Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

যীশুদের উপরেই বারবার নেমে আসবে নিপীড়নের সুতীব্র কশাঘাত, আর বাকিরা থাকবে মূক দর্শকের ভূমিকায়?

gaza
Dr. Amit Pan

Dr. Amit Pan

Paediatrician, leader of doctors' movement
My Other Posts
  • October 24, 2023
  • 7:14 am
  • No Comments
হামাসের সাম্প্রতিক ভূমিকাকে নিশ্চয়ই সমালোচনা করছে পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ। আমরাও দ্বিধাগ্রস্ত হামাস ঠিক কি চাইছে? এ ভাবে কি সত্যিই সমস্যার সমাধান সম্ভব? হামাসের কার্যকলাপ কি প্যালেস্তাইন জনগণের জন্য আরও বড় বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসছে না? Ultimately, এটা কি একটা self defeating পদক্ষেপ নয়??
হ্যাঁ, এটা ঠিক সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গীতে হামাসের কার্যপদ্ধতিকে সন্ত্রাসবাদী বা হঠকারী ছাড়া অন্য কোনও বিশেষণে অভিহিত করা মুশকিল আছে। কিন্তু, অসাধারণ অবস্থায় সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গী কতটা কার্যকরী সেটাতেই তো প্রশ্ন আছে। ইস্রায়েলের রাষ্ট্রের জন্মের ঠিক আগে ঐ অঞ্চলে আরবজাতির মানুষ ছিল প্রায় ১২ লক্ষ আর খেপে খেপে জমি কিনে এবং ইঙ্গ মার্কিন সহযোগিতায় এই অঞ্চলে আগত ইহুদী সম্প্রদায়ের সম্মিলিত জনসংখ্যা ছিল সাড়ে ৬ লক্ষের কিছু কম।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই ইংরাজ অধিকৃত প্যালেস্তাইন অঞ্চলে (প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে ছিল তুরস্কের অধীনে) ব্যাপক হারে ইহুদী অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিক্ষোভ মোকাবিলা করা হয় তিন বছর (১৯৩৬-৩৯) ধরে।অসম্ভব দমন পীড়নে, যুবদের একটা বিরাট অংশকে নিষ্ক্রিয় করা হয় লাগাতর হত্যা, জেল ও নির্বাসনের মাধ্যমে। ফলতঃ, স্থানীয় আরব প্রতিরোধ অনেকাংশেই শক্তিহীন হয়ে পড়ে। ১৯৪৮ সালের মধ্যে সাত লক্ষের বেশি আরবকে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়। কিছু আশ্রয় নেয় সেই সময়ের জর্ডান অধিকৃত ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে (জর্ডন নদীর পশ্চিম পাড়ে), কিছু তৎকালীন মিশর অধিকৃত গাজা অঞ্চলে, আর বাকিরা জর্ডন, সিরিয়া, লেবানন ইত্যাদি আশেপাশের দেশে এমনকি সুদূর বিদেশে। বর্তমানে প্যালেস্তেনীয়দের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ, তার মধ্যে উদ্বাস্তু হিসাবে রেজিস্ট্রিকৃতদের সংখ্যা প্রায় ৫৯ লক্ষ আর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা মোট ৫৮ টি ক্যাম্পে বাস করেন ১৫ লক্ষের বেশি মানুষ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। ইস্রায়লে আরব নাগরিকের সংখ্যা দেড় লক্ষের কিছু বেশি। নাগরিক হলেও এদের উপরে নানা বাধানিষেধ রয়েছে। IDF( Israel Defense Force)-এ এরা ব্রাত্যই ধরে নেওয়া যেতে পারে। ফলে, কম খরচে উচ্চশিক্ষা, সস্তায় বাড়ি তৈরি ও স্বাস্থ্যবীমা ইত্যাদি বিবিধ সুযোগ থেকে তাদের বঞ্চিতই থাকতে হয়। পূর্ব জেরুজালেমের প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ নাগরিক নয়, স্থায়ী বাসিন্দা (Parmanent resident) মাত্র, স্থায়ী বাসিন্দাদেরও কিন্তু প্রায়শই উৎখাতের সম্মুখীন হতে হয়। ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের জনসংখ্যা প্রায় ২৭ লক্ষ যারা বর্তমানে ‘প্যালেস্তাইন অথরিটি’-র অধীনে। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে ইস্রায়েল সামরিক বাহিনীর ‘raid’ প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। গাজা একটি ছোট ফালি জায়গা ৪০ কিমি লম্বা ও ৬-১০ কিমি চওড়া মোট ৩৬৫ বর্গকিমি অঞ্চল, অথচ জনসংখ্যা প্রায় ২৩ লক্ষ। ২০০৭ সাল থেকেই অবরুদ্ধ যা এখন অবশ্যই অনেকাংশে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত, প্রায় নিশ্ছিদ্রই বলা যেতে পারে। এলাকার বাইরে গিয়ে কাজের সুবিধা ভীষণভাবে সীমিত এমনকি পার্শ্ববর্তী মিশর দেশেও। প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ ক্যাম্পের বাসিন্দা, পানীয় জলের অবস্থা খুব খারাপ। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বেকারীর হার, প্রায় ৪৬ শতাংশ (১৮ থেকে ২৯ বয়স্কদের মধ্যে যে সংখ্যাটা প্রায় ৭০ শতাংশ)।
এর বাইরে যাঁরা আছেন তাঁদের প্রায় চল্লিশ শতাংশ আছেন জর্ডনে, ত্রিশ লক্ষের কিছু বেশি যাঁদের প্রায় তিন চতুর্থাংশ জর্ডনের নাগরিকত্ব পেয়েছেন, তবে গাজার বাস্তুচ্যুতরা সেখানেও অপাংক্তেয়। সিরিয়া ও লেবাননে মোট ১০ লক্ষ প্যালেস্তেনীয় আছেন, তাঁদের অবস্থা খুব খারাপ। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বহু মানুষকে অন্যত্র পালাতে হয়েছে।সৌদি অরবে আছেন প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ এবং আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে দেড় লক্ষের কিছু বেশি প্যালেস্তেনীয়। এর বাইরে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি হলো দক্ষিণ আমেরিকায় চিলিতে প্রায় পাঁচ লক্ষের!!
