মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে একটা কুৎসিৎ যৌনগন্ধী মিম সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তা নাকি ছড়িয়েছে হিন্দী বলয়ের বিজেপি সমর্থকরা! কেউ সন্দেহ প্রকাশ করছে এটা নাকি তৃণমূলই ছড়িয়ে দিয়ে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। মিমটি এক ঝলক চোখে পড়ল এইমাত্র। দেখা যায় না।
আমি মুখ্যমন্ত্রীর রাজনীতির ১৮০ ডিগ্রী বিপরীতে। ২০১১ তে বহু মানুষের মতো পরিবর্তনের পক্ষে ছিলাম বামপন্থীদের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি-দুর্নীতির এমন সাম্রাজ্য গড়ে তুলবেন, সরকারী শিক্ষাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে একটা জাতিকে সবচেয়ে অন্ধকার, সবচেয়ে নিষ্ঠুর সংকটে ফেলে দেবেন, সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কঙ্কাল তুলে দেবেন আমাদের হাতে, চাকরি বিক্রি হবে খোলা বাজারে– কয়লা, বালি, গরু, আবাস যোজনা, রেশন সর্বত্র দুর্নীতি দুর্নীতি দুর্নীতি হবে, হয়েই চলবে — এ আমরা দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করিনি। আমি তাই বিগত প্রায় এক যুগ ধরে আমার সাধ্যমত গানে, কবিতায়, লেখায় পথের মিছিলে আমার সাধ্যমত এই দুর্বৃত্ত তৃণমূল সরকার এবং তাঁদের শীর্ষ নেতৃত্ত্বের তীব্র সমালোচনা ও বিরোধিতা করে এসেছি। কিন্তু তাই বলে কোনো অবস্থাতেই এই নোংরা, অসুস্থ, মনবিকৃতিকে সমর্থন করি না। চরম ঘেন্না রইল যারা একাজ করেছে বা মদত দিয়েছে তাদের উদ্দেশে! আর কত কদর্য হবে রাজনীতি! বিজেপি বাবুদের এই বিকৃত বৈকল্যের জবাব নিশ্চয়ই জনগণ কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দেবে।
কারা এই নোংরা কাজটি করেছে সেটা বের হওয়া উচিত। তৃণমূলের আই টি সেলও ভিক্টিম কার্ড খেলতে পারে। তাই বিজেপি নেতৃত্বের সামনে এসে বিবৃতি দেওয়া উচিত ছিল যে তাদের দল এই নোংরামিতে যুক্ত নয়। তা কিন্তু হয়নি।
এই মিম কোথা থেকে উৎপন্ন হল সেটা নির্বাচন কমিশন ইচ্ছে করলে প্রযুক্তির সাহায্যে প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে খুঁজে বের করতে পারে, অপরাধীদের শাস্তির জন্য প্রস্তুত করতে পারে। কিন্তু তা কি আর তারা করবে? তারা কি আর প্রভুদের উদ্দেশে আওড়াবে শক্তি চট্টোপাধ্যায়, ‘প্রভু, নষ্ট হয়ে যাই’?











