Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

রাম্ভী (পর্ব- ৮)

WhatsApp Image 2020-09-25 at 10.09.41
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • September 29, 2020
  • 9:25 am
  • No Comments

“জীবন গিয়েছে চলে কুড়ি কুড়ি বছরের পার।”

…..ফোনে অ্যাক্সিডেন্ট বলা হয়েছিল আমাকে। কিন্তু বাড়ি ফিরে জানতে পারলাম আত্মহত্যা। মা-বাবাকে কাকার বাড়িতে রেখে চাকরিতে ফিরতে হল। বাবা ভিআরএস নিয়ে নিলেন। তাঁরা তখন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত।

পাপিয়া-দি এবং অশোকবাবুর পরিবার আগলে রেখেছিলেন আমাদের। পাহাড়ে ফিরে গেলাম একা। শুচিশ্মিতা শিলিগুড়িতে। রাম্ভী ঝোরার পাশে বসে কেটে যেত সারা বিকেল। শরৎ আসছে। আকাশে পেঁজা তুলোর মত মেঘ। সারারাত জেগে থাকি, আর একা একা কথা বলি। ভোরের দিকে ঝিমুনি আসে। নিজের নাক ডাকার শব্দে আবার ঘুম ভেঙে যায়। মনে হয়, ঘুলঘুলির অন্তরালে কে যেন বসে আছে।

বিএমওএইচের ফ্যামিলি কলকাতায়। আমাকে রাতে ওর কোয়ার্টারে থাকতে বলল। ভীষণ ভয় পেত। ডাঃ মাধুরী ফিরে এসেছেন। অবিশ্বাস্য সাহসী মহিলা। তিস্তার ধারে পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা জিএনএল এফ অধ্যুষিত এক বিপিএইচসি-তে একা চাকরি করতে এসেছিলেন। ওনার স্বামী ইঞ্জিনিয়ার। থাকতেন শিবসাগরে।

শুচিশ্মিতা শিলিগুড়িতে প্র্যাকটিস শুরু করেছে ততদিনে। ভালোই হচ্ছে। নিবেদিতা নার্সিংহোমে সীজার অ্যাটেন্ড করছে। কিন্তু নিওন্যাটোলজির ভাল ব্যবস্থা নেই। হিলকার্ট রোডের উপর বেশ ভাল একটা চেম্বারও জুটে গেল। বাবা-মাকে শিলিগুড়িতে নিয়ে এলাম। ওরা আর বারাসাতে পড়ে থেকে কি করবে! ওদের আনতে যাওয়ার পথে ট্রেনে বেঁটেখাটো এক ভদ্রলোক এসে জড়িয়ে ধরল।

‘সব শুনেছি। কেমন আছিস?’

‘চলে যাচ্ছে।’

‘মেডিক্যাল কলেজে চলে আয় একদিন।’

‘যাব।’

শুচিশ্মিতা এসে কানে কানে জিজ্ঞাসা করল, ‘গুন্ডা গোছের দেখতে, কে উনি?’

‘ডাক্তার মাইকেল হীরা। মেডিক্যাল কলেজে আমাদের আর এম ও ছিলেন। এখন নর্থ বেঙ্গলে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর।’

মাইকেলদার সাথে গল্প করতে করতে কলকাতা ফিরলাম। খুব ভালো লাগল। ইন্টার্নশিপ থেকে মাইকেলদার তত্ত্বাবধানে কাজ শিখেছি বিভিন্ন সময়ে। এমন অমায়িক, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী মানুষ কম দেখেছি।

একদিন প্রধান নগরের মোড় থেকে বাস ধরে গিয়ে নামলাম শিবমন্দির মেডিক্যাল মোড়ে। সেখান থেকে হেঁটে নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজ। অনেক পুরনো বন্ধুবান্ধবের সাথে দেখা হল। অর্থোপেডিক্স অপারেশন থিয়েটারে ঢুকতে পেরে মনে হল যেন ঘরে ফিরলাম। মাইকেল-দা বলল, ‘মাঝে মাঝে চলে আসিস।’

