Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

২০২৬-এ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অপ্টোজেনেটিক্স আবিষ্কার ও তজ্জনিত গবেষণার জন্য।

2026 medicine nobel
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • October 7, 2026
  • 6:25 am
  • No Comments
অত্যাধুনিক যন্ত্র বা রোবটের ক্রিয়াকলাপের দুটো অংশ থাকে। সেনসর আর অ্যাকচুয়েটর। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির খবর আসে সেনসরের মাধ্যমে – আর যন্ত্র সেই খবর অনুযায়ী কাজ করে অ্যাকচুয়েটরের মাধ্যমে। জীবের কোষের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা অনেকটা একই।
যন্ত্রের ক্ষেত্রে তার ক্রিয়াকলাপ আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, কোষের ক্ষেত্রে পারি না। কোষের কাজকর্ম বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না তো বটেই, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেয়াড়া দেহকোষ এমন কাজকর্ম করে যাতে সংশ্লিষ্ট প্রাণীটিই বিপদে পড়ে যায়।
ক্যানসার কোষের কথাই ধরুন না – শরীরের নিজেরই একখানা কোষ এমন বিগড়ে গেল যে সে আর পাঁচটা কোষের কথা না ভেবে সম্পূর্ণ নিজের খেয়ালখুশিমতো আচরণ করতে থাকল এবং কিছুতেই শরীরের বাকি অংশের কথা শুনল না। কেমন হয়, যদি তাকে কান ধরে সিধে করা যেত? ডাক্তারবাবু যেমন বলবেন, বাধ্য ছেলেটি হয়ে এমনকি ক্যানসার কোষও যদি সেই কথা মানত?
কষ্টকল্পনা মনে হচ্ছে? একদম ঠিক ভেবেছেন। কিন্তু অপ্টোজেনেটিক্স ঠিক সেই সম্ভাবনার দরজাই খোলার চেষ্টা করছে। শুরুতে যে কথা বললাম, অপ্টোজেনেটিক্সের মাধ্যমে ওই সেনসর বা অ্যাকচুয়েটর, দুদিক থেকেই কোষের ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
অপ্টোজেনেটিক্স। অর্থাৎ অপটিক্স আর জেনেটিক্সের মেলবন্ধন।
কোষের নিউক্লিয়াসে যে ডিএনএ থাকে – কোষের ক্রিয়াকলাপ প্রকাশিত হয় বিভিন্ন প্রোটিনের মাধ্যমে, কোন্‌ প্রোটিন তৈরী হবে সেই চিঠিটি আদতে আরএনএ এবং সেই চিঠি লেখা হয় ডিএনএ-র আদল অনুসারে – অর্থাৎ কোষের ক্রিয়াকলাপের মূল বলতে ডিএনএ – সেই ডিএনএ-র মধ্যে যদি এমন বার্তা ঢুকিয়ে দেওয়া যায়, যাতে তা বিশেষ আলোকসংবেদী প্রোটিন তৈরী করবে, যে প্রোটিন তৈরী হওয়ার পর কোষটিকেই বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে স্রেফ সুনির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকরশ্মি দ্বারা? আবার নিয়ন্ত্রণ এমন নিখুঁত ও নিপুণ হবে যাতে উদ্দিষ্ট কোষটি বাদে আর কোনও কোষ, এমনকি পাশের কোষটিরও, ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না? হ্যাঁ, অপ্টোজেনেটিক্স ঠিক এই কাজটাই সম্ভব করে ফেলেছে।
শুরুটা হয়েছিল নিউরোসায়েন্স দিয়ে। কিছু নার্ভকোষের মধ্যে আলাদা করে আলোকসংবেদী প্রোটিন তৈরীর ব্যবস্থা করে বিশেষ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দিয়ে সংশ্লিষ্ট কোষকে জাগিয়ে তোলা। গত শতকের শেষ দিক অব্দিও কাজটা অসম্ভব মনে হতো – কিন্তু বিগত তিন-চার দশকে মলিকিউলার বায়োলজি ও জেনেটিক্সের গবেষণা এতদূর এগিয়েছে যে এখন এ কাজ খুবই সম্ভব, ইন ফ্যাক্ট গবেষণাগারে কাজটা সম্ভব হয়ে গিয়েছে দুই দশকেরও বেশী সময় আগেই।
অপ্টোজেনেটিক্সের সম্ভাব্য প্রয়োগ নিয়ে বিপুল গবেষণা চলছে ক্যানসার-গবেষণার প্রতি ক্ষেত্রেই। ক্যানসার কীভাবে হয়, কীভাবে তা ছড়িয়ে পড়ে, কীভাবে ক্যানসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, কীভাবে ক্যানসার-আক্রান্ত কোষকে আর পাঁচটা সুস্থ কোষের থেকে আলাদা করে চেনা যায়, পাশের সুস্থ কোষদের বাঁচিয়ে আক্রান্ত কোষটিকে কীভাবে ধ্বংস করা যায় – অপ্টোজেনেটিক্স প্রয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই।
যেমন ধরুন, ক্যানসার-চিকিৎসার অত্যাধুনিক ইমিউনোথেরাপি। উদাহরণ হিসেবে তার অন্যতম একটি ধরনের কথা বলা যাক – CAR-T Cell Therapy. বিশেষ এক প্রক্রিয়াজাত শ্বেত রক্তকণিকা দিয়ে রক্তের বিশেষ কিছু ক্যানসারের চিকিৎসা হয়। কিন্তু মুশকিল হলো, রোগাক্রান্ত কোষ মারতে গিয়ে প্রক্রিয়াজাত রক্তকণিকা যা যা নিঃসরণ ঘটায়, তা হামেশাই বিপদের কারণ হয়ে ওঠে। কেমন হয়, যদি বাইরে থেকে ওই প্রক্রিয়াজাত রক্তকণিকাটিকে প্রয়োজনমতো নিয়ন্ত্রণ করা যায়? বাড়াবাড়ি করলে যদি তাকে বলে দেওয়া যায়, বাপু হে, যথেষ্ট হয়েছে, আপাতত একটু ক্ষান্ত দাও? এই মুহূর্তে অপ্টোজেনেটিক্স সেই গবেষণা করছে!
ক্যানসারের জৈবিক লক্ষণ বা হলমার্ক বলতে যা যা, অপ্টোজেনেটিক্সের প্রয়োগের সম্ভাবনা তার সবকটি ক্ষেত্রেই আছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই গবেষণা জারি আছে। ক্যানসার কোষের বাড়বাড়ন্ত নিয়ন্ত্রণ, ক্যানসার বেড়ে ওঠার সময় রক্তবাহী নালীর বাড়বাড়ন্ত (যা দ্রুত ক্রমবর্ধমান ক্যানসারকে পুষ্টি জোগায়) তা নিয়ন্ত্রণ, শরীরের এক জায়গা থেকে আরেক অংশে ছড়িয়ে পড়ে সেখানে গুছিয়ে বসার সময় ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, কোষের স্বাভাবিক মৃত্যুকে জয় করে ক্যানসার কোষের যে বাড়তি আয়ুপ্রাপ্তি তা নিয়ন্ত্রণ, ক্যানসার কোষের পরিপাক-বিপাক নিয়ন্ত্রণ, শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ-ব্যবস্থাকে ধোঁকা দেওয়া ক্ষেত্রে ক্যানসার-কোষের যে পটুত্ব তা নিয়ন্ত্রণ – নিয়ন্ত্রণের প্রতিটি সম্ভাব্য ক্ষেত্রেই অপ্টোজেনেটিক্সের গবেষণা চলছে।
ও হ্যাঁ, আচমকা এতশত কথা কেন?
এই বছর তিন বিজ্ঞানীর ঝুলিতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার এলো অপ্টোজেনেটিক্স আবিষ্কার ও তজ্জনিত গবেষণার সুবাদে।
বিজ্ঞানীদের দুজন, পিটার হেগেম্যান ও জর্জ ন্যাগেল, জার্মানির – একজন, কার্ল ডেইজেরথ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির হিসেবে তৃতীয়জন একেবারেই তরুণ – বয়স মাত্র চুয়ান্ন-পঞ্চান্ন। তিনজনের গবেষণা, মূলত, নিউরোসায়েন্স ঘিরে – অপ্টোজেনেটিক্সের প্রাথমিক বিকাশ ও প্রয়োগ ওই ক্ষেত্রেই।
কিন্তু, আগামী দিনে, অদূর ভবিষ্যতে না হলেও অনতিদূর ভবিষ্যতে, ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে অপ্টোজেনেটিক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। নিতেই পারে।
PrevPreviousস্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হোক।
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হোক।

