Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্বর্গীয় ঘণ্টা

continuous-one-line-drawing-christmas-bell-isolated-white-background_201926-1068n
Dr. Aniruddha Deb

Dr. Aniruddha Deb

Psychiatrist, Writer
My Other Posts
  • August 29, 2023
  • 6:01 am
  • One Comment
সেদিন এই অনলাইন পোর্টালে এই গল্পটা দেখা গেল — https://www.anandabazar.com/…/do-you…/cid/1454350… না, ভয় নেই, আবার অন্য কোথাও গিয়ে গল্পের এই অংশ (যার জন্য আমি কোনও ভাবেই দায়ী নই) পড়তে হবে না, আমি এখানেই কপি করে পেস্ট করে দিচ্ছি (বানান ভুল সহ)।
গল্পটা এমত —
“Poop on the Moon
“চাঁদের মাটিতে কারও পা পড়েছিল কি, প্রমাণ দিচ্ছে মানুষের মল ভর্তি ৯৬টি ব্যাগ
“চাঁদের মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে মানুষের ব্যবহার করা বর্জ্য, মল-সহ ৯৬টি ব্যাগ। চাঁদের পৃষ্ঠে যে হেতু হাওয়া চলাচল করে না, তাই ওই বর্জ্য পদার্থ-সহ ব্যাগগুলি ৫০ বছর ধরে পড়ে রয়েছে একই অবস্থায়।”
এর পরে সেই ব্যাগের একটা ছবিও রয়েছে। সে ছবি দিচ্ছি না, কারণ ছবিটা ঠিক এখানে দিলে ফেসবুক তো এখানে দেবে না, আলাদা করে ছবি দেবে, লোকে বুঝতে পারবে না। ছবি দেখতে চাইলে লিঙ্ক follow করুন, আমি গল্পে ফিরি…
এর পরে সেই ওয়েব পেজেই লেখা — “ল্যান্ডার বিক্রমের চাঁদের মাটি ছুঁতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে এই ল্যান্ডারের চাঁদে অবতরণের কথা। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো)-র বিজ্ঞানীরাও চন্দ্রযান-৩ নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। এরই মধ্যে আবারও উঠে এল ৫০ বছর আগের সেই বিতর্ক। চাঁদের মাটিতে আদৌ মানুষের পা পড়েছিল কি না। যদিও অ্যাপোলো-১১ চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ফিরে আসার সময়ে প্রমাণস্বরূপ চাঁদে যাওয়ার সমস্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য, সেখানকার মাটি, টিলার অংশও নিয়ে ফিরে এসেছিল পৃথিবীর মাটিতে। ফেরার সময়ে চাঁদের মাটিতে আমেরিকার পতাকা-সহ মহাকাশচারী নিল আমস্ট্রংয়ের ছবিও সঙ্গে তুলে নিয়ে এসেছিল। তা সত্ত্বেও নিন্দকদের মনে দ্বন্দ্ব ছিলই।
“চন্দ্রযান-৩ চাঁদের মাটি ছোঁয়ার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসার আগেই প্রমাণস্বরূপ ৫০ বছর আগের আরও একটি তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে সম্প্রতি। চাঁদের মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে মানুষের ব্যবহার করা বর্জ্য, মল-সহ ৯৬টি ব্যাগ। চাঁদের পৃষ্ঠে যে হেতু হাওয়া চলাচল করে না, তাই ওই বর্জ্য পদার্থ-সহ ব্যাগগুলি ৫০ বছর ধরে পড়ে রয়েছে একই অবস্থায়।
