Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বাংলায় বিজ্ঞান অক্ষয়

Akshay KLumar Dutta
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • July 17, 2026
  • 6:19 am
  • One Comment

বিদ্যাসাগর তাঁর লেখা “জীবনচরিত” বইটার পরিশিষ্ট অংশে “দুরুহ ও সঙ্কলিত নুতন শব্দের অর্থ” শিরোনামে একটি তালিকা দিলেন। এর মধ্যে বৈজ্ঞানিক পরিভাষা যেমন আছে, তেমনই অন্যান্য শব্দ ও আছে। দু চারটে নমুনা পেশ করা যাক। Botany (উদ্ভিদবিদ্যা), Optics (দৃষ্টিবিজ্ঞান), Telescope (দূরবীক্ষণ), Satelite (পারিপার্শ্বিক, উপগ্রহ) ইত্যাদি। একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, বঙ্কিম কথিত “টেক্সট বুক রাইটার” বিদ্যাসাগর মশাই কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকদের মধ্যে জনপ্রিয় বিজ্ঞান পাঠ প্রচারের জন্য এসব লেখেন নি, তার মূল লক্ষ্য কিন্তু সেই শিশু শিক্ষা। [সূত্র: সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় ও অন্যান্য সম্পাদিত বিদ্যাসাগর গ্রন্থাবলী]

অক্ষয়কুমার দত্ত (যিনি ইংরেজিতে নিজের নাম লিখতেন Ukkhoy Coomar Dutt)কে নিয়ে লিখতে গিয়ে বিদ্যাসাগরের নাম টেনে আনার কারণ হল ওনার কৃতজ্ঞতা স্বীকার। “পদার্থবিদ্যা: জড়ের গুণ ও গতির নিয়ম” বলে যে বইটি উনি লিখলেন শকাব্দ ১৭৭৮ সালে সেই বইয়ের মুখবন্ধে (বিজ্ঞাপন) উনি লিখছেন, ” এই পুস্তক মুদ্রিত হইবার সময়ে শ্রীযুত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর ও অমৃতলাল মিত্র মহাশয়েরা অনুগ্রহ পূর্বক দেখিয়া দিয়াছেন।”

অক্ষয়কুমাররের ভাষার ওপর বিদ্যা সাগরের প্রভাব সম্পর্কে যে জনশ্রুতি চালু আছে সেটি খন্ডন করতে গিয়ে কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য বলেছেন, “অক্ষয় দত্তের বাংলা রচনাতে ঈশ্বর গুপ্তর নিকট হাতে খড়ি হয়। তবে অক্ষয় দত্ত যে বরাবর গুরুর রচনা পদ্ধতি নকল করিয়াছিলেন তাহা নহে। তিনি খানিকটা বিদ্যাসাগরি রীতির দিকে আকৃষ্ট হইয়াছিলেন। কিন্তু তাহা বলিয়া বিদ্যাসাগরের ও মাছি মারা গোছের নকল করেন নাই। অক্ষয় দত্ত যে রূপ প্রতিভা সম্পন্ন ছিলেন, তিনি যে কাহারও নকলে চলিবেন, ইহা কোনোমতেই সম্ভবপর ছিল না। তাঁহার রচনায় ঔদার্য, অকপট আন্তরিকতা এবং মনের ভাব অকাতরে ব্যক্ত করিবার ক্ষমতা বাঙ্গালার অতি অল্প লেখকই প্রদর্শন করিয়াছেন” [সূত্র: পুরাতন প্রসঙ্গ]।

পদার্থবিদ্যা প্রসঙ্গে ফেরা যাক। ইংরেজি ভাষায় রচিত বিভিন্ন বই অবলম্বনে রচিত এই পুস্তিকাটি লেখার সময় অক্ষয় কুমার সেকালের রীতি অনুযায়ী সাধু ভাষা তেই লিখলেন কিন্তু তাতে বামুনের ঘরের চাল কাঁচ কলা সৈন্ধব লবণের গন্ধ প্রায় নেই বললেই চলে। একটু খানি পড়া যাক, “জড় পদার্থের যে গুণ থাকাতে, কোন দ্রব্য নষ্ট হয় না, তাহার নাম অনশ্বরত্ব। সকল বস্তুকেই পুনঃ পুনঃ বিভাগ করিয়া অত্যন্ত সূক্ষ্ম করা যাইতে পারে, কিন্তু তাহার কনামাত্রও কোন ক্রমে ধংস হয় না। জল, পারদ প্রভৃতি বস্তু বাষ্প হইয়া আমাদের অদৃশ্য হয় কিন্তু তাহার অণুমাত্রও একেবারে নষ্ট হইয়া যায় না। বাষ্প, জল ও বরফ এ তিনই এক পদার্থ; বরফ দ্রব হইয়া জল হয়, এবং জল উষ্ণ হইয়া বাষ্প হয়। বরফে যতগুলি পরমাণু থাকে, তাহা বাষ্প রূপে পরিণত হইলে,সে বাষ্পে ও ততগুলি থাকে, তাহার একটি পরমাণুর ও ধ্বংস হয় না।”

