Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নিরীহাসুরের ফ্লার্টবাজি এবং হার মানা হার

IMG-20191223-WA0099
Dr. Sabyasachi Sengupta

Dr. Sabyasachi Sengupta

General physician
My Other Posts
  • December 7, 2019
  • 6:53 am
  • No Comments
ফিমেল ওয়ার্ডে সেবার হেবি ক্যাচাল।
ক্যাচাল অবশ্য আমার হাসপাতালে নতুন কিছু নয়। বেশ কিছু রোগী এখানে দেড়-দুই মাস ভর্তি থাকে একটানা। কাপড়ের থলে, স্টিলের থালা, মেলামাইনের বাটি, প্লাস্টিকের চামচ, মায় গোঁফ কাটার কাঁচি, প্রসাধনের আয়না, মুখে মাখার কসমেটিক্স সকলই সাজিয়ে গুছিয়ে, রীতিমত সংসার পেতে বসে পড়ে তরিবত করে। বহুবার সাঁঝ বিকেলে রাউন্ডে গিয়ে দেখেছি, হাঁটু অব্দি শাড়ি গুটিয়ে, আলতা রাঙা পা ছড়িয়ে, চুল বাঁধছে রোগিণী। দাঁতে, আলতো করে চিপে রাখা চুল বাঁধার ফিতে।
কিছু কিছু রোগিণী হয় বেশ গোছালো। টিপিক্যাল গিন্নীবান্নি টাইপের। সময় সুযোগ পেলেই মেহেন্দি পরিয়ে দেয় বাকিদের। চুলের কায়দা করে দেয় ক্লিপ কাঁটা সহযোগে নিত্যনতুন।
এসব আমি বেশ উপভোগ টুপোভোগ করি। ভালো লাগে ফিনাইল গন্ধ ছাপিয়ে স্নো পাউডার সুবাস। রোগিণীরাও অবশ্য সেসবের খবর রাখে বিলক্ষণ। সেজে গুজে রেডি হয়ে থাকে রাউন্ডের সময়গুলোতে। তাইতে, আমার কাজটা সোজা হয়ে যায় অনেকটাই। রোগ নিয়ে বাতচিৎ বিলকুল এড়িয়ে গিয়ে, চোখ চোখ রেখে হাসি দি নায়কসম–” ওরে নাহঃ! হেবি লাগছে তো রে/ গো”।
মরণযন্ত্রণাক্লিষ্ট মুখগুলোতে তখন ঐশ্বরিক আলো ফোটে। ছাপ লাগে রক্তিম ব্রীড়ার। ওরা, মুখ ফিরিয়ে লজ্জাবনত হাসে মিচকি মিচকি।
পুরুষদের ওয়ার্ডে আবার এক্কেবারে বিপরীত চিত্র। এরা দল বেঁধে ক্যারাম পেটে, কিম্বা লুডো খেলে ছক্কা খটখটিয়ে। ইদানিং অবশ্য মোবাইলের প্রকোপ বেড়েছে। তা বাড়ুক। এই মেল ওয়ার্ডগুলোতেই আমি এখনও শুনতে পাই ভিন্টেজ কুমার শানু–
” অভি লবোঁ কো লবোঁ নে ছুঁয়া নেহি/ অর্মাঁ কোই পুরা হুয়া নেহি”।
আনকোরা রোগী হলে অবশ্য, আমি ঢুকলেই গান বন্ধ করে দেয় ধড়ফড়িয়ে। সিজনড কাস্টমার হলে স্রেফ ভল্যুউমটা কমিয়ে দেয়। আমি গান শুনতে শুনতে এলোমেলো প্রশ্ন করি। আর তারই ফাঁকে চোখ বুলিয়ে নি– কার বালিশের তলা থেকে উঁকি মারছে ‘চাচা খৈনী’-র প্যাকেট, কার বিছানায় দাঁত ছরকুটে পড়ে আছে দেশলাই বাক্স ।
খুঁজে পেলেই ব্যাস। গুষ্টির তুষ্টি করে দিই খিস্তি মেরে। এরকমটা যদিও এখন অনুচিত। রোগীর সাথে কথা বলার কথা এখন ভেবেচিন্তে। লেকিন, এই হাসপাতালে এসবের চল নেই এখনও। ভর্তির দিনেই আমার তরফ থেকে বার্তা দেওয়া থাকে সুস্পষ্ট–” নিয়ম করে ওষুধ যদি খাও, আর সব কথা যদি শুনে চলো, তাহলে আমি খুব ভালো। নয়তো টেনে এক থাপ্পড়ও মারতে পারি কানের গোড়ায় ঠাঁটিয়ে।”
থাপ্পড়টা অবশ্য কথার কথা। মারি নি এ যাবৎ কাউকেই। উল্টে এক রোগীই বরং  থাপ্পড় কষিয়েছিলো আমাকে।
সে এক বিচিত্র গল্প। মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট টিবি-র ওষুধ খেলে, কখনো কখনো মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটতে পারে সাময়িক। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ওষুধের। সেরেও যায় অবশ্য একটুখানি রদবদলেই। তো সেবার এক ‘এম.ডি.আর টিবি’ পেশেন্ট হাজির হলো দার্জিলিং থেকে। পাগলামি শুরু করেছে বাড়িতে। ওষুধ খেতে চাইছে না কিছুতেই।
