Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বিসমিল্লা খানের হাসি

IMG-20210930-WA0000
Dr. Swapan Kumar Biswas

Dr. Swapan Kumar Biswas

Paediatrician, pathologist, poet, writer
My Other Posts
  • September 30, 2021
  • 7:13 am
  • One Comment

‘কল করেছেন আজব রকম চন্ডীদাসের খুড়ো’। সেই কবে পড়েছিলাম। এখন সেই উপমাটিই মনে এল। আসলে যখনই যা কিছু পড়ে থাকি, যদি ভাল লেগে যায় আর মনে গেথে যায়, সারা জীবনই তা মনে থাকে । সেই শৈশবের কত কথাই পরিষ্কার মনে আছে, আর ইদানীং একতলা থেকে দোতলায় গিয়ে ভুলে যাই কি নিতে এসেছিলাম।

এই আর এক দোষ হয়েছে ইদানীং, ধান বানতে শিবের গীত গেয়ে ফেলি। এখানেও গাইবো।

যাই হোক, বলছিলাম, আজব কলের কথা। সেই কল এখন মোবাইল। হাতে না নিলে স্বস্তি নেই, শান্তি নেই। এমনকি বড় ঘর, ছোট ঘরে নিয়ে গেলেই যেন ভাল হয়। যাই কর, যেখানেই যাও, ল্যাজে করে বেঁধে নাও, তবে তোমারও শান্তি, লোকেরও শান্তি। তারা যখন খুসি তোমাকে পাবে।

আর এমন একটি পেশা বেছে নিয়েছি, তার জাতাকলে পড়ে পেষাই হয়ে চলেছি জীবনভর। কারো সময় সকালে, কারো দুপুরে, কারো রাত্রিতে। যখনই সে ফোন করবে, ধরতে হবে। না ধরলে পরে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে ঠিক ঠুকে যাবে। ‘আপনাকে না বেশ কয়েকবার ফোন করেছিলাম, আপনার ফোনটা কি খারাপ?’ উলটে ঠুকতে পারি, কিন্তু ওই বলে প্রোফেশনাল হ্যাজার্ড। মেনে নিয়েছি, কিছু বলিনা, শুধু মুচকি মুচকি হাসি। বাইরে গম্ভীর হয়ে বলি ‘ওহ্‌। তাই নাকি? কখন?’

যাক এ সব। বলছিলাম এখন মোবাইলই মানুষের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। যত দিন যাচ্ছে, আস্তে আস্তে যেন সব কিছু, এমনকি দাম্পত্য জীবনের সুধামাখা দিনগুলোরও অনেকটাই কেড়ে নিচ্ছে! কোথায় প্রেয়সী ঘায়েল করা দৃষ্টি নিয়ে তার দিকে তাকাবে বলে বেচারা বসে আছে, আর তিনি নিবিষ্ট মনে তাকিয়ে আছেন কয়েকইঞ্চি পর্দার দিকে। অবশেষে অপেক্ষা-ক্লান্ত তিনিও তাঁর নিজের পর্দায় ফিরে গেলেন। আর সেখানে সব চলন্ত, জীবন্ত পরী থেকে পোকা ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা ইচ্ছে তাই নাও। লেখা, জ্ঞান, চলচ্ছবি, কথা, কবিতা, কি নেই!
গবেষণা বলছে, এখন প্রায় প্রতিটি মানুষ ২৪ ঘন্টার ৩ ঘন্টা ব্যয় করে মোবাইল নিয়ে। আমিও সৌর জগতের বাইরে নই, সুতরাং… আমিও।

সারা দিনের ডিউটি করে, রাত এগারোটায় শেষ ছোঁয়া দেবার জন্যে নিয়ে বসেছি সেই আজব কল। শোবার আগে একবার হাতে না নিলে জীবন কেমন ‘শুনা শুনা লাগে’। হঠাৎ করে ইউটিঊব নামক আর এক মায়াবী একটা ভিডিওর থাম্বনেল, মানে যা সামনে আসে নিয়ে হাজির। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ও বিসমিল্লা খাঁর যুগল বন্দী। না, আমি কোন তাল লয় বুঝিনা, সত্যি কথা বলতে তালের ত ও বুঝিনা। তবে মাঝে মাঝে শুনতে ভাল লাগে। তাই শুনি। ছবিতে সামনে বিসমিল্লা খানের ফোকলা দাঁতের খোঁচা দাড়ির হাসিযুক্ত মুখ। এগার মিনিটের ভিডিও। এখন কোন ভিডিও দেখার আগে দেখে নিই, কত মিনিটের । ধৈর্য এত কমে গেছে, এখন বেশি সময় আর কিছু দেখতে ইচ্ছে হয় না।

