Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

Screenshot_2026-07-28-21-16-17-36_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Debashish Goswami

Debashish Goswami

Mathematician, Essayist, Translator
My Other Posts
  • July 29, 2026
  • 7:20 am
  • No Comments

সহরচনাকারঃ পারমিতা দাশ

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি বিদ্যালয়ের  মিড ডে মিলের মেনুর বদল নিয়ে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে। নতুন সরকার মিড  ডে মিলের জন্যে বরাদ্দ অর্থ  বেশ কিছুটা বাড়িয়েছেন দেখে কেউ কেউ ভেবেছিলেন, শিশুদের পাতে হয়তো সপ্তাহে এক দিনের বদলে দুই বা তিন দিন ডিম দেওয়া  হবে, আগামীতে দক্ষিণের একাধিক রাজ্যের মতো সপ্তাহে ৫ দিন করে দেওয়ার  স্বপ্নও  জেগে উঠছিলো কারো কারো মনে।  কিন্তু জানা গেলো, ডিম উধাও হয়ে সম্পূর্ণ নিরামিষ মেনু চালু হবে।  আমিষ বনাম নিরামিষ নিয়ে পুষ্টিবিজ্ঞান ও রাজনীতির নানা দৃষ্টিকোণ থেকে বহু বিশেষজ্ঞ সংবাদপত্র ও অন্য মাধ্যমে আলোচনা, তর্ক বিতর্ক শুরু করেছেন, তার মধ্যে গত ৮ই জুলাই আনন্দবাজার পত্রিকায় গৌতমকুমার পালের  `আসল প্রশ্ন রইল আড়ালে’ শীর্ষক প্রবন্ধে এক অভিনব নৈতিক যুক্তির অবতারণা করা হয়েছিল (৯), আর সেই যুক্তি খণ্ডন করে বর্তমান নিবন্ধের দ্বিতীয় লেখকের আরেকটি লেখা (১০) অতি সম্প্রতি একই  সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে।  বর্তমান নিবন্ধ এই যুক্তিগুলি  আরো বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ তথ্যসূত্র সহ আলোচনা করার  করার পাশাপাশি খাদ্য নিয়ে বিজেপি-আরএসএস এর ফ্যাসিবাদী রাজনীতির বিশ্লেষণ করার প্রয়াস।
গাণিতিক পরিভাষার আড়ালে (৯) এর লেখকের মূল যুক্তি, মিড ডে মিলে এমন খাবার দিতে হবে যা সবার জন্যে গ্রহণযোগ্য। আপাত ভাবে এর সঙ্গে সহমত না হওয়ার কারণ নেই, কিন্তু মুশকিল হল, লেখক যে ছেদ বা intersection এর কথা বলেছেন তা  আসলে  ফাঁকা (empty set), কারণ যেকোন খাবারেই কোন না কোন মানুষের এলার্জি আছে।  মান্য তথ্যসূত্র (১) অনুযায়ী  ডিম, দুগ্ধজাত খাবার, সয়াবিন, ডাল,  বাদাম জাতীয় খাবার ইত্যাদি প্রায় প্রতিটি পরিচিত খাদ্য খেতে  সমস্যা হবে এরকম শিশুর সংখ্যা নগণ্য নয়। সুতরাং বিশুদ্ধ যুক্তির নিরিখে সর্বজনীন খাবার বলে কিছু থাকা সম্ভব নয়, অর্থাৎ যাই দেওয়া হোক না কেন কিছু সংখ্যক শিশুর জন্যে বিকল্প ব্যবস্থা রাখতেই হবে। লেখকের যুক্তির তাত্ত্বিক কাঠামো এইখানেই সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ হয়ে যায়।  সাদামাটা সহজ কথাকে অঙ্কের জটিল মোড়কে পেশ করার আসল কারণ বোধহয় লেখক নিজেও তাঁর যুক্তির ভিত্তিহীনতা সম্মন্ধে সম্পূর্ণ অবহিত, কিন্তু রাজশেখর বসুর `চিকিৎসা সংকট’ গল্পের ডাক্তারের মতো `পেটে ডিফারেনশিয়াল ক্যালকুলাস’ জাতীয় ভীতিপ্রদ পারিভাষিক শব্দের ধাক্কায় পাঠককে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছেন ! গণিত তথা জ্ঞান বিজ্ঞানের যেকোনো শাখায় নতুন কোনো তত্ত্ব বা সংজ্ঞা (definition) উপস্থাপনার  আগে তার অন্তত একটি উদাহরণ দিতে হয়, না হলে তা মান্যতা পায় না। লেখকের কল্পিত সর্বজনীন মেনু এরকমই এক অলীক প্রস্তাবনা।
 বাস্তবে আসল প্রশ্ন  খাদ্য এবং শিক্ষার মৌলিক অধিকারের সঙ্গে জড়িত এবং মিড ডে মিলের উপযোগিতা এই দুয়ের সমন্বয় সাধন করে শিশুদের বিদ্যালয়ের দিকে আকৃষ্ট  করা,   তাই  মেনু হওয়া উচিত আঞ্চলিক খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এই কারণে পশ্চিমবঙ্গবাসীর স্বাভাবিক খাদ্যাভাস নিয়ে একটু তলিয়ে ভাবা দরকার। NFHS-5 প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নিরামিষাশী মানুষের সংখ্যা সমগ্র জনসংখ্যার প্রায়  ০.৭% মাত্র (২)।  স্কুল পড়ুয়া শিশুদের মধ্যে এই অনুপাত আরো অনেকটা কম হওয়ার কথা, কারণ নিরামিষাশীদের মধ্যে রক্ষণশীল হিন্দু পরিবারের বিধবা এবং বেশ কিছু বয়স্ক মানুষকে ধরা হয়েছে, যাঁরা ধর্মীয় (যেমন দীক্ষাপ্রাপ্ত হয়ে আমিষ ত্যাগ করা)  বা স্বাস্থ্যগত কারণে শাকাহারী হলেও তাঁদের পরিবারের ছোটদের আমিষ গ্রহণে বাধা নেই। এছাড়া নিজেকে নিরামিষাশী বলে পরিচয় দেন এমন অনেকেও অন্তত ডিম খান। অনেক বাড়িয়ে হিসেব করলেও মিড ডে মিল গ্রহণকারী শিশুদের মধ্যে বিশুদ্ধ নিরামিষাশীর অনুপাত ০.৩ % এর বেশি হতে পারে না, মানে গড়ে প্রতি ২০০ জনে  মাত্র একজন। এর সঙ্গে ডিমে এলার্জির অনুপাত (০.২%) ধরলে দাঁড়ায় ০.৫% বা প্রতি ২০০ জনে একজনের জন্যে আলাদা ব্যবস্থা রাখতে হবে।