তো, আমি রোগী ব্যাটাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে এসে, ডিউটি রুমে বসে অ্যাডভাইস লিখছি, হঠাৎ ” পাকড়ো পাকড়ো”  চিৎকার। ঘাড় ঘুরিয়ে ভালো করে বিষয়টা বুঝে উঠবার আগেই ডান গালে একটি বিরাশি সিক্কার থাপ্পড়। পরক্ষণেই ফের সে ” পাকড়ো পাকড়ো।” গাল ডলতে ডলতে দেখলাম, রোগী পালাচ্ছে সিঁড়ি টপকে। পিছন পিছন আত্মীয়রা।
ডিউটি রুমে তখন থমথম করছে অবস্থা। ডঃ সেনগুপ্ত থাপ্পড় খেয়েছেন কষিয়ে। তাও আবার পাগলা রোগীর হাতে। সিস্টার দিদিরা মাথা নীচু করে প্রাণপনে হাসি আটকাচ্ছেন। একজন এগিয়ে এসে আমতা আমতা করে শুধাচ্ছেন–” লাগলো? স্যার? খুব লেগেছে? এমন বাঁদর পেশেন্ট।” দিদির মুখ দেখেই বুঝতে পারলাম একবার স্রেফ খোঁচানোর অপেক্ষা মাত্র ! তাহলেই হেসে ফেলবেন খ্যাঁক খ্যাঁক করে। সামলে রেখেছেন, শুধুমাত্র আমার ভয়ে।
কপালে যদিও দুঃখ আরো বাকি ছিলো বিস্তর। ছোকরা এক ইলেক্ট্রিসিয়ান ব্যাটা ফ্যান সারাতে এসেছিলো সেদিনই। মইয়ের উপর থেকে ‘প্লাস’ হাতে, তার মোচড়াতে মোচড়াতে দাঁত ক্যালালো–” টার্গেট করে রাখসিলো! আপনারে! আমি তখনই বুঝতে পারসিলাম! পাগলা পেশেনকে ওষুধ খাও ওষুধ খাও করতেসিলেন! আমার ভাইজতা-টাও তো মেন্টাল! টার্গেট কইরে রাখে এরা! নাইলে অ্যাতো লোক ছাইড়ে আপনারে থাপড়ায়!”
ব্যাস। ফ্লাডগেট খুলে গেলো। হো হো হা হা হি হি সিস্টারদের। বাধ্য হয়েই আমিও যোগ দিলাম হাস্য-লহরাতে–” উফফ! বহুত জোর মেরেছে! দিদি…দেখুন দেখুন পেশেন্টটা কোথায় পালালো..”
যাক সে কথা। মোটমাট বিষয় এই যে, রাউন্ডে গিয়ে আমি গল্পগুজব করি বিস্তর। না না, মোটেই রোগীদের মন ভালো করার জন্য নয় । আমার, সত্যি সত্যিই ভালো লাগে এসব। সিঁথি কাটা, টিপ পরা, ঝকঝকে মুখ। পাউডার তালু, নিশানা চোখ, স্ট্রাইকার আঙুল।
আমি দেখি, আর মুগ্ধ হই। আমি দেখি, আর  অবাক হই। আমি দেখি, আর শিখে নিই কেবলই।
এম.ডি.আর টিবিতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় শরীর। ডেইলি চোদ্দটা ‘কড়া’ অ্যান্টিবায়োটিক আর প্যাঁটাশ ইঞ্জেকশন যাতনা। এবং এতদসত্ত্বেও বাঁচার সম্ভাবনা শতকরা ষাট। তবুও তো এরা বাঁচছে। তবুও তো এরা হাসছে। তবুও তো এরা সাজছে, খেলছে, তাস পেটাচ্ছে! এদের সাথে ফ্লার্ট করবো না, এদের সাথে আড্ডা মারবো না, তো কাদের সাথে মারবো? ‘ডি.এ’ হাহাকার পাবলিকদের সাথে?
তো এই। এরা মোটের ওপর চিকিৎসা শুরুর প্রথম এক-দেড় মাস এখানে থাকে অনেকেই। খুব কম হাসপাতালেই দেখতে পাওয়া যায় দড়িতে মেলে রাখা জিন্স, টি শার্ট, শাড়ি, স্কার্ট। আমার-টি, সেই বিরল হাসপাতালের একটি। দড়িতে মেলে রাখা থাকে আরো বিবিধ বস্তু। সিল্কি স্যাটিন প্যাডেড ব্রা, কেতাদুরস্ত শ্যিয়ার প্যান্টি, ‘ সেই তো মোরেই যাবো’ লেখা গেঞ্জি, উঁচানো অনামিকার সিম্বল চিপকানো সোয়েটার। মৃত্যুভয়কে তুড়ি মেরে এরা, এই রোগীরা, বসত বানায় এখানে। আর বসত হয় যেখানে, বখেড়ারও ভয় সেখানে। ছোটোখাটো ঝগড়া ঝঞ্ঝাট লেগেই থাকে নিত্য নৈমিত্তিক। ও নিয়ে ততটা মাথা না ঘামালেও চলে।
কিন্তু সেদিন হলো। ঘামাতে। মাথা। আউটডোর থেকেই শুনতে পাচ্ছিলাম উত্তপ্ত বাক্যালাপ। ঝটিতি ফোন লাগালাম ওয়ার্ডে। সিস্টার বললেন–” ঝুম্পার পার্টি। আপনি একটু এলে ভালো হয়..”