“চাঁদে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর ছ’ভাগের এক ভাগ। তাই তরল থেকে শুরু করে কঠিন— সব কিছুই প্রায় ভাসমান। তাই বর্জ্য মল-মূত্র ত্যাগ করা নিয়ে সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। বেশির ভাগ সময়েই মহাকাশচারীদের তাই ডায়াপার পরে কাটাতে হয়। ব্যবহার করা সেই সব ব্যাগ অভ্যাসবশত চাঁদের মাটিতে ছুড়ে ফেলেছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। যদিও মহাকাশ গবেষণা সংস্থার দাবি, ফেরার সময়ে মহাকাশচারীরা মল ভর্তি সেই ব্যাগগুলি পৃথিবীর মাটিতে ফেরত আনলেও সঙ্গে আনতে পারেননি তাঁদের ব্যবহার করা ডায়াপার এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ। সেগুলির ছবিই ধরা পড়েছে ক্যামেরায়।”
পাঠক, পড়ে কী মনে হচ্ছে? আমি যার সঙ্গেই এই গল্পটা শেয়ার করেছি, সে-ই দেখছি মনে করেছে, চন্দ্রযান-৩এর “বিক্রম” বা তার ল্যান্ডার থেকেই ছবি তোলা হয়েছে। ভালো করে পড়লে বোঝা যাবে আনন্দবাজার অনলাইন মোটেই সে কথা বলেনি। আমিও বুঝতে পারিনি। খেয়াল করাল সঞ্জয় মজুমদার। লিখল, কিন্তু আমরা তো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নেমেছি। সেখানে তো কই আগে কেউ যায়নি!
আমি তো যাকে হিন্দিতে বলে “থত্‌মত্‌ খা গিয়া”, তাই আবার খবরটা পড়লাম। দেখি, তাই তো, কোত্থাও বলা নেই যে এই ছবি আমাদের চন্দ্রযান-৩ থেকে তোলা! কিন্তু এমনভাবে চন্দ্রযানের খবরের সঙ্গে মিশিয়ে তাতে মিষ্টি, মধু, কিশমিশ, জাফরান দিয়ে চমৎকার হালুয়া বানানো, যে খেয়াল না করলে সবাই ভাববে চন্দ্রযানই…
যাকগে, যাঁরা জানতে চান তাঁরা যদি ইচ্ছুক হন, তাহলে এই লিঙ্কটা ফলো করতে পারেন, জানতে পারবেন যে খবরটা ২০১৯-এর। যেটা আজকের সংবাদমাধ্যম করল, সেটা হল এই, যে চন্দ্রযানের সঙ্গে প্রশ্নটাকে তুলে এনে কিসে কিসে এক করে দিল তা আর বলছি না… https://www.vox.com/…/182…/apollo-moon-poop-mars-science
তখন মনে পড়ল এই গল্পটা (এতক্ষণ যা পড়লেন, তা হল খবর। গল্পের ইন্ট্রোডাকশন এখন আরম্ভ। তারপরে আসল গল্প)
আমরা তখন খুবই ছোটো, তখনও ১৯৬০-এর দশক (ব্যাকরণ অনুযায়ী বিংশ শতাব্দীর ছয়ের দশক) বোধহয় শেষ হয়নি, এমন সময় একদিন রাতে টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপোতে আগুন লেগে বেশ কটা ট্রামগাড়ি ভস্মীভূত হয়ে গেছিল। পরদিন রবিবার, সকালে কাগজে প্রথম পাতাতেই তার ছবিটবি সহ বিস্তারিত সংবাদ দেখেছি, সেদিনই বাঁশদ্রোণীতে মেজোমাসির বাড়ি যাবার কথা, রাসবিহারীর মোড় থেকে ৬ নং বাসে চড়ে যাচ্ছি, বাসটা যখন টালিগঞ্জ ট্রাম-ডিপোর পাশ দিয়ে বাঁ-দিকে মোড় নিচ্ছে, বাসসুদ্ধ (তখন বাসে এখনকার মতো ভিড় হত না, আর তাছাড়া সেদিন আবার রবিবার সকাল) লোক উঁকি মেরে দেখছে আর আহা-উহু করছে, আমিও দেখছি, রাস্তা থেকেই গুমটির ভেতরে পোড়া পোড়া ট্রাম দেখা যাচ্ছে… বাবা বলছে, দেখেছিস, আজ সকালেই যে কাগজে ছবি দেখলি… এ সেই পোড়া ট্রাম!
এমন সময় আমার ভাই (যে কি না আমার চেয়েও ছোটো) শিশুসুলভ সারল্যে বলে উঠল, বাবা, তাহলে কাগজে সত্যি কথা লেখে?
ওই বয়সের বাচ্চা, ছাপার অক্ষরে যে কেবল রূপকথা দেখেছে, তার পক্ষে প্রশ্নটা খুবই বিচক্ষণের মতো ছিল, কিন্তু বড়োরা বাচ্চাদের বিচক্ষণতা বোঝে না, সবাই খুব হাসল (আমিও তো ওর চেয়ে বড়ো ছিলাম, আমিও হেসেছিলাম বোধহয়)।
