Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নীতিশদের কাছে আমাদের অঙ্গীকার।

IMG_20220701_090020
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • July 1, 2022
  • 9:02 am
  • No Comments
নিউইয়র্ক হারলেম এর ১৫ বছরের কৃষ্ণাঙ্গ বাচ্চা ছেলেটা বন্ধুর বার্থ সার্টিফিকেট চুরি করেছিল। বয়েস কমানোর জন্য নয়। বাড়ানোর জন্য। না হলে বক্সিং টুর্নামেন্টে নামার অনুমতি পাচ্ছিল না। রাতারাতি ওয়াকার স্মিথ জুনিয়ার হয়ে গেল রে রবিনসন।
ওয়াটারটাউন নিউইয়র্কে ম্যাচ চলার সময়ে দর্শক আসন থেকে এক মহিলা বলে ফেললেন, কী মিষ্টি ছেলে, চিনির মতো মিষ্টি। ব্যাস। নামের সাথে জুড়ে গেল শব্দটা, সুগার। অন্য বক্সাররা, তাদের ট্রেনাররা আর ক্রীড়া সাংবাদিকরা একবাক্যে মেনে নিয়েছেন যে এই পৃথিবী নামক গ্রহটিতে জন্ম নেওয়া সর্বকালের সেরা বক্সার সেই পাঁচ ফুট দশ ইঞ্চির ছেলেটি। নাম সুগার রে রবিনসন।
গড়পড়তা আমেরিকানদের তুলনায় ছোটখাটো শরীর দিয়েছিল প্রকৃতি। অসম্ভব পরিশ্রম, অতুলনীয় ডেডিকেশন, মনের জোর এগুলো দিয়ে সেই অসুবিধে অতিক্রম করেছিল রবিনসন।
১৯৯৯ সালে রবিনসন “শতাব্দীর সেরা ওয়েলটারওয়েট বক্সার”; “শতাব্দীর সেরা মিডলওয়েট বক্সার” আর “শতাব্দীর সেরা ফাইটার” আখ্যা পান এসোসিয়েটেড প্রেসের কাছ থেকে। ২০০৭ সালে ইএসপিএন-এর “সর্বকালের সেরা পঞ্চাশ জন বক্সার” -এর যে তালিকা প্রকাশ করে তাতে প্রথম নাম ছিল রবিনসনের।
মহম্মদ আলির নাম বেশি বিখ্যাত। তিনি গ্রেটেস্ট বলে পরিচিত। তিনি তাঁর প্রতিভার জোরে বিখ্যাত হয়েছেন। তাঁকে ছোট করার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু আলী আর রবিনসনের তুলনার প্রশ্ন মনে আসতেই পারে। এঁরা দুজনে কোনোদিন একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করেন নি। কারণ বক্সিং এর নিয়ম। বক্সারের দৈহিক ওজন অনুযায়ী কতোগুলো বিভাগ তৈরি হয়। ছয় ফুট তিন ইঞ্চি লম্বা আলী ছিলেন হেভিওয়েট বিভাগের খেলোয়াড়।
রবিনসনের দক্ষতা ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়া সাংবাদিকরা একটা শব্দবন্ধ আবিষ্কার করে ফেলেন তাঁকে অন্য বিভাগের বক্সারদের সাথে তুলনা করার জন্য “pound for pound” (ও দেশে ওজন মাপা হয় পাউন্ড দিয়ে)।
মহম্মদ আলী, জো লুই, সুগার রে লিওনার্দের মতো বিখ্যাত বক্সাররা একবাক্যে মেনে নিয়েছেন যে বক্সিং খেলাটার ফেয়ার প্লে স্পিরিট মানতে গিয়ে হেভিওয়েটের সাথে ওয়েলটার ওয়েটের লড়াই চলে না ঠিকই তবে “পাউন্ড ফর পাউন্ড” নীতি মানলে ওই সুগার রে রবিনসনই হলেন ক্রীড়া ইতিহাসের সর্বকালের সেরা মুষ্টিযোদ্ধা। পাউন্ড ফর পাউন্ড হল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির একটা কনসেপ্ট বা ধারণা। সমানুপাতিক প্রতিদ্বন্দিতা।
বক্সিং ফেয়ার প্লে নিয়ম অনুযায়ী কোনোদিনই ১০০ পাউন্ড ওজনের কোনো বক্সারকে বলা হবে না, বাদবাকি নিয়মকানুন তো একই, তাই তুমি ভাই ২০০ পাউন্ড ওজনের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নেমে যাও। ভাই রবিনসন, একটু নামো তো দেখি মহম্মদ আলীর বিরুদ্ধে। কারণ ওটা ফেয়ার প্লে নয়।
ঠিক তেমনভাবে উচ্চ মাধ্যমিক মেধা তালিকায় যারা স্থান করে নিয়েছে তাদের মেধা বুদ্ধি পরিশ্রমকে কোনোমতেই ছোট করা যায় না। কিন্তু এই সেরার সেরাদের সাথে মেধাতালিকায় যাকরা জায়গা পায় নি বা প্রথম তিন জনের মধ্যে আসতে পারেনি তাদের তুলনা করার প্রশ্নটা অনায়াসে চলে আসে। আমরা হামেশাই করে থাকি। এবং করে থাকি অনায়াসে ভুলে যে এই প্রতিযোগিতায় কোনো লেভেল প্লেইং ফিল্ড ছিল না। ছিল না কোনো “pound for pound” নিয়ম। ৯ জন গৃহ শিক্ষক সহ সারাদিন মুখ গুঁজে পড়াশোনা করার সুবিধে পাওয়া ছাত্র/ছাত্রীর সাথে বাবা হারা সংসারে মায়ের মুদির দোকান চালানো রোজগারে বড় হয়ে ওঠা কোনো গৃহ শিক্ষকের সাহায্য ছাড়াই পরীক্ষা প্রস্তুতি নেয়া কোন এক ছাত্র/ছাত্রীর সাথে তুলনা আমরাই করে থাকি।
জীবনতো আর বক্সিং রিং নয়, ফেয়ার প্লে আইন খাটে না। ফেদারওয়েটের বিরুদ্ধে অনায়াসে নেমে যায় হেভিওয়েট। আমরা হটাৎ চমকে যাই যদি দেখি সুগার রে রবিনসনের মতো কোনো চ্যাম্পিয়ন চলে আসে। ওই মুদির দোকানের ছেলেটার কথাই ধরা যাক। চুঁচুড়া কাপাসডাঙ্গার ছেলেটা শুধু পড়াশোনা নয় তার পাশাপাশি ছেলেটা বিজ্ঞান মঞ্চের কর্মী হিসেবে কোভিদের সময় স্যানিটাইজার বানায়, বৃহস্পতি আর শনি গ্রহের কাছাকাছি চলে আসার দিনে সেমিনার করে। এতসব করেও হুগলি ব্রাঞ্চ গভর্মেন্ট স্কুলের শিক্ষিকার সহযোগিতায় নিজের চেষ্টায় জোরে ছেলেটা চতুর্থ স্থান পায়। ভারী মিষ্টি ছেলে, ছিপছিপে চেহারা। সুগার রে অবিকল।
এই অসম প্রতিযোগিতায় নামতে হয়েছে বলে দুঃখ করার কোনো জায়গা নেই। আবারো বলি যে জীবনের খেলায় বক্সিং এর কোনো নিয়ম চলে না। রিংয়ে নেমে যেতে হয়। তারপরে পাঞ্চ আর জ্যাব আর হুক। নানা ঘুষিতে অনায়েসেই হেভিওয়েটরা বিপর্যস্ত করার চেষ্টা করে ফেদারওয়েটকে। আমরা খালি দর্শক আসনে বসে দেখে যাই কি ভাবে অসম্ভব পরিশ্রম, অতুলনীয় ডেডিকেশন, মনের জোর দিয়ে লড়াই চালিয়ে যায় একের পর এক ফেদারওয়েট। ঘুঁষি খেয়ে মাটিতে পরে গিয়েও নক আউট হয়ে যায় না। আবার উঠে দাঁড়ায় লড়াই এর আঙিনায়। অদৃশ্য রেফারি বারবার গুনে যান এক, দুই, তিন, চার …..
মুখের কষ বেয়ে বয়ে আসা রক্ত গ্লাভসের উলটো পিঠে মুছে নিয়ে লঘু পায়ে ঘুরে ঘুরে নেচে নেচে লড়াই দেয় ছিপছিপে চেহারার আমাদের রবিনসন নীতিশ, নীতিশ হালদার।
সুধী দর্শকমন্ডলী, যাঁরা রিং এর চারপাশে বসে আছেন, দিল থামকে বৈঠিয়ে জনাব। আরো হাজারো নীতিশের লড়াই এখনো বাকি। পৃথিবী একদিন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হবে, হবেই। করে ছাড়বো আমরা। পাউন্ড ফর পাউন্ড। নীতিশের কাছে, নীতিশদের কাছে আমাদের অঙ্গীকার।
PrevPreviousশিরদাঁড়া
Nextরক্ত উপত্যকাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

