Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কোটিপতি ক্যুইজের আসর, ঈশিত এবং ছয় পকেটের প্যান্টালুন

WhatsApp Image 2025-10-17 at 1.15.43 PM (1)
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • October 19, 2025
  • 8:17 am
  • 12 Comments

টেলিভিশনে কোটিপতি বানানোর প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে। উপস্থিত প্রতিযোগীদের মধ্যে যে সবথেকে দ্রুত আঙ্গুল চালিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে, সেই সেদিনের জন্য হট্ সিটে বসে প্রশ্নকর্তার চোখা চোখা প্রশ্নের উত্তর দেবে অনুষ্ঠানের বাকি সময়ে এবং সেই অনুযায়ী বাড়তে থাকবে পুরস্কারের অর্থমূল্য। আমাদের মনের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা ক্রড়োর পতি হবার বাসনা এভাবেই চেগে ওঠে টেলিভিশন শো এর কল্যাণে। এই অবধি সব ঠিকঠাকই ছিল। গোল বাঁধলো মাত্র সেদিন। আর এই গোল বাঁধার কারণেই জানা গেল এক আশ্চর্য মানসিক রোগ লক্ষণের কথা – সিক্স পকেট সিনড্রোম – ষষ্ঠ পকেটের সমস্যা। এই মুহূর্তে সমাজ মাধ্যমের রথী,মহারথীরা তূনীর থেকে চোখা চোখা বাক্যবাণ বেছে নিয়ে নিক্ষেপ করে চলেছেন এক একরত্তি ( ! ) ছেলের উদ্দেশ্যে। কেউ কেউ অবশ্য রুখেও দাঁড়িয়েছেন ওই ছয় ছোট্ট অভিমন্যুর হয়ে। তবে তাঁদের পালে হাওয়া অনেক অনেক কম।

ব্যাপারটা একটু খোলাসা করেই বলি। কৌন বনেগা ক্রড়োরপতির সান্ধ্য আসরে সেদিন হট সিটে এসে বসেছে দশ বছরের ঈশিত ভাট। বেশ সপ্রভিত,চালাক চতুর চেহারা। চোখে কালো মোটা ফ্রেমের চশমা চেহারায় একটা অন্য মাত্রা যোগ করেছে। উল্টোদিকে প্রশ্নের পসরা নিয়ে যথারীতি হাজির বিগ্ বি – অমিতাভ বচ্চন জী। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব । প্রথম প্রশ্ন থেকেই ঈশিতকে বেশ চৌকস বলে মনে হচ্ছিল দর্শকদের, একটু বেশি কথা বলছে বটে তবে তা শিশুসুলভ নিষ্পাপ চপলতা বলেই মনে করছিল দর্শকরা। অমিতাভ জীর মতো প্রবল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ক্যুইজ মাস্টারের সামনে বসে ঈশিতের ভয় বা অস্বস্তিতো হচ্ছিলোই না , উল্টে তার উত্তর দেবার ভঙ্গিতে বচ্চন সাহেবকেই‌ একসময় বেশ অসহায় লাগছিলো দর্শকদের। যত সময় এগোচ্ছিল তত‌ই যেন বেড়ে যাচ্ছিল ঈশিতের অপ্রগলভতা – কথা বলার ভঙ্গি, চোখের চাহনি,হাবভাব,দেহ ভঙ্গিমায় ফুটে উঠছিল এক অমার্জিত, অর্বাচীন মানবকের অসহিষ্ণুতা। এমন শিশু আমাদের পরিবারের চেনা শিশুদের থেকে যেন অনেকটাই আলাদা। ফলত ঈশিতের এমন আচরণ নেট দুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় তোলে। সকলেই উচ্চকন্ঠে ছি ছি করা শুরু করে। শুধু ঈশিত নয়, নেটিজেনরা তার অভিভাবকদেরও রেয়াৎ করে নি। ছেলের কাণ্ডকারখানার জন্য সমস্ত রকমের সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। শিশু মনরোগ বিশেষজ্ঞরা বাধ্য হয়ে আসরে নামেন। তাঁরা জানান যে ঈশিত এক মনোরোগে আক্রান্ত যা মনস্তত্ত্বের সংজ্ঞা অনুযায়ী সিক্স পকেট সিনড্রোম নামে পরিচিত।

