Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এক রূপকথার‌ই গাঁয়ে….

Caste free
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • March 12, 2026
  • 6:39 am
  • 10 Comments

শোনো এক গাঁয়ের কথা শোনাই শোনো

রূপকথা নয় সে নয়।……

এমন এক গাঁয়ের কথা পড়ে আমার অবশ্য রূপকথা বলেই মনে হয়েছিল। আর মনে হবে নাই বা কেন? ভারতবর্ষের মতো একটা দেশে যেখানে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে জাতপাতের বেড়া তোলা, যেখানে এই জাতপাতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে দেশের শাসন ক্ষমতা দখলের ঘৃণ্য রাজনীতি, যেখানে এখনও উচ্চ আর নিম্নের চুলচেরা বিভাজন, যেখানে মানুষকে মানুষ বলে স্বীকৃতি দেবার আগে অনুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয় মানুষের ধর্ম, বর্ণ,জাত,পাতের পরিচয়, সেখানে এমন জাতপাতের বিভাজনকে সর্বসম্মতিক্রমে বিসর্জন দেওয়া একটা গ্রামের কথা শুনলে রূপকথার গল্প ছাড়া আর কিইবা মনে হবে?

গ্রামের নাম সৌন্দালা। রাজ্যের ব্যস্ত রাজধানী থেকে এই গ্রামীণ জনপদের অবস্থান ৩৫০ কিলোমিটার দূরে। এখানেই অবস্থান এই রূপকথার গ্রামের। রূপকথার শর্ত মেনে এখানে একজন রাজা স্থানীয় প্রশাসক আছেন বটে, তবে এমন এক সব পেয়েছির দেশে সবাই রাজা অথবা রাণী। এইসব মানুষদের জন্যই সৌন্দালা এক আশ্চর্য রূপকথার দেশ।

এক বিকেলের গপ্পো বলি। গোধূলির ম্লান আলো সন্ধ্যার অন্ধকারে আড়াল হতেই এক ট্রে ভরা চায়ের কাপ আর কিছু নোনতা গাঁঠি ভাজা নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে এক তরুণী গৃহবধূ। আজ সান্ধ্য চা পানের আসর বসানোর পালা পড়েছে এই বাড়ির মানুষদের ওপর। গৃহবধূটি গরম গরম চায়ের পেয়ালা এগিয়ে দেয় সকলের হাতে হাতে। চায়ের পেয়ালায় চুমুক চড়াতে চড়াতে খোশ গল্পে মেতে ওঠে সবাই। সেই আসরে হাজির সৌন্দালা গ্রামের সরপঞ্চ সাহেব সকলকে ধন্যবাদ জানান। আসরের কোলাহল ধীরে ধীরে শান্ত হয়।সৌন্দালার মানুষজনের কাছে এমনটা কোনো বিশেষ স্মরণীয় ঘটনা নয়, নিত্যদিনের অভ্যাস। অবশ্য এমনটা অনেকদিনের ব্যাপার তেমন‌ও নয় , বছর কয়েক আগে এই নিয়মের চল হয়েছে এখানে। আগের ছবিটার সঙ্গে এখনকার ছবির যে কোনো মিল নেই। আজকে চায়ের আড্ডায় যাঁরা হাজির হয়েছিলেন তাঁরা সকলেই উচ্চবর্ণের মানুষ। কয়েক বছর আগে এঁরা এই বাড়ির চৌকাঠ পেরিয়ে ভেতরে ঢোকার ভাবতেই পারতেন না,পেয়ালা হাতে চায়ে চুমুক দেওয়া তো অনেক দূরের কথা। মহারাষ্ট্রের অহল্যানগর জেলার এই গ্রামে বর্ণভেদ প্রথার এমন প্রবল দাপট ছিল যে ভিন্ন বর্ণের মানুষের মধ্যে কোনোভাবেই মেলামেশার সুযোগ ছিল না। তবে সম্পর্কের জমাট বাঁধা বরফ গলছে। আজকের চায়ে পে চর্চার আসর তার‌ই ইঙ্গিতবাহী।

