Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

রানী, একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও গিনেস বুকের গল্প

405615406_6577344925708660_5334233300330778616_n
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • December 1, 2023
  • 9:01 am
  • No Comments
যেখানেই যাব, ছোটো মেয়ে রানী যেতে চায়। স্কুটার নিয়ে চেম্বারে যেতে গেলেও সে এসে হাজির। অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে ফেরত পাঠাই। আজ Batch-98 for Needs এর পক্ষ থেকে MSWS- এর বিবেকানন্দ আশ্রমে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প ছিল। বাড়ির খুপরি শেষ করে দুটো রুটি পেটে পুরে বেরচ্ছি, ছোটো মেয়ে রানী এসে হাজির। বলল, ‘বাবা, কোথায় যাচ্ছ? আমিও যাব।’
বললাম, ‘রোগী দেখতে যাচ্ছি। তুই গিয়ে কী করবি?’
রানী বলল, ‘আজ তো রোববার। আজ তোমার বিকালে চেম্বার নেই। অতএব তুমি যেখানেই যাও, রোগী দেখতে যাচ্ছ না। মিথ্যা বলছো কেন? দাঁড়াও আমি মাকে বলে দেব, তুমি আমাকে মিথ্যা কথা বলেছ।’
রেগে মেগে বললাম, ‘ব্যাটা মাতৃভক্ত মর্কট, আমি মোটেও মিথ্যা বলিনি। ঠিক আছে চল। কিন্তু গিয়ে চুপচাপ বসে থাকবি। একদম বিরক্ত করবি না।’
আমাদের ব্যাচের প্রসূন এসে গেছিল। চলার পথে কতো বন্ধুকে হারিয়ে ফেলেছি। স্কুলের পুরোনো বন্ধুদের দেখলে তাই আজকাল ভীষণ ভালো লাগে। পার্থ আর গৌর’ও যাবে। সবাই মিলে বেরিয়ে পড়লাম। অত্যন্ত দুর্গম রাস্তা। তাড়াতাড়ি যাওয়াই ভালো।
রানীকে স্কুটারের সামনে দাঁড় করালাম। যেতে যেতে বললাম, ‘সাতের ঘরের নামতাটা বল।’
রানী বলল, ‘বেড়াতে যাওয়ার সময় কেউ নামতা বলে?’
‘বেড়াতে কোথায় যাচ্ছি! আমরা তো রোগী দেখতে যাচ্ছি। ঠিক আছে ওখানে কী লেখা আছে পড়।’
একটা ঘরের উপর বড়ো বড়ো করে লেখা “নতুন পাড়া স্পোর্টিং ক্লাব”। রানী এক নজর দেখেই বলল, ‘বাবা, লেখা আছে নতুন পাড়া পোস্ট অফিস ক্লাব।’
‘ওটা পোস্ট অফিস ক্লাব নয় জাম্বুবান, ওটা স্পোর্টিং ক্লাব।’
‘মোটেও না। ওটা পোস্ট অফিস লেখা ছিল। তোমার চোখে চশমা, তুমি কম দেখো।’
স্কুটার ঘুরিয়ে সেই জায়গায় এলাম। বললাম, ‘ভালো করে দেখ।’
রানী দেখে শুনে বলল, ‘তুমি এতো জোরে চালাচ্ছিলে, আমি ভালো ভাবে দেখতেই পারিনি। আমি মাকে বলে দেব তুমি বড্ড জোরে গাড়ি চালাও।’
হাজার হোক, নিজের ছোটো মেয়ে। মাঝ রাস্তায় স্কুটার থেকে নামিয়েও দেওয়া যায় না। অগত্যা আবার চলতে শুরু করলাম।
খানিকদূর গিয়ে দেখি পৌরসভার একটা পানীয় জলের গাড়ি। তার গায়ে বড় বড় করে লেখা পানীয় জল। বললাম, ‘ওটা কী লেখা আছে পড়।’
রানী বলল, ‘লেখা আছে পানিহাটির জল। আচ্ছা বাবা আমরা কি পানিহাটি চলে এসেছি?’
আমি উত্তর দিলাম না। মেয়েটি মহা ফাঁকিবাজ। পুরোটাও পড়ছে না। একটা দুটো অক্ষর পড়েই মনগড়া শব্দ বলে দিচ্ছে। একে শিক্ষিত করা আমার কর্ম নয়।
নোয়াই খালের পাশের রাস্তায় যখন নামলাম, রানীকে একটু বিচলিত মনে হল। খালের পাশ দিয়ে ভাঙাচোরা সরু রাস্তা। একেকটা গর্তে পড়লে মনে হয় এই বুঝি রাস্তা ছেড়ে খালে নেমে যাব। রানী বলল, ‘বাবা তুমি সাবধানে চালাও। আমার উপর রাগটাগ করে আমাকে খালে ফেলে দিও না। তাহলে কিন্তু আমি মাকে বলে দেব।’
