Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দ্রোহকালঃ মা দিবস

IMG_20210509_222611
Piyali Dey Biswas

Piyali Dey Biswas

Journalist--Health worker
My Other Posts
  • May 10, 2021
  • 5:36 am
  • No Comments

মৃত্যুর আগে আমার মাসির একটি আইসিইউ বেড প্রয়োজন ছিল। ICU– ‘ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট’।
না! পাওয়া যায়নি। ফোঁটা ফোঁটা কমতে থাকা অক্সিজেন, আর কার্বন ডাই-অক্সাইডে ভর্তি হতে থাকা শরীর। ঝিমিয়ে যাচ্ছিল আমার শৈশবের আশ্রয় ওই মোটাসোটা দেহটা। এরপর একটা সময় অন্ধকারে ‘ dowziness’ র গোলকধাঁধায় একা একাই পাড়ি দিল অন্য জগতে। আমার ভালো করে পথ-ঘাট না-চেনা, আনস্মার্ট, ভালোমানুষ মাসিটা। কি করে যেন স্বাবলম্বী হয়ে উঠলো! হয়তো ‘মন-কি বাত’ পড়ে ফেলেছিল!

না, ভেন্টিলেশনের কপাল আমার মাসির হয়নি। সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাত্র ‘ছ’টি আইসিইউর কোটা। ছুঁতে পারেনি ও। হুঁ, মেডিকেল কলেজ!!

আমার যাবতীয় ফোনা-ফোনির চেষ্টা বাতিল করে একাই চলে গেল না ফেরার দেশে। অভিমান- রাগ- নাকি যন্ত্রণা, কোনটা ওর শেষ সঙ্গী ছিল? আমার জানা নেই!

যেমন জানা নেই, গত এক বছর ধরে দ্বিতীয় ঢেউ আসবে জেনেও কেন হাত পা গুটিয়ে বসে ছিল কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার??? দীর্ঘ এই সময়ে না সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নয়ন, না স্বাস্থ্য খাতে বেশি করে অর্থ বরাদ্দ!! কেন প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও কোনটাই করেনি সরকার?? ইতিমধ্যেই সেফহোমগুলোর ঝাঁপ গুটিয়েছে। কোভিড বিধি চুলোদ্দোরে দিয়ে ক্ষমতা-অর্থ-সময় ঢেলেছে নির্বাচনী প্রচারে! মানুষের জীবনের কথা ভাবেনি! মানুষের কথা ভাবেনি!

ঘন ঘন খিদে পেত, ভীষণ চা ভালোবাসতো, চতুর্থীতে ফ্রাইড রাইস আর মাছ ভাজায় প্লেট সাজিয়ে দেওয়া হয়েছিল পুকুর ঘাটে। খেয়েছিল কিনা জানা নেই!! জানা নেই শেষ বেলায় কি একটু জল পেয়েছিল?? কিংবা একটু শান্তির ঘুম, যা ও শেষবারের মত চেয়েছিল। ওর শেষ আর্তিটুকু আমার কানে বেজেই চলে! রাত ১০-৩০ নাগাদ আমি ফোনটা করি ওকে। “ও ভাই, ভাই। আমার বিছানাটা একটু উঁচু করে দিয়ে যাবে, আমি একটু ঘুমাব”। ওই শেষ। ও মাসি তোকে অক্সিজেন দিয়েছে ওরা? আমার প্রশ্ন। মাসি আমার হেমন্তের কুয়াশার ঘোরে। এরপর কিছু গোঙানির মত শব্দ। ঠান্ডা কিছু তোর না পছন্দ ছিল। মৃত্যুর হাত কি ঠান্ডা মাসি??? ঘোলাটে???

