৭ই নভেম্বর, ২০২৪
আর মাত্র দুই দিন। অভয়ার নারকীয় ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচারহীন তিন মাস। বিচারকামী জনতার ভয়ঙ্কর ক্রোধ আছড়ে পড়ছে রাজপথে, একদিন নয়, প্রতিদিন। তদন্তকারী সংস্থা ও ন্যায়ালয়ের দিকেও সজাগ দৃষ্টি তামাম জনতার।
এই নব্বই দিনের মাথায়, ফুঁসতে থাকা মানুষজন প্রস্তুত “জনতার চার্জশিট” পেশ করতে। প্রতিবাদী মানুষের সম্মিলিত জোট অভয়া মঞ্চের আহ্বানে ও উদ্যোগে। অভিনব এই কর্মকাণ্ড অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আগামী ৯ই নভেম্বর, রাণী রাসমণি এভিনিউ, ধর্মতলাতে, বেলা ৪-৩০ মিনিটে। সমাজের ব্যাপকতম অংশের লাখো মানুষ, প্রতিবাদ, প্রতিরোধের অভিনব প্রকরণ নিয়ে হাজির হচ্ছে সেখানে। বঙ্গ জনজীবন এক সম্ভাব্য অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক স্মরণীয় কর্মসূচির গর্বিত সাক্ষী থাকতে চলেছে।
শুধু বিচার নয়, চাই প্রকৃত ন্যায় বিচার। শুধু আসামি খুঁজে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সুনিশ্চিত করাই নয়, বেআব্রু হবে ভয়াবহ বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা, চিহ্নিত হবে ঘূণ ধরা, প্রায় পচে যাওয়া চলমান সিস্টেমের শত কথা। জরিপ হবে দুর্নীতির তল। নিরাপত্তাহীনতার গভীরতা, মানুষের সাথে রাষ্ট্রিক প্রতারণা আর শাসকের ষড়যন্ত্রের নানা উপকরণ, সবকিছুই সামাজিক ময়নাতদন্ত এর আওতায় আসছে জনতা জনার্দনের বারুদ ভরা বুকের আকাশভেদী চিৎকারে।
বাংলার গণ-আদালত, কল্লোলিনীর রাজপথে শত দিক উন্মোচিত করবে চার্জশিট এর ছত্রে ছত্রে। যা মানুষের মনের কথা। কেন? কেন? খুন হতে হল অভয়াকে, খুন হয়ে যেতে হচ্ছে একরত্তি শিশু থেকে অসংখ্য অভয়াকে। কি মোটিভ অভয়ার খুনের পিছনে? প্রশাসনই কি আসল অপরাধী? খুঁজছে জনতা। উত্তর আগামী নয় তারিখে।
বঙ্গসমাজের সমস্ত অংশের মানুষকে, ধর্ম- বর্ণ- পেশা নির্বিশেষে, “অভয়া মঞ্চ” আন্তরিক ভাবে আগামী নয় তারিখের মাহেন্দ্রক্ষণে, রাণী রাসমণি এভিনিউতে সংগ্রামী প্রতীতির দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করতে আবেদন রাখছে।
বেলা তিনটের সময় ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট-এর আহ্বানে কলেজ স্কোয়ার থেকে মিছিল করে এসে জমায়েতে সামিল হন।
অভয়ার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত থামবে না অভয়া মঞ্চ, থামছে না বাংলার প্রতিরোধী জনতার হৃদয়-অন্তঃপুরে বেড়ে চলা আগুনের লেলিহান শিখা।
ডাঃ পুণ্যব্রত গুণ
শ্রীমতী মনীষা আদক
ডাঃ তমোনাশ চৌধুরী
আহ্বায়ক
অভয়া মঞ্চ।।











এই চার্জ শিট কাকে দেবার জন্যে? উত্তর কার কাছে চাইছেন?