Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

চিকিৎসা বীর

IMG_20200215_231203
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • February 16, 2020
  • 9:32 am
  • 15 Comments

সন্ধ্যাবেলায় কাজকর্ম, রোগী দেখা শেষ করে আমার স্ত্রী বাজারে গেছেন তরিতরকারি আর মাছ কিনতে। তিনিও ডাক্তার। শিশু চিকিৎসক। সব্জীর দোকানে সব্জী কিনছেন।

– ম্যাডাম, আপনিও বাজার করেন?!!!

– হ্যাঁ। আমি খাইও, জানেন!

প্রশ্ন কর্ত্রী খুব হতাশ হলেন। তিনি বোধহয় ভেবেছিলেন চিকিৎসকরা শুধুমাত্র রোগীর চিকিৎসা করেন। মাঝেমধ্যে প্রয়োজনে একটু-আধটু পড়াশোনা করতে পারেন। তবে বাকি কোনো শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া তাদের হয় না। তাদের রোগব্যাধি হয় না। খিদে বা ঘুম ও পায় না। এই রকমই মনে করেন অধিকাংশ সাধারণ মানুষ।
– আপনারও জ্বর হয়! তাহলে আমাদের কি হবে, ডাক্তারবাবু !

আর আমরা, চিকিৎসকরা অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে লোকের এই মনোভাবে উস্কানি দিই।
– ডাক্তার বাবু, আপনি ভগবান।
– ভগবানের পরেই আপনি।
– ডাক্তার বাবু, আপনি সবই পারেন।
– হাসপাতাল, নার্সিংহোম আমি জানি না। আমি আপনাকে চিনি।
– ভেলোর-চেন্নাই সব ঘুরে এসেছি। কিছু করতে পারবে না বলে দিয়েছে। এখন আপনি শেষ ভরসা।

ডাক্তাররা, বিশেষতঃ প্র্যাকটিসিং ডাক্তাররা, নিয়মিত এই কথাগুলো শুনে থাকেন। এই কথাগুলো যে সবসময় অভিসন্ধি মূলক তা একেবারেই নয়। বরং এগুলো ডুবন্ত মানুষের খড়কুটো আঁকড়ানোর প্রচেষ্টা।

ভারতবর্ষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চিরকালই অসংগঠিত এবং অবহেলিত। স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানে তো শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থা নয়। স্বাস্থ্যব্যবস্থা বলতে পরিশ্রুত পানীয় জল, সুষম ও রোগজীবাণুমুক্ত খাদ্য, স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশ, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাও বোঝায়। কোটি কোটি মানুষ এই চুড়ান্ত অব্যবস্থায় বসবাস করে। আপদে- বিপদে তাদের পাশে থাকার জন্য না আছে শাসক, না আছে আমলা। তাই সাধারণ মানুষ এমন কাউকে খোঁজে যাকে সে বিপদে-আপদে, অসুখে-শোকে আঁকড়াতে পারে। সেই এমন কেউ হল চিকিৎসক। কারণ সে হল চিকিৎসা ব্যবস্থার মুখ। তার চার দিকে অক্টোপাসের হাজার হাতের মতো পরজীবীর দল যে সমাজের রক্ত চুষে চলেছে সেটা বেশীরভাগ মানুষই উপলব্ধি করে না। আর তাই চিকিৎসা ব্যবস্থার দোষের দায়িত্ব বা গুণের কৃতিত্ব সব ডাক্তারের।

এই গুণের কৃতিত্ব নিতে গিয়ে কিছু কিছু চিকিৎসক নিজেদের ঈশ্বরের সমকক্ষ ভেবে নিজেদের উচ্চ বেদীতে বসিয়ে ফেলেছেন।
– আমার এত বছরের অভিজ্ঞতায় এটা বলছি।
– আমি বলছি, হচ্ছে না? বই বা জার্নালে আর বেশী কি লিখবে!

এক অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান একসময় তাঁর স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস করতে যেতে দিতেন না, পাছে ছাত্রছাত্রীদের কাছে তাঁর নিজের গুরুত্ব কমে যায়! এক বিখ্যাত চিকিৎসক অন্য রাজ্যে সন্মেলনে বক্তৃতা দিতে উঠেছেন। নবীন শ্রোতারদের প্রশ্নের উত্তরে বললেন, ‘ বই তে এমন কি আর লেখা আছে? আমার এত দিনের অভিজ্ঞতা। আমি যা বলছি সেটাই ঠিক।’

