মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি,
আপনি যেভাবে স্কুল কলেজ শিক্ষা স্বাস্থ্য শিল্প ভুলে মন্দির বানানো, দরগা বানানো, ইমামভাতা, পুরোহিত ভাতা,ধার্মিক পপুলেশনকে খুশি করার কাজে মন দিয়েছেন সেটা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত উদ্বিগ্নের ।
পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ মাদ্রাসা কালচার, ইংরেজি বিদেশি ভাষা তাই শিখবো না ইত্যাদি মুসলিম ভাই বোনদের যে ভাবে বিশ পঞ্চাশ বছর পিছিয়ে রেখেছে, হিন্দু ভাই বোনদেরও পিছন দিকে নিয়ে যাবে। টোটাল সমাজ, প্রগতি উল্টো দিকে হাঁটবে।
আমার মত ব্যক্তিরা যারা কিনা ধর্মে মুসলিম হয়েও ৯০ শতাংশ হিন্দু শিক্ষকে শিক্ষিকার কাছে জ্ঞানলাভ করে রাজ্য ও দেশের কথা ভাবতে শুরু করছি, ভবিষ্যতে গুরু, গুরুত্ব দুটোই পাবে না। কথা বলার লোক থাকবেনা, ধার্মিক বিভাজন আরও স্পষ্ট হবে, ধর্মরক্ষাকারীর সংখ্যা বাড়বে।স্কু ল কলেজ দেশ বিদেশ নিয়ে ভাবার মানুষ কমবে, সেই সুযোগে বাংলার সম্প্রীতির আইপিএস আইএএস ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার
অফিসার কমে যাবে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল হারিয়ে যাবে, বঙ্কিম বাবু দাদা হয়ে যাবে, বীর ক্ষুদিরাম বসুর ত্যাগ মানুষ ভুলতে বসবে, বাংলা অচেনা হবে, আবার মসজিদ মাদ্রাসা মন্দির পূজা নামাজের মধ্য দিয়ে বাংলা পিছাবে। লিখে রাখুন…. এক দশক পর থেকেই রেজাল্ট চোখে পড়বে 
অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে, ব্যক্তি হিসাবে ৩১ বছর বয়সে ১৩ টা FIR খেয়েও রাজ্যের প্রশাসনের উপর রাগ দুঃখ না করেই বাংলার কথা ভেবে,বাংলার মানুষের কথা ভেবে আমার এইটুকু বার্তা।
হাজার হাজার ব্যক্তি আছেন যারা বাংলার সম্মান নিয়ে রোজ রোজ ভাবেন, তাঁদের কথা ভেবে, আপনার হাতে ক্ষমতা আছে, চাইলে গতিপথ পরিবর্তন করে স্কুল, কলেজ, শিল্প, কারখানা, বেকারের চাকরি, শিক্ষক শিক্ষিকাদের সম্মান, যোগ্য মানুষের সম্মানে কাজ করুন। ইতিহাস সব মনে রাখে…..
আর আমরা বাংলাকে বাঁচানোর যে যুদ্ধ শুরু করেছিলাম, সে যুদ্ধে আছি, থাকবো।
সবাইকে আগাম সংগ্রামী অভিনন্দন।










