Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

২৫ শে জুলাই, ২০২৫ অনুষ্ঠিত গণ কনভেনশনের প্রস্তাবনা

IMG-20250726-WA0105~2
Abhaya Mancha

Abhaya Mancha

A joint platform of more than 100 organisations seeking Justice for Abhaya
My Other Posts
  • July 27, 2025
  • 8:22 am
  • No Comments

প্রিয় সাথী,
এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আমাদের রাজ্য চলেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ও কর্মসংস্থানসহ সব ক’টি ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য। নজিরবিহীন দুর্নীতি আর লুটের করাল গ্রাসে রাজ্যের জনগণ। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীর চাকরি বাতিল। প্রতিদিন রাজ্যের কোন না কোন প্রান্তে নারীরা ধর্ষিতা, তারপর হত্যা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদালতের রায় বা প্রায় সর্বক্ষেত্রে অভিযোগের তীর শাসক রাজনৈতিক দলের কর্মীদের দিকে। শাসক, দুর্নীতি, দুষ্কৃতী নেক্সাস দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। অপরাধীদের অভয়ারণ্য এখন তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গ।

২০১২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী পার্ক স্ট্রীটের রাস্তায় রাতের অন্ধকারে গাড়ির মধ্যেই ধর্ষিতা হন সুজেট জর্ডান নামে এক তরুণী। নির্যাতিতার অভিযোগ প্রথমে পুলিশ নিতে চায়নি। ১৬ ফেব্রুয়ারী মহাকরণে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী এটাকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে আখ্যায়িত করেন। ‘সাজানো ঘটনা’র তত্ত্ব খারিজ করে তদানীন্তন গোয়েন্দা প্রধান দময়ন্তী সেন ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১২ জানিয়ে দেন সুজেট জর্ডান গণধর্ষণের শিকার। তিন অভিযুক্তকে ধরা হয়। তারপরেই ৪ এপ্রিল, ২০১২ দময়ন্তী সেনকে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম)পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আরো বিস্ময়কর যে সরকারী আইনজীবী ১১ ডিসেম্বর, ২০১৫ আদালতে অভিযুক্ত তিনজনের সর্বোচ্চ শাস্তি যাতে না হয় তার আবেদন করেন।
২০১২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী,আমোদপুর – কাটোয়া ট্রেন থেকে নামিয়ে মেয়ের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে এক বিধবা মহিলাকে ধর্ষণ করে কয়েকজন দুষ্কৃতী। অভিযোগকারিনী ও তার মেয়ে তিনজনকে চিনিয়েও দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন “সরকারকে অপদস্ত করার জন্য ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে”। ফলে, ২৭ নভেম্বর,২০১৫ প্রমাণের অভাবে সব অভিযুক্তরা বেকসুর ছাড়া পেয়ে যায়।

২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙ্গা স্টেশনে তরুণ শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে খুন করে শাসকদলের ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা। তিনি গাইঘাটার সুটিয়ায় মহিলাদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে ও দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন। ২০১২ সালের ৮ মার্চ, উত্তর ২৪ পরগনার বিশরপাড়ায় দোলের দিন রং মাখানোর অজুহাতে ‘ভাগ্নীর শ্লীলতাহানি’ করা হচ্ছে দেখে চুপ থাকতে পারেননি পুলিশ কনস্টেবল অসীম কুমার দাম। রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। তাকে হকি স্টিক দিয়ে পিটিয়ে,ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে বাড়ির সামনে ফেলে রাখা হয়। ১১ ই মার্চ,২০১২ হাসপাতালে অসীম দামের মৃত্যু হয়। তারপর কামদুনি,কাটোয়া, কাকদ্বীপ, সাত্তোর, ধুপগুড়ি থেকে আর জি কর হয়ে বালিগঞ্জ ল’ কলেজ — নারী নির্যাতন, ধর্ষণের ধারাবাহিক মিছিল। রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী নারী নির্যাতনের এমন সব কলঙ্কজনক ঘটনা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ দূরের কথা, মহিলাদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা থেকে ‘ছোট্ট ঘটনা’, ‘সাজানো ঘটনা’ ইত্যাদি বলে দুষ্কৃতীদের আড়াল করেছেন। উদ্দেশ্য স্পষ্ট, দুষ্কৃতীদের উৎসাহিত করে ধারাবাহিক ক্ষমতায় থাকা আর সেই সূত্রে দুর্নীতি আর লুটের রাজত্ব কায়েম করা। আর এক্ষেত্রে নারী শরীর, তাকে ব্যবহার করতেও কুন্ঠিত বোধ করেনি শাসক।

তবু, সব কিছুকে হার মানিয়েছে ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আর জি কর হাসপাতালে তরুণী পিজিটির গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কর্মরত চিকিৎসকের প্রতি এই মর্মান্তিক ঘটনায় রাজ্য, দেশ এবং দুনিয়া শিউরে ওঠে। এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক হত্যা। এই হত্যায় রাষ্ট্র, তার ব্যবস্থা সরাসরি জড়িত। ১৪আগষ্ট, ২০২৪ ‘মেয়েদের রাত দখল’ ইতিহাস তৈরী করে। সারা পৃথিবীর বড় বড় দেশের প্রায় ১০০ টি স্থানে বিক্ষোভ সংঘটিত হয়। দেশে-বিদেশে জনগর্জন লাগাতার রাত দখল এবং রাস্তায় প্রতিবাদী জনতার প্লাবনকে ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধে রবি ঠাকুরের ‘রাখি বন্ধন’ বা ‘৪২ এর ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের সঙ্গেই তুলনা করা যেতে পারে। কলকাতা উচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলার তদন্তভার গিয়ে পড়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই এর উপর। কিন্তু ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয় সিবিআই রাজ্য পুলিশের তদন্তের যে ফলাফল তার ওপর নির্ভর করে এগোচ্ছেন। ফলে ক্রমশ প্রহসনে পরিণত হতে থাকে এই তদন্ত প্রক্রিয়া। এখনও বিষয়টি কলকাতা উচ্চ আদালতের বিচারাধীন। সিবিআই এর ভূমিকায় হতাশ অভয়া’র পরিবার সহ বাংলার মানুষ, দুনিয়ার প্রতিবাদী মানুষ। প্রতিবাদী মানুষের মধ্যে বিশ্বাস জন্ম নিয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্যের অবস্থানকারী শাসকের মধ্যে ‘সেটিং তত্ব’।

