Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বিবর্তনঃ যৌন নির্বাচনঃ মানুষের বহুগামিতা

Screenshot_2021-11-23-23-31-43-89_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Jayanta Das

Dr. Jayanta Das

Dermatologist
My Other Posts
  • November 24, 2021
  • 6:09 am
  • No Comments

পুরুষরা কি স্বভাবতই বহুগামী? 

• পুরুষ এলিফ্যান্ট সিলের আকার স্ত্রীর পাঁচগুণ।
• পুরুষ গোরিলার আকার স্ত্রীর দ্বিগুণেরও বেশি।
• শিম্পাঞ্জি পুরুষ স্ত্রীর চাইতে বেশ বড়।
• মানুষের সম্ভাব্য পূর্বসূরি অস্ট্রালোপিথেকাস-দের মধ্যে পুরুষরা ছিল স্ত্রীদের চাইতে দেড়গুণ।
• আর মানুষ? গড়পড়তায় পুরুষ মানুষ নারীর চাইতে শতকরা ১৫ ভাগ বড়, কিন্তু পুরুষের পেশি অনেকটাই বেশি। তাদের শরীরের ঊর্ধাঙ্গের পেশি নারীর চাইতে শতকরা ৪০ ভাগ বেশি।

কেন?
পুরুষ এলিফ্যান্ট সিলের হারেম থাকে। সুলতানদের মত হারেম, তাতে অন্য পুরুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ। অবশ্য সব পুরুষ হারেম রাখতে পারে না, সেরা পুরুষ পারে। তাকে বলে আলফা মেল। এক নম্বর ছবিতে দেখুন, আলফা পুরুষের পাশে তার হারেমের এক স্ত্রী—নেহাতই ক্ষুদে।

দু-নম্বর ছবিতে দুটো পুরুষ সিল, মারামারি করতে উদ্যত। খাদ্যের জন্য নয়, হারেমের দখল নিতে।

তিন নম্বর ছবিতে দুটি পুরুষ সিলই আহত, কিন্তু লড়াই চলছে। যে বাঁচবে, সে হারেমের দখল পাবে।

জীববিজ্ঞানীদের ভাষায় এলিফ্যান্ট সিল হল টুর্নামেন্ট স্পিসিস। টুর্নামেন্ট প্রজাতির পুরুষরা ফুটবল টুর্নামেন্টের মত ট্রফি পাবার জন্য লড়ে। স্ত্রীরা হল ট্রফি। বংশানুক্রমে পুরুষেরা আরও বড়, আরও শক্তিশালী, আরও ধারালো দাঁতের অধিকারী হয়ে ওঠে। বিজ্ঞানীরা বলেন, এগুলো যৌন নির্বাচনের ফসল। স্ত্রীরা এই লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করে না, তারা ছোটখাট থেকে যায়।

গোরিলা আরেক টুর্নামেন্ট প্রজাতি। পুরুষ গোরিলার আকার স্ত্রীর পাঁচগুণ হয় না, তবে দ্বিগুণ হামেশাই হয় (চার নম্বর ছবি)।

সর্দার গোরিলা সাধারণ স্ত্রীর আড়াই-তিনগুণ হয় (পাঁচ নম্বর ছবি), আর আকারে বড় বলেই সে সর্দার।

গায়ের জোরে সর্দার অন্য পুরুষদের হারিয়ে দিতে পারে। অন্য পুরুষেরা দলছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়ায়, বা সর্দারের অধস্তন হয়ে থাকে। স্ত্রী গোরিলারা সব সময়ে সর্দারের সঙ্গেই গোপন কর্মটি করে, নইলে তার কপালে অনেক দুঃখ। তবে কিনা কবি লিখেছেন চোরি পীরিতি লাখগুণা রঙ্গ। স্ত্রী গোরিলা দলের অন্য পুরুষদের সঙ্গেও সুযোগ সুবিধা বুঝে … নাই বা মুখে বললাম কথাটা। দলের বাইরে বিতাড়িত পুরুষেরা নিজেদের দল বেঁধে থাকে বা একা-একা থাকে। তাদের কেউ একসময়ে সর্দারকে চ্যালেঞ্জ করে (ছয় নম্বর ছবি); জিতলে রাজ-সিংহাসন এবং রাজকন্যে। রাজকন্যে একটি নয়, অনেকগুলি।

