Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দীপ জ্বেলে যাও ৪

IMG-20230417-WA0011
Rumjhum Bhattacharya

Rumjhum Bhattacharya

Psychologist
My Other Posts
  • April 18, 2023
  • 7:44 am
  • No Comments

দিকচক্রবালে মাথা তুলে দাঁড়ানো রাজহরা পাহাড়ের গা বেয়ে সূর্য অস্ত গেল। গোধূলির রক্তিম আভা তখনও আকাশের গায়ে লেগে আছে। হাওয়ায় দুপুরের তাপ এখনও লঘু হয় নি কিছুমাত্র। গরমের দাবদাহে ক্লান্ত গাছপালা পশুপাখী। এমন একটা সময়ে লাল ধুলো উড়িয়ে এক পাল ছাগল নিয়ে ঘরে ফিরছে  বারো- তেরো বছরের এক  ছেলে। ছাগলগুলোকে রীতিমতো দৌড় করিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে আসছে সে। যেন খুব তাড়ায় আছে। পথে জগদীশের সঙ্গে দেখা হলে ছেলেটা উত্তেজিত হয়ে জানতে চাইল আজ মিটিং ক’টায় আছে। জগদীশ ওর আগ্রহ দেখে হেসে ফেলল। পুচকে ছোকরাটাও মিটিং কখন হবে জানতে চায়। নতুন কমরেড আসাতে ওদের আন্দোলন যে জোরদার হয়েছে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। নতুন সংগঠনের নাম হয়েছে “ছত্তিসগড় মাইনস শ্রমিক সংঘ”। সুদামার বাপ মা দু’জনেই এখানকার লোহা খাদানে কাজ করে। ওরা ঠিকাদারী মজদুর। ঠিকাদারের কাছে যারা কাজ করে তারা পাকা চাকরির শ্রমিকদের মতোই খাটে বটে কিন্তু তাদের মতো সুযোগ সুবিধা কিছুই পায় না। বোনাস বলো কি মাইনে পত্তর সবেতেই খালি ফাঁকি। তাই মাস দুয়েক হল ওরা এই অসম ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে মাঠে নেমেছে। একুশ দিনের হরতাল করেছে, লাল ময়দানে জমায়েত হয়ে। নারা লাগিয়েছে। তারপর ওরা নিয়ে এল লোকটাকে।

একদিন অন্ধকারে মশাল হাতে নিয়ে গ্রামের কয়েকজনকে জঙ্গলের দিকে যেতে দেখে সুদামাও  পিছু নিয়েছিল ওদের। ঝোপের আড়ালে দাঁড়িয়ে উঁকি মেরে দেখেছিল লোকটাকে। আরেব্বাস! ইয়া লম্বা চেহারা। ঠিক যেন মজদুর লাগে না। কিন্তু পরণের জামাকাপড়ের হাল শোচনীয়। সুদামা শুনেছে লোকটা দানিটোলা খাদানে পাথর ভাঙার কাজ করত। তার মানে তো মজদুরই হল। নতুন কমরেডকে ঘিরে বসেছিল গোটা তিরিশেক লোক। তার বাপও ছিল সেখানে। সুদামা কান পেতে শুনেছিল আত্মারাম চাচা, বলে উঠল, “কমরেড হামারা মজদুর ঝোপড়ি মে রহ কর কাম করতে হ্যায়, লেকিন বারিশ মে জব ঝোপড়ি ভিগ যাতা হ্যায় তো বহুত দিক্কত হোতা হ্যায়, কেয়া ঝোপড়িকে মাররামত্তি কে লিয়ে কোম্পানি হামে সালানা শ’ রূপেয়া নহি দে সকতা হ্যায়?” বাকিরা মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়েছিল। তখন ওর বাপ বলে উঠেছিল, “ ঔর এক বাত ভী হ্যায় কোম্পানি কভি কভি কাম কে লিয়ে বুলাতে হ্যায় ফির কহতে হ্যায় কাম নহী হ্যায়। উস দিন হমে কুছ তো পগার মিললা চাহিয়ে না?” তারপর স্বগতোক্তির মতো বলেছিল, “নহী তো ক্যায়সান চালাইস ঘর পরিবার”! সুদামা ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়েছিল তাই বাপের বুক চেরা দীর্ঘশ্বাসটুকু যেন শুনতে পেয়েছিল ও। তারপর কানে এসেছিল জলদ গম্ভীর স্বর। যেন বারিশ হওয়ার আগে মেঘ গুরু গুরু করে ওঠল। বুকটা ধড়াস করে উঠেছিল ওর। “আপকা ইয়ে মাঙ্গ জায়েজ হ্যায়। হম ইসকে লিয়ে লড়েঙ্গে জরুর। লেকিন………। এবার ওরা ধন্দে পড়ে। মোংলু তাকায় জগদীশের দিকে, জগদীশ তাকায় ধানীরামের দিকে, ধানীরাম তাকায় সোনু দাস এর দিকে। সোনু তাকায় সামারুর দিকে। কি বলতে চায় লোকটা।