বর্ষা চলে গেছে। রাস্তা একটু ভালো। রাম্ভীতে ডিউটি না থাকলে বিকেলে ফিরে আসি শিলিগুড়ি। ডাক্তার অমল বসাক-এর সাথে আলাপ হয়েছে। নর্থবেঙ্গল ক্লিনিক আর প্যারামাউন্ট হাসপাতালে অমলদাকে সাহায্য করি। নিজের দুয়েকটা অপারেশনও করছি তখন। আমার ডায়েরিয়ার ওষুধ লেখার পর্ব থেকে বেরোনো দরকার। নাহলে সার্জারী ভুলে যাব। অমলদার দরকার এক্সপার্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট। অপারেশন শেষ করে ঘরে ফিরতে ফিরতে রাত দুটো-তিনটে বেজে যায়। নামিয়ে দিয়ে যায় হাসপাতালের গাড়ী। বাড়িওয়ালা এবং প্রতিবেশীদের অসুবিধা হয় নিশ্চয়ই। কিন্তু কেউ কিছু অভিযোগ করে না।

রাম্ভীতে রুগী বাড়ছে। তিন-চারজন ভর্তি থাকছে সবসময়। একদিন এক চা-বাগানের ম্যানেজার এল কোমরের সমস্যা নিয়ে আমাকে দেখাতে। উপহার দিয়ে গেল এক প্যাকেট উৎকৃষ্ট চা। রাম্ভী সংলগ্ন এলাকায় মাশরুম চাষ শুরু হয়েছে তখন। বাটন মাশরুম দিয়ে যেত কোনো কোনো রুগী। রান্না করে খাওয়া হত অরুণের দাদার হোটেলে।

পাহাড়ি মানুষদের মধ্যে দেখতাম উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা খুব বেশী। বাত, যক্ষ্মা, কিডনির অসুখ আর মাদকাসক্তি-ও। তবে সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার, অনেকেরই রক্তে হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিকের তুলনায় খুব বেশী। প্রায় পলিসাইথিমিয়ার মত। সাধারণ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রায় সবই হাসপাতালে সাপ্লাই ছিল। রুগীদের কিনতে হত না। অধিকাংশ মানুষের কেনার সামর্থ্যও ছিল না।

কয়েকদিন ধরে শুনছিলাম ডিজিএইচসি-র হেল্থ কাউন্সিল ভিজিটে আসবে রাম্ভী-তে। একদিন সিএমওএইচ এলেন। আমাকে বললেন, ‘এখানে আপাততঃ ভালো করে কাজ কর। তারপর দেখছি অর্থোপেডিক্সের পোষ্টিং দেওয়া যায় কিনা।’

ততদিনে বুঝে গেছি দার্জিলিং-এ সিএমওএইচের কোনো ক্ষমতা নেই। আর ওনার ঠুনকো প্রতিশ্রুতির খুব একটা দাম-ও নেই। পালস পোলিওর দিন এল। পাহাড়ের হেল্থ সেন্টার গুলোতে তদারকি করে এলাম।

একদিন সন্ধ্যায় হাসপাতালের চত্বরে পরপর কয়েকটা লালবাতি লাগানো গাড়ি এল। অরুণ দৌড়ে এসে বলল সি কে প্রধান এসেছে। সি কে নিজেকে কালিম্পংয়ের রাজা মনে করত। ওর নামে পাহাড়ে তখনও বাঘে-গরুতে এক ঘাটে জল খায়। জিএনএলএফ আন্দোলনের সময় তো সামতাহার ছিল ওর গুহা, স্লটার হাউস। তখন মাথার দাম ছিল কয়েক হাজার টাকা। যার নামে দার্জিলিং জেলার পাহাড়-সমতলের মানুষ এককালে ভয়ে কাঁপত, তাকে দেখার কৌতূহল ছিল আমারও।

ছোটখাটো চেহারা। মুখে ভুরভুর করছে অ্যালকোহলের গন্ধ। কোটের পকেট থেকে একটা ধাতব নল উঁকি দিচ্ছে। আমরা তিনজন ডাক্তার সামনে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। টেবিলের উপর যন্তরটা নামিয়ে রাখল ঠক্ করে। অনেকটা গব্বর সিং-এর ঢঙে। ভাবলাম বলে উঠবে, ‘অব্, তেরা কেয়া হোগা কালিয়া?’

