Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নয়ডার টুইন টাওয়ার…

IMG_20220831_082155
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • August 31, 2022
  • 8:25 am
  • No Comments
নয়ডা-র ‘টুইন টাওয়ার’ ভেঙে দেওয়া হলো। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে। অনেকেই দেখলেন নিশ্চিত।
মস্ত বিল্ডিং এমন করে ভেঙে ফেলা, অনেকের অনেক পরিশ্রমে গড়ে তোলা অট্টালিকা ভেঙে ফেলা – অপচয় – দেখে হয়ত খারাপ লেগেছে অনেকের। নির্মাতার ক্ষতির পরিমাণ আন্দাজ করেও কেউ কেউ হয়তো বিষণ্ণ।
কিন্তু নিয়ম-কানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ‘যোগাযোগ’ রেখে, তৈরি হয়েছিল এই ‘অবৈধ নির্মাণ’। ভেঙে দেওয়াই উচিত, অন্তত দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ হিসেবে।
অবশ্য এদেশে এমন সুউচ্চ বিল্ডিং ভেঙে ফেলাটা ব্যতিক্রমী ঘটনা হলেও প্রশাসনের ‘সহযোগিতা’-য় এমন নির্মাণ কোনও ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়।
ধরুন, খাস কলকাতারই একটি প্রজেক্ট। কাগজের পাতাজোড়া বিজ্ঞাপন মাঝেমধ্যেই দেখে থাকবেন হয়ত। এখনও। অভিদীপ্তা। বাইপাস মুকুন্দপুর মোড়ে।
একসময় অভিদীপ্তা নামে একটি হাউজিং তৈরির বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। ২০১৩-২০১৪ সাল নাগাদ। গোটাদশেক টাওয়ার। ষোল কি সতের তলা। বিভিন্ন মাপের ফ্ল্যাট থাকবে তাতে। পিয়ারলেস ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগ। ফ্ল্যাট তো থাকবেই, সঙ্গে থাকবে শপিং মল ইত্যাদি প্রভৃতি। হাউজিং-এর জন্য নির্দিষ্ট জমির লাগোয়া আরেকখানা জমি দেখানো রয়েছে – ভবিষ্যত উন্নয়নের জন্য রক্ষিত। অনুমান করা যায়, লাগোয়া জমিটিতেই গড়ে উঠবে সেই শপিং মল। পাশে খানিকটা জলা জমি।
ফ্ল্যাট হাতে পাওয়ার কিছু আগেই আবিষ্কৃত হয়, হাউজিং-এর নাম বদলে অভিদীপ্তা-১ হয়ে গিয়েছে। লাগোয়া জমিটির সংলগ্ন জলা জমি ততদিনে স্মৃতি। শোনা গেল, সেখানে গড়ে উঠবে মস্ত ইমারত, অভিদীপ্তা-২ – যার বিজ্ঞাপন আপনারা হয়ত কাগজে দেখে থাকবেন। তাহলে শপিং মল ইত্যাদি? নাহ্, নির্মাতা নিরুত্তর। এমনকি রাজ্য সরকারি হাউজিং বোর্ডও স্পষ্ট উত্তর দেন না।
কিছু ফ্ল্যাট-মালিক আদালতে যান। সুরাহা অবশ্য মেলে না। নির্মাতার পক্ষে হাজির হন কলকাতা হাইকোর্টের সবচাইতে খ্যাতিমান কয়েকজন আইনজীবী, সবচাইতে মহার্ঘ্যও বটেন। আদালত পাঠায় পুরসভায়। পুরসভায়ও সুরাহার সম্ভাবনা নেই। কেননা, পুরসভার মেয়র, রাজ্যের আবাসন মন্ত্রী, হাউজিং বোর্ডের চেয়ারম্যান, রাজ্যের পরিবেশ মন্ত্রী (যাঁর কিনা জলা-বোজানোর অভিযোগটি খতিয়ে দেখার কথা) – সবই সেই মুহূর্তে একজন – শোভন চট্টোপাধ্যায়। হ্যাঁ, বৈশাখী-খ্যাত শোভনই। তারপরও কিছুদিন মামলা এগোয়। আইন, সাধারণত, আইনের পথেই চলে – কিন্তু অভিযোগকারীর যোগাযোগ বা অর্থবল না থাকলে, সে পথ মূলত গরুর গাড়ির। অতএব, আস্তে আস্তে টাকায় টান পড়ে, হাল ছেড়ে দেওয়ার মানসিকতাও মাথা চাড়া দেয়।