শংকর বলে ওঠে, “এক বাত আপলোগো কো ভী সমঝ না চাহিয়ে। কেবল সংঘর্ষ সে কাম নহী চলেগা। আপ কো বদলনে কা কাম ভী করনা পড়েগা। আপনে আপ কো ভী ঔর ইয়ে সমাজ কো ভী।“ অনপড় লোকগুলো কিছু বুঝে উঠতে পারে না। এ কী কথা বলছে রে বাবা লোকটা। ওরা আবার কি বদলাবে? ওরা জানে “হরতাল করব, কাম বন্ধ করব তা হলে মজদুরী বাড়বে।“ কী বা আছে ওদের জীবনে যে ওরা বদলাবে! গায়ে পড়ার কাপড় জোটে না ঠিক করে। পেটের খাবার জোটে না। দিনরাত খাটো আর মদ খেয়ে না পাওয়ার দুঃখ ভুলে থাকো। এর মধ্যে আবার বদল এল কোথা থেকে। শংকর ওদের বোঝায় প্রকৃতি আমাদের যা কিছু দিচ্ছে সব কিছু সবার জন্যে দিচ্ছে তাতে কোনও ভেদ নেই। যেমন এই ঝর্নার জল, রোদ, বৃষ্টি, চাঁদের আলো। “ফির ভেদ ভাও কোন বানায়া?” ওদের মাথায় এবার বুদ্ধি খেলে। সমস্বরে বলে ওঠে, “ইনশান নে বানায়া।“  শংকর বলে চলে, “ ইনশান নে জো সমাজ বনায়া উসমে হ্যায় ভেদ ভাও”। ওরা মাথা নাড়ে, ঠিক কথা। “আপ লোগ দিনরাত মেহনত করতে হো, লেকিন রোটি, কাপড়া মোকান নহী মিলতা হ্যায়।“ ওরা মাথা নেড়ে এ কথাতেও সায় দেয়। “ইনসান কী তরহ জিন্দেগী জিনা হ্যায় তো আপকো ইয়ে সব কে লিয়ে লড়না হোগা, লেকিন উসকে সাথ সাথ  আপনে আপকো বদল না হোগা। নেহি তো ইয়ে লড়াই কোই কাম কা নহী ………সুদামা সেদিন চুপিচুপি পালিয়ে এসেছিল ওখান থেকে।

তার ঠিক দু’দিন পর।  দল্লিরাজহরা উত্তাল হল শ্রমিকের স্লোগানে স্লোগানে। মর্যাদার লড়াইয়ে নেমে ওরা আত্মবিশ্বাসের সাথে ফিরিয়ে দিল বোনাসের টাকা। দালাল নেতাদের সই করা চুক্তি মানবে না তাই ৭০ টাকা বোনাসের বদলে ৫০ টাকা বোনাস নিল। জিততে ওদের হবেই। “ হর জোর জুলুম কে টক্কর মে হাম মজদুরো কা নারা হ্যায়………” আকাশ বাতাস মুখর হয়ে ওঠল শ্রমিকের প্রতিবাদে। ওরা যে সংখ্যা, ওরাই সংখ্যা ওরাই তো স্টীল প্ল্যান্টের চাকা সচল রেখেছে। তাই নতি স্বীকার করতে হল ভিলাই স্টীল প্ল্যান্টের ম্যানেজমেন্টকে। সরকারি অফিসারের সামনে সি এম এস এস এর সঙ্গে চুক্তি করে ওদের দাবী দাওয়া মেনে নিতে বাধ্য হল মালিক পক্ষ। কিন্তু সরল মতি আদিবাসী মানুষগুলো তো জানত না শিক্ষিত বলে যারা বুক ফুলিয়ে সমাজে ঘুরে বেড়ায় তারা ওদের মতো নয়। তারা কথার দাম বোঝে না তারা কেবল মুনাফা বোঝে। গরীব শ্রমিক আত্মসম্মান বজায় রাখতে কুড়ি টাকা কম নিতে পারে কিন্তু পুঁজির মালিকদের চুক্তি মেনে টাকা দিতে বুক কাঁপে। তাই  যখন শ্রমিকরা ঠিকাদারের কাছে ঘর মেরামতির টাকা আনতে গেল ঠিকাদার বেমালুম মানা করে দিল। বেইমানি!