দেখতে দেখতে এই বার্তা রটি গেল ক্রমে… এবং সে শুনে আমাদের এক আত্মীয় আমাদের গল্পটা বলেছিলেন। তিনি পরে আবাপ-র খুব উচ্চপদে গিয়েছিলেন, তাই তাঁর নাম উহ্য রইল। তিনি আমার ফেসবুক পোস্ট পড়েন বলে জানি না, পড়লে আমাকে নির্ঘাত বকবেন, কারণ তিনি বলে থাকেন যে গল্পটা আমি নাকি তাঁকে বলেছি। এহ বাহ্য, এই রইল সেই কালজয়ী গল্প, হলপ করে বলতে পারি, টালিগঞ্জের ট্রাম ডিপো থেকে চাঁদের মল সবেতেই এই গল্প সত্যি…
স্বর্গীয় ঘণ্টা
একবার বিষ্ণু বৈকুণ্ঠে ডেকে পাঠালেন নারদমুনিকে। নারদ গিয়ে দেখেন, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর সামিট মিটিং করছেন। ওঁরা বললেন, এ কী শুনছি? পৃথিবী নাকি মিথ্যায় ভরে গেছে, মানুষ সারাক্ষণ মিথ্যে বলছে এবং পৃথিবী পাপে পরিপূর্ণ? তুমি আমাদের এসব কিছুই জানাওনি?
নারদ অবাক হয়ে বললেন, নারায়ণ, নারায়ণ! পৃথিবীতে সবাই সারাক্ষণ মিথ্যে বলছে? কই আমি তো জানি না?
ত্রিমূর্তি বললেন, তাহলে হয় তুমি মিথ্যে বলছ, নয়ত তুমি কাজে ফাঁকি দিচ্ছ। আমরা নিজেরা পরীক্ষা করে দেখব।
তাঁরা ডাকলেন বিশ্বকর্মাকে, বললেন, পারবে এমন যন্ত্র বানাতে, যাতে আমরা বুঝতে পারব, পৃথিবীতে মানুষ মিথ্যে বলছে কি না?
বিশ্বকর্মা বললেন, এ তো সামান্য কাজ।
পরদিন সকালে বিশ্বকর্মা বৈকুণ্ঠে একটা মস্তোবড়ো ঘণ্টা লাগিয়ে দিলেন, বললেন, পৃথিবীতে যেই কেউ মিথ্যে বলবে, ওমনি এই ঘণ্টা বাজবে।
মহা উৎসাহে ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর নারদকে ধরে নিয়ে বসলেন। সঙ্গে পিকনিক লাঞ্চ — লুচি দিয়ে লাউ-চিংড়ি পাকিয়ে পাশবালিশ করা, স্বয়ং মা-লক্ষ্মী বানিয়েছেন। বসেই আছেন, বসেই আছেন… ঘণ্টা আর বাজে না। না, বাজে, কিন্তু কখনও সখনও, টিং-টুং করে। অর্থাৎ স্বর্গে দেবতারা যতটা মিথ্যে বলেন, তার চেয়েও অনেক কম। আস্তে আস্তে ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর রিল্যাক্স করতে আরম্ভ করলেন, নারদ বলতে লাগলেন, দেখেছেন, আমার ইনফরমেশনে ভুল নেই। জনসংখ্যার তুলনায় মিথ্যে তেমন বাড়েনি, নারায়ণ, নারায়ণ!
দেখতে দেখতে রাত হল, ক্লান্ত ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর ঘুমোতে গেলেন। একটু দূরে নারদও চোখ বুজলেন।
রাত বাড়ে, ঘণ্টা এখন প্রায় সাইলেন্ট।
হঠাৎ, তখন অনেক রাত, প্রবল ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং-ঢং ঘণ্টাধ্বনিতে হাউমাউ করে উঠে বসলেন ত্রিমূর্তি! নারদ, নারদ? কোথায় নারদ?
নারদও একটু দূরে উঠে বসছেন। বললেন, এই তো? নারায়ণ, নারায়ণ! কী হয়েছে?
শিব, ব্রহ্মা আর নারায়ণ কোনও রকমে ঘণ্টা জড়িয়ে ধরে তার বাজনা থামিয়ে বললেন, হয়েছে তোমার মাথা আর মুণ্ডু! এই যে প্রলয়ের মতো ঘণ্টা বাজছে, এর কী অর্থ?
নারদ বললেন, নারায়ণ, নারায়ণ! ও কিছু না। এখন রাত তিনটে। আনন্দবাজার ছাপছে।
PrevPreviousThe Crazy Pavement: A Cocktail Journey to Poet-Hood
Nextগোলক ধাঁধায়…খবরNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Partha Das
Partha Das
3 years ago