কি! অবাক হচ্ছেন তো? আরে, অবাক হবার কিছু নেই। ঈশিত একটি মনো- আচরণগত সমস্যার শিকার। মনোবিজ্ঞানের পরিভাষায় যা হলো ছয় পকেটের সমস্যা। মনোচিকিৎসকদের মতে সিক্স পকেট সিনড্রোম হলো শিশুদের একটি আচরণগত সমস্যা।চিন দেশের শিশুদের মধ্যে প্রথম এই রোগের প্রকোপ লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এখন তা ধীরে ধীরে আমাদের দেশেও প্রসার লাভ করছে। এর ফলেই মাত্র দশ বছর বয়সি গুজরাটের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ঈশিত ভাটকে আমরা একদম অপরিচিত চেহারায় দেখলাম সেদিন। ঈশিতের কাণ্ডে যুগপৎ ক্রুদ্ধ ও হতবাক নেটিজেনরা তাকে বখা ছেলে, নষ্ট ছেলে, সংস্কার হীন বেয়াদব ছেলে বলে গাল দিলেও, মনোবিদরা তার ওপর যথেষ্ট সহানুভূতিশীল। প্রশ্ন হলো কেন ঈশিতের অ- শিশুসুলভ? বাচনভঙ্গি ও আচরণের এমন অভূতপূর্ব বিস্ফোরণ? কে বা কারা এর জন্য দায়ী? আসুন আমরা আর একটু গভীরে যাই।একথা মানতেই হবে যে বিগত দুই বা আড়াই দশকে ভারতীয় সমাজের সাংগঠনিক কাঠামোতে বিপুল পরিবর্তন এসেছে। শহুরে যৌথ পরিবারগুলো অনেক আগেই টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিল। বৃহত্তর গ্রাম সমাজে পরিবারের যৌথ কাঠামোর কঙ্কালটা টিকে থাকলেও, তার বাঁধন ক্রমশই আলগা হয়ে গিয়েছে। শহরের পরিবারগুলো এখন এমন পরিবর্তনের ফলে আড়াই জনের সংসারে পরিণত হয়েছে – স্বামী, স্ত্রী আর একটি সন্তান। এক সন্তানের পরিবারের ছেলে বা মেয়েরা হলো একালের প্রিন্স বা প্রিন্সেস।  ফলে আদরে, আদরে তারা এই বয়সেই যথেষ্ট পায়াভারি। পরিবারে অন্য কোনো সমবয়সি ভাগিদার না থাকায় এই সমস্ত শিশুদের অনেকের মধ্যেই বাসা বেঁধেছে স্বার্থপরতা। ইংলন্ডের আবহাওয়ার মতো ক্ষণে ক্ষণে ক্ষণেই বদলে যায় তাদের মর্জি, চাওয়া পাওয়ার হিসেব নিকেষ। সন্তানের মধ্যে বিকাশমান স্বভাবগত অসঙ্গতিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে না এনে,মা বাবা তাদের আর‌ও আদর, আস্কারা দিয়ে যান। ঈশিত এমন‌ই এক পারিবারিক বাতাবরণের কুফল। ঈশিত টেলিভিশনের পর্দায় যা যা করেছে তা খুব সচেতনভাবেই করেছে। এমন আচরণে অনেকদিন ধরেই সে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সকলের প্রশ্রয়ে একটু একটু করে। ঘরের আচরণ আর বাইরের আচরণের ভঙ্গিমায় ফারাক করতে শেখেনি সে, তাকে শেখানো হয়নি।মনোবিজ্ঞানীদের মতে এইটি একান্তই একটি আচরণগত সমস্যা এবং বলতে দ্বিধা নেই যে, বড়োরাই এজন্য দায়ী। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে চিন দেশ – এক পরিবার, এক সন্তান নীতির প্রচলন করে। সিক্স পকেট সিনড্রোমের উৎপত্তি এখান থেকেই। এই একটি মাত্র সন্তান আধুনিক পরিবারগুলোর চোখের মণি, তাকে ঘিরেই আবর্তিত হতে থাকে ছয় ছয়টি মানুষের আশা- আকাঙ্খা- স্বপ্ন- ভালোবাসা – আদর -তোয়াজ সব কিছু। বাবা মা তো আছেনই, তার সঙ্গে যুক্ত হন ঠাকুরদা – ঠাকুমা,দাদু এবং দিদিমা। এই ছয়জনের অফুরন্ত নজরদারি আর আদিখ্যেতায় ছোট্ট প্রিন্স বা প্রিন্সেসরা অচিরেই সম্রাট অথবা সম্রাজ্ঞী হয়ে ওঠেন। আর এখান থেকেই উৎপত্তি ছয় পকেট সিনড্রোম কথাটার। পাশাপাশি অভিভাবকত্বের আরও একটি বিশেষ ধারার সৃষ্টি হয় এই সূত্র ধরে, যাকে বলে হেলিকপ্টার পেরেন্টিং।

আসলে এই হেলিকপ্টার পেরেন্টিং হলো মূল কারণ, আর সিক্স পকেট সিনড্রোম হলো তার অনিবার্য ফল। ১৯৬৯ সালে ডঃ হেইম গিনোট ( Haim Ginott ) তাঁর বেস্ট সেলার ব‌ই Between Parent and Teenagers এ প্রথম এই শব্দবন্ধের প্রয়োগ করেন সবেধন নীলমণি সন্তানের ওপর অভিভাবকদের অতি নজরদারির বিশেষ প্রবণতাকে বোঝাতে। সেখানেই এক টিনের (teen) মুখে শোনা গেল –  Mother hovers over me like a helicopter. ব্যস্ ! সমাজবিজ্ঞানী আর মনোবিদরা লুফে নিলেন অভিভবকতার এই চলতি সংজ্ঞাটিকে।সন্তানেরা অবশ্যই তাদের বাবা মায়ের ওপর নির্ভর করবে কিন্তু অভিভাবকরা যদি সবক্ষেত্রেই তার ওপর নজরদারি আর খবরদারি করতে শুরু করেন তাহলে সেই শিশুটির নিজস্বতা গড়ে উঠবে কীভাবে? সে সব কাজেই বাবা মায়ের ওপর নির্ভর করে থাকবে।আর বাবা মা এটিকে চরম বাধ্যতা আর আনুগত্যের নিদর্শন হিসেবে ধরে নিয়ে কল্পতরু হয়ে সন্তানের সমস্ত চাহিদা পূরণ করে চলবেন। মনোবিদদের মতে অভিভাবকত্বের এমন রীতি পদ্ধতি শিশুটিকে ক্রমশই একরোখা, জেদী, গোয়ার করে তোলে । সবকিছুতেই শিশুটির ইচ্ছে বা চাওয়া পাওয়া প্রাধান্য পায় বলে তার মধ্যে এক স্বেচ্ছাচার বাসা বাঁধে। সবক্ষেত্রেই শিশুটিকে আগলে রাখতে রাখতে বড়োরা অভিভাবকত্বের সীমারেখা অতিক্রম করে আর‌ও এগিয়ে যেতে থাকেন। আর হয়তো এই কারণেই ঘরে ঘরে এমন ঈশিতরা বেড়ে ওঠে।প্রশ্ন হলো – সমস্ত একল সন্তানেরাই কি এমন অসঙ্গতি নিয়ে বড়ো হচ্ছে? এর উত্তর অবশ্যই – না। যেসব অভিভাবক বুঝতে পারেন সন্তানের ভালো মন্দ কিসে? তাঁরা অনেকেই এই সীমারেখা অতিক্রম করতে চাননা। ফলে সব একক সন্তান জেদী একগুঁয়ে হয়না। সন্তানেরা অবশ্যই অভিভাবকদের কাছে আবদার, বায়না করবে। তবে কোনটা পূরণ করতে হবে আর কোনটা নয় তা ঠিক করতে হবে অভিভাবকদের‌ই ।