ওরা ফিরে এল। ধীরে ধীরে আঁধার নেমে এল দল্লি রাজহরার বুকে। কালো অন্ধকার তার বুকের ওপর চেপে বসেছে। সেই অন্ধকারের মধ্যে গ্রামগুলোর ছোট্ট ছোট্ট ঝুপড়ি ঘরে টেমির আলো যেন জোনাকির মতো ইতি উতি জ্বলছে। সে আলো শুধু তার অস্তিত্বই জানান দিতে পারে ঘোচাতে পারে না এই জমাট বাঁধা অন্ধকার। অশিক্ষা, অস্বাস্থ্য, অভাবের অন্ধকারে চাপা পড়ে থাকে মানুষের অধিকার। যে অধিকারের লড়াই লড়বে বলে আজ এখানকার খনি শ্রমিকরা সংগঠিত হয়েছে। তারা চেয়ে আছে ওই লোকটার দিকে। যে লোকটা কোন আসামের ন’ গাও থেকে সময়ের স্রোত বেয়ে ওদের  অন্ধকার জীবনের পথে আলোক বর্তিকা হয়ে  এসে পড়েছে, যার দু’চোখে মাখানো সমাজ বদলের স্বপ্ন। কিছু কিছু মানুষ এমন জন্মায় যারা আলো জ্বেলে দেয় অন্যের জীবনে, যাদের সংস্পর্শে এসে বদলে যায় আরও অনেকের জীবনের গতিপথ।

সন্ধ্যের আলোচনা শেষ করে যে যার ঘরে ফিরে যায়। সুদামাও ঘরে ফিরে গভীর ঘুমে ঢলে পড়ে। হঠাৎ জীপের আওয়াজে সচকিত হয়ে ওঠে ওদের গ্রাম। রাত তখন বেশ ঘন। পুলিশ! জীপের আওয়াজ এসে থামল ইউনিয়নের ঝোপড়ির সামনে। দুটো ভ্যানে করে পুলিশ এসেছে লোকটাকে তুলে নিয়ে যেতে। মনে মনে একটু হাসে সে। নির্বিকার গিয়ে গাড়িতে ওঠে। জেলে যাওয়া তো আর এই প্রথম নয়। জেলের ছোট্ট কুঠুরী কি পারবে তার আকাশ ছোঁয়া সংকল্পকে ভরে রাখতে। ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা মৃদু হাসি দেখে গা জ্বালা করে ওঠে ডিউটিতে থাকা অফিসারের। ভয় পাওয়াতে পারে না বলে রাগে সারা শরীর রি রি করে ওঠে। এদিকে জীপের শব্দে ঘুম ভেঙে গেছে মজদুরদের। ওরা ছুটে আসে। অসহায়ের মতো চেয়ে থাকে জঙ্গলের পথে অপসৃয়মান জীপের দিকে। ওরা যে ধরে নিয়ে যাচ্ছে লোকটাকে। মাঝ রাতে আবার উত্তাল দল্লি রাজহরার মাটি, মানুষ, গাছপালা, পশু পাখি, স্লোগানে স্লোগানে আটক করেছে ওরা আরেকটা পুলিশের গাড়িকে। সুদামার ঘুম ভেঙে যায় চিৎকারে। ঘুম চোখে বেরিয়ে আসে ঘর থেকে। ঘিরে থাকা শ্রমিক তখন তাদের নেতার মুক্তির দাবিতে সোচ্চার। বন্দুকের আওয়াজে সচকিত হয়ে ওঠে খনি খাদানের দেশ। একটা  রাতচরা পাখি তীক্ষ্ণ চিৎকার করতে করতে আকাশে উড়ে যায়। গাছেরা উদ্বাহু হয়ে ইনসাফ চায় আকাশের কাছে, গ্রহ তারকাদের কাছে। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এক নারী আর এক বালকসহ সাত জন। খাদান শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রথম শহীদ। লাল মাটিতে মিশে যায় তাদের লোহিত ধারা। অনুসুইয়া বাঈ লাল সেলাম, সুদামা লাল সেলাম, জগদীশ ভাই লাল সেলাম……… শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না। পুলিশের গুলি খতম করতে পারে না ওদের। ওরা যে সংখ্যা, ওরাই সংখ্যা। পুলিশকে ঘিরে রাখে ওরা। দাবী একটাই কমরেড শংকর গুহ নিয়োগীকে মুক্তি দিতে হবে। পুবের আকাশে লালের ছোঁয়া লাগে। এক নতুন ভোরের স্বপ্নে বিভোর ওরা। আর একটা দিন নতুন সংগ্রাম নিয়ে হাজির হবে ওদের জীবনে। তার নাম আগামী কাল।

