Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মিয়াঁও

IMG_20200819_014300
Dr. Soumendu Nag

Dr. Soumendu Nag

Doctor in a local self-government hospital.
My Other Posts
  • August 19, 2020
  • 8:04 am
  • No Comments

এক

সে অনেকদিন আগেকার কথা|
বাবার শ্রাদ্ধের কাজ মিটে যাবার পর বসে আছি বারান্দায়| রজনীগন্ধার স্তুপে ঢেকে যাওয়া ফটোটা ঘরে নিয়ে যাবো ভাবছি| তখনি সে ডাকলো| আমারে এট্টু আগাইয়া দিবা বাবু| দেখলাম খাবার-টাবার পুটলি বেঁধে পানখাওয়া কালো দাঁত বের করে সে অপেক্ষায়| যশোদা বুড়ি| অনুষ্ঠান বাড়িতে পাতা টাতা পরিষ্কার করে| সারাদিন এখানেই ছিল| রাস্তায় যেতে যেতে কথা হয়| টুকুর টাকুর গল্প| বাড়িতে তাঁর দুইখানা নাতি নাতনি|ছেলেটা অর্ধোন্মাদ| কোনোদিন বাড়ি ফেরে, কোনোদিন শুয়ে থাকে রেলস্টেশনে|বৌটা চলে গেছে কোথায়| অভাবের সংসারে পাগল স্বামী নিয়ে কেইবা থাকতে চায়!

তা তুমি তো রোজই অনুষ্ঠান বাড়ি, এ বাড়ি সে বাড়ি করে বেড়াও তোমার নাতি নাতনিদের কে খাবার করে দেয়?

নাতনিডা শেয়ানা হৈছে|এট্টু আধটু পারে| আর রাইতে খাবার নিয়া আসি| বুড়ির নিশ্চিন্ত উত্তর|

রাত তখন এগারোটার বেশি| পোঁটলা কাঁধে যশোদা বুড়ি| তার ফোকলা পানখাওয়া দাঁত| অর্ধ-নোংরা থান চাদর| সাথে আমরা দুজন| আমি আর এক ভাই| বাড়িতে অপেক্ষায় দুইখান কি তিনখান পেট| হালকা শীতে কুয়াশায় মায়াবী রোডলাইট| টুপটাপ শিশির|

রাস্তাটা খুব বেশি নয়| মাত্র মিনিট পাঁচেকের হবে| যখন পৌছুলাম তার উঠোনে রাত এগারোটা পার হয়ে গেছে| ফেব্রুয়ারীর হালকা হালকা শীত| উঠোনের একপাশে মাটির ঘর |কঞ্চির বেড়া দেওয়া বারান্দা| টিম টিম করে জ্বলা একটা লাইটের আলোয় দাঁড়িয়ে আছে নয় বছরের একটা মেয়ে| বারান্দার সামনে| পাশের মাদুরে কিশলয় সহজপাঠ ছড়িয়ে ছিটিয়ে বড়োজোর পাঁচ বছরের একটা ছেলে ঘুমিয়ে কাদা| আমরা দাঁড়াইনি বেশিক্ষণ| তবে ফেরত আসতে আসতে স্পষ্ট শুনেছি| কিরে ওঠ .. খাবিনা ওঠ …

শুনতে পাই ছেলেটার বাচ্চাবাচ্চা উচ্চারণ ..ঠাকমা কি আনছো আইজ ….|

ফেরার সময় রাস্তায় পুরো সময়টা নির্বাক ছিলাম| আগে জানলে নিশ্চই আগেই পাঠিয়ে দিতাম খাবার| অথচ প্রতিদিন তো এভাবেই খায় ওরা| নেমন্তন্ন বাড়ির ফুরিয়ে আসা রয়ে যাওয়া বিভিন্ন খাবারের পাচন ওরা খায়| অপেক্ষায় থাকে| হয়তো তৃপ্তি করেই খায়| খিদের পেটে ঝলসানো রুটিও গরম তন্দুরী|

এরপর অনেকদিন এই ছবিটা তাড়া করেছে আমায়| সভ্যতার এতগুলো দিন পরেও কাউকে কাউকে অপেক্ষা করতে হয় এভাবে| অনুষ্ঠান বাড়ির টেবিলে টেবিলে আধখাওয়া তন্দুরী চিকেন ডাস্টবিনে ফেলতে ফেলতে এই খিদে, অপেক্ষারত নাতি নাতনি ..এদের কথা হয়তো মনেও পড়ে তার| যশোদাবুড়ির|

