৪ এপ্রিল, ২০২৫
আজ রামরাজাতলা বাণীনিকেতন লাইব্রেরী হলে অভয়া মঞ্চের অন্তর্ভুক্ত অভিজিৎ মিত্র মেমোরিয়াল চ্যারিটেবল সোসাইটি ও রামরাজাতলা নাগরিক মঞ্চের যৌথ উদ্যোগে রাজ্য ও দেশজুড়ে সামাজিক অবক্ষয় ও রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে এক গণ-কনভেনশনের আয়োজন করা হয়।
সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন শ্রী সুমনন ভট্টাচার্য। সভার শুরুতে ডাঃ সুমিত দাশ সভার প্রাসঙ্গিকতার বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপর অভয়া মঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক ডাঃ পুণ্যব্রত গুণ আর জি কর কান্ডের পর ডাক্তারদের ও অন্যান্য সংগঠনের উদ্যোগে অভয়া মঞ্চের প্রতিষ্ঠা ও বিভিন্ন সামাজিক ন্যায়ের দাবিতে উক্ত মঞ্চের ধারাবাহিক আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেন।
ডাঃ উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায় বিগত ৯ মাস ধরে অভয়া কান্ড থেকে সাম্প্রতিক কাশ্মীরের গণহত্যায় রাজ্য ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতার তীব্র নিন্দা করেন।
ডাঃ সুবর্ণ গোস্বামীর বক্তব্যে প্রতিবাদী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে ধারাবাহিক ভাবে নির্লজ্জ আক্রমণ ও ভীতি প্রদর্শনের কথা উঠে আসে।
ডাঃ সরস্বতী দত্ত তাঁর ভাষণে অভয়া মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন ও আমাদের সংঘবদ্ধভাবে অভয়া আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই কর্তব্য বলে মতপ্রকাশ করেন।
ডাঃ জগন্নাথ ভট্টাচার্য ৯ই আগস্ট, ২০২৪ ও পরবর্তীকালের বিভিন্ন ঘটনাবলীর কথা জানান।
পরিশেষে নাট্যকর্মী শ্রী জয়রাজ ভট্টাচার্যের বক্তব্যে ছিল রক্তকরবী নাটকের প্রেক্ষিতে শাসকের চিরায়ত মুনাফা, ক্ষমতার লোভ ও নারীকে পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা। এই প্রসঙ্গে তিনি সকলকে সমাজের সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে ও শুভ শক্তির সহায়ক হিসাবে কাজ করতে পরামর্শ দেন। দেউচা পাচামীতে খনি প্রকল্পে আদিবাসীদের উচ্ছেদ ও দুর্দশার কথাও জানান তিনি।
সভার শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শ্রী বিশ্বজিৎ মিত্র।