PrevPreviousমেডিসিন ও সার্জারির প্রেক্ষিতে স্পেনের গৃহযুদ্ধ (১৯৩৬-১৯৩৯)
Nextবিকল্প চিকিৎসা ৩ ★স্বাস্থ্য ও কুসংস্কার ★Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কাঁদো, বাংলা কাঁদো

October 25, 2026 No Comments

★ “শারদীয়” নাকি “দুর্গোৎসব” বেছে, কীসে যে মরল, তারা কি শেষে জেনেছে? পাতে ভাত নেই। প্যান্ডেলে আছে ঠাকুর। দেখো প্রাণ ভরে। বুকস্টল ভাঙো “মাকু”র। হাঁটুর

লাল বেনারসী আর কৃষ্ণগহ্বরের গল্প

October 25, 2026 No Comments

উপর্যুপরি কিছু ঘটনার অভিঘাতে আমার স্বভাবতই বিষণ্ণ পুজো আরও ম্লান, আরও দিশেহারা আজ। ভীঈঈঈষণ লম্বা একটা লেখা দিলাম তাই। এমনিতেই বাজে লেখা। একজনও না পড়লে

Another India, Cast Out of Time and Place: Why India’s Youth Movements Stop at the Rural Edge

October 25, 2026 No Comments

“No two fermions can occupy the identical quantum state .” This is the principle articulated by the Austrian physicist Wolfgang Pauli when he introduced his

যাদবপুরের ব্যারিকেড 

October 24, 2026 No Comments

“ভালস্ট্রাসের ব্যারিকেডে আজ পর্যন্ত একুশটি, মানে একবিংশতি আক্রমণ চূর্ণ হইয়াছে।  এবার বোধ হয় ট্যাংক আসিবে।” সপ্তমীর গভীর রাতে মোবাইলের পর্দায় যাদবপুরের বামপন্থী বই এর স্টলে

স্যার

October 24, 2026 No Comments

আমার সুখী সুখী জীবন। মাস গেলে ভালোই মাইনে, কাজকর্ম নিয়ে তেমন কোন টেনশন নেই। কর্তার ইচ্ছায় কর্ম করি। সরকার যা বলে সেটা পড়িয়ে দিনের শেষে

সাম্প্রতিক পোস্ট

কাঁদো, বাংলা কাঁদো

Dr. Arunachal Datta Choudhury October 25, 2026

লাল বেনারসী আর কৃষ্ণগহ্বরের গল্প

Dr. Sukanya Bandopadhyay October 25, 2026

Another India, Cast Out of Time and Place: Why India’s Youth Movements Stop at the Rural Edge

K. Sahadevan October 25, 2026

যাদবপুরের ব্যারিকেড 

Debashish Goswami October 24, 2026

স্যার

Sanjoy Mukherjee October 24, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

694443
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]