সৌন্দালা গ্রাম সভার আধিকারিকরা খুব সম্প্রতি এক সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ‌ : গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ গ্রাম সভার সদস্যরা সম্মিলিতভাবে এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ওই দিন থেকেই তাঁদের গ্রামকে বর্ণহীন ( Caste Free ) গ্রাম হিসেবে মান্যতা দেওয়া হলো। এর অর্থ হলো ঐ দিন থেকে কোনো মানুষকেই তাঁর কাস্ট বা বর্ণ পরিচয়ের নিরিখে বিচার করা হবে না । এতোদিনের চেনা বর্ণ ভিত্তিক সামাজিক স্তরায়নের অবসান ঘটিয়ে মানবতার পরিচয়কেই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পরিচয় হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সৌন্দালায়।

এতোদিনের বেড়া ভেঙে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করার বিষয়টি যে নেহাতই কাগুজে সিদ্ধান্ত নয় তা প্রমাণ করার ঐকান্তিক তাগিদ থেকেই গ্রাম সভার সদস্যরা সম্মিলিতভাবে চা পানের আসর বসিয়েছিলেন এক দলিত পরিবারের মানুষের বাড়িতে। এই অনুষ্ঠানটি নির্বাচনের আগে আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের মতো লোকদেখানো আয়োজন নয়, সৌন্দালা নতুন যুগের দিশারী।আর তাই এখন থেকে গ্রামের সমস্ত ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েরা একসাথে খেলা করছে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সমস্ত বেড়া পেরিয়ে, গ্রামের সমস্ত উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে সম্মিলিতভাবে সব রকম বিধিনিষেধ এড়িয়ে।

কেন এমন সিদ্ধান্ত যুগান্তকারী? আসলে সৌন্দালার মতো এক অখ্যাত গ্রামীণ জনপদের গ্রাম সভার আধিকারিকরা সম্মিলিতভাবে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা ভেবেছেন তা সবদিক থেকেই বৈপ্লবিক। রাজধানী মুম্বাই থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গতানুগতিকতার নিগড়ে বাঁধা এক অনালোড়িত গ্রাম সমাজের মানুষ দেশজুড়ে এমন নতুন ভাবনার তরঙ্গ তুললেন কোন্ মন্ত্রবলে ? এই ঘটনার আগে মহারাষ্ট্রের এই জেলাকে চিনতো সামাজিক বয়কট আর বর্ণভেদের আঁতুরঘর বলে। আর আজ? পাঁচ ফেব্রুয়ারির সিদ্ধান্ত রাতারাতি বদলে দিয়েছে এতোদিনের সব পরিচিতি। সৌন্দালার সুগন্ধ এখন ছড়িয়ে পড়ছে দিকে দিকে।কথা হচ্ছিলো শারদ আরগাডের সঙ্গে। শারদ হলেন সৌন্দালা গ্রাম সভার সরপঞ্চ। তাঁর নেতৃত্বেই গ্রহণ করা হয়েছে এমন বর্ণ ভিত্তিক পরিচিতি বর্জনের আহ্বান। সাম্প্রতিক কালে যখন মহারাষ্ট্রে জনজীবনের সর্বস্তরে জাতপাতের বিভাজনকে উসকে দেবার আয়োজন চলছে তখন একেবারে চলতি স্রোতের বিপরীতে গিয়ে এমন একটি নীরব বিপ্লব কীভাবে ঘটলো?

