Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আমাদের বাপ কে! হিপোক্রিটাস না চরক!

Screenshot_2022-02-23-10-40-26-23_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Subhanshu Pal

Dr. Subhanshu Pal

Medicine PGT
My Other Posts
  • February 23, 2022
  • 10:42 am
  • No Comments

বাজারে এখন বড় প্রশ্ন আমাদের বাপ কে! হিপোক্রিটাস না চরক! প্রশ্নটা যদিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমার জানা নেই। বাড়ির দেওয়ালের রঙ নীল-সাদা না লাল সেটা রোগীর চিকিৎসায় খুব একটা পার্থক্য ঘটায় না, পরিকাঠামোটা কীরকম সেটা গুরুত্বপূর্ণ। যদিও গত কয়েক বছরে ‘পরিকাঠামো’ নিয়ে আলাপ আলোচনা এদেশে হয়না, তাই সেই প্রশ্ন আর নতুন করে নাই বা করলাম। সরকার যে প্রশ্নের আলোচনা চাইছে সেটাই না হয় হোক।

সরকার পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী চরক মহাশয়ই ভারতীয় চিকিৎসাবিদ্যার জনক এবং তাঁর নামে শপথ নিয়েই আমাদের চিকিৎসক জীবনের যাত্রা শুরু করা উচিত। আমি যদিও দু’জনকেই বিশেষ চিনি না, আমার ডাক্তারিতে দু’জনেরই প্রভাব কতটুকু, সেটা অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও ধরা পড়বে না। কিন্তু এটুকু বলতে পারি, বিজ্ঞানের কোনো সীমানা হয় না। উগ্র জাতীয়তাবাদ আর পাঁচটা ক্ষেত্রের মতো বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও সর্বনাশই ডেকে আনে। পারমাণবিক শক্তি নিয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমসাময়িক মারণলীলা যেমন দেখিয়েছে, সেরকমই হালে কোভিড ভ্যাকসিনের অসমবণ্টনের ফলও ভালো হয়নি। তাই চিকিৎসাশাস্ত্রের ক্ষেত্রেও দেশের সীমারেখা মেনে চলাটা অস্বাভাবিক। এসব ধ্যানধারণা কোনো সুস্থ মানুষের মস্তিষ্কপ্রসূত হতে পারে না।

ঐতিহাসিক হিসেব অনুযায়ী হিপোক্রিটাস চরকের তুলনায় প্রাচীনতর। হিপোক্রিটাস চিকিৎসাক্ষেত্রের প্রথম ব্যক্তিত্ব, যিনি রোগের বৈজ্ঞানিক ভিত্তির সন্ধান করেছিলেন, তাই তিনি চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক বলে বন্দিত। তবে সেই বিজ্ঞানের ধারাতেই ওনার সমস্ত ধ্যানধারণাই আজ পরিবর্তিত হয়ে গেছে। পাশ্চাত্য দেশে বিজ্ঞানের ধারার এটাই বৈশিষ্ট্য- সতত বিবর্তনশীল।

ল্যামার্ক, ডারউইন, ডালটন, নিউটন- এ^দের সবার মতবাদেরই কিছু ভুল-ত্রুটি পাওয়া গেছে, সংশোধন হয়েছে। সেই ক্ষেত্রে চরকের ‘বায়ু-পিত্ত-কফ’ কতটা এগিয়েছে সেটা আয়ুর্বেদাচার্যরাই বলতে পারবেন। তবে ভারতীয় সংস্কৃতিতে ‘গুরুবাক্য শেষ কথা’ ধরণের যে ধারা রয়েছে, সেটাই আধুনিকতার পরিপন্থী বলে আমার মনে হয়। ‘চরক শপথে’ও এই দ্যোতনা রয়েছে। বিজ্ঞান স্রোতহীন নদীতে পর্যবসিত হলে তাতে শৈবালদামই জন্মায়, সমাজের উপকার বিশেষ হয় বলে জানা নেই।

