২৭ জুলাই, ২০২৬
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘ দিন ধরে চলা আন্দোলনের সংহতিতে গত ২৪ জুলাই বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির আহ্বানে শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি ঐতিহাসিক মিছিল সংগঠিত হয়। অগণিত মানুষের এই মিছিলে কিছু বিশেষ সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের হেনস্থার অভিযোগে গত কয়েকদিনে ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে যার মধ্যে ১৫ জনই একটি বিশেষ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনের ধারা দেওয়া হয়েছে। ২৭শে জুলাই বিকেলে ঘটনার পুনর্নির্মাণের নামে ধর্মতলায় অভিযুক্তদের খালি পায়ে হাঁটানো হয়। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এর নিন্দা করছি।
সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনা যেমন কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য বা অভিপ্রেত নয় তেমনই জনস্বার্থ এবং নিরপেক্ষতা বিসর্জন দিয়ে সরকারের নির্লজ্জ চাটুকারিতা সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে গণ্য হতে পারে না।
ডিম ছোঁড়া এবং তৃণমূলের গুণ্ডাদের নিজের এলাকায় কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানোর যে ভয়ঙ্কর আইনবিরুদ্ধ অগণতান্ত্রিক রীতি এই রাজ্যে শুরু হয়েছে, সেই রীতিকেই রাজ্যের সরকার বৈধতা দিতে চাইছে। পরিকল্পিত ভাবে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিষোদগার এবং দেশের আইন ও বিচার প্রক্রিয়াকে অগ্রাহ্য করে প্রতিহিংসামূলক পুলিশিরাজ প্রতিষ্ঠার প্রয়াস ধর্মনিরপেক্ষতা, মানবাধিকার এবং গণতন্ত্রের ভিতকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের রাজ্য সম্পাদক প্রকাশ্যে বিরোধী মতাবলম্বীদের শারীরিক নিগ্রহের হুমকি দিয়েছেন।
ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক নীতিগুলিকে পদদলিত করে ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে।










