Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কারণ সুধা – হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি

Screenshot_2023-09-21-23-26-00-17_83205596e5bc50f461d1fb1edf82f8b4
Dr. Subhendu Bag

Dr. Subhendu Bag

Senior Resident, Physiology, MMC&H
My Other Posts
  • September 22, 2023
  • 9:09 am
  • No Comments

সেবার শীতে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটলো। ডেবরা হাসপাতালে জয়েন করার পরে কাছের এক সম্ভ্রান্ত বাড়ির ছেলে এসে আবদার করলেন উনার বাবাকে একবার দেখে দিতে হবে। সবে মাত্র জয়েন করেছি। স্বল্প বয়স। ডিগ্রি এম বি বি এস মাত্র। প্রাতঃস্মরণীয়দের  ভীড়ে হঠাৎ আমাকে স্মরণ কেন?  আমার অব্যক্ত কুন্ঠা নিরসন করলেন ভদ্রলোক নিজেই। আসলে বাবাকে চেম্বারে নিয়ে আসা কষ্টকর। বাড়িতে গিয়ে দেখে দিয়ে আসতে হবে। বাবা নিজে দীর্ঘদিন কোয়াক প্র‍্যাকটিস করতেন। দক্ষিণের হাসপাতালে নিয়মিত দেখানো হয়। কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে সেই যে বিছানা নিয়েছেন, উঠবার জো নেই। প্রতি সপ্তাহে রক্তের সোডিয়াম পটাসিয়াম রিপোর্ট করা হয়। মাত্রা প্রায়শই কম থাকে। তাই প্রায় সপ্তাহেই সোডিয়াম পটাসিয়াম ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করতে হয়। তখন দিন দুয়েক হয়তো একটু ভালো থাকেন। আবার যেই কে সেই।  কিছুতেই ঠিক হচ্ছে না। উদ্ভ্রান্তের মত থাকেন। বিস্রস্ত কথাবার্তা বলেন। বিছানায় মাঝে মধ্যেই অজ্ঞানের মত হয়ে পড়ে থাকেন। এই অবস্থায় দক্ষিণ ভারত নিয়েও যেতে পারছি না। তাই বাড়িতে গিয়ে যদি একটু দেখে দেন।

“ইন্টারেস্টিং কেস”। নতুন কিছু জানার আগ্রহে রাজি হয়ে গেলাম। বাড়িতে গেলে ভিজিট নেব না- এই শর্তে একটু অবাক হলেও ভদ্রলোক উপয়ান্তর না দেখে আমাকে উনার বাইকের পেছনে বসিয়ে নিলেন।

পেল্লায় বাড়ি। জৌলুষময়। কারুকাজ করা খাটের এককোনে সিঁধিয়ে আছেন ভদ্রলোকের বাবা। পাশের চেয়ারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ওষুধপত্র। আর চোখে পড়ার মত ইতস্তত ছড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির প্রোটিন পাউডারের প্যাকেট। মুখে গোঙানির রব। হালকা গ্যাঁজলা জমে আছে মুখের এক কোণে। গলায় মোটা সোনার চেন। দশ আঙুলে প্রায় ছয় সাতখান ঝকঝকে আংটি। আমি কব্জির কাছে হাত দিয়ে পালস দেখলাম। প্রায় জ্ঞানহীন হাতের উপরে প্রেসার কাফ জড়িয়ে বিপি দেখলাম১১০/৭০। অর্থাৎ কিনা নরমাল। পেট কিছুটা ফুলে আছে বটে। ঢাউস পেটে টোকা দিয়ে দেখলাম জল জমে থাকার লক্ষণ স্পষ্ট। লিভারটা কিছুটা বেড়েই আছে বলে মনে হলো। পা-দুটিও ভারি। চোখে অ্যানিমিয়ার লক্ষণ ঈষৎপ্রতীচ্য। চোখের নিচ ফোলা। আমার খোঁচাখুঁচিতে শূন্য দৃষ্টিতে একবার জরিপ করার চেষ্টা চালালেন প্রাকবৃদ্ধ মানুষটি।

এরপর টেবিলে রাখা ওষুধগুলো নেড়ে চেড়ে দেখতে দেখতে কুন্ঠামিশ্রিত খাটো গলায় পরিজনেদের জিজ্ঞেস করলাম “অ্যালকোহল খেতেন উনি?”

আমার প্রশ্নে খানিক ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে পরস্পরের মুখের দিকে তাকিয়ে জবার এলো-“হ্যাঁ- তবে সে তো আজ বছর খানেক হলো বন্ধ। উঠেই বসতে পারেন না এখন। খাবেন কি করে?”

এরপর পুরানো সব প্রেসক্রিপশন ঘেঁটে টেবিলে রাখা ওষুধ গুলোর সাথে মিলিয়ে দেখতে লাগলাম। চিকিৎসা ঠিকই আছে বলে মনে হলো। দিনে তিনবার করে সেকেন্ডারি বাইল অ্যাসিড চলছে। পটাসিয়াম সোডিয়ামের সাপ্লিমেন্ট চলছে। ব্রেনে থাকা মাইল্ড ইস্কেমিয়ার ওষুধও চলছে। দুবেলা গ্যাসের ওষুধও চলছে নিয়মিত। রিফাক্সিমিন চলছে।কিন্তু ল্যাক্টিউলোজ?

“ল্যাক্টিউলোজ তো টেবিলে দেখছি না।” জিজ্ঞেস করাতে ভদ্রলোক বললেন- “বাবা তো এমনিতেই বিছানায় অসাড়ে পায়খানা করে ফেলেন। তাই পায়খানার ওষুধটা বন্ধ করে দিয়েছি স্যার। খুব অসুবিধা হলে মাঝেমধ্যে খাওয়াই।”

চমকে উঠলাম। “আর এই প্রোটিন সাপ্লিমেন্টগুলো খাওয়াচ্ছেন কেন? প্রেসক্রিপশনে তো লেখা নেই।”

“আসলে বাবার শরীর খারাপ থাকায় পরিজনেরা এগুলো নিয়ে আসেন। বাবা তো খুবই দুর্বল। তাই বাবার কথামতোই এগুলো দিনে দুবেলা খাওয়াই।”

আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না। ফেলুদার মত মাথা নাড়িয়ে বললুম “রাইলস টিউব নিয়ে আসুন”।

জোগাড় হলো চটজলদি। নাক দিয়ে রাইলস টিউব পরিয়ে ল্যাক্টিউলোজ চালান করা হলো পেটে। বাকি ওষুধপত্র প্রেসক্রিপশনে লিখে কেতাবি ঢংয়ে বেরিয়ে এলাম বাড়ি থেকে।

বিছানায় পায়খানা করে ফেলা রোগীকে ল্যাক্টিউলোজ?  তার মানে আরও পায়খানা করে ফেলবে তো?

পরিজনেদের এসব জিজ্ঞাস্য আমার আত্মবিশ্বাসী চোখের নিচে চাপা পড়েছে আগেই। তার উপর আবার ভিজিট না নেবার শর্তে এসেছি। ফলে কেউই আর মুখ খুললেন না।

যাবার আগে ডায়েটের চার্টে – প্রোটিন আর লবণ পরিহার করতে বলে বেরিয়ে এলাম প্রাসাদোপম বাড়িটা থেকে।

বিকেলে ফোন এলো। “মিরাকল ঘটে গেছে ডাক্তারবাবু। বাবা উঠে বসেছেন। নিজে হাতে খাবার খেতে চাইছেন। কিন্তু প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট তো আপনি না বলে গেছেন। দিতে চাইছি না বলে রাগারাগি করছেন। কি করি বলুন তো? আপনি একটু বাবাকে ফোনে বুঝিয়ে বলুন না” এই বলে ছেলে ফোন ধরিয়ে দিলো বাবাকে।

ফোনের অপরপ্রান্তে গোঙানির রবের উত্তরে আওয়াজ উঁচিয়ে বললাম- “অ্যালকোহল খেয়ে লিভারের বারোটা বেজেছে। ডিকম্পেন্সেটেড ক্রনিক লিভার ডিজিজ। পোর্টাল হাইপারটেনসন হয়েছে সেজন্যই। প্রোটিন খেয়ে শরীরে যে অতিরিক্ত অ্যামোনিয়া তৈরি হচ্ছে তা যাচ্ছে ব্রেনে। সে থেকেই এই প্রায় জ্ঞান হারানো পরিস্থিতি। চিকিৎসা পরিভাষায় হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি। ল্যাক্টিউলোজ এখানে অ্যামোনিয়াকে অ্যামোনিয়ামে পরিণত করে শরীর থেকে বের করে দেবে। ফলে অ্যামোনিয়া আর ব্রেনে ঢুকে গোল পাকাতে পারবে না। ফলতঃ ল্যাক্টিউলোজ বন্ধ করা চলবে না। আর প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট খেয়ে অতিরিক্ত অ্যামোনিয়া তৈরী করিয়ে নিজের শরীরের আর ক্ষতি করবেন না।”

আমার উত্তরে প্রাকবৃদ্ধ নিরুত্তর হয়ে রইলেন। পাশ থেকে ছেলে বলে উঠলেন – “থ্যাঙ্কিউ স্যার।” প্রশান্তির উষ্ণ আবেশ জড়িয়ে ধরলো আমার চারিপাশ।

PrevPreviousরিটায়ার্ড
Nextভুল গল্প। সত্যি গল্পNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

What Does It Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 2)

April 8, 2026 No Comments

Looking Behind NGOs: History, Contradictions, and Questions Young professionals who enter the NGO space and begin to notice its contradictions often feel the need to

গ্যাসলাইটিং: যখন আপনাকে ধীরে ধীরে নিজের উপরই সন্দেহ করতে শেখানো হয় 🫥

April 8, 2026 No Comments

আসলে সব ধরনের নির্যাতন চোখে দেখা যায় না। কিছু নির্যাতন এতটাই নিঃশব্দ, এতটাই সূক্ষ্ম—যে ভুক্তভোগী অনেক সময় বুঝতেই পারেন না তিনি মানসিকভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন। 🧠💔

অসংখ্য মানুষ নাগরিকত্বের অনিশ্চয়তায় তলিয়ে যাবেন আর রাজনৈতিক দলগুলো কেবল ভোটের হিসাব কষবে?

April 8, 2026 No Comments

গত ২৩ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিলের মধ্যে দফায় দফায় যে ১১টি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তার প্রতিটি পাতায় নাম বাতিলের খতিয়ান রয়েছে। নিয়মানুযায়ী, তালিকা

Tribute from the West Bengal Doctors’ Forum Dr. Mani Kumar Chhetri

April 7, 2026 No Comments

The medical fraternity of Bengal today stands enveloped in profound grief. With the passing of Dr. Mani Kumar Chhetri—an eminent physician, an erudite teacher, and

‘এটা রাজনীতি করার সময় না! সবকিছুতে রাজনীতি করবেন না’।

April 7, 2026 No Comments

গতকালই বন্ধুদের এক আড্ডায় আইটি-কর্মী এক বন্ধুর সঙ্গে খানিক তক্কাতক্কি হয়ে গেল। বন্ধুর পেশাপরিচয়টা দিতেই হলো – কেননা পেশাগত দক্ষতার বাইরে বাকি প্রায় সমস্ত বিষয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

What Does It Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 2)

Dr. Avani Unni April 8, 2026

গ্যাসলাইটিং: যখন আপনাকে ধীরে ধীরে নিজের উপরই সন্দেহ করতে শেখানো হয় 🫥

Dr. Aditya Sarkar April 8, 2026

অসংখ্য মানুষ নাগরিকত্বের অনিশ্চয়তায় তলিয়ে যাবেন আর রাজনৈতিক দলগুলো কেবল ভোটের হিসাব কষবে?

Pubali Rana April 8, 2026

Tribute from the West Bengal Doctors’ Forum Dr. Mani Kumar Chhetri

West Bengal Doctors Forum April 7, 2026

‘এটা রাজনীতি করার সময় না! সবকিছুতে রাজনীতি করবেন না’।

Dr. Bishan Basu April 7, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

616760
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]