“ আমাদের দেশে গরুকে মা হিসেবে মান্যতা দেওয়া হয় অথচ একজন মানুষকে মানুষ হিসেবে গ্রহণ করতে আমাদের কতো দ্বিধা! এটা অন্যায় । এই দৃষ্টিভঙ্গির আশু পরিবর্তন হ‌ওয়া দরকার। এ কেমন সমাজ আমাদের যেখানে কোনো বিশেষ বর্ণের মানুষের কাছ থেকে জিনিসপত্র কেনা বা তথাকথিত নিম্নবর্ণের চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করা হয়? এমন সব অন্ধকার যুগের ভাবনা যাতে আমাদের সৌন্দালার মানুষজনের মধ্যে শিকড় গাড়তে না পারে সেজন্যই আমরা আগেভাগেই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম। আমরা আশাবাদী যে এরফলে আমাদের সৌন্দালা সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে তার অনন্য পরিচয়ের ঐতিহ্য বজায় রাখতে পারবে।”গ্রামের পঞ্চায়েত অফিসের বাইরে মহারাজ ছত্রপতি শিবাজী ও তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত মাওয়ালা সহযোগীদের ছবি টাঙানো আছে। শারদের কথায়, শিবাজী মহারাজ নিজে ছিলেন ধর্মনিরপেক্ষ।আর তাই তাঁর একান্ত বিশ্বস্ত মাওয়ালা সহযোগীদের নির্বাচনে তিনি কখনো জাতি ধর্ম বর্ণকে গুরুত্ব দেননি।সবার প্রতিই তাঁর সমান দৃষ্টি ছিল, দক্ষতা আর বিশ্বস্ততাই ছিল একমাত্র মাপকাঠি। এই ছবিটি আমাদের সেই ভাবনায় উদ্বুদ্ধ করবে বলেই এখানে টাঙানো হয়েছে। এমন বিভাজিত সমাজ কখনো উন্নতি লাভ করে না।

শারদ জানিয়েছেন যে এই বর্ণহীন প্রশাসনের কথা তিনি প্রথম শুনেছিলেন একজন সমাজকর্মী প্রমোদ জিনজাদের কাছে। এছাড়া তাঁর বাবা এবং স্ত্রী দুজনেই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহ দিয়েছেন। শুধুমাত্র বর্ণহীন গ্রাম প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়েই থেমে থাকেনি সৌন্দালা। আরও কিছু জরুরি নিয়ম কানুন প্রবর্তনের ঘোষণা করেছেন তারা, যেমন কারো সঙ্গে রূঢ় ব্যবহার করা এবং মিথ্যা বদনাম করা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য করা হবে, গ্রামের বিধবা মহিলাদের পুনর্বিবাহের আয়োজন করা এবং নারী শিক্ষার প্রসার ঘটানোকে সর্বস্তরে প্রাথমিকতা দেওয়া।খুব সম্প্রতি প্রতিবেশী বিদ জেলায়  মারাঠি ও অন্যান্য অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে ঘটে যাওয়া তিক্ত রক্তাক্ত সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করে শারদ বলেছেন –” আজ আমাদের রাজ্যে যা ঘটে চলেছে তা সকলের জন্যই গভীর উদ্বেগের। মানুষেরা নিজেদের মধ্যে অসুস্থ বিভাজন করছে এবং নিজেদের মধ্যে দাঙ্গা করছে। সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে যে আগামী দিনে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করার আর কোনো প্রয়োজন‌ই হবেনা, নিজেদের রক্তেই নিজেরা রক্তস্নাত হবো।”

২০২৩ সালের আগে পর্যন্ত বর্তমান আহিল্যানগর জেলাটি আহমেদনগর নামেই পরিচিত ছিল। রাজনৈতিক নেতাদের ধর্মীয় মেরুকরণের নির্লজ্জ প্রচেষ্টায় বিভ্রান্ত হয়ে এই এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, নীতিহীন ভ্রষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের নিরন্তর উস্কানিমূলক বিবৃতি, সংখ্যালঘুদের বয়কট, মন্দির মসজিদ নিয়ে অহেতুক বিতর্ক বিসম্বাদে এলাকার পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে উঠেছিল। সেই অবস্থাকে পেছনে ফেলে নতুন ভাবনায় মানুষজনকে ভাবিত করে উন্নয়ন পথ পাড়ি দেওয়া যে মোটেই সহজ নয়,তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন।রাতারাতি কিন্তু সৌন্দালার মানুষজনের মধ্যে পরিবর্তনের বার্তাকে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য তিলতিল করে মানবজমিনকে প্রস্তত করতে হয়েছে। গ্রামের লোকজন কৃতজ্ঞ বর্তমান সরপঞ্চ শারদ ও পূর্ববর্তী সরপঞ্চ, শারদের ধর্মপত্নী প্রিয়াঙ্কার কাছে। তাঁরাই ৪৫০ টি পরিবারের ২৫০০ আবাসিককে এক নতুন পরিবর্তন যাত্রায় সামিল করতে পেরেছেন। শারদের পিতৃদেব বাবা আরগাডে ছিলেন এলাকার পরিচিত কম্যুনিস্ট নেতা।মূলত তাঁর প্রেরণাকে পাথেয় করেই শারদ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে উদারনৈতিক চিন্তাভাবনার প্রসার ঘটানো। এর আগে সরপঞ্চ থাকাকালীন প্রিয়াঙ্কা প্রত্যেকটি বাড়ি ঘুরে ঘুরে মানুষকে উদার মনোভাবের মন্ত্রে দীক্ষিত হওয়ার ডাক দেন। আজকের সিদ্ধান্ত সেই নীরব সংযোগের‌ই ফল বলে মনে করেন সৌন্দালার মানুষজন।

