Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডাক্তারী পরীক্ষায় গণ টোকাটুকি

347266059_10160934585416092_4645312493408150766_n
Dr. Arunachal Datta Choudhury

Dr. Arunachal Datta Choudhury

Medicine specialist
My Other Posts
  • June 29, 2023
  • 7:52 am
  • No Comments
১)
উনিশশ’ একাত্তর সালে হায়ার সেকেন্ডারি পরীক্ষায় বই খুলে গণ-টোকাটুকি হয়েছিল। পুরনো এগারো ক্লাসের হায়ার সেকেন্ডারি তখন। রেজাল্ট বেরোতে দেখা গেল অন্যান্য বছরের দ্বিগুন ছেলেমেয়ে ফার্স্ট ডিভিসন পেয়েছে। আমার বন্ধু বাসুও তাইই। তারপরে বেশ কিছুদিন এমনকি নির্মেঘ রাত্রিতেও বাসু পাড়ায় চলাফেরা করত ছাতার আড়ালে মুখ লুকিয়ে। লোকে দেখতে পেলেই জিজ্ঞেস করত, কীরে বাসু তুইও নাকি ফার্স্ট ডিভিসন?
★
২)
আমরা ১৯৭১এর হায়ার সেকেন্ডারি ব্যাচ।
আমরাও যাকে বলে টুকে পাশ করা ডাক্তার … আক্ষরিক অর্থেই। যে সে কাগজ দেখে টুকলি না। ক্লাসের ফার্স্টবয় থেকে লাস্টবয় অবধি সবাই খুল্লাম খুল্লা টুকেছিলাম বই খুলে। অ্যানাটমি আর ফিজিওলজি পরীক্ষায়। সে কী হইহই কাণ্ড রইরই ব্যাপার। আমাদের পুরো ব্যাচে মোটে দু’জন টোকেনি, মহফাজুর খোন্দকার রহমান আর শুভাশিস সাহা।
আমাদের সিনিয়র ব্যাচগুলোও টুকেছিল। দাদা দিদি সবাই। কারও সেকেন্ড এমবিবিএস, কারও বা ফাইনাল এমবিবিএস।
ডাক্তারির বইগুলো এমনিতেই বেশ মোটা মোটা। এক্সামিনেশন হলটা ছিল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ব্লকের তিন তলায়। রোগা রোগা মেয়েগুলো অবধি চটের ব্যাগে করে ডান হাতে তিনটে বই মানে দশ কিলো আর বাঁ হাতেও আরও দশ কিলো বই নিয়ে মেরুদণ্ড বাঁকিয়ে সিঁড়ি বেয়ে উঠত সেই তিন তলায় পরীক্ষা দিতে।
অবশ্য তার জন্য রেজাল্ট যে খুব হেরফের হত তা না। সেই টোকাটুকির বাজারে ইউনিভার্সিটি নিয়ম করেছিল, মেডিকেল পরীক্ষার থিওরি খাতা যিনি দেখবেন তিনিই ওর‍্যাল প্র্যাকটিকাল নিতে আসবেন। ওর‍্যাল প্র্যাকটিক্যালে থিওরির সমান নম্বর। পরীক্ষকরা দ্বিতীয় মোলাকাতের সময় সেই অভিশপ্ত বই থেকে টোকা থিওরির খাতা সহ আসতেন। টুকে যে বেশি নম্বর পেয়েছে তার মৌখিক প্রশ্নও হত সেই মানের। উত্তর না দিতে পারলেই ডাহা ফেল।
যে গল্পটা বলতে চাইছি সে’টা একটু অন্যরকম। আমাদের ক্লাসে পড়ত মুক্তিশঙ্কর মাল। হায়ার সেকেন্ডারিতে অত্যন্ত উজ্জ্বল রেজাল্ট। ক্লাসেও পড়াশুনোয় দুরন্ত। মোটেই আমাদের মত ফাঁকিবাজ না। মুক্তি যেদিন ক্লাসে যা পড়ানো হয়, সন্ধ্যে বেলায় পুরোটা বই থেকে পড়ে যাকে বলে আত্মস্থ করে ফেলে, একেবারে নিয়মিত। আর একটা কাজও করত মুক্তি সেই প্রথম দিন থেকে। সরু চিলতে কাগজে অত্যন্ত ছোট হাতের লেখায় পুরো পড়াটা লিখে ফেলত সেই দিনই। সেই কাগজ আবার বিশেষ কায়দায় ভাঁজ কড়া হত। মুক্তি আমাদের দেখিয়েওছিল কী ভাবে বাঁ হাতের মুঠোয় কাগজ রেখে সুপটু তর্জনী আর মধ্যমার সঞ্চালনে প্রায় জাদুকরের মত সমস্ত লেখাটা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়। মুক্তি তার এই কাগজগুলো একেবারে নিয়মমাফিক বৈজ্ঞানিক কায়দায় গুছিয়ে রাখত তার টুকলি রাখার ট্রাঙ্কে। তার এই শিল্পকর্মের জন্য রীতিমত গর্বিত ছিল সে। আর আমরা ছিলাম অলস ঈর্ষাদগ্ধ গুণমুগ্ধের দল।
সন ১৯৭৫। মেডিক্যাল কলেজে ফার্স্ট এমবিবিএস পরীক্ষা। আমরা উপায়হীন নির্লজ্জরা দল বেঁধে প্রতিটা পেপার বই খুলে টুকছি। সে টোকারও কোনও মাথামুণ্ডু নেই। আসলে বই দেখে টুকলে মাত্রাজ্ঞান থাকে না কোনও। পঁচিশ নম্বরের প্রশ্ন এসেছে Decerebrate Rigidity। সি সি চ্যাটার্জির বইয়ে এ ব্যাপারে আছে মোটে সাড়ে তিন লাইন। মাত্র সেইটুকুই টোকা হল। আর পাঁচ নম্বরের শর্ট কোশ্চেন ভিটামিন সি, বইয়ে আছে সর্বমোট পাঁচ পাতা। এক ঘণ্টা খরচ করতে হল সেটা টুকতে।
এই রকমের ঐতিহাসিক পরীক্ষা দিয়ে হতক্লান্ত আমরা বিজয় গৌরবে হোস্টেলে ফিরেছি। সবাই খুশি।
শুধু মুক্তিশঙ্কর একা মুখ চুন করে জনে জনে বলে বেড়াচ্ছে, এরকম বই খুলে টোকা অত্যন্ত খারাপ… অন্যায়।
গত দু বছরের নিরলস পরিশ্রমের ফসল তার অতিকায় শিল্পকর্ম এক ঝটকায় অর্থহীন হয়ে গেছে সহসা।
প্রসঙ্গত বলি, টোকাটুকির এই স্বর্ণযুগ ১৯৭৬ এর পর অন্তর্হিত হয়। সিদ্ধার্থ রায়ের আমলেই। আমাদের অ্যানাটমি পরীক্ষা ক্যান্সেলড্ হয়েছিল। নতুন করে পরীক্ষার সিট পড়ল ইউসিএমএর বাড়িতে। সব কলেজ একসঙ্গে। পুলিশ দিয়ে পকেট ও অন্যান্য জায়গা সার্চ করিয়ে ঢোকানো হয়েছিল, এমনকি মেয়েদেরও। আমরা পরীক্ষা দিয়েছিলাম। পাশও করেছিলাম।
★
পুনশ্চঃ- মূল লেখাটা কয়েক বছর আগেকার। লেখাটা পড়েই আমার কলেজের তিন বছরের ছোটো ভাই আর বন্ধু, চন্দন ঘোষ ফোন করে তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল। চন্দন অত্যন্ত ভালো ও মেধাবী ছাত্র। এভাবে পরীক্ষার কথা ও ভাবতেই পারে না।আসলে ওরা যখন কলেজে ঢুকেছে তদ্দিনে মোগল সাম্রাজ্যের পতন ঘটে গেছে। সেই সুদিন অন্তর্হিত। যথার্থ পরীক্ষার দিন ফিরে এসেছে। আমরাও ফাইনাল এমবিবিএস আর এমডি তক সেই বিনা-টোকাটুকির পরীক্ষাই দিয়েছি।
এখনের প্রবল প্রতাপ মাঝি আর সেনরাও তাইই। না টুকে পরীক্ষা দিতে গিয়ে সাফারও করেছেন বেশ।
কিন্তু এঁরা তো প্রবল ছাত্রবন্ধু! আর এখন আবহাওয়াও অনুকুল। বস্তুত যদ্দুর জানি, এঁদের ইয়েও টুকে পাশ করা উকিল। এই ডাক্তারি স্টলওয়ার্টেরা পুরোনো দিন ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছেন তাই।
PrevPreviousঘামাচিতে পাউডার নয়
Nextঅনেক মানুষ, একলা মানুষ ৬Next
4 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

