Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

#প্যানডেমিক ডায়েরি ৭ আত্মপ্রসাদ

IMG_20200519_182536
Dr. Dolonchampa Dasgupta

Dr. Dolonchampa Dasgupta

Chest Physician, Novelist
My Other Posts
  • May 20, 2020
  • 8:57 am
  • No Comments

বারমুডা আর স্যান্ডোগেঞ্জি পরা নিজের চেহারাটা সেলফিতে দেখল গেজেট। একবার , দু বার, তিনবার। ‘গেজেট’ নামটা পাড়াপড়শির দেওয়া। যেকোনও খবর ঝড়ের আগে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাবলু দাসের নাম ‘গেজেট’। তিপ্পান্ন বছরের বাবলুর এই স্বভাব আজকের নয়। তখন মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট গেজেটে বার করত শিক্ষাপর্ষদ । বাবলু মহানন্দে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে পাড়ার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিত অকৃতকার্যতার সংবাদ। কে টায়েটুয়ে পাশ করেছে কিংবা কার থার্ড ডিভিশন!
বহুত মজা হত গেজেটগিরি করে। আত্মপ্রসাদ। কাঁকড়াগিরি। এখন আর সেদিন নেই। হোয়াটস অ্যাপ আর ফেসবুক এসে বাবলুর গেজেটত্ব মেরে দিয়েছে। খবর ছোটে হাওয়ার আগে। কোথায় সেই রামরাজ্য!

গেজেট একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। নেয়াপাতি ভুঁড়িটা গন্ডগোল করছে। দীর্ঘদিন লকডাউনে ঘরে বসে বসে কাঁহাতক বাসন মাজা আর কাপড় কাচা যায়! বিদ্রোহ করেছিল বলে বউ বলেছে বাসন মাজা মকুব। বদলে টিকটক করে হোয়াটস অ্যাপে ছাড়তে হবে।

-“টিকটক?”

-“হুঁ। তুমি নাচবে আর আমি বসে বসে মাল খাব।”

গেজেটের চোখ পকোড়া। -“নাচব?”

-“বচ্চনের ঐ গানটার সঙ্গে আমার গোলাপি ঘাগড়া পরে নাচবে । আর আমি তোমার দিকে টাকা ছুঁড়ে দেব।এতকাল ধরে তোমরা যা করেছ তার উল্টোটা।”

-“কোন গান ? জিসকি বিবি মোটি উসকা ভি বড়া কাম হ্যায়?”

একটা খুন্তি উড়ে এসেছিল গেজেটের মাথা লক্ষ্য করে।

বারমুডা ছেড়ে গোলাপী ঘাগড়া পরলে যদি বাসনমাজার কাজটা কমে! পুড়ে যাওয়া কড়াই মেজে ঝকঝকে করার থেকে ভাল। কীভাবে যে বউটা রোজদিন এই খাটুনির কাজ করে। যাকগে, এখন বোতল জোগাড় করতে হবে। অন্ধকার হোক। ভোলামুদির দোকানের পিছনে চুপ করে দাঁড়াতে হবে। সবাই ওভাবেই মাল কিনছে।

অন্ধকারে কলাপাতার মধ্যে খসখস আওয়াজে অস্বস্তি হতে লাগল গেজেটের। কুকুর ? নাকি শিয়াল? ভাতজাংলার এখানটা কৃষ্ণনগর শহরের একদম কাছে হলে কী হবে পাড়াগাঁ ভাব। তার মধ্যে বিনবিনে মশা। পাখির সাইজ। এক একটা কামড়াচ্ছে যেন কাঠঠোকরা। শালা! কেন যে বউয়ের আবদারে রাজি হলাম! মাল আনতে দোকানের গুদামে ঢুকে ভোলা করছেটা কী?