তীরবেগে মাথা তুলতে থাকে অভিদীপ্তা-২ – রীতিমতো দলিল-দস্তাবেজ করে হ্যান্ড-ওভার করে দেওয়া অভিদীপ্তা-১-এর জমিটিকেই দ্বিতীয়বার ফাঁকা জমি হিসেবে দেখিয়ে প্রাপ্ত অনুমতির ভিত্তিতে। তা হোক, বড় বড় কাজের ক্ষেত্রে এসব ছোটখাটো ভুল, আমাদের রাজ্যে, আদালতও দেখেন না। তদুপরি প্রজেক্টের ব্র‍্যান্ড অ্যাম্বাসেডর স্বয়ং সৌরভ গাঙ্গুলি!! এরই মধ্যে নির্মাতার তরফে নিত্যনতুন উদ্যোগ জারি থাকে। ফ্ল্যাট-মালিকদের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতি, কিছু বাসিন্দার নামে ফৌজদারি মামলা করে ভয় দেখানো ইত্যাদি প্রভৃতি। সেসবে অল্পবিস্তর সাফল্যও মেলে।
সব ভয়ভীতি-হতাশা-বিরক্তি-ক্লান্তি অগ্রাহ্য করে নাছোড় কিছু ফ্ল্যাট-মালিক শেষমেশ কেন্দ্রীয় ক্রেতা-আদালতেও যান। শোনা যায়, সেখানে নাকি মামলার তাড়াতাড়ি নিষ্পত্তি করার নিয়ম। কিন্তু, ওই, অর্থবল। বিপরীতে যখন কপিল সিব্বলের পুত্র, তখন এদিকে আনকোড়া উকিল, যে কিনা উল্টোদিকের আইনজীবীকে দেখে মন্ত্রমুগ্ধ প্রায়। তবু মামলা এগোয়। ফ্ল্যাট-মালিকদের মনে আশা জাগে। আর তখনই নির্মাতা মোক্ষম খেলা খেলতে থাকে। পাঁচ-ছয়মাস পরে পাওয়া তারিখে হাজির হয়ে কখনও আইনজীবী আগের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য পরে তারিখ চান, কখনও বা অসুস্থতার যুক্তিতে গরহাজির থাকেন।
এদিকে, এমনকি গভীর রাত্তিরেও সশব্দ কাজ চালু রেখে, অত্যন্ত দ্রুত গড়ে উঠতে থাকে বিয়াল্লিশ তলা ফ্ল্যাটবাড়ি।
তো এরকমই হয়। আইন আইনের পথেই চলে।
ও হ্যাঁ, কিছু ফ্ল্যাট-মালিক গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের দ্বারস্থও হয়েছিলেন বইকি। কেউই গুরুত্ব দেননি, কিন্তু অন্তত একটি সংবাদপত্র ছিল সৎ। সাংবাদিক স্পষ্ট বলেছিলেন, দেখুন, ফ্ল্যাটের সংখ্যা সাড়ে পাঁচশ, ক্ষুব্ধের সংখ্যা ম্যাক্সিমাম দুশো-আড়াইশো। মূলত উচ্চ-মধ্যবিত্ত। প্রোমোটর পয়সা নিয়ে ফ্ল্যাট দেয়নি, এমনও নয়। ইস্যুটা জটিল। ক’জন এটা পড়তে আগ্রহী হবে! উল্টোদিকে, বেঙ্গল পিয়ারলেস আমাদের বড় বিজ্ঞাপনদাতাদের অন্যতম। এই খবর করলে সেটা পাকাপাকি বন্ধ হয়ে যাবে। সুতরাং, ট্রেড-অফ হিসেবে করলে….
সুতরাং…
যে কথা বলছিলাম, আইন আইনের পথে চলে। চলতে থাকে। পথের দুপাশে কান পাতলে বিচারকরা অনেক দীর্ঘশ্বাস – এমন অনেক অবৈধ নির্মাণের কাহিনি – শুনতে পেতে পারতেন। কিন্তু তাঁদের চলাফেরা হুটার-লাগানো এসি গাড়িতে। অতএব, বুক চাপড়ে উচ্চৈস্বরে রোদন কানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা থাকলেও সম্মিলিত দীর্ঘশ্বাস গাড়ির কাচ পার হতে পারে না।
আর এ রাজ্যে তো…
অতএব, এক-দুখানা ‘টুইন টাওয়ার’ ভাঙার দৃশ্য দেখার পেছনে লুকিয়ে থাকে এমন আরও কয়েকশো কাহিনি – যা কেউ দেখে না, দেখতে চায় না – এমনকি চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেও কেউ দেখতে পায় না।
PrevPrevious1xbet É Confiavel: Melhores Mercados Para Suas Aposta
Nextনগরের কথাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নিয়তি

