নীলাঞ্জন দত্ত আর নেই।সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী,সুলেখক– অসম্ভব গুণী মানুষ। বহু মিটিং, একসাথে চলার স্মৃতি ভিড় করে আসছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন। চলার পথে অনেক সময় মতান্তর হয়েছে কিন্তু কখনো মনান্তর হয় নি।আসানসোল সিভিল রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। পরিবারের সকলের জন্য রইল আন্তরিক সমবেদনা। আজ যখন এ রাজ্যে মানবাধিকার আন্দোলন বহুধাবিভক্ত,পথহারা,চিৎকৃত কণ্ঠের জোরে হারিয়ে যাচ্ছে মানবাধিকারের মতাদর্শ তখন নীলাঞ্জনদার চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে এক বড় ক্ষতি।🙏

রামচন্দ্র, মুসলিম দরবারে রামায়ণ, রামমন্দির, এবং আমাদের বর্তমান ভারতবর্ষ`
বুদ্ধদেব বসু প্রসঙ্গটি এভাবে উত্থাপন করেছিলেন – “ধর্ম নিয়ে বাদানুবাদ যেমন মহাভারতে একটি নিত্যকর্ম, রামায়ণে সে-রকম নয়। কেননা রামই সেখানে সর্বাধিপতি ও সর্বতোভাবে প্রতিদ্বন্দীহীন …










নীলাঞজন আমার বহুদিনের বন্ধু, যার সাথে মানবাধিকার আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে, রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে, পুলিশি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে একসাথে পথ চলেছি। প্রয়াত মানুষটির স্মৃতিতে শ্রদ্ধা আর তাঁর পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাই।