৎসা করলে হাঁপানি হবার সম্ভাবনা বাড়ে না।

— কিন্তু শুধু তো ওঁরা নন, অনেকেই বলেন। মানে বয়স্ক মানুষরা সব বলেন, আর তাঁরা অভিজ্ঞতায় দেখেছেন বলেই না বলছেন।

— আসলে অভিজ্ঞতায় আমরা যা দেখি সেটা সবসময় পুরো সত্যি নয়। আমরা এক কথায় বলি, অ্যাটোপি। সেটা হলো একটা প্রবণতা। অ্যাটোপিক একজিমা রোগটা চামড়ায় দু-একটা জায়গায় দেখা দিলেও সেটা আসলে সারা শরীরের ব্যধি। সেই ব্যধি যখন চামড়ার মধ্যে দিয়ে ফুটে বেরোয়, তখন হয় অ্যাটোপিক একজিমা। যখন নাকের মধ্যে হয়, তখন হয় অ্যালার্জিক সর্দি-হাঁচি। আর যখন ফুসফুসের শ্বাসবাহী নালীর মধ্যে দিয়ে হয় …

— তখন হয় হাঁপানি, মানে অ্যাজমা, তাই তো ডাক্তারবাবু?

— একদম ঠিক। বাঃ, এইবার তো বুঝেই গেছেন।

— কোথায় আর বুঝলাম? চামড়ার মধ্যে দিয়ে হওয়াটা চেপে দিলে তো সেই প্রবণতাটা কোথাও-না-কোথাও দিয়ে বেরোবেই? তার মানে সেই হাঁপানি!

— উফ, চেপে দেওয়া আর বেরিয়ে যাওয়া, এর বাইরে আপনাকে টানাহ্যাঁচড়া করেও বের করতে পারছি না। এবার তাহলে আপনি আমার ঘর থেকেই বেরিয়ে যান।

— সে কি কথা ডাক্তারবাবু, শোনাই তো হল না হাঁপানি না হলে প্রবণতাটা, মানে আপনি যাকে বলেন অ্যাটোপি, সেটা কী করবে!

— যান বলছি মশাই, নইলে মুশকিল হবে, হ্যাঁ। আপনার কথা শুনে আমার ভয়ানক রাগ হচ্ছে, আপনাকে যাচ্ছেতাই গালাগালি করে ফেলতেই হবে।

— কী যে বলেন, আপনার মুখ থেকে গালাগালি? বেরোতেই পারে না।

— কিন্তু গালাগালি না করলে রাগটা তো থেকে যাবে। তখন আপনাকে দুমদাম মেরেও দিতে পারি। তার চাইতে দুটো গাল দিই, কেমন?

— আরে দূর, আপনি রাগ ঠিক হজম করে এখুনি হাসিমুখে বসবেন, এ আমি বেশ জানি।

— আপনার মেয়ের অ্যাটোপিও তাই, আমার মতন।

— মানে?

— একজিমা হয়ে অ্যাটোপির রাগ বের করতে না দিলে সে কিছুদিন পরে সেই রাগ হজম করে ফেলবে।

— তাই? কেমন করে জানলেন?

— ঐ যে বললাম, অনেক রোগীর ওপর অবজারভেশন বা নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ চালিয়ে। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি, বয়স্ক মানুষেরা যে বলেন, একজিমা সারিয়ে দিল আর হাঁপানি হল, সেটা তাঁরা নেহাত মিথ্যে কথা বলেন না।

— ঐ দেখুন ডাক্তারবাবু, আপনি নিজেই আবার ওঁদের মতো কথা বলছেন। কী সব্বোনাশ!

— হ্যাঁ, পুরো কথাটা না শুনলে ভারি সব্বোনাশ। বয়স্ক মানুষেরা যা দেখেছেন সেটা ঠিকই বলেন, সে হিসেবে মিথ্যে বলেন না। কিন্তু একজিমার পর হাঁপানি— এই রোগদুটো পরপর ঘটার কারণ অন্য। অনেক অ্যাটোপির রোগীর ছোটোবেলায় অ্যাটোপিক একজিমা হয়, একটু বড় বয়সে সেটা কমে যায়, আর সেই সময়েই হয় হাঁপানি। একজিমা যা হোক কিছু চিকিৎসা তো হয়ই, লোকে মনে করে চিকিৎসায় চামড়ার রোগ সারল, আর তার ফলেই হাঁপানি হল। কিন্তু চিকিৎসা না করলেও ব্যাপারটা একই হতো, সেটা …

— অনেক রোগীর ওপর অবজারভেশন বা নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ চালিয়ে দেখা গেছে, তাই না ডাক্তারবাবু?

