Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অসহায় হাতুড়ে, বিক্ষুব্ধ জনতা এবং পীতাম্বর গোঁসাই

IMG_20210924_232028
Dr. Dipankar Ghosh

Dr. Dipankar Ghosh

General Physician
My Other Posts
  • September 25, 2021
  • 8:42 am
  • 2 Comments

সেদিন সারাদিন অবিশ্রান্ত বর্ষণ হয়ে অবশেষে একটু শান্ত হয়েছে। করোনাকে তিন তুড়ি মেরে চাতাল হাতুড়ে একটা নিকটবর্তী চা-দোকানে উপবেশন করেছে। মাথার ওপরে নীল প্লাস্টিকের ছাদ জলভারে নুয়ে পড়েছে। সেই দোকানদার সাময়িক বৃষ্টিবিরতিতে চা-লালায়িত মানুষের তৃষ্ণা মিটিয়ে মিটিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এমন সময়ে জনতা হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে পড়লো।

একজন বুদ্ধিজীবী, পরোপকারী ভদ্রলোক একটা চিকিৎসকের অবহেলা নিয়ে একটা চমৎকার প্রসঙ্গ তুলে সিক্ত বৈকালিক চা পানের বর্ষণবিরতিকে অগ্নিময় করে তুললেন। জনতার চোখে পড়লো একজন, হাতুড়ে হলেও, চিকিৎসক সেখানে উপস্থিত। সকলে মিলে আধাপাগল হাতুড়েকে চেপে ধরলেন। বেচারা হাতুড়ে বৈকালিক চা-পানে এরূপ বিঘ্ন ঘুণাক্ষরেও আশঙ্কা করে নি। চমকে চা চলকে, বিষম খেয়ে, হেঁচে কেশে একাকার কান্ড বাধালো।অতঃপর একটা নির্দোষ প্রশ্ন করলো “আজ্ঞে আমি তো জন্ম অপরাধী, যাকে বলে দাগী, কিন্তু ঘটনাটা কী? যদি আজ্ঞা করেন, সেটা জানতে পারি কি?”

এবার বাকিরা থমকালো। কেন না,এমন সময় একটা দুধসাদা জমকালো গাড়ি, বিদেশী হোটেলের ছাপ মারা, ঘচাং করে অকুস্থলে দাঁড়ালো। সেখান থেকে সোনালী হলুদ স‍্যুটেড, সাদা বুটেড, কালো টাইদুরস্ত এক গোলাকার মানুষ হাঁফাতে হাঁফাতে এসে চায়ের দোকানের প্লাস্টিকের ফাটা টুলে বসলেন।

এটা অবিশ্বাস্য এক ঘটনা। পেঁকো খাল দিয়ে সুদৃশ্য প্রমোদতরণী গেলে যেমন অবিশ্বাসের ঢেউ উঠবে, উপস্থিত চা-তাল জনতার মনে তার চেয়েও বেশী ঢেউ খেলে গেলো। এক কোটির গাড়ি নিয়ে বিমলের দোকানের প্লাস্টিক টুলে! বিমলের পরম সৌভাগ্য টুলটা মচ মচ করেও মচৎকার প্রাপ্ত হয় নি। ভদ্রলোক হাত বাড়িয়ে একটা দশ টাকার বিড়ির বান্ডিল নিয়ে, রিকশাওয়ালা স্টাইলে হীরে বসানো লাইটার দিয়ে বিড়ি ধরালেন। বিমলবাবু ওর একটা স্পেশাল চা এগিয়ে দিলেন।

ভদ্রলোক সুরুৎ করে চুমুক দিয়ে তারপর অত্যন্ত মিহি তীক্ষ্ণ গলায় আত্মপরিচয় দিলেন “আমি পীতাম্বর গোঁসাই। বাঁকুড়ার ছেলে। একটু চা খেতে এলাম, বলুন কি বিষয়ে কথা হচ্ছে। এটা তো বেওয়ারিশ, বারো ইয়ারি, আড্ডা, আমি এখন থেকে আপনাদের একজন ইয়ার। সুতরাং এটা এখন তেরো ইয়ারি আড্ডায় পরিণত হল।”
এমনিতেই ভদ্রলোকের কথাবার্তা, চালচলন সন্দেহজনক। ভুঁড়ির মধ্যে ছুরি লুকানো আছে কিনা কে জানে?

