৯ আগষ্ট ২০২৪ আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ‘অভয়া’ র মৃতদেহ পাওয়া যায় হাসপাতালের তারই কর্ম স্থলে। তারপর সারা কলকাতা, রাজ্য, দেশ তোলপাড় করা আন্দোলন হয়, চিকিৎসক আর সাধারণ নাগরিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণে। আন্দোলনের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। প্রাথমিক তদন্তের নথি দেখে এই দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও বিচারকদের শিউরে ওঠার প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। তৎকালীন শাসকদলের মন্ত্রী ও অনুগত অনুপ্রাণিত আমলাকুলের অসাধারণ কর্মনিষ্ঠা ও কৃতিত্বের ফলে আজ ২৬ মাস পরেও জানা গেল না ঐ মৃত্যু তথা খুনের কারণ। খুঁজে পাওয়া গেল না প্রকৃত খুনী বা খুনীদের।
এরমধ্যে ২১মাস ধরে যে রাজনৈতিক দলের পরিচালনায় রাজ্যের শাসন চলছিল সেই দল নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে। অন্য রাজনৈতিক দল শাসকের দায়িত্ব পেয়েছে। এই বদলের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল ‘অভয়া’র খুন ও তার সঠিক বিচার না পাওয়ার জন্য তৎকালীন শাসকদলের ন্যক্কারজনক ভূমিকার বিরুদ্ধে রাজ্যের নাগরিকদের ক্ষোভ। আবার বর্তমান শাসক দলটিও নাগরিকদের এই ক্ষোভ, অসন্তোষের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েই নির্বাচনী প্রচার করেছিল। কিন্তূ আমরা কি দেখছি? সেই বিচার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে উদ্যোগ ও উৎসাহের অভাব। আরও বিষ্ময়কর কিছু ঘটনা। সেই আন্দোলনের সময় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার কারণে জুনিয়র সিনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে নানাভাবে কিছু আরোপিত আইনী ধারা প্রয়োগ করে হেনস্থা করা, বারবার থানায় ডেকে পাঠানো, জিজ্ঞাসাবাদ। তাদেরকে এভাবে মানসিক নির্যাতন ও আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য করা। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে এর ফলে চিকিৎসকদের কর্মস্থলে তাদের সামাজিক ও বৃত্তিগত কাজের ব্যাঘাত ঘটে চলেছে। আখেরে ক্ষতি হচ্ছে রাজ্যের মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায়। সাধারণ নাগরিকদের কাছে আরও বিষ্ময় ও ক্ষোভের বিষয় যে সহ-নাগরিকরা এই আন্দোলনের সমর্থনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছিলেন তাদেরকেও রেহাই দেয়নি তৎকালীন শাসকদলের সরকার, পুলিশ। ডেকরেটর কর্মী, রিক্সাচালক,খাদ্য
সরবরাহকারী, ড্রাইভার, আন্দোলনকারী বিভিন্ন এলাকার পুরুষ ও মহিলা সবাই তৎকালীন শাসক ও পুলিশের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধেও সেই অন্যায়ের, জুলুমের প্রয়োগ অব্যাহত। আমরা বিস্মৃত হই নি যে আমাদের সেই প্রতিবাদ আন্দোলনে আমাদের সাথেই সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন বর্তমান স্বাস্থ্য মন্ত্রী। সমর্থনে ছিলেন বর্তমান ক্রীড়ামন্ত্রী, এমনকি মুখ্যমন্ত্রীও। তাই আমরা আশা করি এ বিষয়ে তাদেরও যে নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে এটা তাঁরাও বিস্মৃত হন নি।
আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই আমাদের দাবি এই অন্যায়, অনৈতিক, অসাংবিধানিক কর্মের অবিলম্বে অবসান ঘটিয়ে বর্তমান সরকার তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুক। চিকিৎসকদের, নাগরিকদের যেন আবার একই কারণে বৃহত্তর আন্দোলনে পথে নামতে বাধ্য না করা হয়। পুণ্যব্রত গুণ মনীষা আদক তমোনাশ চৌধুরী৷ আহ্বায়ক

এবার আক্রান্ত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য
৮ অক্টোবর ২০২৬ কয়েকদিন আগে প্রকাশ্য রাস্তায় আইনজীবী শামিম আহমেদ সহ একাধিক আইনজীবীর ওপর আক্রমণ হয়েছে। আজ ভোরে বিশিষ্ট আইনজীবী শ্রী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর বাড়িতে আক্রমণ