‘এভিডেন্স বেসড্ মেডিসিন’ নয়। শুধু আমি, আমি, আমি! প্রত্যন্ত গ্রামে, যেখানে সার্জারির ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই সেখানে ‘তিন কিলো ওজনের টিউমার বাদ দেওয়া’ বা গল-ব্লাডার সার্জারির মত ‘তাৎক্ষণিক জরুরী নয়’ এমন পরিষেবা দিয়ে সফল হয়ে গেলে হাততালি কুড়োনো যায় ও সংবাদ মাধ্যমে প্রচার পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু এতে নিজেকে এবং গোটা ডাক্তার সমাজকে অস্বাভাবিক উচ্চ বেদীতে প্রতিষ্ঠা করা হয়ে যায়। এতে ডাক্তার এক সমাজ বিচ্ছিন্ন, ভগবান সুলভ প্রাণীতে পরিণত হয়। এর অনেক বিপদ। সাধারণ মানুষ সব ডাক্তারের কাছেই সবসময় ওই ধরণের অলৌকিক কাজ ও ফলাফল আশা করে।

স্বাভাবিক ভাবেই সবসময় সেটা পাওয়া যায় না। আর পাওয়া না গেলেই ভুল বোঝাবুঝি, অশান্তি, মারামারি।

ডাক্তাররা চিকিৎসা ব্যবস্থার একটি অংশমাত্র। যে ব্যবস্থাটা প্রায় কখনই তারা নিয়ন্ত্রণ করে না। সরকারের স্বাস্থ্য খাতে মোট বাজেটের মাত্র এক শতাংশ কেন? সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, ওষুধ, যন্ত্রপাতি নেই কেন? কেন বেসরকারি হাসপাতালে এত বেশী খরচ?- তার জবাব তো ডাক্তারের দেওয়ার কথা নয়!

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সব ঘাটতি, খামতি ঢেকে দিয়ে দু-একটা বীরত্বপূর্ণ কাজকর্ম করে প্রচারের আলো নিজের দিকে টেনে নিতে যাওয়া খুব বিপজ্জনক প্রবণতা। সরকার, সিদ্ধান্তগ্রহণকারী রাজনীতিবিদ ও আমলাদের ভুল, দূর্নীতি ও অনৈতিক কাজের ফলে রোগীদের কষ্ট ও ভোগান্তি-র জন্য রোগীর আত্মীয় ও সাধারণ মানুষ প্রশাসন ও চিকিৎসা ব্যবস্থাকে দায়ী না করে চিকিৎসক এবং চিকিৎসা পেশাকে দায়ী করে। এক্ষেত্রে হয়ত আত্ম-প্রচারকারী একজন চিকিৎসকের কাজের জন্য ভুক্তভোগী হয় আরেকজন সৎ, আন্তরিক ও মানবিক চিকিৎসক।

চিকিৎসা পেশায় জড়িত মানুষেরা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে কাজ করে। এদের এক বিরাট অংশ সরাসরি রোগের চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত। সাধারণ মানুষ এদেরই একমাত্র ‘দেখতে’ পায়। এছাড়াও অনেক চিকিৎসক রোগ নির্ণয়, রোগ প্রতিরোধ, রোগের সংখ্যাতত্ব ও রোগ সংক্রান্ত গবেষণার কাজ করে। এদেরকে মানুষ ‘দেখতে’ পায় না। কারণ এদের সঙ্গে মানুষের সরাসরি যোগাযোগ থাকে না অথবা সাধারণতঃ এরা প্রচারেও আসেন না। এদের চটজলদি বীরত্ব প্রকাশ করে কৃতিত্ব নেওয়ার সুযোগ নেই। অথচ বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এরা নীরবে অনেক প্রশংসনীয় কাজ করেন। যেহেতু প্রচার নেই তাই ডেঙ্গু বা এনকেফেলাইটিস এর মহামারী-র জন্য ওই সংক্রান্ত গবেষকদের কেউ মারতেও যায় না।

সাধারণ মানুষ যাদের ‘দেখতে’ পায়, সেই সমস্ত চিকিৎসককে-ই মানুষ বিপদে তলিয়ে যাওয়ার মূহুর্তে খড়কুটো হিসেবে আঁকড়ে ধরতে চেষ্টা করে। সফল হলে তারা চিকিৎসককে বীরের উচ্চ আসনে বসিয়ে পূজো করে। আর সফল না হলেই চায় ডাক্তার কে হত্যা করতে, নয়তো খাদে ঠেলে ফেলে দিতে। আমাদের দেশ ব্যক্তিপুজো, বীরপুজো করা দেশ। সেই সুযোগে সরকার ও প্রশাসন নিজেদের অক্ষমতাকে আড়াল করতে, জনসাধারণের প্রতি নিজেদের দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলতে চিকিৎসা পেশাকে বলির পাঁঠা বানায়। চিকিৎসকরাও বুঝে বা না বুঝে মাথা এগিয়ে দিয়ে বসে থাকে।