অন্যদিকে, পনীর ভিত্তিক মেনুর ক্ষেত্রে আলাদা আয়োজন করতে হবে সেই সব শিশুদের জন্যে, যাদের  মিল্ক এলার্জি আর ল্যাকটোজ  ইন্টলারেন্স – এ দুয়ের মধ্যে কোনো একটি সমস্যা আছে।  ভারতীয় জনগোষ্ঠীর এক বিপুল অংশ কমবেশি ল্যাকটোজ ইন্টোলেরান্সে ভোগেন, উত্তর ভারতের স্কুল পড়ুয়া শিশুদের মধ্যে এই অনুপাত আনুমানিক  ৩০% বা তার বেশি, তার মধ্যে জিনগত বৈষম্যের কারণে পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে সেটা আরো বহুগুণ বেশি (৩, ৫, ৮)।এদের সবার  না হলেও অন্তত একটা অংশের পনীর হজম করতে অসুবিধা হবে।   তার সঙ্গে ধরতে হবে আরো ০.৪-০.৫% যাদের মিল্ক এলার্জি আছে।  এক কথায় বলতে গেলে, পনীর ভিত্তিক মেনুর ক্ষেত্রে ডিম-ভিত্তিক মেনুর তুলনায় কয়েক গুণ বেশি সংখ্যক শিশুর জন্যে বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে।

