Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মানুষের জীবন, সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকের অধিকার।

mch jda
West Bengal Junior Doctors Front

West Bengal Junior Doctors Front

Federation of Resident Doctors Associations of West Bengal
My Other Posts
  • October 23, 2026
  • 6:15 am
  • One Comment
গত পরশু চোরবাগান সার্বজনীন পুজোয় প্রশাসন ও উদ্যোক্তাদের ভয়ানক অব্যবস্থা ও গাফিলতিতে যে হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটল, প্রাণ হারালেন আমাদের ১৯ জন সহনাগরিক, তার ভয়াবহতার রেশ থেকে আমরা কেউই এখনও বেরোতে পারিনি। কিন্তু ইতিমধ্যেই গোটা শাসক শিবির এই অব্যবস্থা সম্পর্কে কোনও প্রশ্ন উঠলেই সমস্বরে ‘রাজনীতি করবেন না’ বলে কণ্ঠরোধ করতে উদ্যত! সরকার নতুন হলেও অস্বস্তিকর প্রশ্নে কণ্ঠরোধের অভ্যেসটি বেশ পুরনো!
মেডিক্যাল কলেজের যে জুনিয়র ডাক্তারেরা আহতদের চিকিৎসা করছিলেন, তাঁরা সমস্ত রোগীর চিকিৎসা সম্পূর্ণ করার পর তাঁদের অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার ঘটনা এবং তার পিছনে থাকা হাসপাতালের পরিকাঠামোগত ঘাটতির কথা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। কেন রাজ্যের অন্যতম প্রধান সরকারি টার্শিয়ারি হাসপাতাল থেকে আহতদের কর্পোরেট হাসপাতালে পাঠাতে হল, সেই প্রশ্নও তোলেন তাঁরা। আর তারপরেই গোটা আইটি সেল নেমে পড়েছে, জুনিয়র ডাক্তাররা কেন সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলবেন, এখন নাকি রাজনীতি করার সময় নয়, এই ন্যারেটিভ নিয়ে। এমনকি সন্দীপ ঘোষের স্নেহধন্য বিরূপাক্ষ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক জুনিয়র ডাক্তারকে পিটিয়ে মারার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন!
মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী অবশ্য প্রশ্নগুলি এড়িয়ে বলেছেন, বাচ্চা ছেলে ওরা, কিস্যু জানে না। আসলে নাকি রোগীরাই চেয়েছেন মেডিক্যাল কলেজ থেকে অ্যাপোলো চলে যেতে, তাই তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুব ভালো কথা! আপৎকালীন পরিস্থিতিতে রোগীদের মনের ইচ্ছেমতো চিকিৎসার জায়গা বেছে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমরা সাধুবাদ জানাই। যদিও সবাই কেন একযোগে একই হাসপাতালে যেতে চাইলেন, সেই ব্যাখ্যা এখনও অজানা।
উন্নত চিকিৎসা পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। আহতদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। কিন্তু এই ঘটনায় কয়েকটি জরুরি প্রশ্ন উঠবেই।
প্রথমত, মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কি মেনে নিলেন যে এশিয়ার প্রাচীনতম এবং ভারতবর্ষের ইতিহাসের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী মেডিক্যাল কলেজে উন্নতমানের চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই? ঠিক যেটা আমরা অভয়া আন্দোলনের সময় থেকে বারবার বলে আসছি? সরকারে আসার পর একাধিকবার হাসপাতাল পরিদর্শন করেও ইমার্জেন্সির সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে সমাধানের রাস্তা বের করা গেল না কেন? সময়ের অভাব থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের সহযোদ্ধা জুনিয়র ডাক্তার সমস্ত রোগীর চিকিৎসা সম্পূর্ণ করে তাঁদের অ্যাপোলোতে স্থানান্তরের পর সাংবাদিক বৈঠক করে সেই সমস্যাগুলিই তো তুলে ধরছিলেন। তাতে আপনারা ‘ওরা রাজনীতি করছে’ বলে চিৎকার করছেন কেন? সরকারি হাসপাতালের উন্নতি কি সরকারেরই সাফল্য নয়? কাদের স্বার্থে মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা এই সমস্যাগুলি সামনে আনছিলেন?
দ্বিতীয়ত, চোরবাগানের দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সিতে পথ দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজন রোগী আসেন। তাঁদের কিন্তু অ্যাপোলোতে পাঠানো হয়নি। কেন? একটু আগেই যখন সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামোর অভাবের কথা বলে আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হল, তখন পরবর্তী রোগীদের ক্ষেত্রে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হল না কেন? ইমার্জেন্সিতে জরুরি রক্ততঞ্চনকারী ওষুধ ট্রানেক্সামিক অ্যাসিড নেই, ABG মেশিন নেই, পর্যাপ্ত ট্রমা কেয়ারের ব্যবস্থা নেই, এই ঘাটতিগুলির কথা জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন। তখন তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনীতি করার অভিযোগ তোলা হল। তাহলে পরবর্তী আহত রোগীরা যদি দাবি করেন যে তাঁদেরও অ্যাপোলোতে পাঠাতে হবে, সেই জুনিয়র ডাক্তাররা তাঁদের কী উত্তর দেবেন? ‘এখানে কিছু নেই, কিন্তু আপনারা রাজনীতি করবেন না?’
তৃতীয়ত, রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে বর্তমান শাসকদল অতীতে বিরোধী অবস্থানে থেকে বারবার যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন তুলেছে। সেই রেফার-নির্ভর স্বাস্থ্যব্যবস্থাই আজ এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে রোগীদের সামলাতে সামলাতে তাঁদের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। মেডিক্যাল কলেজের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে সচল নিউরোসার্জারি বিভাগ, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং পর্যাপ্ত পরিকাঠামো-সহ ট্রমা কেয়ারের অভাব কেন? এই প্রশ্ন কি কেবল রাজনৈতিক, নাকি পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারানো ও আহত হওয়া সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রশ্নও?
যে জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকেরা ঢাল-তরোয়ালহীন নিধিরাম সর্দারের মতো ইমার্জেন্সিতে ছুটে বেড়িয়ে আহতদের চিকিৎসা করছিলেন, তাঁদের ভর্তি করাচ্ছিলেন, ওষুধ লিখছিলেন, তাঁদের কাজের তদারকির নামে অযথা প্রশ্ন করা বা বেসরকারি হাসপাতালে রেফার লিখতে বাধ্য করা কি স্বাস্থ্য প্রশাসনের তরফ থেকে একপ্রকার ‘রাজনীতি করা’ নয়? সমস্ত রোগীর চিকিৎসা সম্পূর্ণ করে নিজেদের অসহায়তার কথা সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরলে সেই বক্তব্যকে রাজনৈতিক আখ্যা দেওয়াটা কেমন সভ্যতা?
মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়, এ কথা আমরাও মানি। কিন্তু সেই দায় কি শুধু নাগরিকদের, চিকিৎসকদের কিংবা ফ্রন্টলাইনারদের? সরকার বদলের পর যাঁরা দায়িত্বশীল প্রশাসন ও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তাঁদের প্রশ্ন করলেই কি ‘রাজনীতি করছেন’ বলে চুপ করিয়ে দেওয়া হবে?
ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট চোরবাগান সার্বজনীন পুজোর দুর্ঘটনায় মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সিতে কর্মরত সমস্ত জুনিয়র ডাক্তারদের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। একই সঙ্গে সমস্ত আপৎকালীন রোগীর চিকিৎসা সম্পূর্ণ করে, কোনও রোগীর প্রতি অবহেলা না করে, তাঁরা যে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব WBJDF গ্রহণ করছে। আমরা তাঁদের বক্তব্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহমত।
আমরা চাই, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক, মৃতদের পরিবার যথাযথ ক্ষতিপূরণ পাক এবং আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিশ্চিত করা হোক। পাশাপাশি, সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার যে বেহাল পরিস্থিতি এই ঘটনা সামনে এনেছে, স্বাস্থ্য দপ্তর তার যথাযথ সমাধান করুক। ভবিষ্যতে যেন অসহায় মানুষকে উন্নত চিকিৎসার আশায় দিশাহীনভাবে বেসরকারি হাসপাতালে ছুটে যেতে না হয়।
প্রশ্ন তোলা রাজনীতি নয়। মানুষের জীবন, সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকের অধিকার। সেই অধিকারকে ‘রাজনীতি করবেন না’ বলে দমন করা যায় না।
PrevPreviousমহিলাদের প্রসূতি কালীন স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কিছু প্রশ্ন
Nextরেফার টু এপোলোNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Gopa Mukherjee
Gopa Mukherjee
8 hours ago