২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর সরকারী বিসর্জন কার্নিভালের দিন আমাদের দ্রোহের কার্নিভাল সংঘটিত হয়। উচ্চ আদালতে মামলা করে অনুমতি পেতে হয়। ৮০ টিরও বেশী সংগঠন দ্রোহের কার্নিভালে যুক্ত হন। তারপর এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে ২৮ অক্টোবর, ২০২৪ অ্যাকাডেমী অফ ফাইন্ আর্টসের সভাগৃহ থেকে অভয়া মঞ্চ গঠিত হয়। সেই সভা থেকেই অভয়া মঞ্চের মূল তিনটি সাধারণ লক্ষ্য ঘোষিত হয়।প্রথম, অভয়ার ন্যায় বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। ভবিষ্যতে আর যেন অভয়া না হয়, এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা। দ্বিতীয় লক্ষ্য, নারী ও প্রান্তিক লিঙ্গ যৌনতার মানুষের স্বাধীনতা, অধিকার এবং সুরক্ষা। তৃতীয় লক্ষ্য রাজ্যটাকে ভয়ের রাজনীতি মুক্ত করা। এই তিন লক্ষ্যকে সামনে রেখে, সঙ্গে সাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করে তোলার লক্ষ্যকে যুক্ত করে অভয়া মঞ্চ এগিয়ে চলেছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অভয়া মঞ্চের শাখা গড়ে উঠেছে। প্রাথমিক স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। এখন ধারাবাহিক সংগঠিত শক্তির আন্দোলন নতুন করে স্বতঃস্ফূর্ততার জন্ম দেবে। আর সেই লক্ষ্যেই আগামী ৯আগস্ট অভয়া হত্যার বর্ষপূর্তিতে অভয়া মঞ্চের আহ্বানে প্রধান কর্মসূচি ‘কালীঘাট চলো’। রাখি পূর্ণিমা’র দিন রাজ্য সরকার ছুটি ঘোষণা করায় সরকারের সদর দপ্তর ‘নবান্ন’ বন্ধ। তাই মুখ্যমন্ত্রীর নিজস্ব অফিসের উদ্দেশ্যে বিচারের দাবিতে স্মারকলিপি জমা দিতে জনগণের এই যাত্রা। কলকাতা লাগোয়া জেলাগুলো থেকে অগণিত মানুষ আসবেন হাজরা মোড়ে, বিকেল চারটেয়। সকালে সারাদিন ধরে গ্রামে শহরে অভয়া স্মরণে ‘রাখী বন্ধন’। জেলায় জেলায় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ১৪ আগষ্ট আবার ‘রাত দখল’। রাত ৯টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত আমাদের মেয়ের প্রকৃত বিচারের দাবিতে কল্লোলিত হবে নগর, গ্রাম প্রান্তর। রাত ১২ টার পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে কর্মসূচির সমাপ্তি।এই গণকনভেনশন ৯ আগষ্ট,’ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনকে স্মরণ করে প্রস্তাব ও দাবি উত্থাপন করছে –

১) ধর্ষক, দুষ্কৃতী ও খুনী দের মদতদাতা শাসক বাংলা ছাড়ো।

২) ‘সেটিং তত্ব’ বাতিল করে সিবিআই অবিলম্বে ন্যায্য বিচার করো। অভয়া’র মূল হত্যাকারীদের অবিলম্বে উপযুক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথার ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রী ও তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে সি বি আই এর তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

৩) অবিলম্বে রাজ্যজুড়ে ভয়মুক্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ সুনিশ্চিত করতে হবে।

৪) দুর্নীতিবাজ ও লুটেরাদের বাইরে নয়, জেলে রাখতে হবে।
কবিগুরুর কথা দিয়ে এই প্রস্তাবনা শেষ করতে চাই —-
” …… মহাকাল সিংহাসনে —-
সমাসীন বিচারক,শক্তি দাও, শক্তি দাও মোরে,
কন্ঠে মোর আনো বজ্রবাণী, শিশুঘাতি, নারীঘাতি
কুৎসিত বীভৎসা ‘পরে ধিক্কার হানিতে পারি যেন
নিত্যকাল রবে যা স্পন্দিত লজ্জাতুর ঐতিহ্যের
হৃৎস্পন্দনে, রুদ্ধ কন্ঠ ভয়ার্ত এ শৃঙ্খলিত যুগ যবে
নিঃশব্দে প্রচ্ছন্ন হবে আপন চিতার ভস্মতলে।”

২৫ জুলাই,২০২৫

PrevPreviousকমলা নীল আলোর সংকেত ও আমাদের কিচেন
Nextভৃত্যতন্ত্র!Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617869
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]