এঁরা সব বড় ওস্তাদ জানি। তাঁদের কাছ থেকে রস পেতে গেলে যে যোগ্যতার দরকার হয়, আমার তাও নেই। কিন্তু তবুও ওই ছবিতে আঙুলের ছোঁয়া লেগে গেল। আর যায় কোথায়! নেটের অবস্থা থঠাৎ করে ভাল হয়ে গেছে কিছুক্ষণ। মুহুর্তে চলে এল চলচ্ছবি। ‘মোহে পানঘাট পে নন্দ লাল ছেড় গয়ে রে’। ‘মুঘল-ঈ-আজম’ সিনেমার গান। সাকিল বাদায়ুনীর লেখা আর নওসাদের সুর। আমার গানটি শোনা। আমার অন্যতম প্রিয় গান।

সেই গান নিয়ে দুই ওস্তাদ কি ওস্তাদি করেছেন, দেখার সাধ হল। বন্ধ না করে খুলে রাখলাম, আর দিনের শেষে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে ওস্তাদি দেখতে লাগলাম। কখন যে এগার মিনিট কেটে গেল, বুঝতে পারিনি। অথচ ওস্তাদদের গাওয়া গান নেই, সিনেমার মত মধুবালার নাচ নেই, সিনেমায় যা মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে, তবুও আমি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গেলাম! কিসে? তাদের ওস্তাদিতে? না তাও নয়। আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম বিসমিল্লা খানের হাসিতে!

যারা দেখেছেন, অন্ততঃ যারা বিসমিল্লা খানকে দেখেছেন তার বুড়ো বয়সের ছবিতে, তারা নিশ্চয়ই বলবেন, খান সাহেবের মুখে এমন কি আছে? মুগ্ধ হবার মত? আর মেয়েরা ছেলেদের দেখে মুগ্ধ হতে পারে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে তো তাও খাটে না। তবে? সত্য কথা বলতে কি, আমি বিসমিল্লা খানের বিষয়ে প্রায় কিছুই জানিনা। তার কোনোও বাজনা এখনো পুরোটাও শুনিনি। তবুও আমি এগার মিনিটির ভিডিও দেখে আর এগার মিনিট ভেবে এই লেখা লিখতে বসেছি। কতক্ষণ লাগবে জানিনা।
আছে। বিসমিল্লা খানের মুখে এমন কিছু আছে, এমনকি বিলায়েত খানের মুখেও আছে- কিন্তু বিসমিল্লা খানই আমাকে বেশি নাড়া দিয়েছে। তা হল তাঁর হাসি!

সে কি? ছবি দেখে অনেকেই বলবেন, কি আছে ওই হাসিতে। বয়সের ভারিক্কি গাল, খোঁচা খোঁচা অজত্নে লালিত দাঁড়ি, সম্ভবতঃ পান খাওয়া মুখে সামনের দুটো দাঁত ছাড়া অন্য সব দাঁত গুলো কালো এবং প্রায় দেখাই যায় না। কি আছে ওই মুখের হাসিতে? হ্যাঁ, আছে। তবুও, তবুও তাঁর মুখের ভাব, বিলায়েত খানের সেতার ও আল্লারাখার তবলার সাথে মাথা দোলানো, কখনও কখনও যেন ঝোকের মাথায় কয়েকটি শব্দ গেয়ে ওঠা, বাঁশিতে ফুঁ লাগানো, এবং বয়সের ভারে কুঞ্চিত চামড়ার মুখে সরল শিশুর হাসি।

হ্যাঁ, এই সরল শিশুর হাসিই আমাকে নাড়া দিয়েছে। তাঁকে দেখে মনে হয়েছে, তিনি অন্য কোন জগতের লোক। অন্য কোন গ্রহের বাসিন্দা, যেখানে কোন দুশ্চিন্তা নেই, কোন উদ্বেগ নেই, সসংসারের কোন টানা-পোড়েন নেই। অনাবিল আনন্দে একটি শিশু যেমন তার খেলনা-বাটি নিয়ে খেলে, তেমনই তিনি তাঁর সঙ্গীত জগতে বসে সুরের মুর্ছণায় ভেসে চলেছেন। কোন চিন্তা নেই, কোন ভাবনা নেই, কোন তাড়া নেই। সময় এখানে এসে থেমে গেছে।

এই যে সরল শিশুর হাসি, কোথা থেকে আসে? কি ভাবে আসে? কে আনে? কিংবা কি ভাবে আনা যায়! আয়না নিয়ে নিজের সামনে বসি। আমার চামড়া কুঁচকে যায়নি, আমার দাঁড়ি পরিষ্কার করে কামানো, মাথায় এখনো টাক পড়েনি। কিন্তু হাসি? আমার হাসি কোথায়? আমি তো হাসি না। এমনকি এই টানা সাত ঘন্টা ইমারজেন্সি ডিউটিতে বসে এক বারও কি হেসেছি? যদিও বা কখনও কখনও হাসি বের হয়, সেখানে সরলতা কোথায়? সে সব তো নিয়ম রক্ষার হাসি, দেঁতো হাসি, মুচকি হাসি, শয়তানী হাসি অথবা অট্টহাসি। কিন্তু বিসমিল্লা খানের সরল নিস্পাপ শিশুর হাসি?? না! আমার হাসি তার ধারে কাছে যায় না। কোথায় এই হাসি পাওয়া যায়? এই হাসি হাসতে গেলে যে সরলতা লাগে, যে পবিত্রতা লাগে, যে মনের আনন্দ লাগে, তা অর্জন করতে আমাকে আরও কয়েক জন্ম পার করতে হবে!

