Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

গাছ, গিনেস বুক ও ত্রুফেনা মুথোনি

trufena
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • February 12, 2026
  • 7:12 am
  • 4 Comments

মেয়ের নাম ত্রুফেনা মুথোনি। পরিবেশবিদ। নিবাস আফ্রিকার কেনিয়া। এই মুহূর্তে সে খবরের আলোচনায়, একটি প্রতিবাদী আন্দোলনের সূত্রে। এক অনন্য প্রতিবাদের কারণে তাঁর ঠাঁই হয়েছে ‘ গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ‘ ব‌ইয়ের পাতায়। কী এমন করেছেন ত্রুফেনা যার জন্য এমন এক স্বীকৃতি?

ত্রুফেনা এই নিয়ে দ্বিতীয়বার, একটা দেশীয় প্রজাতির গাছকে দু হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরে টানা তিন দিন বা বাহাত্তর ঘণ্টা সময় কাটিয়ে দিয়েছেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের ৮ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত সে এভাবেই গাছকে আঁকড়ে দাঁড়িয়েছিলেন টানা তিন দিন। তাঁর মুখে কোনো শ্লোগান ছিলোনা। করতে হবে, দিতে হবে, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও বলে কোনো স্বঘোষিত আস্ফালন ছিলো না, কেবলমাত্র গাছের প্রতি, পরিবেশের প্রতি সমস্ত ভালোবাসা উজাড় করে দিয়ে ছলছল চোখে নির্বাক হয়ে গাছকে নিজের বাহুপাশে নিবিড়ভাবে আলিঙ্গন করে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ত্রুফেনা মুথোনি।তাঁর দাবি ছিল খুবই সাধারণ। যথেচ্ছভাবে গাছ কাটা চলবে না। নতুন করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনের সময় একেবারে স্থানীয় প্রজাতির গাছেদের প্রাধান্য দিতে হবে। পৃথিবীর বদলে যাওয়া জলবায়ুর কথা মাথায় রেখেই তাঁর এমন সিদ্ধান্ত। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের নিজেদের টিকিয়ে রাখতে প্রতিদিন তীব্র প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। পৃথিবীর বদলে যাওয়া বাতাবরণের কথা তাঁরা বুঝতে পারলেও তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। সেই সচেতনতার অভাব রয়েছে তাঁদের মধ্যে। ত্রুফেনা মুথোনি চেয়েছিলেন এঁদের মধ্যে সচেতনতার প্রসার ঘটাতে। আর সেই সূত্রেই বেছে নিয়েছিলেন গাছকে আঁকড়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার ব্রত। আপনি আচরি ধর্ম শেখাও পরেরে – এই ছিল তাঁর মুখ্য উদ্দেশ্য।

গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে নিজের এমন অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানানোর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ত্রুফেনা জানিয়েছেন – “আজকে যে সমস্যাকে আমরা সাদরে বরণ করে নিজেদের ঘরের আঙিনায় ডেকে এনেছি, তার সমাধান আমাদের পূর্বপুরুষদের জানা ছিল। আমরা উন্নত জীবনের হাতছানিতে শিকড়চ্যুত হয়ে নিজেদের বিপন্ন করে তুলেছি। ঐতিহ্যবাহী পরম্পরাগত জ্ঞানকে হেলায় বর্জন করে আজ আমরা এক আত্মঘাতী পথের শরিক হয়েছি। সেই হারিয়ে ফেলা পরম্পরাগত জীবনের প্রতি বর্তমান প্রজন্মকে আবার নতুন করে আকৃষ্ট করতেই আমার এই সামান্য প্রয়াস। গাছ তো আদিপ্রাণ। সেকথা বিস্মৃত হ‌ই কেমন করে ?”