অসাধারন।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এবার আক্রান্ত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

October 9, 2026 No Comments

৮ অক্টোবর ২০২৬ কয়েকদিন আগে প্রকাশ্য রাস্তায় আইনজীবী শামিম আহমেদ সহ একাধিক আইনজীবীর ওপর আক্রমণ হয়েছে। আজ ভোরে বিশিষ্ট আইনজীবী শ্রী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর বাড়িতে আক্রমণ

নানা পাটেকর চলে গেলেন

October 9, 2026 No Comments

আমরা, যারা গত শতকের সাতের দশকে জন্মেছি, তাদের সিনেমা দেখার গল্পটা একটু অদ্ভুত। আমরা বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর আগেই উত্তমকুমার প্রয়াত – তারুণ্যে পৌছাতে পৌঁছাতে দেখছি উত্তমোত্তর

পৃথিবীর ইতিহাসে এর চেয়ে সরল এবং সত্যি গল্প আর কিছু নেই।

October 8, 2026 No Comments

আমার চারপাশে বিদগ্ধ মানুষ গিজগিজ করছে। তাঁদের বিশাল বিদ্যা, বিচক্ষণতা ইত্যাদি দেখে আমার মুখ সর্বদা “Wow” অভিব্যক্তিতে হাঁ হয়ে থাকে। তাঁদের রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ দেখেও আমি

ড্রোনেই কামাল: ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে পূর্ব ইউরোপের রণাঙ্গন

October 8, 2026 No Comments

পাক – ভারত যুদ্ধ ১: সীমান্ত সংঘর্ষ, ছায়া যুদ্ধ (Proxy War), অন্তর্ঘাত (Saboutage) এবং মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ (Terrorist Attack) ছাড়াও ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ সৃষ্ট ভারত এবং

মস্তিষ্কের রহস্য সংকেত ও নোবেল জয়ী তিন বিজ্ঞানী ২০২৬

October 8, 2026 1 Comment

এই বছর ফিজিওলজি তথা চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে। এবার পুরস্কৃত হয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। এঁরা হলেন

সাম্প্রতিক পোস্ট

এবার আক্রান্ত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

Abhaya Mancha October 9, 2026

নানা পাটেকর চলে গেলেন

Dr. Bishan Basu October 9, 2026

পৃথিবীর ইতিহাসে এর চেয়ে সরল এবং সত্যি গল্প আর কিছু নেই।

Dr. Koushik Dutta October 8, 2026

ড্রোনেই কামাল: ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে পূর্ব ইউরোপের রণাঙ্গন

Bappaditya Roy October 8, 2026

মস্তিষ্কের রহস্য সংকেত ও নোবেল জয়ী তিন বিজ্ঞানী ২০২৬

Somnath Mukhopadhyay October 8, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

687751
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]