অবশেষে প্রায় ভাঙা কাঠের ব্রিজ পেরিয়ে আশ্রমে পৌঁছলাম। ব্রিজটায় প্রচুর ফুটো ফাটা। দেখে শুনে পা ফেলতে হচ্ছে। না হলে নোয়াই খালের জলে স্নান করে বাড়ি ফিরতে হবে।
পৌঁছেই রোগী দেখা শুরু করে দিলাম। মধ্যমগ্রাম “এস বি আই” ব্যাংকের গুরুগম্ভীর ম্যানেজার প্রসূন রোগীদের নাম লিখছে। পার্থ প্রেশার মাপছে। আমি রোগী দেখছি। গৌর ওষুধ দিচ্ছে। MSWS –এর নির্মলদা, দেবদা, পম্পা বৌদি ও অন্যরা আমাদের সাহায্য করছে। সপ্তর্ষি একটু পরেই সাইকেল নিয়ে হাজির হলো ও ছবি তুলতে শুরু করল।
মেডিক্যাল ক্যাম্পের রোগীদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রায় ৯০% রোগীর কোমরে ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, হাঁটুতে ব্যথা থাকে। সবাইকে প্রায় একই ওষুধ দেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই রানী বুঝে গেল কোন ওষুধ দেওয়া হবে। ও রোগী দেখার পর ওষুধ বের করে গৌরকে দিচ্ছে। না মিললে ভারী অসন্তুষ্ট হয়ে আমাকে বলছে, ‘বাবা তুমি ঠিকঠাক দেখছো তো?’ এবং সেটা রোগীদের সামনেই বলছে। তাঁরাও সেটা শুনে কেমন সন্দেহজনক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতি।
আস্তে আস্তে সন্ধ্যের অন্ধকার নেমে আসছে। হলুদ বাল্বগুলো সন্দেহজনক ভাবে টিম টিম করে জ্বলছে। সেই রহস্যময় অন্ধকারে আমি আরো রহস্যময় রোগের ইতিহাস শুনছি। কার ছেলে কেরলে গিয়ে আর ফিরে আসেনি, কার পর পর দুটো মৃত বাচ্চা হয়েছে- যে বাচ্চাদের কান্নার আওয়াজ এখনও সে শুনতে পায়- এরকম অনেক গল্প। যে গল্প গুলো আমার লেখা উচিৎ ছিল, কিন্তু না লেখার জন্য একেবারে হারিয়ে যাবে পৃথিবী থেকে।
সুমনদা একজনকে ধরে বিনামূল্যে সুগার ও হিমোগ্লোবিন মাপার ব্যবস্থা করেছে। আমাদের ভিড় আস্তে আস্তে কমছে আর রক্তের ঘরের সামনে ভিড় বাড়ছে।
একেবারে শেষ রোগী দেখছি। মাঝবয়সী বেশ মোটাসোটা মহিলা। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘সমস্যা কী?’
বললেন, ‘পেটের মধ্যে শুধু লড়েচড়ে ডাক্তারবাবু।’
আমি তখন রোগী শেষ হওয়ার আনন্দে মশগুল। বললাম, ‘যা ভুঁড়ি বানিয়েছেন, নড়বে না তো কী হবে?’
মহিলা অবাক হয়ে বললেন, ‘ভুঁড়ি? ভুঁড়ি কোথায় দেখলেন? আমি তো গর্ভবতী।’
একেবারে ছড়িয়ে ফেলেছি। ডায়াগনোসিস পুরোপুরি ভুল। বেশ লজ্জিত হয়ে বললাম, ‘কত মাস চলছে?’
‘ছয় মাস।’
ব্যাস, বল এবার আমার কোর্টে। বললাম, ‘ছয় মাসে কারো এতো বড়ো পেট হয়? ওটা ভুঁড়ি ছাড়া আর কী?’
মহিলাও ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। বললেন, ‘মোটেও ভুঁড়ি নয়। সবার কী সমান হয়। আমার আগের বাচ্চা নয় মাসে হয়েছিল। তখনই ওজন ছিল তিন কেজি নয়শো। এবার পুরো মাস পোহালে শিওর পাঁচ কেজি হবে। আরো বেশীও হতে পারে। তাহলে আমার নাম গিনেস বুকে উঠে যাবে।’
ক্যাম্পের পর গরম পরোটা আর গরম সয়াবিনের তরকারি আয়েশ করে খেলাম। যিনি রক্ত টানতে এসেছেন, তাঁর সামনে বিশাল লাইন। কখন রক্তটানা শেষ করবেন কে জানে? রাত নামার সাথে সাথে ভালোই ঠাণ্ডা পড়ছে।
ভদ্রলোক সোয়েটার না আনলে খবর আছে।
PrevPreviousকালাচ সাপের কথা
Nextসুশ্রুত সংহিতা এবং “ডিসেকশন” – যেখানে কোন ছুরির ব্যবহার নেইNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

