ছবিটা এখন অক্সফোর্ডে বসে তুললাম। ২০২৬। এই দেশ ছেড়েছিলাম ২০১২তে। বউ, বাচ্চা,চারটে সুটকেস আর অল্প ব্যাংক ব্যালেন্স ছাড়া কী নিয়ে গেছিলাম এ দেশ থেকে। NHSএ কাজ করার দশ বছরের অভিজ্ঞতা।
কী শিখেছিলাম?
‘ কল ফর হেল্প ‘। সবকিছু একা করতে যেও না কারণ পারবেনা। সাহায্যের জন্য ডাকো, অন্য কেউ ডাকলে তার পাশে দাঁড়াও।সবাই মিলে একটা কাজ সহজে করা যাবে সেটা একা করতে গেলে ছড়িয়ে যাবে। ডাক্তারি টিম ওয়ার্ক, একা হিরো সাজার কোন দরকার নেই।
কিভাবে’ ব্যাড নিউজ’ রোগীকে বা তার আত্মীয়কে দিতে হবে। তাদের পাশে বা নিচুতে বসে, দরকার হলে হাত ধরো চোখের উপর চোখ রেখে সেই খবরটা দাও। থামো। সে যদি কাঁদে কাঁদার সময় দাও।জিজ্ঞেস করো সে জল খাবে কিনা বা টিস্যু পেপারটা দাও চোখ মোছার জন্য। এই সময় তুমিই তার সব থেকে আপনজন।পরবর্তীকালে কী কী করতে হবে সবকিছু একেবারে জানিয়ে দেওয়া। এটা কোন পরীক্ষায় পাস করার অভিনয় নয় এটাই সহমর্মিতা।
যত কম পারো ওষুধ দাও। অপারেশন করার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করো সত্যিই কী অপারেশনটা করার দরকার আছে। ‘আমার মনে হয় এটা ভালো’, এইভাবে চিকিৎসা হয় না এভিডেন্স কী বলছে সেটাকে ফলো করো। রোগীকে সব ইনফরমেশন দাও তাকেই ঠিক করতে দাও সে কি করতে চায়। রোগীর কোন সিদ্ধান্তকে বিচার করতে যেও না ।কারণ তার পরিস্থিতিতে সে যেটা মনে করছে ওটাই হয়তো ঠিক।
বিত্তটা মধ্য থাকলেও ক্ষতি নেই চিন্তাটা উচ্চ হোক। আমাদের আসল বাঙালিয়ানা।