ঈশিতের কথা পড়ে অভিভাবকরা যদি মাথায় হাত দিয়ে ভাবতে বসেন তাহলে কিন্তু মুশকিল। মনে রাখবেন একটি শিশু হলো একটি চারাগাছ। যতদিন সেই চারাগাছটি মাথা উঁচিয়ে বাইরের সাথে নিজের অস্তিত্বের সম্পর্ক তৈরি না করছে ততদিন তাকে সামলে রাখতে হয়, যাতে কেউ তাকে নষ্ট না করে। একসময় গাছের চারপাশের বেড়াটাকে সরিয়ে নিতে হয় । গাছ তখন নিজের মতোই বেড়ে উঠতে পারে প্রয়োজনমতো ডালপালা মেলে ধরে। আপনার শিশুর ওপর অহেতুক খবরদারি না করে তাকে তার মতোই থাকতে দিন। এতেই কিন্তু মঙ্গল। সকলের সাথে মিলে মিশে বড়ো হয়ে উঠুক আপনাদের একল সন্তানটি। খালি লক্ষ রাখুন ওর মতো করেই,  ও বেড়ে উঠছে কিনা!

১৭ অক্টোবর,২০২৫

PrevPreviousনিরাপদ থাকার সহজ উপায়
Nextফিরে দেখা: জলপাইগুড়ি অভয়া মঞ্চের কর্মসূচিNext
5 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
12 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Gopa Mukherjee
Gopa Mukherjee
2 months ago

ভাল লাগল

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Gopa Mukherjee
2 months ago

ধন্যবাদ জানাই। কেন ভালো লাগলো? আমি তো সমস্যার কথা বলেছি !

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
2 months ago

হেলিকপ্টার পেরেন্টিং টার্মটি ভালো লেগেছে।
তবে রিয়েলিটি শোয়ের পুরোটাই স্ক্রিপটেড। ও নিয়ে মাথা ঘামানো অনর্থক। আচরণগত পরিবর্তন ঘটছে এটা ঠিক।তার প্রধান কারণ বাবা , মা। অভিভাবকের মনটি সংবেদনশীল হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
2 months ago

এসব টার্ম আমার দেওয়া নয়। চিন দেশের সমস্যা,গিনোট সাহেব তাকেই ছড়িয়ে দিলেন, জনপ্রিয়তা দিলেন। রিয়ালিটি শো এর অনেক কিছুই তৈরি করা ঠিক কথা। তবে ঈশিতের মতো একটি দশ বছরের ছোট বাচ্চাকে এভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার কারণ কী ? এমন সমস্যায় আক্রান্ত দুনিয়ার বহু পরিবার। সুতরাং……।

0
Reply
Avik Paul
Avik Paul
2 months ago

খুব সুন্দর।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Avik Paul
2 months ago

মতামত জানানোর জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

0
Reply
Sugata Bhattacharjee
Sugata Bhattacharjee
2 months ago

দুটো নতুন কথা শিখলাম।।। যদিও আমার মনে হয়েছিল পুরো ঘটনাটা পূর্বপরিকল্পিত, তাও আজকালকার ছোটদের অনেকেই শালীনতা, ব্যবহার জানেনা। আর তার জন্যে মা বাবাই দায়ী।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Sugata Bhattacharjee
2 months ago

