Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে…….(৩)

WhatsApp Image 2026-07-02 at 6.29.45 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • July 5, 2026
  • 7:55 am
  • 6 Comments

এক সময় খবরের কাগজের অনেক খবরের ভিড়ে ছোট্ট কয়েক কলমের কিছু বিজ্ঞাপন থাকতো যার শিরোনাম — নিরুদ্দিষ্টের প্রতি পত্র অর্থাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষের উদ্দেশ্যে চিঠি। সেই বিজ্ঞাপন জুড়ে লেখা হতো আবেগঘন কিছু কথা যেমন –বাবা ভোম্বল, তুমি কোথায় আছো জানাও। তোমার চিন্তায় মা শয্যাশায়ী। টাকার প্রয়োজন হলে জানিও। শীঘ্রই বাড়ি ফিরে এসো – বাবা।

এমনতরো বিজ্ঞাপন আজ‌ও নিশ্চয়ই ছাপা হয় তবে এই বুড়ো বয়সে এসে কিশোর বেলার উৎসাহে ভাটা পড়েছে,তাই কাগজের আনাচেকানাচে চোখ বুলিয়ে তেমন কিছু আজ আর খোঁজা হয়না। তা বলে কি মানুষের নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে? উঁহু, তেমনটা মোটেই নয়। আমাদের চারপাশের কতকিছুই তো প্রতিদিন নজর এড়িয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। সেসব আবার কোনো এক কালে ফিরে আসবে তেমনটাও বুঝি নয়। যদি ফিরে আসে বা তার দেখা মেলে হঠাৎ করেই তা হলে কিন্তু রীতিমতো হৈচৈ পড়ে যাবে।প্রাণিজগতে কিন্তু এই হারিয়ে যাওয়া আর আবার ফিরে আসার লীলাখেলা চলতেই থাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে। অতিকায় ডায়নোসরদের কথাই ধরা যাক। জুরাসিক যুগের সেই দানবাকৃতির সরীসৃপের দল পৃথিবী জুড়ে হাঁপিয়ে দাপিয়ে একসময় রঙ্গমঞ্চ ছেড়ে রীতিমতো বেপাত্তা হয়ে গেল। অতীতে এভাবেই পৃথিবীর বিস্তীর্ণ অংশের বিপুল সংখ্যক জীববৈচিত্র্য হারিয়ে গেল চিরকালের মতো। অবশ্য বিলুপ্ত হ‌ওয়া এবং হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যে নিরুদ্দিষ্টের প্রতি অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো, তাদের অনেকেই হয়তো আবার চুপচাপ স্বগৃহে প্রত্যাবর্তন করতো। ফিরে আসার পর স্বাভাবিক ভাবেই তাদের নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যেতো।

জীবজগতের ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটে। হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া প্রাণিদের দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে খুঁজে পাওয়া গেলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধানকারী গবেষকরা। এমন‌ই কিছু হারিয়ে যাওয়া প্রাণি এবং তাদের খুঁজে পাওয়ার কথা নিয়েই এই পর্বের আলোচনা। মোট ছয়টি পর্বের এই আলোচনার আজ তৃতীয় পর্ব। আমাদের আজকের অতিথি এই বাঙলার‌ই এক হারিয়ে যাওয়া মাছ। নাম – Chel Snakehead Fish 🐠 । Chel Snakehead Fish – চেল নদীর শোল মাছ

আমাদের সাবেক বাসাবাড়ির একেবারে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই ছিল নাগ বাবুদের বাজার। একটু চলনদার হয়ে উঠতেই ছুটির দিনে ব্যাগ হাতে বাবার সঙ্গে বাজারে যাওয়া রীতিমতো অভ্যাস হয়ে উঠেছিল। এ বিষয়ে বাবাও বেশ উৎসাহ দিয়ে বলতেন – চল্! বাজার ঘুইরা আসি। বাবার সঙ্গে বাজারে যাওয়া মানেই হলো পাঁচ মিনিটের পথ পঁচিশ মিনিটে পাড়ি দেওয়া। দু পা যেতে না যেতেই, কেউ না কেউ কথার পশরা নিয়ে বাবার সামনে হাজির হতেন। এ কথা সে কথায় সময় বয়ে যেতো। আমি আর কি করি? খানিকটা ব্যাজার মুখে কেষ্ট ঠাকুরের মতো একঠেঙে হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম।