October 7, 2026 No Comments

লাল জামা, Shining টাক, Threat Culture নিপাত যাক’ অভয়া আন্দোলনের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত স্লোগান হয়ে উঠেছিল এইটা, এর কেন্দ্রে ছিল কুখ্যাত থ্রেট সিন্ডিকেট এর অন্যতম

বিচার চাওয়া কোনো অপরাধ নয়

October 6, 2026 No Comments

আমরা কেন গিয়ে অনুনয় করব – “আমাদের মামলা তুলে নিন”? প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার। অভয়ার ন্যায়বিচারের আন্দোলনে আমরা যে ক্ষুদ্র অংশটুকু নিতে

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।

October 6, 2026 No Comments

কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মী শামীম আহমেদের উপর বিজেপি-আরএসএস গুন্ডাদের আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাই। রাজ্যজুড়ে শাসকদলের গুন্ডারাজ ও ফ্যাসিবাদী কায়দায় হামলার বিরুদ্ধে

গুণ্ডামি অথবা ‘অভয়া’ ধর্ষণ: বিজেপি-র কাছে সুবিচার আশা করা যায় তো!

October 6, 2026 No Comments

(এক) সংসদবাদী রাজনীতির জগতে এক অদ্ভুত হাস্যকর কারবার চলছে! যুগযুগ ধরে যে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক অবস্থার জন্য বাংলায় তথা ভারতবর্ষে সবরকম সমস্যার জন্ম ও বৃদ্ধি, সেই একই

নেপালে চিকিৎসা ত্রাণে ২

October 5, 2026 No Comments

একটা কাদার দৈত্য/রাক্ষস। বিকট, বড়, ঘন কাদার রাক্ষস ছুটে আসছিল। আমি ঐটুকু দেখেই প্রাণ নিয়ে সামনের পাহাড়ের উপর দৌড়ে চড়তে থাকি। চড়তেই থাকি। এতটা ছুটে

সাম্প্রতিক পোস্ট

২০২৬-এ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অপ্টোজেনেটিক্স আবিষ্কার ও তজ্জনিত গবেষণার জন্য।

Dr. Bishan Basu October 7, 2026

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হোক।

West Bengal Junior Doctors Front October 7, 2026

বিচার চাওয়া কোনো অপরাধ নয়

West Bengal Doctors Forum October 6, 2026

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।

West Bengal Junior Doctors Front October 6, 2026

গুণ্ডামি অথবা ‘অভয়া’ ধর্ষণ: বিজেপি-র কাছে সুবিচার আশা করা যায় তো!

Dipak Piplai October 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

686529
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]