যতদিন বাঁচি, ততদিন শিখি।
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে দেশের এই পরিস্থিতিতে জল বাঁচানো একান্ত দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, আর পাতলা ইয়ে হলে পেট সাফা মানেই শরীর চাঙ্গা – মানে, রাজ্যে কিংবা দেশে, ডানদিকের দল হোক বা বাঁদিকের দল, দল যা করছে বা নেতা যা বলছেন দেশ ও দশের কল্যাণের জন্যই বলছেন – একশ্রেণীর বন্ধুস্থানীয়র দেওয়ালে নিত্যদিনই দল/দলনেতা/নেতৃবৃন্দের বয়ান অনুসারে হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মেলানোর আপ্রাণ প্রয়াস ও সেই প্রয়োজন মেটাতে উপর্যুপরি বিপরীতমুখী কথা – এসব দেখতে দেখতে তিতিবিরক্ত হয়ে গেছি।
ভাবছিলাম, আমিই কি অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছি – নাকি, বাকিদের অসহিষ্ণুতা অথবা, ক্ষেত্রবিশেষে, ক্ষমতাসীনের সুনজরে আসার/থাকার জন্য আপ্রাণ চাটুকারিতাময় প্রয়াস, এসব দেখতে হওয়ার পরেও, এমনকি একান্তেও, যদি যথাসাধ্য অসহিষ্ণু না হতে পারি, তাহলে সহিষ্ণুতাই পাপ?
তো দেখলাম, আমার মনে উদ্ভূত এই “অসহিষ্ণুতা”-র জন্যও একখানি চমৎকার লব্জ তৈরী হয়েছে।
Fucktose Intolerant : The condition of being unable to tolerate other people’s bullshit.
সুতরাং… বলাই বাহুল্য…