আমার কাছে মাছের বাজার ছিল মহা আকর্ষণের জায়গা। কতরকমের মাছ! এমন‌ই এক বাজার অভিযানে গিয়ে চিনেছিলাম এক‌ই প্রজাতির তিন ধরনের মাছের পার্থক্য – গজাল বা গজার, শোল আর চ্যাং বা টাকি বা ল্যাটা মাছ। আকারের তারতম্য ভেদে মাছ তিনটির উল্লেখ করা হলো।

অর্থাৎ দশাসই চেহারার গজাল, মাঝারি আকারের শোল আর এদের থেকে ঢের ছোট চ্যাং মাছ। বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কারণে জল থেকে তুলে নেওয়ার পর‌ও ওরা দিব্যি ডাঙায় বেঁচে থাকতো। মাথা সাপের মাথার মতো বলেই এদের স্নেকহেড ফিস বলে।আমাদের আজকের আলোচনায় উঠে আসবে এক হারিয়ে যাওয়া শোল মাছের গল্প। একসময় আমাদের উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি নদীর জলে গা ভাসিয়ে ঘুরে বেড়ানো এই মাছটি বেমালুম বেপাত্তা হয়ে গেছিল। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এই আশ্চর্য সুন্দর মাছটিকে পুনরুদ্ধার করেছেন একদল তরুণ প্রজন্মের গবেষক।

বিজ্ঞানী মহলে এই মাছটির নাম – চেল স্নেকহেড ফিস বা বোরনা স্নেকহেড ফিস। বিজ্ঞান সম্মত নাম অবশ্য Channa amphibeus । পৃথিবীতে যত ধরনের শোল মাছ বা স্নেকহেড ফিস পাওয়া যায় তাদের মধ্যে বিরলতম হলো এই চেল স্নেকহেড ফিস। আমাদের উত্তরবঙ্গের চেল নদীতেই কেবলমাত্র এদের দেখা পাওয়া যেত একসময়। তারপর এক সময় তারা কোথায় যেন হারিয়ে গেল। অথচ যিনি অন্তত একটি বারের জন্য হলেও চাক্ষুষ করেছেন তাঁর পক্ষে এই মাছটিকে ভুলে যাওয়া অসম্ভব, কেটে রসিয়ে কষিয়ে রান্না করে খাওয়া তো অনেক দূরের ব্যাপার।এই অবসরে চেল নদী সম্পর্কে দুই একটি বাক্য খরচ করে নিই। ভূটান পাহাড়ের দক্ষিণমুখী ঢাল বেয়ে নেমে আসা এই নাতিদীর্ঘ নদীটি ডুয়ার্সের পর্বত পাদদেশীয় অংশ অতিক্রম করে উত্তরবঙ্গের কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নেওরা নদীতে গিয়ে পড়েছে। নেওরা হয়ে চেল নদীর জল গড়িয়ে গিয়ে মিশেছে দূরন্ত তিস্তায়। সেই অর্থে চেল নদীটি হলো বৃহত্তর তিস্তা নদী পরিবারের অন্যতম সদস্যা। এই চেল নদীতেই চড়ে বেড়াতো স্নেকহেড ফিস বা এই বিশেষ ধরনের শোল মাছ।মাছেদের জগতে বেশ মারকুটে স্বভাবের জন্য শোল মাছের কিঞ্চিত বদনাম আছে। জলাশয়ে থাকা অন্যান্য মাছের পোনাদের খেয়ে ফেলে বলে অনেক সময়ই একে পুকুরে রাখা হয়না। অপূর্ব সুন্দর রঙদার শরীরের জন্য হাল আমলের এ্যাকোয়ারিয়ামে স্নেকহেডদের আশ্রয় মিলছে। তবে থাকতে হয় একাকী।

চেল নদীর স্নেকহেডদের নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ বা উৎসাহ একেবারে হাল আমলের তা কিন্তু নয়। উনবিংশ শতকের গোড়ার দিক থেকেই চেল নদীর এই মাছেদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় লোকজনের কাছে পরিচিত বোরা চাঙ গবেষক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এই সূত্র ধরেই ১৮৩৯ খৃষ্টাব্দে, কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটির মিউজিয়ামের তদানীন্তন কিউরেটর J.T.Pearson এই মাছের বিষয়ে সকলকে জানান। বেঙ্গল সিভিল সার্ভিসের P. C. Russell এর পাঠানো শোল মাছের দুটি নমুনা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই পিয়ারসন সাহেব তাঁর অভিমত জানিয়েছিলেন।

পরবর্তী সময়ে বৃটিশ চিকিৎসক McClelland চেল নদী থেকে ধরা দুটি মাছকে নিয়ে গবেষণা করে তাদের চেল স্নেকহেডের নিকট স্বজন Ophiocephalus barca বলে ঘোষণা করেন। যদিও অপর দুই বিজ্ঞানী Shaw এবং Shebbeare ওই একই নমুনাকে Channa amphibeus হিসেবে মান্যতা দেন। গবেষক বিজ্ঞানীদের মধ্যে সংগৃহীত নমুনার পরিচয় যাচাইয়ের বিষয়ে কিছুটা টানাপোড়েন থাকলেও চেল নদীর সেই বিশেষ অতিথিটি Channa amphibeus হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন বিজ্ঞানীরা।এসব‌ই হলো গত শতকের ঘটনা। এর পরের দীর্ঘ সময় ধরে চেল স্নেকহেডের বিষয়ে আলোচনা একরকম চাপা পড়ে যায়। চেল নদীর এমন বিরল প্রজাতির মাছের গায়ে একসময় নিরুদ্দিষ্টের তকমা এঁটে দেওয়া হলো। মাঝখানে কেটে গিয়েছে অনেকগুলো বছর। মাত্র দু বছর আগে ২০২৪ সালে ডঃ প্রভীনরাজ ও তাঁর সহযোগী গবেষকরা এই বিরল প্রজাতির মাছটির বিষয়ে নতুন করে খোঁজ খবর নিতে শুরু করেন। চেল নদীর আশেপাশের এলাকায় থাকা রাভা উপজাতীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা বুঝতে পারেন যে মাছটি বেমালুম উবে গেছে এমনটা হয়তো নয়। স্নেকহেড মাছেরা নদীর আশেপাশে গজিয়ে ওঠা জলাভূমিতে বছরের বেশ খানিকটা সময় কাটাতে ভালোবাসে। ফলে নদীর মূল ধারায় তখন তাদের দেখা মেলেনা। এই অনুপস্থিতির কারণেই বিজ্ঞানীরা চেল স্নেকহেডের গায়ে নিরুদ্দিষ্টের তকমা লাগিয়ে দেন অনির্দিষ্টকালের জন্য।ডঃ প্রভীনরাজ নদী থেকে ধরা মাছকে নিয়ে এলেন তাঁর গবেষণাগারে। ডি এন এ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে চেল নদীর জলে থাকা স্নেক হেড মাছেরাই হলো আগ মার্কা Channa amphibeus.। এতো বছর পরে আমাদের হারিয়ে যাওয়া সম্পদকে ফিরে পেয়ে আমরাও বেজায় খুশি। আরও খুশি এই ভেবে যে এই সফল অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা।

জুন ২৮, ২০২৬

PrevPrevious“ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা”
Nextনরেন্দ্রপুরে ছাত্র মৃত্যু: হোক প্রকৃত সত্যের উদঘাটনNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
6 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
3 months ago

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী লেখকের কাছে এমন লেখা প্রত্যাশিত ছিল। খুব ভালো লাগলো, বিশেষ করে এই মাছকে খুঁজে পাওয়ার সঙ্গে আমাদের রাজ্যের নাম জড়িয়ে থাকার জন্য। আরও তিন পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
3 months ago

ধন্যবাদ অঞ্জনা মুখোপাধ্যায়কে। ভালো লাগাটা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিন।

0
Reply
Ritabrata Gupta
Ritabrata Gupta
3 months ago

Beautiful ! Never knew this. Thanks for the information. Keep us enriched with more such articles. Grateful.