দুই

লক ডাউন তখন উঠেছে দেশ জুড়ে| পরিযায়ী শ্রমিকেরা ফিরে আসছে করোনা সঙ্গে নিয়ে| কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলো বাঁশ দিয়ে বেড়া দিচ্ছে লোকজন| হঠাৎ হঠাৎ শোনা যাচ্ছে অমুকের ছেলে মহারাষ্ট্র থেকে এসে বাড়িতেই ছিলো| কোয়ারেন্টাইনে রাখার পর টেস্ট রিপোর্ট পসিটিভ| দাগী আসামির মত তাকে গাল দিচ্ছে টপিক খুঁজে পাওয়া লোকজন| মোড়ে মোড়ে শারীরিক দূরত্বের মাথায় আগুন দিয়ে এইসব পিএন পি সি চলছে মাস্কবিহীন| মোবাইলে ফোন করলেই শোনা যায় ধীরে ধীরে অনলকিং-এর গান| আমার হাসপাতালের ওপরের ঘরগুলো বিকেল পার হলে খাঁ খাঁ করে| এতদিন গমগম করতো সন্ধ্যায়| চা বানিয়ে খাওয়াতো ফার্মাসিস্ট অভিরূপ| কম্পিউটারে কাজ করতে করতে চিৎকার করতো রবিবাবু| কিহলো ..বলও ..| কথায় কথায় এটা বলা তার মুদ্রাদোষ| উদ্ভট ভঙ্গিতে বব ডিলন গাইতো অভিরূপ| আর রান্না ঘরের পাশ দিয়ে কেউ গেলেই লেজটাকে আদুরে ভঙ্গিতে নাড়াতে নাড়াতে সে বলতোঃ ম্যাঁও|

সে আমাদের লকডাউনের অতিথি| কোথা থেকে হঠাৎ করে এসে পড়া বেড়াল|অভিরূপ তাঁর নাম দিয়েছিলঃ টিনটিন| হোমসার্ভিসের স্বপনদা একটা লাল প্লাস্টিকের গামলা টাইপের দিয়েছিল টিনটিনের জন্য| যা খাওয়া হতো লাল গামলায় ভাগ পেতো টিনটিন| কিন্তু লকডাউন শেষ হতেই সব্বাই বাড়ি থেকেই ডিউটি করে| ওপরটা এখন ফাঁকা|

এমনি একদিন নাইট ডিউটি| রাত এগারোটায় লাঞ্চ সেরে এঁটোকাঁটা রাখবো বলে বাথরুমের পাশটায় হঠাৎ একটা আওয়াজ শুনলামঃ ভীরু ভীরু| মৃদু| অথচ অপেক্ষার|অনুরোধের| মিয়াঁও ….আরে টিনটিন যে!

কিরে কোথায় ছিলি য়াদ্দিন ??

কেউ তো সবসময় থাকে না ওপরে| সত্যিই তো কোথায় খায় সে এখন!

যত্ন করে খাবারের উচ্ছিষ্টগুলো ..মাছের মাথা ..কাটা ফাঁটা রাখি| আজ কিছু রাখিনি রে|ভুলেই গেছিলাম তোর কথা|

টিনটিন যত্ন করে খায়| কাঁটা ফাঁটা কটোর মটোর চেবায়| লেজটা নাড়তে নাড়তে বলে ম্যাঁও| খিদের একটা ডাকনাম হয়তো ম্যাঁও|

আমার যশোদাবুড়ির সেই নাতিনাতনিদের কথা মনে পরে হঠাৎ|এই করোনা কালে অনুষ্ঠান নেই| বিয়ে বাড়ি নেই| যশোদা বুড়ির নাতি নাতনিদের এখন আর অপেক্ষায় থাকতে হয় না!

তবু আমার কানের সামনে বাজে মিঁয়াও …ঠাকমা কি আইনছো আইজ ….

PrevPreviousচেম্বার ডায়েরীঃ করোনা কাহন।
Nextফ্রেডরিক গ্রান্ট বান্টিঙঃ কর্ম ও জীবন পর্ব ১৪Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

April 20, 2026 No Comments

এক বছরের শাস্তিমূলক পোস্টিং হিসাবে মেধাতালিকা অমান্য করে আমাকে পুরুলিয়া, দেবাদাকে মালদা পাঠানো হয়েছিলো, এগারো মাস পর কোর্টরুমে জয় এলো, গতকাল হাইকোর্ট, সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণ

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

April 20, 2026 No Comments

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

এই জয় আমাদের শক্তি দেয়

April 20, 2026 No Comments

১৯ এপ্রিল ২০২৬ ক্ষমতার আস্ফালন আর চোখ রাঙানি শেষ কথা বলে না, ইতিহাস বারবার তা প্রমাণ করেছে। অভয়ার নৃশংস হত্যার পর আমরা হাজার হাজার ছেলে

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

April 19, 2026 No Comments

১৩ এপ্রিল ২০২৬ ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন। সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণাকারী বাবা সাহেব আম্বেদকারের জন্মদিনের আগের দিন পশ্চিমবঙ্গের এক বিরাট অংশের মানুষ চরম

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

April 19, 2026 No Comments

১৭ এপ্রিল ২০২৬ রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর যে স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতি অবলম্বন করে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, আজকের হাইকোর্টের রায় তাদের

সাম্প্রতিক পোস্ট

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

Dr. Asfakulla Naiya April 20, 2026

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

Dr. Subhanshu Pal April 20, 2026

এই জয় আমাদের শক্তি দেয়

Abhaya Mancha April 20, 2026

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

Sangrami Gana Mancha April 19, 2026

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

West Bengal Junior Doctors Front April 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618468
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]