Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

‘পেলে’ এবং ঠান্ডা সন্দেশ রহস্য

ANI-20221231153632
Dr. Sumit Das

Dr. Sumit Das

Psychiatrist
My Other Posts
  • May 12, 2023
  • 10:36 am
  • One Comment

আমাদের গ্রামের একদম শেষে নদীর ধারে ছিল শ্মশান। তার গায়ে ছিল গা ছম ছম করা বাঁশ বাগান। একটা ছোট্ট পুকুর, যার জল চিতার আগুন নেভাতে এবং দাহ কাজের পরে চান করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে ‘ঠিক দুপুর বেলা ভুতে মারে ঢ্যালা’। আর রাতেরবেলা। রাতের কথা না বলাই ভালো, সেটা আমাদের কাছে তখন এক ভয় জাগানো নিষিদ্ধ এলাকা হয়ে যেত। তবে তার সামনে একটা ছোট্ট মাঠ ছিল। বিকেলে শ্মশানের সেই মাঠে আমরা দলে ভারী হয়ে সাহস করে ফুটবল খেলছি। বয়স তখন ওই দশ এগারো হবে। ফুটবল মানে বল নিয়ে ছুটে উল্টোদিকে বাঁশ দিয়ে তৈরি তিনকাঠির মধ্যে ঢোকাতে পারলে গোল। আমরা ছুটলে উল্টোদিকের দল বল কেড়ে নিয়ে আমাদের গোলে মারার চেষ্টা করবে। নাহলে আমরা মারব। খুব সরল খেলা। তবে ওই ছোটাছুটি ধাক্কাধাক্কি চোট এগুলো তো লেগেই আছে। আর ভীতু আমি গা এবং পা বাঁচিয়ে যতটুকু পারি বলে লাথি মারতাম।

এর মধ্যে খবর পেলাম ‘পেলে’ নামে একজন খেলোয়াড় আসছে তার দলবল নিয়ে। এবং সে নাকি পৃথিবীর সর্ব শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়।

সেই সময় যুগান্তর না অমৃতবাজার পত্রিকা ঠিক মনে নেই, পেলে সম্পর্কে ধারাবাহিক রোজ লেখা বেরতে লাগল। একমাস ধরে। ব্রাজিলের অত্যন্ত গরিব ঘরের ছেলে ন্যাকড়ার বলে লাথি মেরে খেলা শিখে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সব থেকে বড় ব্যাপার তার অসাধারণ স্কিল আর গোল করার বর্ণনা। সব বুঝেছিলাম তা নয়। খালি একটা জিনিস মনে হয়েছিল। এভাবেও ফুটবল খেলা যায়!

সেই আজ থেকে প্রায় ছেচল্লিশ বছর আগের অজ পাড়া গাঁ গোপালপুরেও তার খেলার ঢেউ পৌঁছেছিল। আমার এক জাঠতুত দাদা খেলা পাগল ছিল। আর ছিল হুজুক। এবং সে ছিল চৌকস। কলকাতায় যাতায়াত আছে। অনেক কিছু জানত টানত। বলল টিভিতে পেলের খেলা দেখাবে।

টিভি আবার কি বস্তু? যা বুঝলাম। সিনেমার মত সব চলমান ছবি দেখা যায়। তবে এক্ষেত্রে মাঠের খেলা সরাসরি এই বাক্সটার মধ্যে দিয়ে দেখা যাবে।

আমাদের গ্রাম থেকে ভালো চাকরি পেয়ে দমদমে চলে গেছে এক কাকু। তার বাড়িতে টিভি আছে। তিন ঘন্টার রাস্তা। কুছ পরোয়া নেহি। দাদা বলল তোকে নিয়ে যাবো। টিভিতে দেখব। পেলে বল নিয়ে ছুটবে। গোল করবে। ওঃ। কি উত্তেজনা। কিন্তু আমার জন্যে আরো একটা বড় চমক অপেক্ষা করছিল।

সকাল সকাল রেডি হয়ে মালতিপুর স্টেশানে। কু ঝিক ঝিক কয়লা ইঞ্জিনের ট্রেনে দমদম।

গিয়ে দেখলাম ভালোই লোক জমেছে। একটা বেশ বড় ঘরে সতরঞ্চি পাতা। আর তার শেষ প্রান্তে সেই আশ্চর্য জিনিস ‘টিভি’ রাখা আছে। একটা বাক্সের মত জিনিস চারটে পায়ার ওপর। সামনেটা পেটমোটা কাঁচ।

খেলার আগে অ্যাড , বিশেষজ্ঞ মতামত শুনে এবং দেখে কিছুটা ধাতস্ত হলাম টিভি দেখা নিয়ে। তারপর খেলা শুরু হোলো।

এবং পেলে। প্রথম থেকেই বারবার ক্যামেরা ফোকাস করেছে। অবাক বিস্ময়ে বাক্সটার মধ্যে দেখলেও ঠিক মেলাতে পারছিলাম না। লেখায় পড়ে হরিণ গতির অনবদ্য নায়কের যে ছবি আঁকা ছিল মনের মধ্যে তার সাথে এই মাঝবয়সী মানুষটাকে কিছুতেই মেলাতে পারছিলাম না।