— একদম তাই। সুতরাং, কী করবেন?

— একজিমার চিকিৎসা করব। কিন্তু ডাক্তারবাবু, কদিনে সারবে?

— আপনার মেয়ের তেমন বেশি তীব্র রোগ হয় নি, ওর কষ্টগুলো দু-চার সপ্তাহে প্রায় পুরোই কমে যাবে। পুরো সারতে অবশ্য কতোটা সময় লাগবে তা বলা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে হাঁপানি বা সর্দি-কাশির ধাত হবে কিনা, সেও এখন বলতে পারব না।

— সে তো বুঝতেই পারছি ডাক্তারবাবু, আপনারা অত মোটা মোটা বই পড়েও সব কি আর জানতে পেরেছেন? সেটা মেনে নিতেই হবে। যাকগে, এখন কী করব?

— ওষুধ কিনবেন।

— ওষুধ? মানে স্টেরয়েড?

— হ্যাঁ, লাগানোর স্টেরয়েড মলম, আর মুখে খাবার অ্যান্টিহিস্টামিন। আরেকটা মলম দেব, ময়েশ্চারাইজার, সারা গায়ে লাগাতে হবে।

— অ্যান্টিহিস্টামিন? মানে অ্যালার্জির ওষুধ? খুব ঘুমোবে তো?

— তা ঘুমোক না। ও তো এখনও স্কুলে ভর্তি হয় নি, একটু আরামে ঘুমোক। চুলকানির কষ্ট পাবে না।

— অনেক জ্বালালাম ডাক্তারবাবু।

— তা জ্বালালেন। দুসপ্তাহ পরে যখন আসবেন তখন মনে করে আরেকটু জ্বালাবেন, কেমন?
.
বাকিটার জন্য দুসপ্তাহ অপেক্ষা। আর, নীচের চিত্রটির চক্ষুদান হয়নি, এমন নয়। নেহাত নিয়ম মানতে চোখে চাপা দেওয়া হয়েছে।

PrevPreviousচিকিৎসাব্যবস্থা এবং জনস্বাস্থ্যের আলোকে বাংলার মন্বন্তর (১৯৪২-৪৩)
NextNeXTNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

তোমার ভেতর আমার উড়ান, রৌদ্রডানা

September 14, 2026 No Comments

সেই কলেজ জীবনের ঝোড়ো দিন, যখন আমি ‘দিমাগী নকশাল’, আদর্শের চোখে স্বপ্ন দেখি সাম্য সমাজ গড়ব, দেশ গড়ব। ভালোবাসা ভরেছিল বুকে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, আর্তের

আদর্শ বাল বিদ্যালয়/ স্কুল যখন জিতে যায়

September 14, 2026 No Comments

স্বাধীনতার আশি বছরে সরকারি স্কুলগুলোর ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে আলোচনা অব্যাহত। সাম্প্রতিক সময়ে এই আলোচনা আরো গতি পেয়েছে সংসদে সরকার কর্তৃক প্রকাশিত দুটি তথ্যে।প্রথমটি হল ভারতে

বাঙালিকে শাসনের অধিকার এরা পায় কি করে?

September 13, 2026 No Comments

একটা ভোটে জিতে সরকার গড়ার পর হাতির পাখনা মেলার মতো অবস্থা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর দল ও সরকারের। যেমন রাজ্যের শাসক দল, তেমন রাজ্যের সরকার। দুটোরই

শব্দে জব্দ

September 13, 2026 No Comments

বিজ্ঞান ও পরিবেশ আন্দোলন: পশ্চিমবঙ্গে সিপিআইএমের গণ সংগঠন ‘ বিজ্ঞান মঞ্চ ‘ ছাড়াও বেশ কিছু বিজ্ঞান সংগঠন উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ বিজ্ঞান বিষয়ে মাঠে ময়দানে নেমে

শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো

September 13, 2026 No Comments

পৃথিবীতে আপাতত একটাই কাজ বাকি আছে। শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো। আমরা আবার প্রকাশনীর পক্ষ থেকে পুজোয় বুক স্টল করি। রাগ করবেন না প্লিজ৷ রোজ

সাম্প্রতিক পোস্ট

তোমার ভেতর আমার উড়ান, রৌদ্রডানা

Pallab Kirtania September 14, 2026

আদর্শ বাল বিদ্যালয়/ স্কুল যখন জিতে যায়

Suman Kalyan Moulick September 14, 2026

বাঙালিকে শাসনের অধিকার এরা পায় কি করে?

Parichay Gupta September 13, 2026

শব্দে জব্দ

Bappaditya Roy September 13, 2026

শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো

Dr. Aindril Bhowmik September 13, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

675174
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]