আজ যদি আমরা লিখতে বসি, তাহলে এই অনুচ্ছেদের ক্রিয়াপদগুলোকে চলিত ভাষায় আর বড়জোর ওই “দ্রব” শব্দটা কে গলে যাওয়া ছাড়া বিশেষ কিছু পাল্টাতে পারবো না, এতটাই ঝরঝরে ছিল অক্ষয়কুমারের ভাষা, এতটাই আধুনিক। মলিকিউল আর এটম এর পরিভাষা হিসেবে অনায়াসে অণু আর পরমাণু ব্যবহার করছেন উনি। বইয়ের অন্যত্র স্বর্ণ, রৌপ্য লিখলেও প্লাটিনামকে “প্লাটিনম” লিখছেন, কোনো উদ্ভট অপ্রচলিত পরিভাষা ব্যবহার করেন নি।

পরিভাষা নিয়ে তাঁর এই অবদান কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় লিখছেন, “স্বর্গীয় অক্ষয়কুমার দত্ত ও ডাক্তার রাজেন্দ্রলাল মিত্রের সময় হইতে বাঙ্গালা ভাষায় বৈজ্ঞানিক সন্দর্ভ লিখিবার চেষ্টা হইতেছে। এ বিষয়ে উক্ত মহাত্মাদ্বয়ই প্রথম পথপ্রদর্শক।” [সূত্র: শক্তিব্রত ভৌমিক সম্পাদিত: আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় রচনা সংকলন]।

ওই প্ল্যাটিনম এ একটিবার ফেরত আসা যাক। এবিষয়ে দত্ত মশাই এর উত্তরসুরি রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, “বারবার ব্যবহারের দ্বারাই শব্দ বিশেষের অর্থ আপনি পাকা হয়ে উঠে, মুলে যেটা অসঙ্গত, অভ্যাসে সেটা সঙ্গতি লাভ করে” [সূত্র: মানস প্রতিম দাস: বাংলায় বিজ্ঞানের পরিভাষা ও অক্ষয় কুমার দত্ত]। রাজশেখর বসুও এই কৃত্রিম পরিভাষা আমদানির বিপক্ষে ছিলেন। তাঁর মত অনুযায়ী অক্সিজেন এর বদলে অম্লজান লিখলে ভাষা মোটেও পুষ্ট হবে না।

ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১), অক্ষয় কুমার দত্ত (১৮২০-১৮৮৬), রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী (১৮৬৪-১৯১৯), প্রফুল্লচন্দ্র রায় (১৮৬১-১৯৪৪), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১), রাজশেখর বসু (১৮৮০-১৯৬০), সত্যেন্দ্রনাথ বসু (১৮৯৪-১৯৭৪)দের ধারা ধরে দুঃখিনী বাংলা মায়ের বাংলা ভাষায় আমরা যারাই একটু আধটু বিজ্ঞান চর্চার চেষ্টা করি তাদের কাছে আজকের দিনটা’র একটা বিশেষ তাৎপর্য আছে।

ভদ্রলোক কিঞ্চিৎ পিউরিট্যান ছিলেন, মদ্যপানের বিরুদ্ধে ও আমিষ ভক্ষণের বিরুদ্ধে লিখে গেছিলেন, কিন্তু বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চায় ওনার অবদান সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে। বিশেষ জ্ঞানকে কুক্ষিগত করে রেখে, মুষ্টিমেয় লোকের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে একটা জাতির কোনোদিন উন্নতি হতে পারে না, তাকে সর্সাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হলে মাতৃভাষায় চর্চা করতে হবেই। লিখতে বসে পরিভাষা খুঁজতে গিয়ে যখন বিরক্তি আসে, মনে হয় ধুত্তর এত খেটে কি হবে, ইংরেজি/ ল্যাটিন/ গ্রীক শব্দ গুলো বাংলা হরফে লিখে দিলেই তো গোল মিটে যায় তখনই দত্তকুলোদ্ভব এই মেধাবী মানুষটি যিনি সারাটা জীবন মস্তিকের চর্চা করলেন, দুঃখজনকভাবে শেষ বয়সে যিনি সেই মস্তিষ্কের অসুখেই আক্রান্ত হয়ে পরেন, নিঃসঙ্গ হয়ে যান, আশেপাশের লোক তাঁকে পাগল বলে আখ্যা দেয়, সেই মানুষটার নাম স্মরণ করে ঝাঁপিয়ে পড়ি।