প্রতিটি বক্তব্যের সঙ্গে ১০০ ভাগ সহমত। WBJDF এর এই প্রতিবাদী স্পর্ধা অটুট থাক।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

বিষাদময় দুর্গোৎসবের শেষে প্রশ্ন অনেক, জবাবদিহি কোথায়?

October 23, 2026 No Comments

বিষাদময় দুর্গোৎসবের শেষে প্রশ্ন অনেক, জবাবদিহি কোথায়? সম্ভবত সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বিষাদময় দুর্গোৎসবের শেষদিন আজ, বিজয়া দশমী। ষষ্ঠী শুরু হয়েছিল সন্দীপ ঘোষের জামিন দিয়ে, সপ্তমীতে

রেফার টু এপোলো

October 23, 2026 1 Comment

ইতিহাসে প্রথমবার কলকাতার দুর্গা পুজোতে পদপিষ্ট হয়ে উনিশ জন মারা গেলেন। আহতদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই রাত্রে সেই মেডিকাল কলেজেরই প্রাক্তনী বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসে পরামর্শ দেন

মহিলাদের প্রসূতি কালীন স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কিছু প্রশ্ন

October 22, 2026 No Comments

মাতৃত্ব – মহিলাদের জীবনে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতির জন্ম দেয়। সৃষ্টির উদ্ভাসে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে মায়ের শরীর,মন। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর আবেগঘন প্রাণস্পর্শী ডাক হলো ‘মা’। সেই

বই-এর বহ্নুৎসব

October 22, 2026 No Comments

১৯৩৩ সালে হিটলারের জার্মানিতে বই পোড়ানো হয়েছিল। ১০ মে একরাতে শুধুমাত্র বার্লিনের অপেরা স্কোয়ারে পোড়ানো হয়েছিল ২০০০০ বই। আর ওই সময় সারা জার্মানিতে পোড়ানো হয়েছিল

সন্দীপ ঘোষের জামিন: দায় কার?

October 22, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

বিষাদময় দুর্গোৎসবের শেষে প্রশ্ন অনেক, জবাবদিহি কোথায়?

West Bengal Junior Doctors Front October 23, 2026

রেফার টু এপোলো

Nirakar Mishra October 23, 2026

মানুষের জীবন, সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকের অধিকার।

West Bengal Junior Doctors Front October 23, 2026

মহিলাদের প্রসূতি কালীন স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কিছু প্রশ্ন

Somnath Mukhopadhyay October 22, 2026

বই-এর বহ্নুৎসব

Pallab Kirtania October 22, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

693915
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]