চরক-সুশ্রুত ভারতের গর্ব। তাঁরা খ্রীষ্টপূর্ব পৃথিবীতে চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন ধারা আনতে চেয়েছিলেন, নিজেদের মত চেষ্টা করেছিলেন। তাঁরা বিশ্ববন্দিতও বটে- কিন্তু তাঁদের চিকিৎসার ধারা মাঝখানে পথ হারিয়েছে, সে যে কারণেই হোক। আজকের আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে পাশ্চাত্য প্রভাবই অধিক লক্ষ্যণীয়- তার কারণ একটাই, সময়োচিত বিবর্তন। কিছুদিন আগে একটা তথ্য জেনে বেশ হতবাক হলাম, হৃদযন্ত্রের ধমনীর মধ্যে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া যে হার্ট অ্যাটাকের কারণ সেটা আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যার জনক উইলিয়াম অসলার-ও জানতেন না, এই ধারণা এসেছে সদ্য এই ১৯৫০ সালে, ভারতের স্বাধীনতারও পরে। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসায় এই ৭০ বছরে যা উন্নয়ন হয়েছে, সমগ্র ভারতবর্ষে হয়তো তা হয়নি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়নে আমাদের বিশেষ মাথাব্যথা নেই। এখনো যে কোনো রোগের চিকিৎসায় আমেরিকা/ ইউরোপের গাইডলাইনের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় আমাদের, নিজস্ব দিকনির্দেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের আগ্রহের বড় অভাব। ভারতবর্ষ যে কোনো রোগের ক্ষেত্রেই রাজধানী বলা যায়, রোগ সম্পর্কিত এত্তো তথ্য দেশের কোণায় কোণায় উড়ে বেড়াচ্ছে- সেসব তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাধারা গড়ে তোলা আশু প্রয়োজন, আমরা এখন সেসব ছেড়ে শপথের কচকচানিতে মন দিয়েছি।

সবার জন্য স্বাস্থ্য দূর অস্ত, এদেশে টাকাপয়সা দিয়েও লোকজন সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। হয় কোয়াকের হাতে পড়ছে, নয় কোনো দালালের খপ্পরে পড়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, নয় কর্পোরেটের থাবায় নিঃস্ব হচ্ছে। সামান্য উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা- তাতেও বিশ্বজুড়ে অর্ধেক লোক জানেন না তাঁদের এই রোগ আছে, যাঁরা জানেন তাঁদেরও অর্ধেক চিকিৎসা পান, যাঁরা চিকিৎসা পান তাঁদেরও অর্ধেক মানুষের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। অন্যান্য জটিল রোগের উপাখ্যান তো ছেড়েই দিলাম।

যাঁর নামে শপথ নিলে এই দুরবস্থার সামান্য হলেও উন্নতি হবে, যাঁর নামে শপথ নিলে সরকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে সামান্য হলেও ভাববেন, আমি তাঁর নামেই শপথ নিতে রাজি ??

PrevPreviousবাংলায় লেখা বই জড়িয়ে একটা সন্ধ্যে
Nextমারীর দেশে ভাষা দিবসNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

এভাবে কি damage control সম্ভব?

October 20, 2026 No Comments

আমরা পরিষ্কার ভাবে জানতে চাইছি, ঠিক কী কী কারণে মেডিকেল কলেজ থেকে অ‍্যাপোলো হাসপাতালে রোগীদের স্থানান্তরিত করা হলো। জুনিয়ার ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ‍্য দপ্তর থেকে নির্দেশ

বকতিয়ার খিলজি, হিটলার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার

October 20, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুজোয় বুকস্টলের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে নামা দেখে দুজন ব্যক্তির কথাই মনে আসছে। এই দুই কুখ্যাত ব্যক্তি হলেন বকতিয়ার খিলজি ও হিটলার। বকতিয়ার খিলজি

বাঙালি কি এভাবে বইয়ের স্টলে বসে বসে মার খাবে?

October 20, 2026 No Comments

দুর্গাপুজোয় রাজ্য জুড়ে একটার পর একটা বামদের বুক স্টলে হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ দেখে মনে হচ্ছে বাঙালি নিজেকে খুবই অসহায়, নিরুপায়, অভাগা, ভীত সন্ত্রস্ত বলে মনে করছেন।

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর!

October 19, 2026 1 Comment

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর। (খেয়াল করুন, অর্বাচীন মাকুদের মতো করে – মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আজ যাদের বইয়ের স্টল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, সেই

বিট্টু তাবাহি – অসচেতন দেশে এক বিরল চেতনার নাম।i

October 19, 2026 1 Comment

আপনারা কি সুরেন্দ্র সিং চৌধুরীর নাম শুনেছেন? শোনেননি তো? না, না! এই না শোনাটা কোনো অন্যায় নয়। খুব কেউকেটা মানুষ নয় সুরেন্দ্র। এদেশে নামের পাশে

সাম্প্রতিক পোস্ট

এভাবে কি damage control সম্ভব?

Dr. Amit Pan October 20, 2026

বকতিয়ার খিলজি, হিটলার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার

Dr. Aindril Bhowmik October 20, 2026

বাঙালি কি এভাবে বইয়ের স্টলে বসে বসে মার খাবে?

Parichay Gupta October 20, 2026

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর!

Dr. Bishan Basu October 19, 2026

বিট্টু তাবাহি – অসচেতন দেশে এক বিরল চেতনার নাম।i

Somnath Mukhopadhyay October 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

692683
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]