PARDESHI (परदेशी)

January 11, 2026 No Comments

Prasidha ইউটিউব চ্যানেল থেকে নেওয়া।

কমোডের ঢাকনা

January 11, 2026 No Comments

মায়া ওর মা’কে বাবার থেকে অনেক কাছের মনে করে। মায়া’র পুরো নাম মায়া-বন-বিহারিনী .. এরপর একটা চ‍্যাটার্জী বা ঘোষ জাতীয় কিছু থাকাই স্বাভাবিক ছিলো,তার বদলে

গীতা রহস্য

January 11, 2026 No Comments

ভোর ছটায় খুপরিতে ঢুকে প্রথম পনেরো মিনিট খুব হাই ওঠে। তারপর চায়ের দোকানে দাদু যখন হজমলা মেশানো এক কাপ কড়া চা দিয়ে যান, তখন হাই

যমজ সন্তান সম্পর্কে আরো

January 10, 2026 No Comments

আর কত আগুনপথ বাকি?

January 10, 2026 No Comments

২৩ ডিসেম্বর দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে জামিন পেয়েছিল উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডের প্রধান অপরাধী তথা বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার। বিচার-চলাকালীন নয়, পূর্ণাঙ্গ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাবজ্জীবন

সাম্প্রতিক পোস্ট

PARDESHI (परदेशी)

Doctors' Dialogue January 11, 2026

কমোডের ঢাকনা

Arya Tirtha January 11, 2026

গীতা রহস্য

Dr. Aindril Bhowmik January 11, 2026

যমজ সন্তান সম্পর্কে আরো

Dr. Kanchan Mukherjee January 10, 2026

আর কত আগুনপথ বাকি?

Satabdi Das January 10, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

603488
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]