নাঃ, তার বদলে বলল, ‘আপলোগ আচ্ছা কাম কর রহে হ্যায়। অউর ভি আচ্ছা করনা পড়েগা।’

ডাক্তার মাধুরীকে বলল, ‘ম্যাডাম, ইউ আর দ্য বস।’

আমাকে বলল,’ ম্যায় আপকে লিয়ে সামথার মে আচ্ছা হসপিটাল বানায়েঙ্গে। লেকিন আপকো উঁহা জানা পড়েগা।’

‘জরুর।’

আধঘন্টা পর কনভয় বেরিয়ে গেল হাসপাতাল ছেড়ে। আমরা হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম।

মনে মনে বললাম, ‘তিনো বাঁচ্ গ্যয়ে!’

(ক্রমশঃ)

PrevPreviousকরোনা যাপন ১
Nextকরোনার দিনগুলি ৬৬ দিনলিপিNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

যাদবপুরের ব্যারিকেড 

October 24, 2026 No Comments

“ভালস্ট্রাসের ব্যারিকেডে আজ পর্যন্ত একুশটি, মানে একবিংশতি আক্রমণ চূর্ণ হইয়াছে।  এবার বোধ হয় ট্যাংক আসিবে।” সপ্তমীর গভীর রাতে মোবাইলের পর্দায় যাদবপুরের বামপন্থী বই এর স্টলে

স্যার

October 24, 2026 No Comments

আমার সুখী সুখী জীবন। মাস গেলে ভালোই মাইনে, কাজকর্ম নিয়ে তেমন কোন টেনশন নেই। কর্তার ইচ্ছায় কর্ম করি। সরকার যা বলে সেটা পড়িয়ে দিনের শেষে

১৯শ শতকে আয়ুর্বেদের চারিত্র্য এবং মৌলিক রূপান্তর ও আধুনিক আয়ুর্বেদ-চর্চা – সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা

October 24, 2026 No Comments

বাংলা ভাষায় চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত ইতিহাস এবং পুস্তক লেখার কাজ চলছে অন্তত ২০০ বছর সময়কাল ধরে। ১৮২০ সালে বাংলায় শ্রীরামপুর থেকে বিদ্যাহারাবলী (সুশীল কুমার দে, হিস্টরি

বিষাদময় দুর্গোৎসবের শেষে প্রশ্ন অনেক, জবাবদিহি কোথায়?

October 23, 2026 No Comments

বিষাদময় দুর্গোৎসবের শেষে প্রশ্ন অনেক, জবাবদিহি কোথায়? সম্ভবত সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বিষাদময় দুর্গোৎসবের শেষদিন আজ, বিজয়া দশমী। ষষ্ঠী শুরু হয়েছিল সন্দীপ ঘোষের জামিন দিয়ে, সপ্তমীতে

রেফার টু এপোলো

October 23, 2026 1 Comment

ইতিহাসে প্রথমবার কলকাতার দুর্গা পুজোতে পদপিষ্ট হয়ে উনিশ জন মারা গেলেন। আহতদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই রাত্রে সেই মেডিকাল কলেজেরই প্রাক্তনী বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসে পরামর্শ দেন

সাম্প্রতিক পোস্ট

যাদবপুরের ব্যারিকেড 

Debashish Goswami October 24, 2026

স্যার

Sanjoy Mukherjee October 24, 2026

১৯শ শতকে আয়ুর্বেদের চারিত্র্য এবং মৌলিক রূপান্তর ও আধুনিক আয়ুর্বেদ-চর্চা – সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা

Dr. Jayanta Bhattacharya October 24, 2026

বিষাদময় দুর্গোৎসবের শেষে প্রশ্ন অনেক, জবাবদিহি কোথায়?

West Bengal Junior Doctors Front October 23, 2026

রেফার টু এপোলো

Nirakar Mishra October 23, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

694201
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]