সুতরাং এলিফ্যান্ট সিলের মত গোরিলা পুরুষরদেরও যৌন নির্বাচন তাদের বৃহৎ ও বলশালী করে তোলে।
.
শিম্পাঞ্জিদের মধ্যে স্ত্রী-পুরুষের আকারে প্রভেদ কম (সাত নম্বর ছবি, আহা, যেন সুখী দম্পতি)।

কিন্তু সেখানেও পুরুষ দলপতি, ও তার হাতে ক্ষমতা অনেক। স্ত্রী শিম্পাঞ্জিরা সামনা-সামনি তার অনুগত, দলের অন্য পুরুষরাও তাই। কিন্তু বনের মধ্যে তো আর জায়গার অভাব নেই, আর সর্দার সব জায়গায় সিসিটিভি রাখতে পারে না। অতএব, অন্য শিম্পাঞ্জিরাও কয়েকটি সন্তানের পিতা হবার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে।

মজার কথা হল, এলিফ্যান্ট সিল আর গোরিলার টেসটিস বা শুক্রাশয় দেহের তুলনায় খুব ছোট, সেখানে শুক্রাণু উৎপাদন কম হয়। আর শিম্পাঞ্জির টেসটিস অনেক বড়, সেখানে বেশি সংখ্যায় শুক্রাণু উৎপন্ন হয়, সেগুলো বেশি জোরে দৌড়াতে পারে। স্ত্রী-জননাঙ্গের মধ্যে দুই শিম্পাঞ্জি পুরুষের শুক্রাণুরা প্রতিযোগিতা করে। যার শুক্রাণু সংখ্যায় বেশি, দৌড়ে পটু, তার সন্তান বেশি হয়। এও যৌন প্রতিদ্বন্দ্বিতা!

মানুষের স্ত্রী-পুরুষ ভেদ কেমন? মানুষ কি টুর্নামেন্ট প্রজাতি? নাকি সে পেঙ্গুইনের মত একগামী সম্পর্কে আবদ্ধ প্রজাতি? পেঙ্গুইন পুরুষ আর স্ত্রীকে সাইজ দেখে আলাদা করা যায় না (চিত্র আট দেখুন)।

বাচ্চার যত্ন নেয় বাবা-মা মিলে। একটা প্রজনন ঋতুতে তারা একগামী। মানুষ কি সেই রকম?

জুটি-বাঁধা, বাবা মা উভয়ের দ্বারা সন্তানের যত্ন এবং দুই পুরুষ ও নারীর আকারে তেমন ফারাক না থাকা, এই সমস্ত বৈশিষ্ট্য একগামী সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে নারী ও পুরুষের দেহের গঠনে ভিন্নতা রয়েছে। তাছাড়া আকারে ফারাক স্বল্প হলেও আছে; বিশেষ করে পুরুষের পেশি নারীর চাইতে অনেকটা বেশি। এই বৈশিষ্ট্যগুলি এক পুরুষের সঙ্গে বহু নারীর সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে, সম্ভবত একই নারীর সঙ্গে বহু পুরুষের মিলন হত কম। ফলে সঙ্গম পরবর্তী যৌন নির্বাচনের চাপ পুরুষ মানুষের ওপর কম ছিল। নারীর শারীরিক বিভঙ্গ সম্ভবত নারীর ওপর যৌন নির্বাচনের ফলে উৎপন্ন হয়েছে। পুরুষের চোখে সব নারীর যৌন আবেদন সমান নয়। নারীর স্বাস্থ্য ভাল হলে ও বেশি সন্তানের জন্ম দেবার ক্ষমতা থাকলে পুরুষের কাছে সে বেশি কাম্য। অন্য কথায়, নারীর যৌন আবেদন প্রাথমিকভাবে তার সুস্বাস্থ্য ও প্রজনন-ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত। অবশ্য এ দিয়ে বর্তমান সমাজে নরনারীর অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা যায় না। সাংস্কৃতিক বিবর্তন, বিশেষ করে মানুষের সমানাধিকারের ধারণা, মানুষকে তার জৈবিক প্রবণতার দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়েছে।