ইতোপূর্বে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই ত্রুফেনা মুথোনি টানা দুই দিন অর্থাৎ ৪৮ ঘন্টা এভাবেই গাছকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়েছিলেন। নাওয়া খাওয়ার জন্য‌ও কিছু সময়ের বিরতি নেওয়ার কথা মাথায় আসেনি তাঁর। পাছে এভাবে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার জন্য কোনো রকম শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় সেজন্য চিকিৎসকরা মজুদ ছিলেন সেখানে, আর দল বেঁধে ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁর একান্ত ভালোবাসার অনুগামীরা। ফেব্রুয়ারির সেই সময়সীমাকে আরও খানিকটা বাড়িয়ে নিতেই এবার তিন দিনের কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ। আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে তাঁর নয়া সবুজের অভিযানের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ ছিল ত্রুফেনার মধ্যে। তাই নতুন পথে নামার আহ্বান।তবে কি এসব রেকর্ড কথার জন্য নিছকই গিমিক ছিল? এমন প্রশ্নের সামনে পড়ে এতটুকুও না ঘাবড়ে ত্রুফেনা জানিয়েছেন – “আধুনিকতার ছোঁয়ায় আমরা প্রকৃতির কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি , অথচ প্রকৃতি পরিবেশের কাছে আমাদের ঋণের শেষ নেই। গতবারের প্রচেষ্টায় কিছু মানুষের কাছে পরিবেশের জন্য আমার আবেদনকে পৌঁছে দেওয়া গেছে, তাঁরাই সেই ভালোবাসার টানে আমার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। আমার আক্ষেপ এবং দুশ্চিন্তা এই নিয়ে যে আমাদের দেশের পরিচিত বৃক্ষরাজি, যাদের সঙ্গে আমাদের আজীবনের সংযোগ, তাদের নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে। এক অদ্ভুত ঔদাসীন্য লক্ষ করি সবার মধ্যে । আর তাই হয়তো তাদের নির্দ্বিধায় সরিয়ে আনা হচ্ছে বিজাতীয় পরিবেশের উপযোগী গাছপালা। এই মাটির সঙ্গে যাদের কোনো যোগাযোগ নেই। আমার আন্দোলন, আমার প্রতিবাদ এই হঠকারী প্রয়াসের বিরুদ্ধে। প্রথমে আমি একাই আমার কন্ঠস্বরকে উঁচিয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, আর আজ কতো মানুষ আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আজ আমি গর্বিত । এই প্রতিবাদের সূত্রে আমি একটু একটু করে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছি।”

এমন প্রতিবাদের পথে হেঁটে মুথোনি তাঁর দেশ কেনিয়ার কুড়ি জন প্রভাবশালী মহিলাদের তালিকায় নিজের নাম তুলে নিয়েছেন। এই মুহূর্তে কেনিয়ার পটভূমিতে প্রশাসন, স্বাস্থ্য, রাজনীতি এবং পরিবেশ নিয়ে কাজ করে চলেছেন যে সমস্ত মহিলারা তাঁদের তালিকায় নবতম সংযোজন হিসেবে ঠাঁই হয়েছে ত্রুফেনা মুথোনির নাম। কম বড়ো কৃতিত্বের বিষয় মোটেই নয় তাঁর এই সাফল্য।তাঁর এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে কেনিয়া জুড়ে আরও বহু সংখ্যক মানুষ পরিবেশকে রক্ষা করতে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। প্রাণপণ দৃঢ়তায় গাছকে আগলে ধরে প্রতিবাদ করছেন তাঁরা, গভীর আকুতি আর ভালোবাসা নিয়ে। দেশীয় প্রজাতির গাছপালাকে রক্ষা করতে হবে – এই তাঁদের একমাত্র দাবি। কোনো রেকর্ডবুকে নাম তোলার ইচ্ছে তাঁদের নেই। তাই ক্রমশই এক প্রত্যয়দীপ্ত আন্দোলনের রূপ নিয়েছে গাছ আঁকড়ে ধরার আন্দোলন। এই পদ্ধতি যে প্রতিবাদের এক সফল ও কার্যকর পদক্ষেপ তা গোটা দুনিয়াকে একদিন শিখিয়েছিলেন এই ভারতবর্ষের কিছু সরল সাদাসিধে আনপঢ় গ্রামীণ মহিলা ,বিখ্যাত চিপকো আন্দোলনের মাধ্যমে। এ যেন তার‌ই পুনরাবৃত্তি সুদূর কেনিয়ার মাটিতে।

