Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বুকে-পেটে ব্যথা? হারপিস জস্টারের কথা ভুলবেন না

Screenshot_2024-03-16-07-55-18-14_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Jayanta Das

Dr. Jayanta Das

Dermatologist
My Other Posts
  • March 16, 2024
  • 7:56 am
  • No Comments

বুকে ব্যথা হলে সঙ্গতভাবেই আমাদের দুশ্চিন্তা হয়, হার্ট অ্যাটাক নয়তো। আর পেটে ব্যথা হলে ভাবতে হয় অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পিত্তথলি বা গল ব্লাডারের ব্যথা, পাকস্থলীর অ্যাসিডের জন্য ব্যথা, প্যানক্রিয়াসের ব্যথা, বৃক্কের ও গবিনীর পাথরজনিত ব্যথা, মুত্রাশয়ের ব্যথা বা মেয়েদের এক্টোপিক গর্ভাধানের ব্যথা—এমন শতেক রোগের কথা। কিন্তু হারপিস জস্টার নামক ত্বকের রোগটিও যে বুকে ব্যথা বা পেটে ব্যথার কারণ হতে পারে আর তাকে হার্ট অ্যাটাক কিংবা অ্যাপেন্ডিসাইটিসের থেকে আলাদা করে চিনতে ডাক্তারদের মাথাব্যথা হতে পারে, সে কথা কমই ভাবা হয়।

জস্টারের ব্যথা

হারপিস জস্টার রোগটির ভাইরাসের নাম ভ্যারিসেলা জস্টার ভাইরাস। ভ্যারিসেলা হল জল বসন্ত বা চিকেন পক্সের আরেক নাম। এই ভাইরাসটি যখন সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে তখন জল বসন্ত রোগ হয়। আবার একই ভাইরাস দেহের একটা ছোটো অঞ্চলের মধ্যে প্রকোপ দেখাতে পারে, তাতে দেহের সেই অংশে অনেকগুলো ব্যথাযুক্ত ফোসকা বা ফুসকুড়ি  তৈরি করে, সেটাই হারপিস জস্টার রোগ। ভ্যারিসেলা আর জস্টার এই দুটো মিলিয়ে ভাইরাসের নাম।

সাধারণত জল বসন্ত বা ভ্যারিসেলা রোগ হবার পরে ভাইরাসটি আমাদের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে, তারপর হঠাৎ কোনোদিন সেই ভাইরাস কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে বেরোনো একটি স্নায়ু ধরে ত্বকে আসে। সাধারণত কোনো কারণে রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এরকম ঘটে। স্নায়ুতে এই ভাইরাস প্রদাহ ঘটায়, ফলে সেই স্নায়ুর গতিপথ ধরে ব্যথা হয়। মুখ ও গলা-ঘাড়ের স্নায়ু (সাধারণত ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু) এবং বুক-পেট অঞ্চলে সুষুম্নাকাণ্ড থেকে যে সব স্নায়ু বের হয়, সেই স্নায়ুগুলো সবচাইতে বেশি আক্রান্ত হয়। সুষুম্নাকাণ্ড থেকে বেরোনো স্নায়ুগুলো পিঠের মাঝখান থেকে শুরু হয়ে পেট বা বুকের মাঝামাঝি এসে শেষ হয়, তাই হারপিসের ব্যথা ও ফোসকা বা ফুসকুড়ি পিঠের মাঝখান থেকে শুরু হয়ে বেঁকানো আধখানা বেল্টের মতো সামনের দিকে বুক-পেটের মাঝ-বরাবর শেষ হয়। ব্যথাও হয় এই স্নায়ু বরাবর। বুকের স্নায়ু বরাবর ব্যথা অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের কথা ভাবায়, আর পেটের স্নায়ু বরাবর ব্যথা ভাবায় পেটের নানা অঙ্গের রোগের কথা।

আরেকটা জিনিস এইখানেই বলে রাখা ভালো। হারপিস জস্টারের ফোসকা-ফুসকুড়ি সেরে যাবার পরে সেখানে দুটো সমস্যা থাকতে পারে—প্রায় সবারই ফোসকা-ফুসকুড়ির জায়গায় ক্ষতের দাগ থাকে, এবং অনেকেরই ব্যথা থাকে। এই ব্যথাকে বলে পোস্ট হারপিটিক নিউর‍্যালজিয়া, অর্থাৎ হারপিস জস্টারের ভাইরাস চলে যাবার পরেকার স্নায়ুগুলোর প্রদাহের জন্য ব্যথা।

