সর্দিকাশি, শ্বাসকষ্টগুলো একটু কমে এসেছে। এবার বিচ্ছিরি সব পেটের সমস্যা শুরু হয়েছে। প্রচুর বাচ্চা বমি, পেটে ব্যথা, পাতলা পায়খানার সমস্যায় ভুগছে। অনেকেই জ্বরে কাহিল। মাথায় রাখুন, আসল চিকিৎসা জলশূন্যতা রোধ করা। বারবার ওআরএস দিয়ে যেতে হবে। পেচ্ছাব যেন না কমে। জিঙ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। খুব বেশি বমি বা পেটে ব্যথা হ’লে অল্প কিছু লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা লাগবে। শুধু পায়খানা কমছে না কেন, সেটা নিয়ে নিজের বা ডাক্তারের মাথা খারাপ করবেন না। পায়খানা বন্ধ করে দেওয়ার ওষুধ দিলে বাচ্চার ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। বরং, জলশূন্যতার লক্ষণগুলো খেয়াল রাখুন।
বেশিরভাগই পেটের সমস্যাই ভাইরাসঘটিত। কাজেই অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না। বহুল প্রচলিত একাধিক অ্যান্টিবায়োটিকের মিশ্রণগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। *টু, ও*এম, ডা*অফ ইত্যাদি নামে যেসব ওষুধ মুড়ি-মুড়কির মতো বিক্রি হয় সেগুলোর পেছনে মাথামুন্ডু-যুক্তি-বিজ্ঞান কিচ্ছু নেই। অল্প কিছু ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক লাগে। কার, কোন অ্যান্টিবায়োটিক লাগবে সেগুলো অধিকাংশ সময়েই রোগলক্ষণ দেখলেই অভিজ্ঞ চিকিৎসক বুঝতে পারেন। অল্প কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অন্য ধরনের রোগও পেটের সমস্যা নিয়ে আসতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ যে লাগবেই সেটা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।