এম পি পরমেশ্বরণ – এক প্রতিবাদী পরিবেশবিদ

August 13, 2026 No Comments

মানুষের সঙ্গে অন্যান্য প্রাণিদের সবথেকে বড়ো ফারাক কী জানেন? প্রাণিজগতে একমাত্র মানুষই প্রশ্ন করতে পারে, নিজের আয়নায় নিজেকে দেখতে পারে, নিজেকে নিরন্তর ব্যস্ত রাখতে পারে

প্রাচীন ও প্রাক-আধুনিক ভারতে হাসপাতালের নানা চেহারা – চরক-সংহিতা ও অন্যান্য

August 13, 2026 No Comments

শুরুর কথা হাসপাতাল মানুষের ইতিহাসের অতি প্রাচীন মানবিক সংগঠনগুলোর একটি। এবং এর ইতিহাসও অতি প্রাচীন। আজ থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগে এলিয়াস অ্যারিস্টিডিস বলছেন –

৯ আগস্ট। অভয়ার স্মরণে, মানুষের পাশে এবং ন্যায়ের দাবিতে।

August 12, 2026 No Comments

আজ ৯ আগস্ট, সকালে আর জি কর হাসপাতাল সংলগ্ন খালপারের বস্তি এলাকায় ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট (WBJDF)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো বিশেষ ‘অভয়া ক্লিনিক’। অভয়ার

ভুলি নাই, অভয়া

August 12, 2026 No Comments

‘একা মোর গানের তরী’

August 12, 2026 No Comments

এই বিশেষ গানটির এই স্তবকের কথাগুলির সঙ্গে যতখানি একাত্মবোধ করি ঠিক তেমনটি আর কোনও গানের কথার সঙ্গে করি না আজকাল। ‘এখানে পিঞ্জর’ প্রথম দেখেছিলাম তরুণী

সাম্প্রতিক পোস্ট

এম পি পরমেশ্বরণ – এক প্রতিবাদী পরিবেশবিদ

Somnath Mukhopadhyay August 13, 2026

প্রাচীন ও প্রাক-আধুনিক ভারতে হাসপাতালের নানা চেহারা – চরক-সংহিতা ও অন্যান্য

Dr. Jayanta Bhattacharya August 13, 2026

৯ আগস্ট। অভয়ার স্মরণে, মানুষের পাশে এবং ন্যায়ের দাবিতে।

West Bengal Junior Doctors Front August 12, 2026

ভুলি নাই, অভয়া

Abhaya Mancha August 12, 2026

‘একা মোর গানের তরী’

Dr. Sukanya Bandopadhyay August 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

661010
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]