প্যালেস্তাইন উদ্বাস্তুরা কিন্তু UNHCR (United Nation High Commissioner for Refugees)-এর আওতায় পড়েন না। ফলে বেশ কিছু অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়, যেমন নিজেদের ফেলে আসা ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার। তাব পরিবর্তে UNRWA (United Nation Relief and Works Agency for Palestine Refugees) কাজ করে এদের মধ্যে শিক্ষা স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়ে। গাজার প্রায় শতকরা ৮০ শতাংশ মানুষের প্রধান উপার্জন হলো UNRWA-এর সাহায্য। UNRWA-এর আবার সর্ববৃহৎ contibutory state হলো USA, ট্রাম্প জমানায় যে fund অনেকটাই সীমিত করা হয় (এখনও যে বেশিদিন চালু থাকবে এমন কোনও গ্যারান্টি নেই)।
সারা পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত ভয়াবহ উদ্বাস্তু সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মতে এই মুহূর্তে গৃহচ্যুত মানুষের সংখ্যা দশ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু এত গভীরভাবে বিপন্ন উদ্বাস্তু সমস্যা যেখানে প্রায় একটা গোটা জাতিকে শুধু বছরের পর বছর নয়, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কাটাতে হয় এক অতি অসহনীয় অবস্থা ও পরিবেশকে মেনে নিয়ে, যেখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা সত্যিই খুব কম, এমন উদাহরণ অর কোথায় পাওয়া যাবে কিনা ঘোরতর সন্দেহ আছে। কী মনে হয় এই অতি অস্বাভাবিক অবস্থা মধ্যেও মানুষ টিকিয়ে রাখতে পারবে তার সুকোমল মানবিক বৃত্তিগুলিকে, কিংবা ধরে রাখতে পারবে ন্যায় অন্যায় বোধের চিরন্তন বিচারবুদ্ধিকে?? চিরকাল মার খেতে খেতে সারা জীবনে যদি একবারও প্রত্যাঘাত করা যায়, সেটাই যেন গোটা জীবনের পরমপ্রাপ্তি হিসাবে গণ্য হবে !! Intifada কোনও সোচ্চার কৃতিত্ব নয়, চরম সঙ্কটে অস্তিত্বের প্রমাণ মাত্র!!
ইস্রায়েল যদি তার সৈন্যবাহিনীকে বলতে পারে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রীতিনীতি মানা optional মাত্র obligatory বা বাধ্যতামূলক নয়, তাহলে অপরপক্ষের কাছে অন্য কিছু আশা করাটাই সম্ভবতঃ বাহুল্য হয়ে যায়। ‘হামাস’-এর আক্রমণে আহত নিহতরা সকলেই নিরীহ মানুষ বললে ভুল হবে, কারণ এদের অনেকেই বলপূর্বক জবরদখলকারী অন্যের জমি ও এলাকার।
‘হামাস’কে সমর্থন করার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা আমার নেই। ‘হামাস’ কেন কোনও ধর্মীয় মতাবলম্বী সংঘটন বা সম্প্রদায়কে সমর্থন করার কোনও অভীপ্সা আমার নেই, সে ধর্মের নাম যাই হোক না কেন !! আর, ‘হামাস’ বা PA (ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক) কেউই গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নিয়ে খুব সিরিয়স বলে মনে হয় না, সর্বশেষ নির্বাচন করা হয়েছিল ২০০৫-২০০৬ সালে। আর ফাতহার সঙ্গে দ্বন্দ্বে হামাসকে মদত দিয়ে মহম্মদ আব্বাস প্রসাশনকে গাজাছাড়া করার পিছনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানইয়াহুর ভূমিকা তো অবশ্যই ব্যাপক ও প্রায় সর্বজনবিদিত !!
কিন্তু এই জিনিসটা খুব পরিষ্কার করে বুঝতে হবে, মানুষকে দমনপীড়নের সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়ার একটাই বিপদ, ফলশ্রুতি হিসাবে যে বিস্ফোরণ ঘটবে তা হবে অতি মারাত্মক আর ফলাফল হতেই পারে অতীব বিপর্যয়কর। তুলনামূলকভাবে নিশ্চিন্ত শান্ত পরিবেশে বসে তার বিশ্লেষণ, ঠিক বেঠিক নির্ধারণ করা শুধু অসম্ভব নয়, সম্পূর্ণরূপে বাতুলতামাত্র।
বিস্ময়ের জিনিস হলো, হাজার বছরের বেশি ধরে ইহুদীদের উপর অত্যাচার, segregation এবং পরিশেষে ‘হলোকাস্ট’, এ সবই তো ঘটেছে ইউরোপে, এর মধ্যে তো আরবদের কোনও ভূমিকাই ছিল না। কিন্তু বৃটিশ মার্কিনী তৎপরতায় ইউরোপের দোষক্ষালন হলো সম্পূর্ণ নিরীহ নিরপরাধ আরবদের উৎখাত করে বিশেষতঃ আমেরিকার অতি শক্তিশালী ইহুদী লবির চাপে। উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো সারা পৃথিবীর সমস্ত ইহুদীদের শতকরা ৮২ শতাংশ থাকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েলে, প্রায় সমান সংখ্যায় ৭০ লক্ষের কিছু বেশি করে !! ইস্রায়েল প্রযুক্তিতে যতই উন্নত হোক, আমেরিকার সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া শত্রু পরিবেষ্টিত অবস্থায় টিকে থাকা কোনও দিন সম্ভবপর ছিল না, আর আজও নেই। সমস্যা হলো, মধ্য প্রাচ্যে আমেরিকা যেখানে হস্তক্ষেপ করেছে সেখানেই চরম সর্বনাশ ঘটেছে..ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া একের পর দেশ প্রায় ধ্বংসের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে।
বেথেলহেমের যীশু কি ফিলিস্তিনি ছিলেন? জন্মের পর তাঁকে অত্যাচারী শাসক হেরদ-এর ভয়ে মা বাবার সঙ্গে মিশরে পালিয়ে যেতে হয়। পরবর্তী কালেও ১২ বছর বয়সের পর দীর্ঘদিন তাঁর অবস্থান ছিল অজ্ঞাত। তাহলে কি উনিও ছিলেন উদ্বাস্তু ? আর, আজ তাঁর উত্তরসূরীরাও ভিটেছাড়া, আশ্রয়হীন, দেশ থেকে বিতারিত !!!
হয়তো, এটাই নিয়তি যে যীশুদের উপরেই বারবার নেমে আসবে নিপীড়নের সুতীব্র কশাঘাত, আর বাকিরা থাকবে মূক দর্শকের ভূমিকায়……………..
PrevPreviousতিস্তাপাড়ে তিন দিন ৩
NextPMSF condemns all attacks on Hospitals in conflict zones including bombing of Ali Ahli Hospital in GazaNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