শিখছি। প্রতিদিনই অনেক কিছু শিখছি। কখনও ফুটপাতের দোকানদারের কাছ থেকে, কখনও আমার হাসপাতালের ঝাড়ুদারের কাছ থেকে, কখনও বাজারের শব্জিওয়ালার কাছ থেকে, সহকর্মীর কাছ থেকে, আবার কখনও আমার ছোট্ট মেয়েদের কাছ থেকে। আর নিজেকে শিক্ষিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। জীবনের প্রথম তিরিশ বছরের বেশি শুধু পুঁথিগত বিদ্যা অর্জন করে গেছি। পাশ করার জন্যে নিজেকে শিক্ষিত করে গেছি। কিন্তু সরলতা শিখিনি, নিস্পাপ হাসি হাসতে শিখিনি। জীবনে আনন্দ পেতে শিখিনি।

হঠাৎ করে এক রাত্রিতে এসে পক্ককেশ, কুঞ্চিত মুখের খোঁচা দাঁড়ির বিসমিল্লা খান যেন আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন, তুমি যতই যা কিছু কর, এই হাসি একবার হাসো- তোমার আর কিছুর দরকার হবে না। এটাই জীবনের লক্ষ্য ও মোক্ষ হওয়া উচিত। আর এই হাসি তখনই হাসতে পারবে, যখন তুমি ছোট খাট সুখ-দুঃখ ব্যথা-বেদনা রাগ-অনুরাগ মান অভিমানের অনেক উর্ধে উঠে সব কিছুকেই শিশুর মত সুন্দর দেখতে পারবে।
—০—
২৮/৯/২১

PrevPreviousইতিহাসের অন্দরমহলে (১৮২২-১৮৬০)ঃ এশিয়ার প্রথম মেডিক্যাল কলেজ এবং আধুনিক মেডিসিন শিক্ষার ইতিবৃত্ত (ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজের (CMC) ক্লাস শুরু এবং প্রথম ডিসেকশন – ১৮৩৫-১৮৩৬)
Nextজ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Dipankar Ghosh
Dipankar Ghosh
5 years ago

ভালো লাগলো।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

কাঁদো, বাংলা কাঁদো

October 25, 2026 No Comments

★ “শারদীয়” নাকি “দুর্গোৎসব” বেছে, কীসে যে মরল, তারা কি শেষে জেনেছে? পাতে ভাত নেই। প্যান্ডেলে আছে ঠাকুর। দেখো প্রাণ ভরে। বুকস্টল ভাঙো “মাকু”র। হাঁটুর

লাল বেনারসী আর কৃষ্ণগহ্বরের গল্প

October 25, 2026 No Comments

উপর্যুপরি কিছু ঘটনার অভিঘাতে আমার স্বভাবতই বিষণ্ণ পুজো আরও ম্লান, আরও দিশেহারা আজ। ভীঈঈঈষণ লম্বা একটা লেখা দিলাম তাই। এমনিতেই বাজে লেখা। একজনও না পড়লে

Another India, Cast Out of Time and Place: Why India’s Youth Movements Stop at the Rural Edge

October 25, 2026 No Comments

“No two fermions can occupy the identical quantum state .” This is the principle articulated by the Austrian physicist Wolfgang Pauli when he introduced his

যাদবপুরের ব্যারিকেড 

October 24, 2026 No Comments

“ভালস্ট্রাসের ব্যারিকেডে আজ পর্যন্ত একুশটি, মানে একবিংশতি আক্রমণ চূর্ণ হইয়াছে।  এবার বোধ হয় ট্যাংক আসিবে।” সপ্তমীর গভীর রাতে মোবাইলের পর্দায় যাদবপুরের বামপন্থী বই এর স্টলে

স্যার

October 24, 2026 No Comments

আমার সুখী সুখী জীবন। মাস গেলে ভালোই মাইনে, কাজকর্ম নিয়ে তেমন কোন টেনশন নেই। কর্তার ইচ্ছায় কর্ম করি। সরকার যা বলে সেটা পড়িয়ে দিনের শেষে

সাম্প্রতিক পোস্ট

কাঁদো, বাংলা কাঁদো

Dr. Arunachal Datta Choudhury October 25, 2026

লাল বেনারসী আর কৃষ্ণগহ্বরের গল্প

Dr. Sukanya Bandopadhyay October 25, 2026

Another India, Cast Out of Time and Place: Why India’s Youth Movements Stop at the Rural Edge

K. Sahadevan October 25, 2026

যাদবপুরের ব্যারিকেড 

Debashish Goswami October 24, 2026

স্যার

Sanjoy Mukherjee October 24, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

694910
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]