যখন ফোসকা-ফুসকুড়ি নেই

ফোসকা-ফুসকুড়িগুলো বেরিয়ে যাবার পরে রোগী চিকিৎসকের কাছে গেলে রোগটা ধরতে তাঁর তেমন অসুবিধা সাধারণত হয় না, বা সেগুলোকে হয়তো তিনি ভুল করে অন্য ত্বকের রোগ বলে ভাবতে পারেন। কোনো কোনো ত্বকের রোগের সঙ্গে হারপিসকে আলাদা করতে সমস্যা হয়, আমরা এখানে সেই আলোচনায় যাব না। ফোসকা বা ফুসকুড়ি বেরোনোর আগে ব্যথা নিয়ে রোগী চিকিৎসকের কাছে গেলে তাঁর রোগ চিনতে বেশ অসুবিধা হয়।

বুকের একদিকে, বিশেষ করে বামদিকে, হঠাৎ ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে এলে তাঁর প্রথম কর্তব্য রোগীর মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন তথা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কি না দেখা। এই দেখার জন্য রোগীকে অনেক সময়ে হাসপাতালের ইমারজেন্সি বিভাগে ভর্তি করতে হয়। হার্ট অ্যাটাক শুরু হবার পরের এক ঘণ্টা হল ‘গোল্ডেন আওয়ার’, সোনালি এক ঘন্টা, যে সময়ে ঠিকমতো চিকিৎসা করলে অনেক রোগীর প্রাণ বাঁচে ও হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষতি কম হয়, তাই তাড়াতাড়ি ভর্তি করে নানারকম পরীক্ষা বা টেস্ট দ্রুত করাই ভালো। রোগীর হারপিস জস্টার হয়ে থাকলে এই পরীক্ষায় হার্ট অ্যাটাকের চিহ্ন পাওয়া যাবে না, কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত হারপিসের ফোসকা-ফুসকুড়ি না বেরোচ্ছে, ততক্ষণ চিকিৎসকের মনে শান্তি হয় না। এটা ভুল নয়, কিন্তু এর ফলে আইসিইউ থেকে রোগীর মুক্তি মেলে না, তাঁর ওপরে পরীক্ষা চলতে থাকে, টেনশন বাড়তে থাকে। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমি নিজে এমন রোগী অনেক দেখেছি, অবশ্য প্রায় সবগুলোই ফোসকা বেরিয়ে রোগনির্ণয় সহজ হয়ে যাবার পরে। দু-একটা ক্ষেত্রে আইসিইউ-র চিকিৎসক ফোসকা বেরোনোরা আগেই আমাকে ডেকেছিলেন, এবং আমি শুধু বলতে পেরেছিলাম ‘সম্ভবত হারপিস জস্টার’। সত্যিই ফোসকা না বেরোলে নিশ্চিত করে বলা যায় না।

পোস্ট হারপিটিক নিউর‍্যালজিয়া, অর্থাৎ হারপিস জস্টারের ফোসকা মিলিয়ে যাবার পরে সেখানে ব্যথা শুরু হলেও কোনো কোনো সময়ে হার্ট অ্যাটাক বলে ভুল হতে পারে, তবে সাধরণত রোগী হারপিসের ইতিহাসের কথা বলেন, ও রোগটা তাড়াতাড়িই বোঝা যায়। সাধারণত হারপিসের ফোসকার আগে থেকে ব্যথা শুরু হয়, এবং ফোসকা সেরে যাবার পরেও ব্যথা থাকে। অনেক সময়ে এই ব্যথা কিছুদিন পরে বেড়ে যেতে পারে, এবং রোগী কোনো কারণে চিকিৎসককে হারপিসের ফোসকার কথা বলতেই ভুলে যান। সে ক্ষেত্রে রোগী ও তাঁর বাড়ির সদস্যদের ভালোভাবে জিজ্ঞেস করে হারপিসের ইতিহাস পেলে বা হারপিসের দাগ দেখতে পেলে তবেই রোগনির্ণয় করা যায়।

হারপিস জস্টারের একটি বিরল ধরন হল জস্টার সাইনে হারপিট (Zoster Sine Herpete), এতে হারপিস জস্টারের স্নায়ুতে সংক্রমণ ও প্রদাহ হয়, কিন্তু ত্বকে ফোসকা-ফুসকুড়ি হয়ই না। বুকের বামদিকে হলে একে হার্ট অ্যাটাক থেকে আলাদা করে চেনা খুব কঠিন। ব্যথা স্নায়ুর পথ ধরে হয়, এটা দেখে হারপিস সন্দেহ করতে পারা যেতে পারে, এবং হার্ট অ্যাটাক সহ অন্যান্য কারণ না পাওয়া গেলে আর রক্তে হারপিসের অ্যান্টিবডি (VZV IgG এবং IgM) পাওয়া গেলে তবেই এই রোগ নিশ্চিতভাবে ধরা যায়।