April 21, 2026 No Comments

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

April 21, 2026 No Comments

এক একটা বিপদ আসে, আর এক একটা নতুন শব্দ ঢোকে গ্রামের মানুষের মুখের ভাষায়। ২০১৮-তে ‘নোটবন্দি।’ ২০২০-তে ‘লকডাউন।’ আর এ বারে, এই ২০২৬-এ মুখে মুখে

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

April 21, 2026 No Comments

১. ব্র্যাডিকাইনেসিয়া (Bradykinesia – চলাচলের ধীরগতি) নড়াচড়া শুরু করতে অসুবিধা মুখের অভিব্যক্তি কমে যায় ধীরে হাঁটা, হাত দোলানো কমে যায় ২. রেস্টিং ট্রেমর (Resting Tremor)

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

April 20, 2026 No Comments

এক বছরের শাস্তিমূলক পোস্টিং হিসাবে মেধাতালিকা অমান্য করে আমাকে পুরুলিয়া, দেবাদাকে মালদা পাঠানো হয়েছিলো, এগারো মাস পর কোর্টরুমে জয় এলো, গতকাল হাইকোর্ট, সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণ

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

April 20, 2026 No Comments

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

সাম্প্রতিক পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

Pallab Kirtania April 21, 2026

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

Swati Bhattacharjee April 21, 2026

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

Dr. Aditya Sarkar April 21, 2026

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

Dr. Asfakulla Naiya April 20, 2026

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

Dr. Subhanshu Pal April 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618603
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]