PrevPreviousকি দেখে বুঝবেন মনের অসুখ হয়েছে?
NextStories on Rehabilitation: The Choked CuckooNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
15 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Sujoy Maitra
Sujoy Maitra
6 years ago

বাহ বেশ লিখেছিস। সুজয়দা। Dr. Sujoy Maitra

0
Reply
Dr Pinaki De
Dr Pinaki De
6 years ago

Can’t agree more

0
Reply
Sanjay Gupta
Sanjay Gupta
6 years ago

Fatafati

0
Reply
Sraboni Bhattacharyya Das
Sraboni Bhattacharyya Das
6 years ago

Agreed.

0
Reply
Manish Mukul Ghosh
Manish Mukul Ghosh
6 years ago

Excellent

0
Reply
Sumanta Panja
Sumanta Panja
6 years ago

Darun sir..

0
Reply
দীপঙ্কর ঘোষ
দীপঙ্কর ঘোষ
6 years ago

বাস্তব

0
Reply
Sarmishtha Chanda
Sarmishtha Chanda
6 years ago

Khub sotti kotha. Bhalo laglo

0
Reply
ডা অলোক গুহ
ডা অলোক গুহ
6 years ago

নিজের কাজ নীরবে করে অন্য সতীর্থকে প্রাধান্য দেওয়াই বীরত্ব। রোগীরা ভগবান বললেও অহঙ্কার বোধ না জাগাই ভালো।

0
Reply
Arunachal Dutta Choudhury
Arunachal Dutta Choudhury
6 years ago

একদম ঠিক কথা

0
Reply
ঐন্দ্রিল
ঐন্দ্রিল
6 years ago

একদম সত্যি

0
Reply
DR. SOVAN SIKDAR
DR. SOVAN SIKDAR
6 years ago

Darun likhechhen..
Ajker din to botei, sob samay e prasongik!!!

0
Reply
হিমাদ্রি
হিমাদ্রি
6 years ago

সত্যিকথা, আমদের ভাবার সময় এসেছে
।

0
Reply
แผ่นกรองหน้ากากอนามัย
แผ่นกรองหน้ากากอนามัย
5 years ago

These are actually great ideas in concerning blogging.

0
Reply
Soumit Majumdar
Soumit Majumdar
5 years ago

Sotti osadharon akta lekha

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ছাত্র-মৃত্যু: ঘটনার নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক

July 9, 2026 No Comments

নিজের স্কুলের বিষয়ে খারাপ খবর পেলে মন ভারাক্রান্ত হয়, বিশেষত যদি তা হয় এক তরতাজা তরুণ ছাত্রের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুর খবর এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে

অভয়া মঞ্চ বারুইপুরের বিচার চায়

July 9, 2026 No Comments

৮/৭/২০২৬ গতকাল অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা বারুইপুরের সূর্যপূরে যে নাবালিকা, চরম নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হলো, তার পরিবারের সাথে

“সব মরণ নয় সমান”

July 9, 2026 No Comments

এক আর পাঁচে ছয় হাতে রইলো কতো ? মাদক নেশা পাচার চক্র সাথে মরণ শুধু পরে রইলো হাতে!! সব মরণ নয় সমান মৃত্যু আমার আগে

এবার ঘটনাস্থল বারুইপুর

July 8, 2026 No Comments

এবার ঘটনাস্থল বারুইপুর। শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল ১২ বছরের এক কিশোরী। রবিবার সকালে বাড়ির কাছের পুকুর থেকে উদ্ধার হয় তার নিথর দেহ। পরিবারের অভিযোগ,

PMSF In Solidarity with Students Protesters

July 8, 2026 No Comments

06/07/2026 Members of PMSF (Progressive Medicos and Scientists Forum)  today visited the ongoing NEET paperleak protest at Jantar Mantar, interacted with their medical team and

সাম্প্রতিক পোস্ট

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ছাত্র-মৃত্যু: ঘটনার নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক

Dr. Koushik Dutta July 9, 2026

অভয়া মঞ্চ বারুইপুরের বিচার চায়

Abhaya Mancha July 9, 2026

“সব মরণ নয় সমান”

Shila Chakraborty July 9, 2026

এবার ঘটনাস্থল বারুইপুর

West Bengal Junior Doctors Front July 8, 2026

PMSF In Solidarity with Students Protesters

Doctors' Dialogue July 8, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

647858
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]