আমরা যারা বাবা-জ্যাঠাদের মুখে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের জমানায় ১৯৭২ থেকে ’৭৭-এর নৃশংস পুলিশি অত্যাচারের গল্প শুনে বড় হয়েছি, দিল্লি পুলিশের এই আচরণে তারা অবাক হইনি। গুন্ডাদের দলে ভিড়িয়ে কমবয়সী ছেলেমেয়েদের ওপর যেভাবে হামলা নামিয়ে আনা হচ্ছে, তাতেও না। মেয়েদের আলাদা করে রাস্তায় ফেলে পেটানো, গোপনাঙ্গে লাঠির আঘাত, পুলিশ ভ্যানের গায়ে চেপে ধরে যৌন নিগ্রহ। এ সবই যে সিদ্ধার্থশঙ্করের আমলের মতোই দিল্লি পুলিশের মাথায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সম্মতিতে, তরুণদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পিত মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণ, সেটাও অজানা নয়।
অবাক করছে অন্য জিনিস। আমার চেনা মহলের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার কাকু, জেঠু, দাদুদের উল্লাস। এই শয়তানদের শয়তানির সমর্থনে।
এই বীভৎসতার সমর্থক ’৭২-এও নিশ্চয়ই ছিল, কিন্তু ইতিহাস তাদের মনে রাখেনি। এই নব্য সমর্থকদের কিন্তু মনে রাখা হবে।