আজ বোধহয় পূর্ণিমা। চাঁদ উঠেছে আকাশে। সামনের বিশাল পরিত্যক্ত বাড়িটার ছাদে একটা ছায়া সরে গেল। গায়ে কাঁটা দিল গেজেটের।বাড়িটায় কেউ থাকে না আজ দশ বছর।

দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে পায়ে ঝিঁঝি ধরেছে। তা হোক। তাদের জন্যই তো লোকের ঘরে টাকা ঢুকছে। অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে। জয় হোক মাতালদের। ‘করোনা মাঈ কী জয়’ বলে চেঁচাতে গিয়েও চুপ করে গেল গেজেট। পেগ না মেরেই কী খোয়াব দেখছে ? থরথর করে কাঁপুনি শুরু হল।

‘ভূ উ উ উ ত’ দাঁতে দাঁত চেপে দড়াম করে উল্টে পড়ল গেজেট।

ভোলা বোতল নিয়ে বেরিয়ে গেজেটকে খুঁজে না পেয়ে হাঁক পাড়ল “কই গেলি? কেউ নেই রে। নিচ্চিন্তে আয়।”

কিন্তু মোমের আলোয় খরিদ্দারের মুখ দেখে ভোলার রক্ত চলকে উঠল। বুক গুড়গুড়।

ডাক্তারবাবুর আত্মা? উনি তো মারা গিয়েছেন আজ দু হপ্তা। প্রসাদ ডাক্তার। বড় ভাল চিকিচ্ছে করেন। কিন্তু, ওর নাকি করোনা হয়েছিল।

ভোলা হাউমাউ করে চেঁচিয়ে উঠতেই ভিড় জমে গেল দোকানের সামনে।

চাঁদের ফ্যাটফেটে আলোয় ডাক্তার প্রসাদকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

-“আপনি বেঁচে আছেন ডাক্তারবাবু?”

-“ইয়ে, আমরা তো শুনেছিলাম আপনি এলাকা থেকে উধাও।”

-“সবাই দুঃখ পেয়েছে ডাক্তার। আপদ বিপদে রাতবিরেতে আপনার কাছে যেতাম!”

চন্দ্রালোকে উপস্থিত জনতার কারও কারও যাও বা সন্দেহ হচ্ছিল, ছায়ামূর্তি দেশলাই এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার চাইতেই সম্বিত ফিরল। মানুষ হাত ধুয়ে ফেলতে পারে। চিরদিনের স্বভাব। কিন্তু ভূত নিশ্চয়ই হাত ধুয়ে ফেলবে না। এ ডাক্তারবাবু না হয়ে যায় না। ভোলা খুচরো ফেরত দিতে গিয়ে ছায়ামূর্তিকে জড়িয়ে ধরল। “ডাক্তারবাবু আপনি আমার টিবি অসুখটা যেভাবে সারিয়েছিলেন! নয়তো মরেই যেতাম।”

“ঠিক ধরেছ ভোলা। আমি এখন ডাক্তার আত্মা প্রসাদ। তোমাদের জন্য সার্ভিস দিয়ে আজ নিজেই আত্মা হয়ে গেলাম। জানো কেন এমন হল?”

ভোলার চোখ ছলছলে।

“মাসখানেক আগের কথা। চেম্বারে এক রোগী এল। মোটাসোটা, ডায়াবেটিস। জ্বর। আমি দেখতে চাইছিলাম না। কিন্তু ঐ যে একটা শপথ নিতে হয়েছিল পাশ করার সময়। হিপোক্রেটিসের শপথ। অসহায় রুগী ফেরানো যাবে না। দেখলাম। ওষুধ পত্তর দিলাম।”

-“তারপর ?”

-“পরদিন খবর পেলাম রোগী মারা গেছেন। ভয়ে বুক কেঁপে উঠল। তবে কি রোগীর করোনা হয়েছিল? তবে কি আমারও?”

-“জানি স্যার, উনি কৃষ্ণনগরের বিরাট বড় বিজনেসম্যান ছিলেন। শেষটা খুব খারাপ। মারা যাওয়ার পর ফ্যামিলির কাছে বডি যায় নি। এমনকি যেভাবে লুকিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে যেন ক্রিমিনাল।”

-“ঠিক । বাস্তবটা এতটাই নিষ্ঠুর যে আমাকেও সেই ভয় তাড়া করল। আমার যদি রোগীর থেকে করোনা হয়, তাহলে আমারও কি একই পরিণতি? পাড়ায় লোকে আড়চোখে দেখবে, ফিসফাস করবে। মরে গেলে বউ, ছেলে, মেয়ে দেখতে পর্যন্ত পাবে না। এতো বছর ধরে মানুষকে সেবা করার এই পুরস্কার?”