প্রাইমেট প্রজাতিতে স্ত্রী বহুগামী হলে পুরুষদের কিছু বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়। অন্য প্রাইমেটদের সঙ্গে পুরুষ মানুষের এই বৈশিষ্ট্যের তুলনা করলে দেখা যায়, মানুষের অণ্ডকোষ তার শরীরের অনুপাতে ছোট; মানুষের দেহে শুক্রাণু তৈরির হার অনেক ধীর; কয়েকবার যৌনমিলনের পরে মানুষের বীর্যে শুক্রাণু সংখ্যা খুব কমে যায়; তার শুক্রাণুর গতি কম ও শুক্রনালীর পেশির জোরও কম। বহুগামী প্রাইমেটদের তুলনায় মানুষ অনেক কম বার সঙ্গম করে। শিম্পাঞ্জির মত বহুগামী প্রজাতির তুলনায় নেহাতই কম। পুরুষের লিঙ্গের গঠন জটিল বা অলঙ্কার-যুক্ত নয়; মানুষ ও শিম্পাঞ্জির সাধারণ পূর্বপুরুষের লিঙ্গে কাঁটার মত গঠন (চিত্র ৯, বিড়ালের পেনাইল স্পাইন) ছিল। সেই জিন মানব-বংশে অকেজো হয়ে গেছে।


অবশ্য এই বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া শক্ত। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ মানব সমাজ একগামী বিবাহ বা এক-পুরুষ বহুনারী বিবাহ চালু। যেখানে পুরুষের বহুবিবাহ অনুমোদিত, সেখানেও অধিকাংশ পুরুষ বাস্তবত তা করতে পারে না। অতীতকালের মানুষের সমাজে নারী-পুরুষের একগামিতা ও বহুগামিতা কেমন ছিল, সে বিষয়ে প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই। প্রজনন অঙ্গের বৈশিষ্ট্য থেকে মনে হয়, মানুষ বিবর্তনগতভাবে মূলত একগামী, বা কখনোসখনো ‘বহু-স্ত্রী এক-পুরুষ’ সম্পর্কের বংশধারায় উদ্ভূত হয়েছে, এবং শারীরিকভাবে তেমন সম্পর্কের জন্য সে তৈরি।
এই কথাটা অবশ্যই মনে রাখা দরকার, মানুষের শারীরবৃত্তীয় প্রবণতা বর্তমান সামাজিক নারী-পুরুষ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একমাত্র নির্ণায়ক হতে পারে না।

তথ্যসূত্র
.
১) Dixson AF. Copulatory and Postcopulatory Sexual Selection in Primates. Folia Primatol 2018;89:258–286
২) https://www.nationalgeographic.com/culture/article/110309-humans-men-penises-spines-dna-genome-science
৩) Dixson BJW. Sexual Selection and the Evolution of Human Physique. 2010

PrevPreviousতৃতীয় ঢেউ না এলেও কোভিড জনিত সতর্কতায় ঢিলে দেওয়া যাবে ন
Nextইতিহাসের অন্দরমহলে (১৮২২-১৮৬০)ঃ এশিয়ার প্রথম মেডিক্যাল কলেজ এবং আধুনিক মেডিসিন শিক্ষার ইতিবৃত্তNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617894
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]