গাছকে আঁকড়ে ধরে নিজেদের বক্তব্যকে সকলের সামনে তুলে ধরার এমন প্রচেষ্টা কেনিয়ায় খুব নতুন এমনটা নয়। পল কাগো নামের এক ৪৩ বছর বয়সী মানুষ নান‌উকি শহরে ৯৬ ঘন্টা গাছ আঁকড়ে ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন এই আশায় যে, আগামী ২০২৭ সালে কেনিয়ার সাধারণ নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এই ছিল তাঁর কৃচ্ছসাধনের উদ্দেশ্যে।

নিজের ভাইয়ের জটিল অপারেশনের জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন জানাতে নাইরোবি শহরের চোদ্দ বছরের এক কিশোর স্টিফেন গাছানিয়া গাছের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিল ৫০ ঘন্টা সময়। ভাবা যায়!প্রশ্ন হলো তাঁদের অমন প্রচেষ্টা রেকর্ডবুকে জায়গা পেল না কেন? আসলে উদ্দেশ্যগত ভাবে ত্রুফেনা মুথোনির প্রচেষ্টা অনেকটাই মহত্তর স্বতন্ত্র ভাবনা প্রসূত সন্দেহ নেই। তাঁর এই আন্দোলনের সূত্রে পরিবেশ নিয়ে নতুন করে এক জাগরণের সূচনা হয়েছে। স্বদেশী প্রজাতির গাছেদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য ত্রুফেনার দাবি আজ গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। তাঁর এই আন্দোলনের ফলে কেনিয়ার যুব সমাজ এগিয়ে এসেছে। সরকারি বন বিভাগের সাহায্য নিয়ে দেশ জুড়ে দেশী গাছের চারা রোপণের কাজ করতে। ত্রুফেনা আজ কেনিয়ার বনবিভাগের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। আগামী ২০৩২ সালের মধ্যে সারা দেশে ১৫ বিলিয়ন গাছ রোপণ করার ঘোষিত কর্মসূচিকে সফল করতে কাজ চলছে জোরকদমে। গাছ আঁকড়ে দাঁড়িয়ে থাকার এই রেকর্ড করা প্রচেষ্টা আজ এতো বড়ো এক প্রচেষ্টার প্রধান মুখ হয়ে উঠতে পেরেছে এটাই ত্রুফেনা মুথোনির সবথেকে বড়ো কৃতিত্ব। তাঁর দেখানো পথেই হাঁটছে আজকের কেনিয়া, সবুজ, সতেজ,সঘন কেনিয়া।

আমাদের অভিনন্দন রইলো ত্রুফেনা মুথোনির জন্য যিনি আন্দোলনের এক নতুন মাত্রা যোগ করেছেন এই সময়ের অশান্ত এক পরিবেশের মধ্যে। এমন আন্দোলন আমরা করতে পারি না?

তথ্যসূত্র: Mongabay পত্রিকার প্রতিবেদন ও অন্যান্য সূত্র।

ফেব্রুয়ারি ১০,২০২৬

PrevPreviousনেত্রদান অপরাধ!!
Nextউত্তরবঙ্গ ব্যাপী গণ কনভেনশনে ডাঃ সুদীপন মিত্রের বক্তব্যNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
4 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
2 months ago

অসামান্যা কন্যা!🙏

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
2 months ago

এদের কথা পড়লে নিজেদের খুব ছোট মনে হয়। এঁরা লড়াইয়ের নতুন পথ দেখাচ্ছেন গোটা দুনিয়ার জন্য। আমরা কি তা অনুসরণ করতে আগ্রহী হবো ?

0
Reply
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
2 months ago

ত্রুফেনা, এক প্রেরণার উৎস। বিরাট কঠিন কাজ কিছু হয়তো নয়, কিন্তু গভীর ভালোবাসা নিয়ে করা।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
2 months ago

একদম ঠিক কথা। ভালোবাসা নিয়ে করা। এটাই খুব দুর্লভ হয়ে উঠেছে এযুগে।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617865
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]