গেজেট কখন জ্ঞান ফিরে পেয়ে ভিড়ের মধ্যে এসে দাঁড়িয়েছে কেউ বোঝেনি। ডাক্তার প্রসাদের পায়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ল গেজেট।

“ডাক্তারবাবু ক্ষমাঘেন্না করে দ্যান। প্রথম খবরটা আমিই ছড়িয়েছিলাম। লোকটার করোনা টেস্ট নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু ততোক্ষণে গুজবটা ছড়িয়ে গেছিল যে-”

“হ্যাঁ, স্যার , আপনাকে এভাবে লুকিয়ে থাকতে হচ্ছে! ছি ছি। লজ্জা আমাদের। কাল যদি আমাদের ঘরে ঘরে করোনা জ্বর হয় কোথায় পালাব সবাই? আপনারাই তো ভরসা।”

-“ভরসা নয় ভগবান।” ভিড়ের মধ্যে থেকে উড়ে এল কথাটা।

ডাক্তার প্রসাদ হঠাৎ তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলেন। “এই ভগবান বলা বন্ধ করুন তো। দশচক্রে ভগবান ভূত! ভগবানকে এক নিমেষে শয়তান বানানো যায়। একবার ছুঁয়ে দেখুন আমায়। আপনাদের মতো মানুষ। রক্তমাংসের মানুষ। আসুন!”

“মাফ করেন ডাক্তারবাবু। বুঝতে পারছি, কী কষ্টের মধ্যে আছেন আপনারা ..”

“এই পুরনো বাড়িটায় আজ চোদ্দদিন ধরে আধপেটা খেয়ে আলাদা হয়ে আছি, জানেন? ঘুম নেই চোখে। সারাক্ষণ এক দুশ্চিন্তা তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। আজ কোয়ারেন্টাইন খতম। এবার বাড়ি ফিরব। বুড়ি মা আমার, কেঁদে কেঁদেই শেষ বোধহয়। আমাদের ঘরেও বউ বাচ্চা আছে। আমাদেরও ভয় হয়, ডিপ্রেশন হয়। কবে আর বুঝবেন?”

ফুটফুটে জ্যোৎস্নায় দেখা গেল কারও কারও চোখে জল চিকচিক। নিস্তব্ধ চরাচর।

ডাক্তার এতক্ষণে আত্মপ্রসাদের আলগা হাসি দিলেন। হালকা।

PrevPreviousডায়াবেটিসের অ থেকে চন্দ্রবিন্দুঃ পর্ব ১৫(হৃদরোগ)
Next#নিরীহাসুর_আর_একটা_ব্ল্যাকবোর্ডNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

June 19, 2026 2 Comments

মাথাভাঙ্গার মাসিক স্বাস্থ্য শিবির শেষ করে শ্রমজীবীর টিম রওয়ানা হল মাথাভাঙ্গা স্টেশনের দিকে। আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে’ রাঙা হয়ে উঠেছে পশ্চিমাকাশ। রাস্তার দু ধারে ঘন

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

June 19, 2026 No Comments

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

কিশোর বেলার স্মৃতি, সমীর দা এবং টিটেনাস

June 19, 2026 8 Comments

১. আমার কিশোর বেলার এক মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা আজ মনে পড়লো। সমীর দা,সমীর সেনগুপ্ত নামে আমাদের পাড়ার এক সিনিয়র দাদা ছিলেন। ছ’ফুটের ওপর লম্বা, রীতিমতো

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ এইচ এস ডি-র প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকার

June 18, 2026 No Comments

১৬ জুন, ২০২৬, সন্ধ্যায় এএইচএসডি-র সাত সদস্যের এক প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্যভবনে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানায়, সার্ভিস

ফেয়ারনেস ক্রিম কতটা ক্ষতিকর?

June 18, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

Gopa Mukherjee June 19, 2026

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

Dipak Piplai June 19, 2026

কিশোর বেলার স্মৃতি, সমীর দা এবং টিটেনাস

Somnath Mukhopadhyay June 19, 2026

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ এইচ এস ডি-র প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকার

Association of Health Service Doctors June 18, 2026

ফেয়ারনেস ক্রিম কতটা ক্ষতিকর?

Dr. Koushik Lahiri June 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

633306
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]