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Ritabrata Gupta
3 months ago

বিগত ৮৫ বছর ধরে এরা নিরুদ্দেশে ছিল। ফলে Channa amphibeus সম্পর্কে আমরা খুব বেশি জানার আগ্রহ দেখাইনি। এখন খুঁজে পাবার পর স্বাভাবিক ভাবেই এই আশ্চর্য সুন্দর মাছটিকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। পড়তে থাকুন। আপনার ভালোলাগা অন্যদের সাথে ভাগ করে নিন।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
3 months ago

আমাদের এখানে শোলের মত একধরনের মাছ পাওয়া যায় যাকে শাল মাছ বলে।তবে খুব বিরল।আর চ্যাং ও ল্যাঠা দু ধরনের মাছ এখানে।আকার কাছাকাছি কিন্তু পার্থক্য আছে। বাজারে আসে কম।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
3 months ago

সোমেন ধন্যবাদ। শাল হলো গজাল মাছের স্থানীয় নাম। চ্যাং ও ল্যাটা মাছেরা ঐ একই প্রজাতির, কেবলমাত্র আকারের ফারাক। যে পরিবেশে এরা থাকতে পছন্দ করে সেই অবস্থাটাই বদলে গেছে বিলকুল। ফলে এইসব মাছেরা বিরল থেকে বিরলতম হয়ে উঠেছে।
ভালো থাকবেন।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

শংকর গুহ নিয়োগী ও ছত্তিশগড় মুক্তি মোর্চার আন্দোলন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের সংগ্রাম

October 7, 2026 No Comments

৫ অক্টোবর ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

২০২৬-এ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অপ্টোজেনেটিক্স আবিষ্কার ও তজ্জনিত গবেষণার জন্য।

October 7, 2026 No Comments

অত্যাধুনিক যন্ত্র বা রোবটের ক্রিয়াকলাপের দুটো অংশ থাকে। সেনসর আর অ্যাকচুয়েটর। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির খবর আসে সেনসরের মাধ্যমে – আর যন্ত্র সেই খবর অনুযায়ী কাজ করে

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হোক।

October 7, 2026 No Comments

লাল জামা, Shining টাক, Threat Culture নিপাত যাক’ অভয়া আন্দোলনের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত স্লোগান হয়ে উঠেছিল এইটা, এর কেন্দ্রে ছিল কুখ্যাত থ্রেট সিন্ডিকেট এর অন্যতম

বিচার চাওয়া কোনো অপরাধ নয়

October 6, 2026 No Comments

আমরা কেন গিয়ে অনুনয় করব – “আমাদের মামলা তুলে নিন”? প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার। অভয়ার ন্যায়বিচারের আন্দোলনে আমরা যে ক্ষুদ্র অংশটুকু নিতে

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।

October 6, 2026 No Comments

কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মী শামীম আহমেদের উপর বিজেপি-আরএসএস গুন্ডাদের আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাই। রাজ্যজুড়ে শাসকদলের গুন্ডারাজ ও ফ্যাসিবাদী কায়দায় হামলার বিরুদ্ধে

সাম্প্রতিক পোস্ট

শংকর গুহ নিয়োগী ও ছত্তিশগড় মুক্তি মোর্চার আন্দোলন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের সংগ্রাম

Doctors' Dialogue October 7, 2026

২০২৬-এ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অপ্টোজেনেটিক্স আবিষ্কার ও তজ্জনিত গবেষণার জন্য।

Dr. Bishan Basu October 7, 2026

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হোক।

West Bengal Junior Doctors Front October 7, 2026

বিচার চাওয়া কোনো অপরাধ নয়

West Bengal Doctors Forum October 6, 2026

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।

West Bengal Junior Doctors Front October 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

686559
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]