সয়াবিন বা রাজমার ক্ষেত্রে এলার্জির হার তুলনামূলক ভাবে কম বলে বিকল্প ব্যবস্থার দরকার হয়তো ডিম-ভিত্তিক মেনুর মতোই, ১% এর কম।  কিন্তু সংখ্যার হিসেবে  একই রকম ব্যবহারিক সুবিধে থাকলেও খাদ্যগুণ এবং বাঙালি স্বাদ ও রুচির বিচারে ডিম সয়াবিন বা  রাজমাকে গুনে গুনে দশ গোল দেবে ! সয়াবিন যতই প্রোটিন-সমৃদ্ধ হোক, বড়ি বা chunk হিসেবে যে প্রসেস্ড আকারে তা পাওয়া যায় তা বেশি পরিমানে হজম করা সহজ নয় আর বাঙালি শিশুর অনভ্যস্ত জিভে তা ডিমের তুলনায় বিস্বাদ।  পুষ্টিবিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও,  ডিম  প্রাণীজ প্রোটিন বলে  এর মধ্যে এমন কিছু অপরিহার্য অ্যামিনো আসিড, আয়রন,  এন্টি অক্সিড্যান্ট, মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক কোলিন, DHA   এবং ভিটামিন (A, D, E, B12) আছে যার জন্য ডিমকে সুষম আর  পরিপূর্ণ পুষ্টির (complete protein) উৎস বলে মনে করা হয় । এখনো মনে আছে অপুষ্টি নির্মূল করার জন্য আশির দশকের জনমাধ্যমে সরকারী প্রচার – সানডে হো ইয়া মানডে রোজ খাও অন্ডে’। ডিম আঞ্চলিক রুচির সাপেক্ষে সবচেয়ে জনপ্রিয় (বিশেষত শিশুদের কাছে) এবং একই সঙ্গে সুলভ প্রোটিনের উৎস; আর তাই ডিম খেতে বাধা নেই এরকম শিশুর জন্যে পুষ্টিবিজ্ঞানের বিচারে এর থেকে ভালো প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার হয় না।

মিড ডে মিল কর্মীদের বদলে ইস্কনের মতো সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার ফলে এক বিপুল সংখ্যক নিম্নবিত্ত মহিলার রুটিরুজির ওপরও সরাসরি আঘাত হানা হয়েছে, যা PM-POSHAN স্কিমের (৭) অন্যতম ঘোষিত উদ্দেশ্য মহিলা স্বনির্ভরতার পরিপন্থী । উক্ত স্কিমের অপর একটি লক্ষ্য হল জাতিগত বিভাজন ভুলে সব শিশু যাতে একসাথে বসে খাদ্য গ্রহণ করে সেবিষয়ে সচেষ্ট থাকা। কিন্তু ইস্কনের মেনুতে যা থাকে তা হলো পেঁয়াজ রসুন বিবর্জিত তথাকথিত `সাত্ত্বিক’  খাবার, যা কতিপয় উচ্চবর্ণের হিন্দু ও জৈন ধর্মাবলম্বী মানুষের খাদ্যাভ্যাস, যার  বিপরীতে আছে তামসিক খাদ্য, এবং যাঁরা তা গ্রহণ করেন তাঁরা সমাজের নিম্নবর্গের মানুষ বলে পরিগণিত হন। এইভাবে বর্ণ রাজনীতিকে সরাসরি শিশুদের খাবারের থালায় নিয়ে আসা হয়েছে (৬)।