অন্যেরা দেখে, হাসে আর বলে, “যতসব পাগলের কান্ড”। অন্ধবিশ্বাস আর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে, বাংলায় বিজ্ঞানচর্চা করতে গিয়ে আসুন, সব পাগল আমরা আজ ওঁর জন্মদিনে একজোট হই।

PrevPreviousSangrami Ganamancha Statement of Support
Nextনীলাঞ্জন দত্ত স্মরণেNext
1 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Shabnam Talukhdar
Shabnam Talukhdar
27 days ago

দারুন 🌸😍🙏💐
অভূতপূর্ব, ভীষন ভালো এক স্মরণ পড়লাম।
এর মধ্যে অক্ষয় কুমার দত্ত শেষের মস্তিষ্কের অসঙ্গতি র কথা মনে পরল।পড়েছি। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস পড়তে গিয়ে মনে হয় জেনেছি অনার্সের সময়ে।সেইটাই মনে হয়ে গেলো।
অভূতপূর্ব ভীষন ভালো এক স্মরণ।মুগ্ধ হলাম।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

অভিযুক্তদের যথাস্থানে বহাল না রেখে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন

August 14, 2026 No Comments

বেশ কিছুদিন ধরে অনেক নাটকীয় পটভূমিকার পর নর্থ বেঙ্গল লবির থ্রেট কালচারে দাগি অভীক দে ঘনিষ্ঠ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের সুপারের বদলির ঘটনা সামনে আসে। এখন

সভ্যতাকে নতুন করে দিশা দেখায়

August 14, 2026 No Comments

সিনে সেন্ট্রালের লুসোফন চলচ্চিত্র উৎসবে পর্তুগিজ ছবি : ফ্লাইট অফ ক্রোকোডাইল ঔপনিবেশিক ক্ষমতার স্বার্থে একটি জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করার চেষ্টা হলেও কী করে আক্রান্ত সেই জনগোষ্ঠী

হিন্দুবীরের রংবাজি এবং রংবদলের রাজনীতি

August 14, 2026 No Comments

২০২৬ সালের ৫/৬ জুলাই কলকাতার অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের একটি অংশের (প্রবেশদ্বারের কাছের একটি পুরনো টিকিট কাউন্টার/নিরাপত্তা কক্ষ) রং রাতারাতি বদলে দেওয়া হয়। হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর

এম পি পরমেশ্বরণ – এক প্রতিবাদী পরিবেশবিদ

August 13, 2026 No Comments

মানুষের সঙ্গে অন্যান্য প্রাণিদের সবথেকে বড়ো ফারাক কী জানেন? প্রাণিজগতে একমাত্র মানুষই প্রশ্ন করতে পারে, নিজের আয়নায় নিজেকে দেখতে পারে, নিজেকে নিরন্তর ব্যস্ত রাখতে পারে

প্রাচীন ও প্রাক-আধুনিক ভারতে হাসপাতালের নানা চেহারা – চরক-সংহিতা ও অন্যান্য

August 13, 2026 No Comments

শুরুর কথা হাসপাতাল মানুষের ইতিহাসের অতি প্রাচীন মানবিক সংগঠনগুলোর একটি। এবং এর ইতিহাসও অতি প্রাচীন। আজ থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগে এলিয়াস অ্যারিস্টিডিস বলছেন –

সাম্প্রতিক পোস্ট

অভিযুক্তদের যথাস্থানে বহাল না রেখে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন

West Bengal Junior Doctors Front August 14, 2026

সভ্যতাকে নতুন করে দিশা দেখায়

Sanjoy Mukherjee August 14, 2026

হিন্দুবীরের রংবাজি এবং রংবদলের রাজনীতি

Gopa Mukherjee August 14, 2026

এম পি পরমেশ্বরণ – এক প্রতিবাদী পরিবেশবিদ

Somnath Mukhopadhyay August 13, 2026

প্রাচীন ও প্রাক-আধুনিক ভারতে হাসপাতালের নানা চেহারা – চরক-সংহিতা ও অন্যান্য

Dr. Jayanta Bhattacharya August 13, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

661564
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]