Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আমার সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়

IMG-20231217-WA0101
Dr. Sukanya Bandopadhyay

Dr. Sukanya Bandopadhyay

Medical Officer, Immuno-Hematology and Blood Bank, MCH
My Other Posts
  • December 18, 2023
  • 8:15 am
  • No Comments

‘আমার সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়’ —-

ফেসবুক মূলত আমার অবরুদ্ধ চিন্তাভাবনাকে মেলে ধরার একটা মুক্ত পরিসর ছিল আমার নিজেরই কাছে, নিশ্চয় আর সকলের কাছেও তাই। মুখোমুখি চেনাজানা হয়নি যাঁদের সঙ্গে, তাঁদের অন্তরমহলের খবরাখবরের দেওয়া নেওয়া চলত সময়রেখায়। আমি যদি লেখায় স্বচ্ছন্দ হই, কেউ হয়ত গানে, কেউ আঁকায়, কেউ হাস্যরসিকতায়, তো কেউ বা রন্ধনশিল্পে। আরো অন্যতর বিষয়ও ছিল, নানাবিধ সামাজিক কর্মকান্ড, জটিল মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা, ইতিহাসচর্চা, ক্রীড়াসাংবাদিকতা, আরো কতশত মননশীল আলোচনা — সে সব বিষয়ের ব্যাপ্তি দেখলে বিস্ময়ে স্তব্ধ হয়ে যেতে হয়, শ্রদ্ধায় মাথা আপনিই নত হয়ে আসে।

কিন্তু হালে দেখছি, রয়েছে সবই, কিন্তু সবরকম আলাপচারিতার মধ্যেই কেমন একটা আক্রমণাত্মক সুর বাজছে। সব বিষয়ে সকলেই একমত হবেন না, হওয়াটা স্বাভাবিক নয়, স্বাস্থ্যকরও নয় — এটুকু বুঝতে তো অসীম বৈদগ্ধ্যের প্রয়োজন নেই। কিন্তু একমত না হলেই ব্যক্তিগত আক্রমণ হচ্ছে, যা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে কুরুচিকর পর্যায়ে নেমে যাচ্ছে, আর অধিকাংশ সময়েই মূল বিষয়ের সঙ্গে এই রুচিহীন চাপানউতোরের কোনো সঙ্গতি থাকছে না। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মূল্য সম্পর্কে চূড়ান্ত সংশয় জাগছে, যখন দেখছি বিবদমান দুই পক্ষই হয়ত অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত কিংবা স্বনামধন্য গবেষক।

কখনো প্রখ্যাত ব্লগ লেখক চাঁচাছোলা ‘স্মার্ট’ ভাষায় প্রথিতযশা কবি সাহিত্যিকদের ‘অ্যান্টি এস্টাবলিশমেন্ট’ না হওয়ার জন্য নির্মম ভাবে তুলোধোনা করছেন, যেন কবি-সাহিত্যিক মানেই সরকারপক্ষের বিরুদ্ধে গিয়ে বৈপ্লবিক কাজকর্ম না করলে ‘কালজয়ী’ হওয়া যাবে না কোনোমতেই। বর্ষীয়ান সাহিত্যিকের বর্তমান লেখার মান অতলে তলিয়ে গিয়েছে বলে তাঁকে আধুনিক প্রাকৃত ভাষায় bullying করা হচ্ছে — কারণ সেটাই সাহিত্যপ্রেমের পরাকাষ্ঠা।

প্রথাগত শিক্ষায় একটু পিছনের সারির মানুষ তাই বিনোদন জগতের খ্যাতনামা ব্যক্তিদের নতুন-পুরোনো দাম্পত্যজীবনকে হাটের মাঝে এনে ফেলে ধোপার পাটে আছড়াচ্ছে, তাতে অপার আনন্দলাভ করছে এবং ‘এর থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কি শিখচে?’ জাতীয় হাহাকারবাক্য আউড়ে সমাজসংস্কারকের মহান ভূমিকা পালন করতে জানপ্রাণ লড়িয়ে দিচ্ছে।

কি ভাবছেন? এই সকল ফেসবুক ব্যবহারকারীর খুঁত বার করে, কষে নিন্দেমন্দ করে আমিও প্রগাঢ় আত্মপ্রসাদ লাভ করছি? দেখেছ, আমি কেমন শাড়ির কুঁচিটি তুলে ভার্চুয়াল ভ্যাটের ময়লা বাঁচিয়ে চলি, আমি কেমন স্বতন্ত্র?— এমনটাই ভাবছি?

না, ঠিক সেটা ভাবছি না। আমি ভাবছি, মানুষ সবসময়ে এত ফোঁস করে উঠছে কেন? ‘আমার দেওয়াল, আমি যা খুশি তাই লিখব, না পোষালে কেটে পড়ো’ — এই জাতীয় কথা কোন সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা থেকে আসছে?

কিংবা এর বিপরীতে, ‘পাবলিক পোস্ট করেছেন, যে যা খুশি কমেন্ট করবে, মেনে নিতে হবে, সবাইকে আপনার হ্যাঁ-য়ে হ্যাঁ মেলাতে হবে, আপনি কোথাকার কে হনু?’ — এই রকম ঔদ্ধত্যই বা কোন হতাশাপ্রসূত?

কেউ একাধিক বিষাদপূর্ণ পোস্ট করলে তার দুঃখবিলাসী তকমা জুটছে, তো কারো টাইমলাইনে রঙিন ছবির ছড়াছড়ি দেখলে অসূয়াসূচক তির্যক মন্তব্য চোখে পড়ছে —-

বই অথবা বেড়ানোর তথাকথিত নির্দোষ গ্রুপে যে সমস্ত পোস্ট দেখতে পাচ্ছি আর তার উত্তরে যা সব মন্তব্য করা হচ্ছে, তা পুস্তকগুচ্ছ এবং ভ্রমণসমূহের কল্পনারও বাইরে। সেইসব গ্রুপের ‘অ্যাডমিন’ নামক পরিচালকবর্গের গ্রুপসংক্রান্ত নিয়মকানুনের ব্যাখ্যাকে প্রায় হুমকির মতো শোনাচ্ছে, মনে হচ্ছে এইরকম ‘রেজিমেন্টেড’ বিনোদন থেকে পালিয়ে পৈতৃক প্রাণটা বাঁচাই।

কিন্তু সব্বাই, সকলে, এমন নির্বিচারে এত জাজমেন্টাল হয়ে উঠলাম কি করে বলুন তো?

দ্বিমত দেখলেই তুলে আছাড় মারার সদিচ্ছা কেন? অন্যের জুতোয় পা না গলিয়ে, তার পরিস্থিতি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র অবহিত না হয়ে তাকে সমালোচনা করার স্পর্ধা কেন?

বয়োজ্যেষ্ঠ যশস্বীদের বর্তমান অবস্থান (রাজনৈতিক/সামাজিক) অপছন্দ হলেই ন্যূনতম সৌজন্যের ধার না ধেরে তাঁদের প্রতি এত অশ্রদ্ধা প্রকাশ কেন?

বহমান রাজনীতির প্রতিফলন ঘটে সমাজে, যুগে যুগে তাই ঘটে এসেছে, সেটা জানি। ফেসবুক সেই বৃহত্তর সমাজের বনসাই সংস্করণ, সেটাও আংশিকভাবে মানি। আংশিক বলছি, কারণ বহু ফেসবুকি বিপ্লব মুঠোফোনের স্ক্রিনে জন্মে, সেখানেই দেহরক্ষা করেছে, পারিপার্শ্বিক সমাজে তার বিন্দুসমান প্রতিক্রিয়াও হয়নি, এও দেখেছি।

কিন্তু শুধুই রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার প্রতিফলন এই অসৌজন্যের আবহ তৈরি করছে এটা মানতে পারছি না।

আমরা বড় স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছি সবাই। কি জানি, সুস্থভাবে বাঁচার দিন ফুরিয়ে আসছে বোধহয়, সকলেই টের পাচ্ছি, তাই এত অনিশ্চয়তা জমছে মনে। তাই বাড়ছে অন্ধকার — সহমর্মিতা, সহানুভূতি এগুলো সব লুপ্তপ্রায় লব্জ হয়ে যাচ্ছে। সত্যিই জীবনদৌড়ে ছুটতে ছুটতে আমরা হারিয়ে দিচ্ছি নিজেকেই, হারিয়ে ফেলছি মানবিক বোধ, নিজস্বতা। অন্যকে ছোট না করে, নিজেকে বড় করা যায় না, এই অন্যায় ভাবনা চারিয়ে যাচ্ছে মনে। অপরকে ঝাঁঝালো অপমান করে দিন শুরু না করলে জীবন পানসে মনে হচ্ছে। প্রতি পদে তুলনা করে চলেছি, রাম শ্যাম যদু মধু ইন্দ্রজিতের সঙ্গে তো বটেই, নিজের সঙ্গেও নিজের। ছুটন্ত জীবন শেখাচ্ছে, সন্তুষ্টি উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে হত্যা করে, অতএব সন্তুষ্ট হয়ো না। মনে বয়ে নিয়ে চলো নিরন্তর অসন্তোষের ক্ষুধা। আবেগী হয়ো না, উদাত্ত আবেগ নির্বুদ্ধিতার স্বাক্ষর, সাফল্যের পায়ে তা বেড়ি পরিয়ে রাখে।