 ভারতের যে রাজ্যগুলিতে নিরামিষাশীর হার পশ্চিমবঙ্গের মতোই অল্প, সেখানে মিড ডে মিলে ডিমই দেওয়া হয়, যেমন তামিলনাডু (২%), অন্ধ্রপ্রদেশ (২%), এমনকি অধুনা বিজেপি শাসিত ওড়িশা (৩%),  যেখানে ইস্কন সাধারণ ভাবে এই মিলের দায়িত্ত্বে থাকলেও আলাদা ভাবে ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে (৪) । এটাই স্বাভাবিক এবং যুক্তিসঙ্গত, কারণ ৯৯% এর বেশি মানুষ যা খেতে পছন্দ করে সেটাকে মূল মেনুতে রেখে বাকিদের জন্যে বিকল্পের আয়োজন করাই উচিত।  এটা সংখ্যাগরিষ্ঠের খাদ্যাভ্যাস সংখ্যালঘুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং  একেবারে হাতে গোনা, মুষ্টিমেয় (২০০ তে ১ বা দেড় জন!) ব্যতিক্রমের জন্যে সযত্নে অন্য ব্যবস্থা করা।  ভারতের  যে  রাজ্যগুলোয়  সিংহভাগ মানুষ শাকাহারী, যেমন উত্তর প্রদেশ (৪৭% নিরামিষভোজী), মধ্যপ্রদেশ (৫০%),  রাজস্থান (৭৫%) ইত্যাদি, সেখানে হয়তো নিরামিষ মেনু উপযুক্ত ও সঠিক, কিন্তু কোনো ভাবেই পশ্চিমবঙ্গে নয়। নতুন সরকারের  বাজেটে  সরকারি স্কুলের মিড ডে মিল প্রকল্পে বরাদ্দ টাকার (দিনপিছু, মাথাপিছু) অঙ্ক ছয়টাকা থেকে বাড়িয়ে দশ টাকা করা হয়েছে, তার  সদ্ব্যবহার করা যেত সপ্তাহে এক দিন থেকে বাড়িয়ে দুই বা তিন দিন ডিম দিয়ে, আর আগামীতে তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রের মত সপ্তাহে ৫ দিন ডিম দেওয়ার লক্ষ্য রেখে।

এ সব জেনে বুঝেও আমাদের  রাজ্যে নিরামিষ মেনু চালু করার উদ্যোগ  আসলে বিজেপি-আরএসএস এর শক্তিকেন্দ্র গোবলয়ের খাদ্যাভ্যাসকে বাঙালির ওপর জোর করে চাপানোর চেষ্টা।  মাছ হাতে নিয়ে বিজেপি প্রার্থীরা  বিধানসভা ভোটের প্রচার করেছিলেন  কি বাঙালীকে এই ভবিতব্য ভুলিয়ে রাখার জন্য?  মনগড়া ইউনিভার্সাল খাদ্যের মতোই এক অলীক, নিরেট হিন্দুত্বের ফ্যাসিবাদী নির্মাণ ও তাকে সারা দেশের চেতনা ও সংস্কৃতির ওপর চাপিয়ে দেওয়ার  যে ষড়যন্ত্র চলছে কর্পোরেট পুঁজিবাদের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে, পশ্চিমবঙ্গের মিড ডে মিল এর নতুন ব্যবস্থাকে তার অংশ হিসেবে চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: 

১) https://www.foodallergy.org/resources/facts-and-statistics

২) https://www.cnbctv18.com/photos/travel/food-and-drinks/top-10-meat-consuming-states-in-india-can-you-guess-which-is-no-1-19534494-10.htm

https://indiadatamap.com/2026/02/09/2026-india-vegetarian-population-by-state/

৩) Am J Clin Nutr 1981 May;34(5):943-6. doi: 10.1093/ajcn/34.5.943.