দীর্ঘদিনের অসমতা আর বিভেদের আবর্জনা পরিষ্কার করে এক নতুন সৌন্দালার জাগরণ হচ্ছে। এখন প্রতিদিন সকাল দশটায় গ্রামের মন্দিরের ওপর বাঁধা লাউডস্পিকারে জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। সকলে উঠে দাঁড়িয়ে তার প্রতি বিধিবদ্ধ সম্মাননা জ্ঞাপন করেন। গ্রামের সমস্ত মন্দির, মসজিদ, গির্জায় সকলের প্রবেশ অবারিত। এতোদিনের বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হয়েছে।

শারদ তাঁর প্রতিবেশীদের বলেছেন, আমাদের সকলের রক্তের রঙ লাল, গেরুয়া, নীল বা সবুজ। আমরা সবাই দেশমাতৃকার কাছে দায়বদ্ধ। আমাদের অন্য কোনো ধর্ম বর্ণ জাতপাত নেই। আমাদের সকলের ধর্ম মানবিকতা। আজ থেকে এই হোক সৌন্দালার সমস্ত মানুষের একমাত্র পরিচয়।সৌন্দালার মানুষজন এখন নতুন আলোর উদ্ভাসে উদ্ভাসিত হবার সুযোগ পেয়েছে। আমাদের সকলের দায়িত্ব এই আলোক বর্তিকাকে অমলিন রাখার। আমরা কি সবাই এভাবে ভাবতে পারিনা?

ঋণ স্বীকার: দ্যা প্রিন্ট।

মার্চ ১১ ,২০২৬

PrevPreviousপ্রতিবাদের আওয়াজ হাওড়ার আমতায়
Nextভালোলাগা এক অভিজ্ঞতাNext
4.7 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
10 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
1 month ago

শুনতে স্বপ্নের মত। উদ্যোক্তাদের প্রণাম জানাই। এমন স্বপ্নদ্রষ্টা প্রতি গ্রামে জন্ম নিক,প্রতিটি গ্রাম সৌন্দালা হয়ে উঠুক !

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
1 month ago

ধন্যবাদ সৌমেন। এতো ডামাডোলের মধ্যেও যে স্বপ্ন দেখি আমরা তা এমন খবরগুলোর জন্যই। সারা দেশ ও ছোট্ট গ্রামের মতো হয়ে উঠলে আত্মসর্বস্ব নেতৃকুলের কী হবে? এমন একটা বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরেও সৌন্দালার মানুষজন নিরুত্তাপ। ওদের আরও স্বপ্ন দেখার সুযোগ করে দিতে হবে।

0
Reply
Kaushik Guha
Kaushik Guha
1 month ago

Darun!!!