কাউকে দোষারোপের জন্য লেখা নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক সমস্যার চরিত্র বদলে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে । সেই পরিবর্তনের আঁচ পেতেই নিবন্ধটি লেখা হয়েছে। নতুন নতুন বিষয় নিয়ে লিখতে গিয়ে আমারও অনেক কিছু জানা হয়। ধন্যবাদ মতামত জানানোর জন্য।

0
Reply
Avijit Chakraborty
Avijit Chakraborty
2 months ago

অজানাকে জানলাম। এমনও যে কোনও syndrom আছে সেটাই জানা ছিলো না। লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভ দীপাবলির অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Avijit Chakraborty
2 months ago

ধন্যবাদ জানাই অভিজিৎ চক্রবর্তী বাবুকে। এও এক ঘাতক রোগের মতো শাখাপ্রশাখা বিস্তার করছে ধীরে ধীরে। এযুগে চেনা একে সাফল্য অর্জন করার জন্য সবাই উন্মুখ। ফলে প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছেন অভিভাবকরা । এগুলো অর্জিত সমস্যা। কাটিয়ে উঠতে হবে আমাদের‌ই।

0
Reply
DrSouravM
DrSouravM
2 months ago

Many problems of today’s society are attributed to the increasing number of nuclear families. Definition of family is changed in this era.

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  DrSouravM
2 months ago

Thanks for your comments. The incident of lshit should not be treated separately. We must remember that he is just an innocent product of our experimental nuclear workshops ironically called a family. It’s just the tip of the iceberg.

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

২০২৫ কেমন গেলো?

January 2, 2026 No Comments

Knowledge ( Information) is Power বিদায় ২০২৫। ৩৬৫ দিনে পৃথিবীতো চক্রাকারে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে ফেলল । পৃথিবীর আরোহী হয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে আমারাও বিনে পয়সাতে সূর্যকে

রামচন্দ্র, রামমন্দির এবং আমাদের বর্তমান ভারতবর্ষ

January 2, 2026 3 Comments

বুদ্ধদেব বসু প্রসঙ্গটি এভাবে উত্থাপন করেছিলেন – “ধর্ম নিয়ে বাদানুবাদ যেমন মহাভারতে একটি নিত্যকর্ম, রামায়ণে সে-রকম নয়। কেননা রামই সেখানে সর্বাধিপতি ও সর্বতোভাবে প্রতিদ্বন্দীহীন …

আমি পটল চোরের ছেলে

January 2, 2026 No Comments

আজ থেকে আটত্রিশ বছর আগে আমার মা যেদিন পটল চুরি করে আনল কোচড়ে গুঁজে দু চারটা, সেদিন আমি জেদ করেছিলাম পটল ভাজা খাবার। এমন নয়

ডক্টরস ডায়ালগের ছয় বছর

January 1, 2026 No Comments

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০০৫ থেকে ২০১০ অবধি ডক্টরস ডায়ালগ নামে একটি প্রিন্ট ম্যাগাজিন মোটামুটি তিন মাস ছাড়া বের হতো। ডাক্তার এবং ডাক্তারি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রভাবিত

খোলা চিঠি

January 1, 2026 No Comments

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, আপনি যেভাবে স্কুল কলেজ শিক্ষা স্বাস্থ্য শিল্প ভুলে মন্দির বানানো, দরগা বানানো, ইমামভাতা, পুরোহিত ভাতা,ধার্মিক পপুলেশনকে খুশি করার কাজে মন দিয়েছেন সেটা

সাম্প্রতিক পোস্ট

২০২৫ কেমন গেলো?

Kanchan Sarker January 2, 2026

রামচন্দ্র, রামমন্দির এবং আমাদের বর্তমান ভারতবর্ষ

Dr. Jayanta Bhattacharya January 2, 2026

আমি পটল চোরের ছেলে

Dr. Soumendu Nag January 2, 2026

ডক্টরস ডায়ালগের ছয় বছর

Dr. Punyabrata Gun January 1, 2026

খোলা চিঠি

Dr. Asfakulla Naiya January 1, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

600061
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]