সমবেত সুধীমন্ডলী একমতে, একস্বরে বলে ওঠেন “ডাক্তারের অবহেলা। কলে যায় নি। খারাপ পেশেন্ট জেনেও।”

পীতাম্বর মিহি গলায় বললেন “তারপর? তারপর?”

জনতা “এক বেচারা মাতৃভক্ত সন্তান, চার চারটে ঘন্টা অপেক্ষা করে, কাউকে না পেয়ে মা’কে হাসপাতালে নিয়ে যায়”

পীতাম্বর “ততঃ কিম? ততঃ কিম?”

সুবিবেচক, সমাজসেবী ভদ্রলোক উত্তর দ‍্যান “হাসপাতালে ইসিজি আর কিসব ঢপের পরীক্ষা করে’ই বলে ম‍্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক। সঙ্গে সঙ্গে অর্থপিচাশগুলো পঞ্চাশ হাজার বিল করে অন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দ‍্যায়। সেখানে এখন আইসিসিইউতে….”

সমবেত জনতার কোরাসকন্ঠ “ডাক্তার কেন যায় নি? ডাক্তার আগে গেলে সময়মতো চিকিৎসা হতো”

পীতাম্বর মিহিসুরে পুনরুক্তি করেন “আগে গেলে সময়মতো চিকিৎসা হতো।” তারপর খ‍্যাঁস খ‍্যাঁস করে ঘাড় চুলকে বলেন “চিকিৎসা হতো। কিন্তু কী ভাবে?”

সমাজসেবী, ভোটবাদী সমাজপন্থী গলা চড়ান “ডাক্তার গেলে আগে রোগ ধরা পড়তো। আগে চিকিৎসা হতো। আমরা এর বদলা লুঙা। লুঙাই লুঙা।” (শোনা যায় ভোটবাদী, সমাজপন্থী মানুষেরা হিন্দিতে স্লোগান দ‍্যান। তাতে বিপ্লব জোরদার হয়।)

জনতা(কোরাস) “বদলা চাই। বদলা দাও”

পীতাম্বরের মিহিগলা স্লোগান (স্লো মানে ধীরে চলা?) ছাপিয়ে বলেন “ডাক্তার গেলে আগে রোগ ধরা পড়তো। ডাক্তার গেলে আগে রোগ ধরা পড়তো। বটেই তো কিন্তু কী ভাবে?” (হাতুড়ের এই গলাটা তীক্ষ্ণ মিহি গলাটা খুব চেনাচেনা লাগে। অথচ….)

সমাজপন্থী “স্টেথো বসালেই ধরা পড়তো (হঠাৎ গলার জোর কমে আসে)। পড়তো না?”

অপর জন “বিদেশে সভ‍্য দেশে ডাকলেই ডাক্তার বাড়িতে আসে। (এনার‌ও গলার জোর কমে আসে)। আসে না?”

মিহিগলা এবার উচ্চৈঃস্বরে বলেন “হয়নি হয়নি ফেল। ও বড়বাবু সবাইকে একটা করে চা আর খুকি দিন”

বড়বাবু নাহয় বিমলবাবু (দোকানদার) সেটা বোঝা গেলো, কিন্তু সে এ্যাতোগুলো খুকি কোথা থেকে সাপ্লাই করবে? তাই বিমলবাবু চোখ পিটপিট করে ইতিউতি চাইতে থাকে।

হাতুড়ে ফিশফিশ করে বলে “বিমলবাবু, খুকি মানে বিশকুট”

বিমলবাবুর খুশিতে সামনের র‍্যাবিট টিথ বেরিয়ে আসে।

মিহিগলা বলতে থাকেন “স্টেথো বসিয়ে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই হার্ট অ্যাটাক ধরা যায় না। অনেক সময়ে ছ’ ঘন্টার আগে ইসিজি করলেও ধরা যায় না। সুতরাং…”

সমাজবাদী বিপ্লবজীবীর একজন সমব‍্যথী বলেন “কে দেখতো? স্পেশালিস্ট দেখায়নি কেন?”

