Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দীপ জ্বেলে যাও ২২

FB_IMG_1576317535305-oi9c4pnulon2hxt6t4pp4ietzkwotkouewrrgeyq3k
Rumjhum Bhattacharya

Rumjhum Bhattacharya

Psychologist
My Other Posts
  • February 15, 2024
  • 8:22 am
  • No Comments

কনকনে ঠান্ডায় হাত পা জমে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ছত্তিশগড়ের ঠান্ডা আর গরম দুই-ই কলকাতার থেকে অনেকটাই বেশি। ডিসেম্বর মাসে দল্লি রাজহরায় এসে পড়ে সেটা মালুম পাচ্ছে শুভ। কনকনে ঠান্ডা পোশাক ভেদ করে, এমনকি গায়ের চামড়া ভেদ করে হাড়ে হাড়ে ঠোকাঠুকি লেগে যাওয়ার যোগাড়। প্রথম কয়েকদিন বেশ অসুবিধা হতে লাগল ওর। ধীরে ধীরে গা সওয়া হতে লাগল জলহাওয়া, খাওয়া দাওয়া, মানুষজন। শুভ তো এখনও পর্যন্ত জানেই না ওর মাসিক ভাতা কত। হাসপাতালের পাশেই একটা বাড়িতে, তিনটে ঘর—একটাতে শুভ, মাঝখানেরটায় আশীষদা ও চঞ্চলাদি, শেষেরটায় শৈবালদা। দুবেলা ভাত আর ডাল আসে ইউনিয়নের মেস থেকে। খেসারির ডাল আর ভাত। এই ছিল প্রধান খাদ্য। বাকি কিছু খেতে হলে নিজেদের রান্না করে নিতে হবে। সকালের জলখাবারটা আপাতত: সিনিয়রদের পয়সায় হচ্ছে। কপালে মাঝে মাঝে জিলিপি না হলে চপ জুটে যাচ্ছে। দুবেলা আউটডোর, সকাল সাড়ে নটা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা, আবার বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা। সকালে আউটডোর শুরুর আগে সবাই মিলে ইনডোরে রাউন্ড দেওয়া, সন্ধ্যাবেলা আউটডোর শেষে আরেকবার রাউন্ড। এখানে এখন মোট পাঁচজন ডাক্তার, সবাই মিলে একসঙ্গে রাউন্ড দেওয়া হয়। একে অন্যের রোগী নিয়ে আলোচনাও হয়। অপারেশন থাকলে সকালে আটটা থেকে, ইমারজেন্সি অপারেশন অবশ্য যেকোনো সময়। অবসর সময়ে একসঙ্গে বসে আড্ডা হয়। শুভব্রত আর আশীষদা আলোচনা করতে থাকে দু’জনে একসঙ্গে মিলে সাফল্যের সঙ্গে অনেক অপারেশন করবে। খুব কম সরঞ্জাম। ১৮ ফুট বাই ১১ ফুটের একটা সাধারণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ঘরই অপারেশন থিয়েটার। পাশের একটা ছোট ঘরে অপারেশনের সরঞ্জাম রাখার ব্যবস্থা আছে। অপারেশনের সামগ্রী জীবানুমুক্ত করা হয় ড্রামের অটোক্লেভে। ঘর জীবানুমুক্ত করা হয় অপারেশনের আগের রাত্রে গন্ধক জ্বালিয়ে। অপারেশনের আলো হিসাবে ২০০ ওয়াটের একটা আলো জ্বালানো হয়।সামান্য যন্ত্রপাতি দিয়ে ফোঁড়া কাটা, চোট লাগলে সেলাই, হাইড্রোসিল, হার্নিয়া, অর্শ, ভগন্দর এইসব অপারেশন দিয়ে শুরু এই অপারেশন থিয়েটারের কাজ। শুভ মনে ভাবে ড: কোটনিস যুদ্ধের ময়দানে এর থেকেও কম সরঞ্জামে কাজ করেছেন। তাহলে তারাই বা পারবে না কেন। শুভ হাউসস্টাফ হিসাবে সার্জারির কাজ  অনেকটাই শিখেছে। এবার সেই শিক্ষা প্রয়োগের সময়।

 

হাসপাতালে যোগ দেওয়ার পর থেকেই শুভ-র ওপর দায়িত্ব পড়ে সার্জারি করার। প্রথম দিন থেকেই ওর আন্ডারে রোগী ভর্তি হতে থাকে। কাকে কি করবে তা বলার জন্য আরএমও, রেসিডেন্ট সার্জেন বা ভিজিটিং ডাক্তার নেই। তাই বাধ্য হয়ে শুভকে পড়াশোনা শুরু করতে হলো। এদিকে আশীষদা কলকাতায় ফিরে গেল বছর পড়ার কয়েক মাসের মধ্যে। বিনায়কদাও গেলেন কোনও এক কারণবশত:। শীত কেটে গিয়ে বসন্ত এসে গেল। দল্লি রাজহরার গায়ে লাগল ফাগুনের আগুন। থোকা থোকা পলাশের লালে, কোকিলের কুহু তানে অলস দুপুর যেন কাটতেই চায় না। একটা নতুন নেশায় পেল শুভকে।  হাসপাতালের পিছনের টিলা পেরিয়ে পেছনের মহল্লায় এক ভিডিও হলে হিন্দি সিনেমা দেখা। কিন্তু এসব কিছু চলতে থাকলেও কোথায় যে একটা শূন্যতা মাঝে মাঝে ঘিরে ধরে। মন কেমন করে ওঠে নিজের শহরের জন্য। মায়ের জন্য। 

 