August 22, 2026 No Comments

এক ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে তৎকালীন শাসকের প্রশ্রয়পুষ্ট গুণ্ডারা, যাদের সংবাদমাধ্যম মিষ্টি করে দুষ্কৃতী বলে,এই শহরের এক অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে যথেচ্ছ ভাঙচুর করেছিল

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

August 22, 2026 No Comments

২০২৬ সালটিকে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল এসেম্বলির তরফ থেকে “আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে, আমাদের খাদ্যের

“সারা গায়ে পোকা চরে বেড়াচ্ছে, স্যার”

August 22, 2026 No Comments

বছর ষাটের প্রৌঢ়া। টিকালো নাক,গায়ের রঙ ধবধবে ফর্সা। কিন্তু ইতিমধ্যেই অধিকাংশ দাঁত হারিয়ে গাল চুপসেছে। ফলে, শরীরে  পড়ন্ত প্রৌড়ত্বের সঙ্গে আসু বার্ধক্যের টানাপোড়েন বেশ লক্ষ্যনীয়।

শুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।

August 21, 2026 No Comments

একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন? ফেসবুক আর “ফেসবুক” নেই — এখন ওটা একটা বিজ্ঞাপনী প্যামফলেট, যেখানে মাঝেমধ্যে মানুষ ভুল করে ঢুকে পড়ে। একটা সময় ছিল, সকালে

এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়

August 21, 2026 No Comments

কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে ক্ষুদিরাম বসুর ছোঁড়া বোমাটা সেদিন সঠিক লক্ষ্যে লাগেনি। এক অর্থে ব্যর্থ। সেই ব্যর্থ মানুষটিকে নিয়ে লিখতে বসার কিছুতো কারণ থাকবে। সেটা জানার

সাম্প্রতিক পোস্ট

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

Vishag Gupta August 22, 2026

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

Somnath Mukhopadhyay August 22, 2026

“সারা গায়ে পোকা চরে বেড়াচ্ছে, স্যার”

Dr. Subhendu Bag August 22, 2026

শুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।

Dr. Arjun Dasgupta August 21, 2026

এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়

Dr. Samudra Sengupta August 21, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669256
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]