আরেকটা বড়ো সমস্যা হল যে, হারপিস জস্টার রোগটা নিজে হারপিস ভাইরাসজনিত পেরিকার্ডাইটিস রোগের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। পেরিকার্ডাইটিস হল হৃদ্‌যন্ত্রের চারদিকের আবরণীর প্রদাহ, এটা গুরুতর রোগ। তখন ‘বুকের ত্বকের হারপিস জস্টারই ব্যথার একমাত্র কারণ’ ভেবে নিশ্চিন্ত হয়ে অন্য রোগ আছে কি না তা দেখার পরীক্ষানিরীক্ষা না করলে আখেরে রোগীর বিপদই বাড়ে।

এ ছাড়া সংখ্যাতত্ত্ব বলছে, যাঁদের হারপিস জস্টার রোগটা হয় তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি হয়, মস্তিষ্কে রক্তনার রোগের জন্য ’স্ট্রোক’-এর ঝুঁকিও বাড়ে। এখনও পর্যন্ত এর কারণ বোঝা যায়নি। কিন্তু সেগুলো হারপিসের সঙ্গে সঙ্গে হয় না, সুতরাং রোগনির্ণয়ে অসুবিধা করে না।

পেটে পেটে

হার্ট অ্যাটাককে অনেক সময়ে পেটের তীব্র রোগ, যেমন তীব্র পিত্তথলির ব্যথা বা তীব্র পাকস্থলীর ব্যথার সঙ্গে আলাদা করে চিনতে কষ্ট হতে পারে। যেভাবে বুকের হারপিস জস্টার আর হার্ট অ্যাটাক আলাদা করে চেনা কঠিন হতে পারে, ঠিক সেভাবে ও সেইরকম পরিস্থিতিতে ওপর পেটের হারপিস জস্টারের থেকে পিত্তথলির ব্যথা বা পাকস্থলীর ব্যথা বা প্যানক্রিয়াসের ব্যথা শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে, বিশেষ করে ত্বকে ফোসকা বেরোনোর আগে। আবার পেটের নীচের দিকে হারপিস জস্টারের ব্যথা আর বৃক্কের ও গবিনীর ‘রেনাল কলিক’ ব্যথা, অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা বা অন্যান্য পেটের ভেতরকার অঙ্গের ব্যথা থেকে আলাদা করা শক্ত হতে পারে। তাই নানারকম ব্যথার ক্ষেত্রেই এই রোগটির কথা মনে রাখা দরকার।

PrevPreviousদীপ জ্বেলে যাও পর্ব ২৪
Nextযাত্রা শেষNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

সকালে জমা, বিকেলে খরচ? একি মগের মুল্লুক? এনকাউন্টার কার স্বার্থে?

July 10, 2026 No Comments

দু মাস যেতে না যেতেই শুভেন্দু অধিকারীর ” সকালে জমা বিকেলে খরচ” নীতি ঘোষণা, তারপরেই পুলিশের এনকাউন্টার! বুলডোজারের পর গুণ্ডা দমন নীতি,তারপরেই এনকাউন্টার,এ যেন বাংলায়

বারুইপুরের ‘অপরাজিতা’ গণধর্ষণ ও হত্যা: একটি প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান রিপোর্ট

July 10, 2026 No Comments

গত শনিবার ৪ জুলাই, ২০২৬ দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরের সূর্যপুরে এক ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এক দিন নিখোঁজ থাকার পরে ৫

এনকাউন্টার

July 10, 2026 No Comments

অপরাধী অপরাধ করে। পুলিশেরা অপরাধী ধরে। বিচারের দেবী নাকি বুড়ি থুত্থুরে, হাতের পাল্লা-দাঁড়ি ভারী নড়বড়ে, যাদের পুলিশ ধরে পাঠায় শ্রীঘরে, জামিনে বেরিয়ে আসে ফাঁক ও

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ছাত্র-মৃত্যু: ঘটনার নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক

July 9, 2026 No Comments

নিজের স্কুলের বিষয়ে খারাপ খবর পেলে মন ভারাক্রান্ত হয়, বিশেষত যদি তা হয় এক তরতাজা তরুণ ছাত্রের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুর খবর এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে

অভয়া মঞ্চ বারুইপুরের বিচার চায়

July 9, 2026 No Comments

৮/৭/২০২৬ গতকাল অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা বারুইপুরের সূর্যপূরে যে নাবালিকা, চরম নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হলো, তার পরিবারের সাথে

সাম্প্রতিক পোস্ট

সকালে জমা, বিকেলে খরচ? একি মগের মুল্লুক? এনকাউন্টার কার স্বার্থে?

Parichay Gupta July 10, 2026

বারুইপুরের ‘অপরাজিতা’ গণধর্ষণ ও হত্যা: একটি প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান রিপোর্ট

Doctors' Dialogue July 10, 2026

এনকাউন্টার

Arya Tirtha July 10, 2026

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ছাত্র-মৃত্যু: ঘটনার নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক

Dr. Koushik Dutta July 9, 2026

অভয়া মঞ্চ বারুইপুরের বিচার চায়

Abhaya Mancha July 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

648693
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]