টিভি না খেলা কোনটা বেশি দেখছিলাম, মনে নেই। মনে আছে পেলে বিশেষ কিছু খেলতে পারেনি। একটা দৃশ্য এখনো চোখে ভাসে গোল কিপার শিবাজী ব্যানার্জি ঝাঁপিয়ে পড়ে আগুয়ান পেলের পা থেকে একটা বল তুলে নিচ্ছে। পেলে লাফিয়ে শিবাজীর মাথার ওপর দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। খুব ভালো লেগেছিল। আমাদের শ্মশানের মাঠে তো গোলকিপারের গায়ে পা লাগাবেই স্ট্রাইকার এই সময়। আর সেটা লাথি না ভুল করে লেগেছে, তা নিয়ে প্রচন্ড ঝগড়া হবে।

হাবিব, আকবর, শ্যাম থাপা, সুব্রত এরাও তো আমার নায়ক। আর টিভির কল্যাণে এরাও চোখের ওপর। তাই সেদিনের মোহনবাগানীদের খেলাতে মনোযোগ দিলাম। দারুন উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। জিততে জিততে ২-২ ড্র। কেউ কেউ বলল গট আপ করে পেলের দলকে ড্র করা্নো হোলো।

খেলা শেষ। সব দর্শক আস্তে আস্তে বেরিয়ে গেল। আমি আর দাদা তখনো বসে আছি। কারণ সেই কাকু কাকিমারা গল্প করছে। এবার প্লেটে করে সন্দেশ এল, দেশের লোকের খাতিরে। খিধেও পেয়েছিল। এবার আর এক চমক। পট করে একটা তুলে মুখে দিতেই, উরেব্বাস দাঁত কনকন করে উঠল। মিষ্টি খেয়ে দাঁতে পোকা লাগে জানতাম কিন্তু ঠান্ডায় দাঁত উপড়ে পড়ার অবস্থা হয় জানা ছিল না।

দাদার দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে বললাম কি ঠান্ডা! দাদা চাপা গলায় কি একটা বলল ঠিক বুঝিনি।

আসার পথে ঠান্ডা সন্দেশ রহস্য উদ্ধার হোলো। ট্রেনে ফ্রিজ নিয়ে দাদার নাতিদীর্ঘ ভাষণ শুনে। ওইটা ছিল আমার কাছে শুধুই বিস্মিত হবার দিন। একই দিনে পেলে, টিভি এবং ফ্রিজ!

PrevPreviousখুপরির গল্প ১৩ ★রাগ করা নিষেধ★
Nextঅথ ডিপ্লোমা ডাক্তার কথাNext
3 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
জয়ন্ত
জয়ন্ত
2 years ago

ঠাণ্ডা সন্দেশ খেলে কিস্যু অয় না।
আমি খেয়েছিলাম ঠাণ্ডা রসগোল্লা। সেই রসগোল্লা আমার দাঁতের চারদিকে জমে গেল। অক্সি এসিটিলিন ফ্লেমেও গলল না।
সেই থেকে আমার সুইট টুথ।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

A Brief Update of Two Important Legal Developments:

December 6, 2025 No Comments

04.12.25 1) The appointment case of Dr Aniket Mahato: In the case concerning the appointment of Dr Aniket Mahato, the Calcutta High Court had clearly

মূলে ফেরো

December 6, 2025 No Comments

মূলে ফিরে এসো এইবারে। একবার একসাথে লড়ি ওখানে কাজ আছে মান নেই, এখানে উল্টো ঠিক, রোজগার খাড়া বড়ি থোড় থেকে থোড় খাড়া বড়ি, তবুও ফেরত

লাউ মাচা

December 6, 2025 1 Comment

বয়স বাড়ছে। শীত করছে। পাতা ঝরছে। টুপটাপ দিনরাত কত কি যে খসছে। ‘অ বৌমা বেলা হল–ভাত বাড়ো’ –আজকাল এমন গৃহস্থ কথার ওম ওড়াউড়ি করে না

শাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।

December 5, 2025 No Comments

৯ আমাদের না ভোলার তারিখ। জল নয় রক্ত ছিল আমাদের মেয়ের চোখে। সেই নিষ্ঠুরতা মনে পড়লে আমরা কেঁপে উঠি। শাসক ভোলাতে চায়। মদত পেয়ে দিকে

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

December 5, 2025 No Comments

(ক্লিনিকে বসে যা শুনেছি তাই লেখার চেষ্টা করছি) আমার নাম তামান্না (নাম পরিবর্তিত)। বয়স তেইশ। বাড়ি ক্যানিং। গরীব ঘরে জন্ম। মাত্র ষোল বছর বয়সে শ্বশুরবাড়ি।

সাম্প্রতিক পোস্ট

A Brief Update of Two Important Legal Developments:

West Bengal Junior Doctors Front December 6, 2025

মূলে ফেরো

Arya Tirtha December 6, 2025

লাউ মাচা

Dr. Sarmistha Das December 6, 2025

শাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।

Abhaya Mancha December 5, 2025

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

Dr. Kanchan Mukherjee December 5, 2025

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

594321
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]