ঝুম্পা ইজ মাই ওয়ান অফ ফেভারিট পেশেন্টস। বয়স পঁচিশ। ওজন কুড়ি কেজি। মা হয়েছে সদ্য। ঠিক তার পর পরেই ধরা পড়েছে বেমারি। মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট টিবি আছে তো বটেই, সঙ্গে আছে আনকন্ট্রোলড ডায়াবেটিস। ইনসুলিন দিয়ে টিয়েও ম্যানেজ হচ্ছে না কিছুতেই। সঙ্গে, মস্তিষ্ক বিকৃতিও ঘটেছে। চিকিৎসাও চলছে। সেরে উঠছে একটু একটু। তবে, পুরোটা সারতে এখনও অনেক বাকি। ততদিন, আমি হলাম গিয়ে ঝুম্পার বর। সোয়ামী। হাজবেন্ড।
কোনো এক অজ্ঞাত কারণে, ঝুম্পার বড্ডো ‘মনে ধরেছে’ আমায়। সম্ভবত হররোজ রূপের প্রশংসা করতাম বলেই। সিস্টাররাও তাই ঝুম্পা ওষুধ না খেতে চাইলেই, আমার রাউন্ডের অপেক্ষা করতেন। আমি ঢুকলেই বলতেন–” ওই দ্যাখ, খা খা, খেয়ে নে টপ করে! বর এসেছে তোর!”
তাইতে, কোনো দিন কাজ হতো। কোনোদিন আবার, হতো না। সেইদিনগুলোতে আমি ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করতাম তাগ করে।  পকেটে হাত রেখে বলতাম–” ঠিকাছে! আর আসবো না তাহলে! থাকো তুমি একা একা”
কাজ হতো সঙ্গে সঙ্গে। চোখ ভরা টসটসে জল নিয়ে ঝুম্পা ওষুধ খেয়ে নিতো পরম বিশ্বাসে।
তো সেই ঝুম্পার পার্টিই ক্যাচাল করছে! লাফ ঝাঁপ মেরে ওয়ার্ডে ছুটলাম। আউটডোর পেশেন্টদের বললাম–” বসো। আসতেসি।” তারপর ছুট লাগালাম দ্রুত পায়ে। ওয়ার্ড অব্দি যেতে হলো না। তার আগেই চিমসে মার্কা একটা লোক এসে সামনে দাঁড়ালো হাত কচলে। এ লোকটিকে আগে দেখি নি কখনো। জিগ্যাস করে বুঝলাম, এ ব্যাটা আমার ‘সতীন’। অর্থাৎ, ঝুম্পার অজ্জিনাল স্বামী। লোকটা ঘাড় শক্ত করে বললো– ” আমি এক বচ্ছর হলো বাড়ি আসি নাই, বাচ্চা হলো ক্যামন কইরে? হ্যাঁ??”
এটা আমার সিলেবাসের বাইরের প্রশ্ন। এর উত্তর অন্তত আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয়। এসব এন্টারটেইনও করা উচিত নয় মোটেই। তাও করলাম। বললাম–” এসব বাদ্দাও। বউ মরতে বসেছে। তুমি ছিলে কোথায় হে? এতদিন? “
বর বাবাজি শুনলো না। তেড়িয়া হয়ে রগড়িয়ে গেল একই কথা বারবার–” আমি আজ এক বচ্ছর যাবৎ বাড়ি আসি নাই…। এরে আমি ঘরে তুলুম না। মরুক শালী”
‘শালী’ মরে গিছলো সত্যিই। ঝুম্পা সত্যিকারের স্বামীকে সামনে দেখতে পেয়ে সুস্থ হয়েছিল অনেকটা। সুস্থ হয়েছিল মনের দিক থেকে। আমাকে আর স্বামী হিসেবে মানে নি তারপর।
ঝুম্পা সত্যিকারের স্বামীর ‘কথা’ শুনে গুমরে গিছলো পুরোপুরি। আর একটিও ওষুধ, একটা ইনসুলিনও নেয় নি। ওর বাবা মা ‘বন্ড সই’ করে ছুটি করে নিয়ে গিছলো বাপের বাড়ি। সেখানেও আমাদের স্বাস্থ্য দপ্তরের লোক হানা দিয়েছিলো বার পাঁচেক। লাভ হয় নি।
ঝুম্পা মারা যায় মাস তিনেক পরে বাড়িতেই। মারা যাওয়ার খবর জলপাইগুড়ি এসে দিয়ে গিছলো ওর মা-ই।
” আপনে অনেক করল্যান! কপাল হামার! ওষুধ খাইল না মেয়ে!”
তারপর খুঁট দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে বলেছিলো–” অর বর গিন্তি তে ভুল কইরেছিল। পরে আইসা বলছে নিজের মুখে। মাঝে একবার চেন্নাই থেইকা তিন দিনের লগে ছুটিতে আসছিলো! কিন্তু মেয়েটা হামার বাঁচতে চাইল না গ ডাক্তরবাপ!”
আমি, মাথা নীচু করে মরে যাওয়ার ফিকির খুঁজছিলাম।
PrevPreviousস্ক্রাব টাইফাস চিকিৎসার প্রটোকল
Nextজয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গলNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কিন্তু ক্ষমতা সদাই পরিবর্তনশীল।

July 14, 2026 1 Comment

সব তৃণমূলদের দলে নেওয়া হয়ে গেলে বামপন্থীদের গ্রেপ্তার করা শুরু হবে। বিশ্বাস করুন এই সরকার আসার আগে থেকেই বামপন্থীরা এটার জন্য প্রস্তুত ছিলো, আছে। বিজেপি-র

কলকাতা হত্যাকাণ্ড, যুক্তবঙ্গ ও বঙ্গভঙ্গ একটি হারিয়ে যাওয়া সম্ভাবনার ইতিহাস (১)

July 14, 2026 No Comments

৪৬-এর দাঙ্গা, দেশভাগ, এবং বাংলাভাগ নিয়ে সম্প্রতি হঠাৎ করেই প্রবল আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিহাস নিয়ে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি হলে তা অবশ্যই স্বাগত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই

আপনাকে, র‍্যাঞ্চো

July 14, 2026 No Comments

আপনি কখনো কোনো রাজনীতি দলের নন। আপনি পরীক্ষার্থী ছিলেন না এবারের নিটে। রাওলাট আইনের দেশী সংস্করণে ক’দিন আগেই তো গ্রেপ্তার হন । আই টি সেল

প্রতিবাদীদের জাত রঙ ধর্ম হয় না। প্রতিবাদী মায়ের কণ্ঠে কেঁপে উঠল রাজপথ। আরজি কর থেকে বারুইপুর

July 13, 2026 No Comments

ABVP-NMO-র থ্রেট কালচার নিপাত যাক!

July 13, 2026 No Comments

ইতিমধ্যেই আমরা লক্ষ্য করেছি, বিজেপির রাজ্যত্বে কলেজ ক্যাম্পাসে তৃণমূল আমলের মতোই সেই থ্রেট কালচার ফিরে এসেছে। ক্ষমতায় আসার মাত্র দু’মাসের মধ্যেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আবারও

সাম্প্রতিক পোস্ট

কিন্তু ক্ষমতা সদাই পরিবর্তনশীল।

Dr. Arunima Ghosh July 14, 2026

কলকাতা হত্যাকাণ্ড, যুক্তবঙ্গ ও বঙ্গভঙ্গ একটি হারিয়ে যাওয়া সম্ভাবনার ইতিহাস (১)

Kanchan Sarker July 14, 2026

আপনাকে, র‍্যাঞ্চো

Arya Tirtha July 14, 2026

প্রতিবাদীদের জাত রঙ ধর্ম হয় না। প্রতিবাদী মায়ের কণ্ঠে কেঁপে উঠল রাজপথ। আরজি কর থেকে বারুইপুর

Abhaya Mancha July 13, 2026

ABVP-NMO-র থ্রেট কালচার নিপাত যাক!

Doctors' Dialogue July 13, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

650138
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]