এসব কথা লেখা আমার উচিৎ নয়, কারণ ফেসবুক-নাগরিক আমাকে বিবেকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার সুপারি দেয়নি, সে ধকও আমার নেই।

তবে কেন অযাচিত জ্ঞান বিতরণ? সদ্যসমাপ্ত ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের পরাজয়ে পড়শি দেশের সাধারণ মানুষের আচরণ অনেককে অবাক করেছে। কেবল একটা খেলায় হারজিৎ ঘিরে এত দ্বেষ, এত ঘৃণা?

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বলিউডি ফিল্মে বল্গাহীন হিংসার প্রকাশও বহু মানুষের বিবমিষার কারণ হয়েছে। Mindless violence এর প্রতি এত আকর্ষণ?

বলুন তো, সত্যিই কি অবাক হওয়ার মতো তেমন কিছু আছে আর? কোথায় চলেছি আমরা?

বিঃদ্রঃ পোস্ট অসহ্য মনে হলে এড়িয়ে যাবেন না, যথেচ্ছ গালাগাল দিয়ে যাবেন। আমি ক্ষুধার্ত।

PrevPreviousEmergency management of Snakebite
Nextঅংকে কাঁচাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বাংলায় বিজ্ঞান অক্ষয়

July 17, 2026 No Comments

বিদ্যাসাগর তাঁর লেখা “জীবনচরিত” বইটার পরিশিষ্ট অংশে “দুরুহ ও সঙ্কলিত নুতন শব্দের অর্থ” শিরোনামে একটি তালিকা দিলেন। এর মধ্যে বৈজ্ঞানিক পরিভাষা যেমন আছে, তেমনই অন্যান্য

Sangrami Ganamancha Statement of Support

July 17, 2026 No Comments

The Cockroach Janta Party (CJP) began a massive sit-in protest and hunger strike at the Jantar Mantar Ground in New Delhi since June 20, demanding

অন্নপূর্ণার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি

July 17, 2026 No Comments

জুলাইয়ের শুরু থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ‘টাকা না পেয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বহরমপুর, উত্তরপাড়া, বোলপুর, রামপুরহাট, শান্তিপুর, বিষ্ণুপুর, দত্তপুকুর, ঘাটাল, মেখলিগঞ্জ, পুরশুড়া- বহু

একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে হাতিয়ার করে নিজেদের এজেন্ডা পূরণ করবেন না।

July 16, 2026 No Comments

একদিন সকালে ক্যাথল্যাব শুরু হবে, খবর আসে একজন প্রথম বর্ষের ছাত্র পরীক্ষা দিতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হচ্ছে। এটা কিন্তু কোনো

ভালবাসি জীবনকে আর মৃত্যুকে।

July 16, 2026 No Comments

ভালবাসি জীবনকে আর মৃত্যুকে। ভালবাসি শান্তিকে আর অবিশ্রান্ত সংগ্রামকে। যে ভালবাসতে জানে, সে সবকিছুই ভালোবাসে। মায়ের কোলের স্মৃতি থেকে আগুনে পুড়তে পুড়তে তার লেলিহান শিখা-

সাম্প্রতিক পোস্ট

বাংলায় বিজ্ঞান অক্ষয়

Dr. Samudra Sengupta July 17, 2026

Sangrami Ganamancha Statement of Support

Sangrami Gana Mancha July 17, 2026

অন্নপূর্ণার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি

Satabdi Das July 17, 2026

একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে হাতিয়ার করে নিজেদের এজেন্ডা পূরণ করবেন না।

Dr. Subhanshu Pal July 16, 2026

ভালবাসি জীবনকে আর মৃত্যুকে।

Dr. Aindril Bhowmik July 16, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

651105
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]