৪) https://www.thehindu.com/education/as-bengal-drops-eggs-from-mid-day-meals-tamil-nadu-and-odisha-show-another-way/article71149699.ece

৫)  Herders of Indian and European Cattle Share Their Predominant Allele for Lactase Persistence

August 2011  Molecular Biology and Evolution 29(1):249-60 DOI: 10.1093/molbev/msr190

৬)   https://www.inuth.com/news/is-there-a-casteist-history-behind-no-onion-no-garlic-food/

 ৭)   https://pmposhan.wb.gov.in/about

৮) আমিষ `আউট’, প্রসাদ `ইন’- মিড্ ডে মিলের রাজনীতি: ১ম ও ২য় পর্ব, অরিজিৎ মুখার্জী, মার্ক্সবাদী পথ    (https://marxbadipath.org/article/politics%2Dof%2Dmid%2Dday%2Dmeal/886)

৯) `আসল প্রশ্ন রইলো আড়ালে’, গৌতম কুমার পাল, আনন্দবাজার পত্রিকা, ৮-ই জুলাই  ২০২৬

১০) `ডিমের চেয়ে ভালো আর কী ‘, দেবাশিস গোস্বামী, আনন্দবাজার পত্রিকা, ২৪ জুলাই ২০২৬

PrevPreviousস্বৈরাচারের এক অনন্য নিদর্শন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের
Nextফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছেNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নিরন্তর ভরসা জোগায়

September 20, 2026 No Comments

কথার গভীরতা মাপতে গিয়ে কবে যে গভীর জলের মাছ হয়ে গেছি, সে সবের কিছুই আর মনে পড়ে না। খুঁজি, আর অনুভব করি, এই সব পূর্ব

তারাদের কথা

September 20, 2026 No Comments

★ মা বলতো, ‘দূর বোকা, মরব কেন? আকাশে চলে যাব। টিপ টিপ করে জ্বলব। জ্বলতেই থাকব।’ আমার প্রায় নাস্তিক বাবা ধমকে উঠত, ‘এই সব ভুলভাল

বনতল সাদা ফুলে ফুলে ঢাকা: হারিয়ে যাওয়া ইছামতী এবং বিভূতিভূষণের খোঁজে

September 20, 2026 No Comments

(এক) তাঁকে স্মরণ এবং প্রণাম “ইছামতী একটি ছোট নদী। অন্তত যশোর জেলার মধ্য দিয়ে এর যে অংশ প্রবাহিত, সেটুকু। দক্ষিণে ইছামতী কুমির – কামট –

ছত্তিশগড় শ্রমিক আন্দোলন ও শহীদ শংকর গুহ নিয়োগী স্মরণ

September 19, 2026 No Comments

বই প্রকাশ (তিনটি) ও তথ্যচিত্র প্রদর্শন  Book release(two books) and Documentary film show স্থান : রামমোহন লাইব্রেরী (সুকিয়া স্ট্রীট ও এ.পি.সি. রোডের সংযোগ স্থল)  ২৮

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ চাই। ভয়মুক্ত ক্যাম্পাস চাই।

September 19, 2026 No Comments

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এন আর এস মেডিক্যাল কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের লড়াইয়ের প্রতি সংহতি জানাই। একটি মেডিক্যাল কলেজ শুধু ক্লাস, পরীক্ষা, হোস্টেল আর হাসপাতালের

সাম্প্রতিক পোস্ট

নিরন্তর ভরসা জোগায়

Dr. Bishan Basu September 20, 2026

তারাদের কথা

Dr. Arunachal Datta Choudhury September 20, 2026

বনতল সাদা ফুলে ফুলে ঢাকা: হারিয়ে যাওয়া ইছামতী এবং বিভূতিভূষণের খোঁজে

Bappaditya Roy September 20, 2026

ছত্তিশগড় শ্রমিক আন্দোলন ও শহীদ শংকর গুহ নিয়োগী স্মরণ

Doctors' Dialogue September 19, 2026

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ চাই। ভয়মুক্ত ক্যাম্পাস চাই।

West Bengal Junior Doctors Front September 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

678092
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]