চা যদিও ভীষণ কিছু খাওয়া নয়, তবু মিহিগলা সামান্য চা খেয়েই বিষম খান। কেশে টেসে হতভাগা এবার যায় বুঝি। থাবড়ে থুবড়ে দিতে একটু ঠিক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন “স্পেশালিস্ট দ‍্যাখাবে কি রকম? ওনার ডাক্তার স্পেশালিস্টের কাছে না পাঠালে কী করে দ‍্যাখাবে? বিদেশে তো সেটা হয় না…”

বিপ্লবজীবী সহ প্রত‍্যেকে কোরাসে যোগ দ‍্যায় “কোন্দেশ? ওটা কোন্দেশ?”

“আমি তিনটে দেশে কাজ করেছি। অস্ট্রেলিয়া, ইউএস, আর ইংল্যান্ড। কিছুদিন জার্মানিতেও। ওখানে চিকিৎসার নথিপত্র মানে রেকর্ড আপনার ডাক্তারের কাছে থাকবে। মানে জিপি-র (জেনারেল ফিজিশিয়ান) কাছে। অন্য ডাক্তার দ‍্যাখাতে চাইলে তার কাছে নাম রেজিস্টার করে আপনার আগের ডাক্তারকে জানাতে হবে। তখন আপনার রেকর্ডস উনি নতুন জিপিকে পাঠিয়ে দেবেন। কিন্তু স্পেশালিস্ট তো কেবল রেফার করলেই দেখতে পারেন। নাও দেখতে পারেন।” পড়ন্ত রোদ্দুরে ওনার হলুদ স‍্যুট সোনার মতো ঝলকাতে থাকে।

“ওখানে চিকিৎসা আমাদের দেশের চে’ সস্তা?”

“যদি সরকারি সাহায্য পাওয়া ডাক্তার হয়, বা সরকার কিছু টাকা দ‍্যায় মানে এনলিস্ঠেড ডাক্তার হয় তাহলে আমাদের টাকায় হাজার চল্লিশেক টাকা ফীজ নাহলে ঢের বেশী, আরও ঢের বেশী” ওনার বাঁশির মতো গলায় সুর খ‍্যালে।

“হাসপাতালে? হাসপাতালে? তাহলে হাসপাতালে কতো?” কোরাসকন্ঠ ম্রীয়মান।

“সাধারণতঃ এগারো হাজার ইউরো পার ডে মানে দিনে বারো হাজার ইউরোর কাছাকাছি। ভারতীয় মুদ্রায় বারো লক্ষ টাকা। তবে আইসিইউতে আরো বেশী।”

“তাহলে মেডিক্যাল এমার্জেন্সিতে কি হবে?”

পীতাম্বর গোঁসাই সরু গলায় প্রতিধ্বনি করেন “এমার্জেন্সিতে কি হবে? আপনি আমেরিকায় ৯১১ ডায়াল করবেন, ইউরোপে ১১২, আপনার কাছে পাশ করা এমার্জেন্সি টেকনিশিয়ান সমেত অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে যাবে। আপনাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে- এতে ভেন্টিলেটর পর্যন্ত থাকে। তবে এই নম্বরে কোন কোন বিশেষ অসুবিধায় ফোন করা যাবে তার নিয়ম আছে।”

ফিসফিসিয়ে কোরাস “ডাক্তার? ডাক্তার যাবে না?”

পীতাম্বর গোঁসাই উঠে পকেট থেকে একটা কার্ড বার করে হাতুড়ের হাতে দ‍্যান। “চিনতে পারলি না তো? আমি ফার্স্ট ব‍্যাচের পিতুদা। এখন ইউএস‌এ সেঠেল্ড। অমলের কাছে শুনলাম তুই পাগল হয়ে গেছিস তাই দেখতে এসেছিলাম।দেখলাম, তুই সত্যিই পাগল হয়েছিস না হলে এ্যাতোগুলো উন্ম‍্যাডের সঙ্গে ফ‍্যা ফ‍্যা করে ঘুরবি ক‍্যানো?”