না, হাসপাতালের কোন হাত এগিয়ে আসেনি ওর বিছানাটা উঁচু করে দেওয়ার জন্য।

এখন শুনছি মরার সময় হরিনামের মতো বেড বাড়ছে। কি লাভ ওই বেডে যদি অক্সিজেনের ব্যবস্থা না থাকে? কি লাভ যদি ১০০ জন রোগী পিছু মাত্র একজন নার্স থাকেন?? কি লাভ এমন মেডিকেল কলেজের যেখানে 50 টা মুমূর্ষু রোগীর জন্য মাত্র ছটা ভেন্টিলেশন থাকে?? কি লাভ রোগী যদি তার ন্যূনতম সমস্যাটাটুকু জানানোর জন্য কাউকে না পায়?? কি লাভ রোগী যদি ডাক্তারকে না পায়??? আমার মাসিও হাসপাতালে ডেকে কাউকে পায়নি। বেশিরভাগ রোগীরাই পাচ্ছে না। দেশের কোন সরকারি কোভিড হাসপাতলে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী নেই। একটানা শ্রমে তারা ক্লান্ত।

এত কোটির দেশে কেন সেই ২০১৯ থেকে ভেন্টিলেশন এর সংখ্যা বাড়েনি। সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে এ দেশের মোট ভেন্টিলেশনে সংখ্যা ৪৮ হাজারের কাছাকাছি। আর আই সি ইউ বেড মাত্র ৯৫ হাজার। মানুষ না পিঁপড়ে আমরা?? দেশের মানুষের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব সরকারের। সরকার কেন তা সুষ্ঠুভাবে পালন করবেন না? কেন অক্সিজেনের অভাবে, আইসিইউ বেডের অভাবে, ভেন্টিলেশনের অভাবে পিঁপড়ের মতো মানুষ মারা যাবে? কেন আমরা মানুষকে তার মৃত্যুর সময়ে যোগ্যতম সম্মান দিতে পারব না???? আমার এই প্রশ্ন রাষ্ট্রের কাছে? কেন দেশের নাগরিক সু-স্বাস্থ্যের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে?

ডাক্তারের বলা সত্বেও ও হাসপাতালে যেতে চাইনি। দুদিন ধরে অক্সিজেন স্যাচুরেশন নামছিল। অচেনা অজানা কোন হাসপাতালে মাকে পাঠাতে চায়নি আমার বোন- আমার মায়েরা। আমারও কি দুশ্চিন্তা ছিল না??? শেষবার যখন তোর হাতটা শক্ত করে হাতের মুঠোর মধ্যে নিয়ে তোকে ধরে এম্বুলেন্সে তুলে দিচ্ছিলাম, ভয় তো আমার করছিলোই, নয়তো প্রণাম করলাম কেন তোকে???

সেই হাসপাতলে পাঠালাম! দুদিন আগে যদি পাঠাতাম! হয়তো। হয়তো এই দিনটা দেখতে হতো না!! হ্যাঁ আমি ভুল করেছি। ভুল করেছি শরীরে অক্সিজেন কমতে দেখেও সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা না করে। বুঝতে পারিনি আসলে তোর নিঃশ্বাসে বিষ জমছে। আসলে তুই একটু একটু করে ফুরিয়ে যাচ্ছিস।

আর সবার মতো বাড়িতে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করেছি। যা এই ধরনের রোগীকে কখনোই সুস্থ করতে পারে না। বাড়ির অক্সিজেন সিলিন্ডার রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছনোর সময়টুকু সাপোর্ট দিতে পারে মাত্র, তার বেশি নয়। আর কেউ যেন এমন ভুল না করে সেই জন্যই এই লেখা। শরীরে অক্সিজেনের স্যাচুরেশন 98 থেকে কমলেই সতর্ক হোন। 95 এ গেলে অবশ্যই হাসপাতলে ভর্তি করার চেষ্টা করুন। নইলে আমার মত প্রিয়জনকে হারাতে হবে। “মা দিবস” তুই বলতি মায়েদের কী কোনদিন হয় পাগলী?

আই সি ইউ, সারা জীবন এই কথাটা আমার কাছে প্রচন্ড দামি হয়ে থাকবে। আমার আর সব সময় আমাকে মনে করিয়ে দেবে, “আমরা কেউ কিচ্ছু না। মৃত্যুর কাছে সবাই ক্ষমতাহীন-শিশু-অক্ষম”।

PrevPreviousIn Search of Rationality: Systemic Steroid Use in COVID 19
Nextকরোনা রোগে কেন মৃত্যু হয়? ও তার চিকিৎসাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620207
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]