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Kaushik Guha
1 month ago

সত্যিই তাই। লেখাটা পড়ে যে স্বতঃস্ফূর্ত আবেগের প্রকাশ তাই হলো লেখকের জন্য সেরা পুরস্কার। ধন্যবাদ।

0
Reply
Abhradeep Roy
Abhradeep Roy
1 month ago

সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ওরকম গোঁড়া অঞ্চলে দাঁড়িয়ে সৌন্দালা গ্রামের এই পদক্ষেপ একপ্রকার অবিশ্বাস্য! গ্রামপ্রধান গ্রামবাসীদের মধ্যে চেতনার প্রসারে শিবাজী মহারাজের উদাহরণ ও যে সকল যুক্তির আশ্রয় নিয়েছেন তা আমাদের কাছে শিক্ষণীয়। সৌন্দালার হাত ধরে অন্তত পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোও দ্রুত গোঁড়ামিমুক্ত হোক এটাই প্রার্থনা। আর এরকম সদর্থক সংবাদ সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এগুলো কেন ভাইরাল হয় না?

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Abhradeep Roy
1 month ago

ধন্যবাদ অভ্রদীপ। প্রবাসে থেকেও যে সময়করে ধৈর্য ধরে লেখাগুলো পড়েছো এবং এমন মন্তব্য করে পাঠাচ্ছো তার জন্য লেখক হিসেবে আমি খুব আশাবাদী যে একদিন আমাদের উত্তর প্রজন্মের হাত ধরেই নতুন ভারত জেগে উঠবে।

1
Reply
sarmistha lahiri
sarmistha lahiri
1 month ago

প্রথমেই আমি শুভেচ্ছা জানাই,সৌন্দালার সকল মানুষ কে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যে ভাবে চারিদিকে জাতপাত ধর্মের প্রাবল্য এক অস্থির ভয় বাতাবরণ তৈরি করে রেখেছে সেই খানে এই নিঃশব্দ বিপ্লব অবশ্যই প্রশংসা যোগ্য।আর এই প্রতিবেদন টির জন্য লেখক কে ধন্যবাদ।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  sarmistha lahiri
1 month ago

সৌন্দালার কথা অমৃত সমান
সোমনাথ মুখো ভণে
শোনো পুণ্যবান।

0
Reply
Soumyadip Saha Roy
Soumyadip Saha Roy
1 month ago

দারুন ব্যাপার! খুব ভালো লাগলো লেখাটি পড়ে। এই বার্তা ছড়িয়ে পরুক গ্রাম থেকে গ্রামে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumyadip Saha Roy
1 month ago

ছড়িয়ে দেবার দায়িত্ব পাঠকদের। ছড়িয়ে পড়ুক।এমন খবর লাখে একটা মেলে।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

April 29, 2026 No Comments

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

April 29, 2026 No Comments

আমি তো চাইছি কালো মেঘে যাক দূর দিগন্ত ছেয়ে তপ্ত পৃথিবী নব রূপ পাক বর্ষায় ভিজে নেয়ে !! পথ শিশুরাও রাজপথে নেমে নিক অধিকার চেয়ে

।।প্রভু, নষ্ট হয়ে যাই।।

April 29, 2026 No Comments

মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে একটা কুৎসিৎ যৌনগন্ধী মিম সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তা নাকি ছড়িয়েছে হিন্দী বলয়ের বিজেপি সমর্থকরা! কেউ সন্দেহ প্রকাশ করছে এটা নাকি তৃণমূলই ছড়িয়ে

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

April 28, 2026 No Comments

‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-য় আমার এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে। ছবি থেকে লেখাটা পড়া মুশকিল, তাই এখানে মূল লেখার পুরোটাই দিয়ে রাখছি। খবরের কাগজে প্রকাশের সময়, স্থানসঙ্কুলানের জন্যই,

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

April 28, 2026 No Comments

চিকিৎসক ডঃ তাপস প্রামাণিকের অনৈতিক, মানহানিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। ​১. ধারাবাহিক অসদাচরণের প্রেক্ষাপট: জেপিডি-র অভিযোগ অনুযায়ী, আর.জি.কর মেডিকেল কলেজের সরকারি চিকিৎসক

সাম্প্রতিক পোস্ট

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

Abhaya Mancha April 29, 2026

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

Shila Chakraborty April 29, 2026

।।প্রভু, নষ্ট হয়ে যাই।।

Pallab Kirtania April 29, 2026

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

Dr. Bishan Basu April 28, 2026

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 28, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619967
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]