May 7, 2026 No Comments

জিতলে যে ছেলেটাকে মারবে বলে তাক করে রেখেছিলে, জেতার পরে তাকে তুমি ছুঁতেও পারলে না। কারণ চোখের পলক ফেলার আগেই সে তোমার পতাকা তোমার আবির

অভয়ার বিচার কেবল শাসক বদলের ওপর নির্ভর করে না।

May 7, 2026 No Comments

“রাজছত্র ভেঙে পড়ে; রণডঙ্কা শব্দ নাহি তোলে; জয়স্তম্ভ মূঢ়সম অর্থ তার ভোলে; রক্তমাখা অস্ত্র হাতে যত রক্ত-আঁখি শিশুপাঠ্য কাহিনীতে থাকে মুখ ঢাকি” নিজেকে অপরাজেয় মনে

বিচার চাই

May 7, 2026 No Comments

৫ মে, ২০২৬ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। জনগণ সরকার বদলের রায় দিয়েছে। আমরা মনে করি, অভয়া আন্দোলন সাহস জুগিয়েছে মানুষের মনে শাসকের চোখে চোখ

ব‍্যাস, এটুকুই

May 6, 2026 No Comments

বদলাতে চেয়েছে সকলে, তাই আজ রাজার পতন মসনদ যাদের দখলে, বুঝে নিন কী কী প্রয়োজন, বুঝে নিন মানুষ কী চায়, কোন দোষে গেলো প্রাক্তন, বদলিয়ে

আজকের দিনটা তো অন্ততঃ উদযাপন করা যাক

May 6, 2026 No Comments

একটা জিনিস পরিষ্কার, মানুষ আর যাইহোক দিনের পর দিন ঔদ্ধত্য সহ্য করে না। লাগাতার চুরি, দুর্নীতি,যা ইচ্ছে তাই করে যাওয়া, বস্তুতঃ মমতা সরকারের expiry date

সাম্প্রতিক পোস্ট

নিয়তি

Arya Tirtha May 7, 2026

অভয়ার বিচার কেবল শাসক বদলের ওপর নির্ভর করে না।

West Bengal Junior Doctors Front May 7, 2026

বিচার চাই

Abhaya Mancha May 7, 2026

ব‍্যাস, এটুকুই

Arya Tirtha May 6, 2026

আজকের দিনটা তো অন্ততঃ উদযাপন করা যাক

Dr. Amit Pan May 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

621101
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]