তারপর সরু গলা আরও সরু করে (সরুতম কথাটা কি ব‍্যাকরম সেদ্ধ?) বিমর্ষ (আজ এ্যাতো বিমর্ষ ক‍্যানো, মুখে নেই হর্ষ ক‍্যানো?) জনতাকে বলেন “ডাক্তার তো সব সব সময় ইসিজি মেশিন, ইনফিউশন পাম্প, ডিফিব্রিলেটর, ভেন্টিলেটর, স‍্যালাইনের বোতল আর অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে ঘোরে না। সে এমার্জেন্সি সামলাবে কি করে? বসে বসে নাড়ি ধরে কাঁদু করবে? তার চেয়ে আইসিইউ ট্রেনিং পাওয়া লোক এলে অন্ততঃ এই ব‍্যবস্থাটা চটপট হবে, ডায়াগনোসিস পরে হলেও চলবে।
টাটা…” বলে কোটি টাকার গাড়ি চেপে চোঁ চাঁ ধাঁ।।

PrevPreviousNot mere Statehood, Chhattisgarh aspired for Peoples’ Liberation
Nextচেতনার অভিমুখ-৫Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Aniruddha Kirtania
Aniruddha Kirtania
4 years ago

Excellent.

0
Reply
Dipankar Ghosh
Dipankar Ghosh
4 years ago

থ‍্যাঙ্ক‍্যু দাদা আমার

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে

June 10, 2026 No Comments

পশ্চিম বাঙলায় শতকরা কতো শতাংশ মানুষ ‘রেগুলার’ বেসিসে কাজ করে অর্থাৎ মাস গেলে মাইনে পায়? যারা আছেন তাদের মধ‍্য থেকে যদি আবার গৃহ সহায়ক/সহায়িকা, আয়া

ধর্মের নামে ভাগ করে, ‘বাঙালি জাতি’র সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা চলছে

June 10, 2026 No Comments

(এক) ‘বাঙালি’ মানে কখনোই শুধু ইসলামিরা নন। শুধু হিন্দুরাও নন। অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসীরাও নন। ধর্মীয় বিচারে ‘বাঙালি’ যা-কিছুই হতে পারে। কিন্তু ভাষিক বা সাংস্কৃতিক বিচারে যাঁরাই

ম্যানিয়া বা উল্লাস রোগ অথবা বাইপোলার ওয়ান রোগ

June 10, 2026 No Comments

একটি রোগের এত নাম কেন। সেটায় আসব। সাধারণ মানুষ ম্যানিয়া বলতে বোঝে একটা মানুষ সবসময় একটিমাত্র চিন্তা করে যাচ্ছে, নোংরার বাতিকে খালি হাত পা ধুচ্ছে

বিজ্ঞান, ব্যক্তিমানুষ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা – এখন গভীর প্রশ্নের মুখে

June 9, 2026 No Comments

৫ জুন, ২০২৬-এ নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর মতো বিখ্যাত সংবাদপত্রের একটি খবরের শিরোনাম ছিল “Police Remove Diabetes Experts From Conference for Distributing Critique of Trump Administration”

নিয়োগবিহীন ডেন্টাল-দীর্ঘ ৮ বছর!

June 9, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের কাছে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরেক কঙ্কালসার চিত্র তুলে ধরার সময় এসেছে। ২০১৩ সালে জন্ম হয় WBHRB (West Bengal Health Recruitment Board)

সাম্প্রতিক পোস্ট

হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে

Dr. Amit Pan June 10, 2026

ধর্মের নামে ভাগ করে, ‘বাঙালি জাতি’র সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা চলছে

Dipak Piplai June 10, 2026

ম্যানিয়া বা উল্লাস রোগ অথবা বাইপোলার ওয়ান রোগ

Dr. Sumit Das June 10, 2026

বিজ্ঞান, ব্যক্তিমানুষ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা – এখন গভীর প্রশ্নের মুখে

Dr. Jayanta Bhattacharya June 9, 2026

নিয়োগবিহীন ডেন্টাল-দীর্ঘ ৮ বছর!

West Bengal Junior Doctors Front June 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

629765
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]