শুভ এখানের পরিস্থতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আর তাল খুঁজছে কি করে রাজনৈতিক কাজ কর্মে জুড়ে যাওয়া যায়। সে কি খালি ডাক্তারি করতে এখানে এসেছে? কিন্তু একটা জিনিস লক্ষ্য করেছে নিয়োগীজি শুভ-র কিছু ভুল দেখলে তীব্র সমালোচনা করেন। অথচ ওই একই ভুল অন্য বুদ্ধিজীবি করলে তিনি কিছু বলেন না। খুব খারাপ লাগে শুভ-র। এ কেমন পক্ষপাতিত্ব। আশীষদা দের সাথে দিব্যি বসে ইউনিয়ন রাজনীতি এসব নিয়ে কথা বলছেন। অথচ ওর বেলাতেই শুধু হাসপাতাল, রুগী, ওষুধ আর চিকিৎসা। মানুষটাকে ঠিক করে যেন চিনতেই পারে না শুভ। একটা কুয়াশায় ঢাকা রাতের মতো। মনে মনে ক্ষোভ জমা হতে থাকে। এদিকে বেশ কয়েক মাস কেটে গেছে। একবার বাড়ি যেতে হয়। মাসিক ভাতা নিয়মিত মেলে না। রাজনন্দগাঁও আর দল্লি রাজহরায় শ্রমিকদের লম্বা হরতাল চলছে। তবু কলকাতায় যাওয়া স্থির করল শুভ। ট্রেনের ভাড়া ছাড়া হাতে আর এক পয়সা বেশি নেই। কাউকে বলাও গেল না সে কথা। ছোট একটা সুটকেস নিয়ে রওনা দিল বাস স্ট্যান্ডের দিকে। হঠাৎই চোখ চলে গেল রাস্তার ধারের এক মোটর সাইকেল সারাইয়ের দোকানের দিকে। শুভ দেখল বেঞ্চিতে বসে নিয়োগীজি আড্ডা মারছেন দোকানের লোকটার সাথে। শুভ দেখেই হাত নেড়ে ইশারায় কাছে আসতে বললেন। কাছে যেতে বসতে বললেন পাশে। শুভ একটু অপ্রস্তুতই হল। খুব বেশি ক্ষণ বসা যাবে না। এদিকে নিয়োগীজির সেদিকে খেয়াল নেই। বলে চলেছেন অনবরত। শুভ মন দিতে পারছে না সব কথায়। বাসের সময় হয়ে আসছে। উসখুস করতে লাগল সে। এমন সময় একজন সাথী এসে নিয়োগীজির হাতে কিছু একটা এনে দিল। নিয়োগীজি  শুভ-র হাতটা ধরে তাতে গুঁজে দিল জিনিসটা। শুভ মুঠো খুলে তাকিয়ে দেখে দু’ হাজার টাকা! 

শুভ বাসের জানলায় মাথা রেখে দূরের দিকে চোখ চালিয়ে দেয়। লোকটাকে চিনে উঠতে পারে না। কখনও মনে হয় কঠোর নির্মম, কখনও মনে হয় লোকটার হৃদয় মোম দিয়ে তো তৈরি। সামান্য উষ্ণতায় গলে যাবে, ছড়িয়ে পড়বে নরম ভালবাসায়।

PrevPreviousভাষা দিবস উদযাপন (চতুর্থ বর্ষ)
Nextকালাজ্বরের গল্প এবং বরেণ্য বাঙালি চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিক উপেন্দ্রনাথNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

অভয়া মঞ্চ বৃহত্তর বিধাননগরের উদ্যোগে আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও স্বাস্থ্য শিবির

November 5, 2026 No Comments

ধনী, উন্নত ও সৌন্দর্যময় ইউরোপে এত অশান্তি কেন?

November 5, 2026 No Comments

১৮৪৮ এ দুই জার্মান দার্শনিক এবং সমাজবিজ্ঞানী কার্ল মার্কস – ফ্রেডেরিক এঙ্গেলস তাঁদের রচিত কমিউনিষ্ট ম্যানিফেস্টো – র উপস্থাপনায় বলেছিলেন যে ইউরোপ কমিউনিজমের ভূত দেখছে।

আঙ্কে গৌড়া – এক জাগ্রত চেতনার নাম

November 5, 2026 No Comments

আজ আপনাদের শ্রী আঙ্কে গৌড়া মশাইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব। তবে তার আগে এই মানুষটিকে ডেকে আনার কারণ বা হেতু প্রসঙ্গে দুই একটা কথা বলে

একটাই ভালো, এসব পাবলিককে মানুষ চিনে যায়, ছুঁড়ে ফেলেও দেয়।

November 4, 2026 No Comments

যেসব দলের / শাসকের নিজের কোনো কোয়ালিটি থাকে না, তাদের দুটো কোয়ালিটি থাকে। একটা হচ্ছে আগের কোনো একটা র‍্যান্ডম সরকারের সাথে তুলনা টানা, আর দ্বিতীয়ত

ভোপাল গ্যাস ট্র‍্যাজেডি

November 4, 2026 No Comments

 

সাম্প্রতিক পোস্ট

অভয়া মঞ্চ বৃহত্তর বিধাননগরের উদ্যোগে আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও স্বাস্থ্য শিবির

Abhaya Mancha November 5, 2026

ধনী, উন্নত ও সৌন্দর্যময় ইউরোপে এত অশান্তি কেন?

Bappaditya Roy November 5, 2026

আঙ্কে গৌড়া – এক জাগ্রত চেতনার নাম

Somnath Mukhopadhyay November 5, 2026

একটাই ভালো, এসব পাবলিককে মানুষ চিনে যায়, ছুঁড়ে ফেলেও দেয়।

Dr. Subhanshu Pal November 4, 2026

ভোপাল গ্যাস ট্র‍্যাজেডি

Dr. Punyabrata Gun November 4, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

698851
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]