Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

লরেন্স ডিসুজা হোম

Oplus_0
Dr. Sukanya Bandopadhyay

Dr. Sukanya Bandopadhyay

Medical Officer, Immuno-Hematology and Blood Bank, MCH
My Other Posts
  • July 17, 2024
  • 7:08 am
  • No Comments
শিরা ওঠা হাতে ধরা কফির কাপটা অল্প অল্প কাঁপছিল। চামড়ায় অজস্র ভাঁজের কাটাকুটি। হলুদ হয়ে যাওয়া ভঙ্গুর নখগুলো যত্ন করে নেলকাটার দিয়ে কাটতে কাটতে সপ্তদশী মেয়েটি লক্ষ্য করেছিল, মিসেস স্মিথের কনুইয়ের ভাঁজে জমাট বাঁধা নীলচে দাগ। কেমন শিরশির করে উঠেছিল গা-টা। তখন জানত না মেয়েটা, এখন জানে, ওগুলো রক্ত পাতলা হওয়ার ওষুধ খাওয়ার লক্ষণ — হয়ত সেদিন নিয়মমাফিক হেলথ চেক আপের রক্ত নেওয়া হয়েছিল মিসেস স্মিথের।
”তুমিও একটু কফি খাও না—”,
ঘাড় নেড়ে বৃদ্ধার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিল সে। মাথার মধ্যে টিকটিক করছিল, একটা চল্লিশের রাণাঘাট লোকাল মিস করলে আবার দুটো পঁচিশের নৈহাটি — অনেক দেরি হয়ে যাবে বাড়ি পৌঁছতে। রবিবার কয়েকটা ট্রেন ক্যানসেলড থাকে যে।
ওদিকে পিয়ানোয় বেজে উঠেছে অচেনা সুর। বাজনা ঘিরে তখন ফুলছাপ সুতির ফ্রক বা হাঁটু পর্যন্ত ঝুলের কাফতান পরা কিছু কাঁচাপাকা মাথাদের ভিড়। কনভেন্ট ইস্কুলে পড়েও পাশ্চাত্য সঙ্গীতের অআকখ না জানা মেয়েটাকে চিনিয়ে দিতেন মিসেস স্মিথ — এটা ক্লিফ রিচার্ডের গান, এটা এলভিস প্রেসলির।
বারো ক্লাসের এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিতে বাধ্যতামূলক ছিল সোশ্যাল সার্ভিস। দস্তুরমত গ্রেড দেওয়া হত তাতে। গ্রেড সি হলে হায়ার সেকেন্ডারির টেস্ট পরীক্ষায় বসা ছিল না-মুমকিন।
মিশন্যারিজ অফ চ্যারিটি বা প্রেমদান লেপ্রসি সেন্টারে সেবাকাজে সাহায্য, প্রাইমারি সেকশনের ক্লাস নেওয়া, পথশিশুদের আঁকা বা অক্ষর পরিচয় করানো — ইত্যাদি নানা অপশনের মধ্যে থেকে মেয়েটা বেছে নিয়েছিল বৃদ্ধাবাসের অধিবাসিনীদের সঙ্গদান। কারণ আর কিছুই নয়, লরেন্স ডিসুজা হোম শিয়ালদা-র খুব কাছে। তার বাড়ি তো আর কলকাতায় নয়, সেই শ্যামনগরে।
প্রতি রবিবার যেতে হত সেখানে। ঘন্টা দুয়েক থাকার কথা। এক ঘন্টা পেরোলেই উসখুস করত মন। দায় সেরে কতক্ষণে রওনা দেবে বাড়ির পথে! মিসেস বুশার্ড, মিসেস স্মিথ, মিস ইসাবেল-রা কি বুঝতে পারতেন তার অনীহা? এখন ভাবলে, ছায়ারা দীর্ঘতর হয় চোখের পাতায়।
উচ্চ মাধ্যমিকের পাশাপাশি চলছিল জয়েন্টের প্রস্তুতিও। তার উপর ঘাড়ের কাছে নিশ্বাস ফেলছিল টেস্ট। কয়েকটা সপ্তাহ হোমে একটু অনিয়মিত হয়ে পড়েছিল সে।
সপ্তাহ তিনেক পরে এক শীতের আলগা কুয়াশামাখা সকালে, মৌলালি পেরিয়ে, ইউনিয়ন চ্যাপেলের পাশে পুরোনো ভাঙাচোরা বাড়িটার ক্যাঁচক্যাঁচে কাঠের গেটটা খুলতে খুলতেই মেয়েটার চোখ পড়েছিল দোতলার বারান্দায়। সেখানে কয়েকজোড়া উৎকন্ঠিত চোখ দৃষ্টিপ্রসাদে অভিষিক্ত করছিল তাকে। আদ্যিকালের উঁচু উঁচু সিঁড়িগুলো ভয়ে ভয়েই ভেঙে দোতলায় উঠেছিল সে। এবার কি ভর্ৎসনা অপেক্ষা করছে তার জন্য? তিন সপ্তাহের অনুপস্থিতি! গ্রেড সি নাচছেই কপালে!
তাকে অবাক করে দিয়ে একরাশ উৎকন্ঠিত কলরব এগিয়ে এসেছিল তার দিকে।
কেমন আছে সে? বাবা মা সবাই ঠিক আছেন তো? আত্মীয়স্বজনের খবর ভাল তো? কোনো অসুবিধার কারণেই যে সে আসতে পারেনি এই ক’দিন, তা বেশ বুঝতে পেরেছেন তাঁরা।
কৃতজ্ঞতায় চোখ ছলছল করে উঠেছিল মেয়েটার। নিজের দায়সারা মনোভাবের মানসিক দৈন্যের লজ্জায় মাথাটা নুয়ে পড়েছিল তার। নিজের কাছেই প্রতিজ্ঞা করেছিল, শেষ কয়েকটা সপ্তাহ আর কোনো ফাঁকিবাজি নয়। এখানে দু’ঘন্টা সময় বেশি কাটালে তার জয়েন্ট প্রস্তুতির মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে না।
ওখানে কাটানো শেষ রবিবারটা আজও স্পষ্ট মনে পড়ে তার।
ফিলোমিনা গ্র্যানি প্যানকেক তৈরি করেছিলেন। সে নিয়ে গিয়েছিল ফ্লুরিজের পেস্ট্রি। আর মায়ের তৈরি মাছের চপ। খেয়ে জরাজীর্ণ মুখগুলোর আহ্লাদ আজও চোখে ভাসে মেয়েটার।
”সার্ভিস শেষ হলো তো কী হয়েছে? আসবে তো মাঝে মাঝে?”
সারা আন্টির প্রশ্নের উত্তরে সে বলেছিল —”আমার স্কুল থেকে আবার কেউ আসবে আন্টি। আপনাদের একা লাগবে না একটুও, দেখবেন!”
”তুমি? তুমি আসবে না?” মিসেস স্মিথের দু’চোখে কি আকুল, কি তীব্র জিজ্ঞাসা ছিল সেদিন।
অল্প বয়সের দায়িত্বজ্ঞানশূন্য আবেগে ভর করে সে বলে উঠেছিল —
”আসব গ্র্যানি! নিশ্চয় আসব!” বলে ফেলেই জিভ কেটেছিল মনে মনে। অনেকক্ষণ ঘোলাটে চোখে তার দিকে চেয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন মিসেস স্মিথ। তাঁর ফিসফিসে কন্ঠস্বর আজও শুনতে পায় সেদিনের সপ্তদশী।
”আসবে না, জানি। কেউ আসেনি। কেউ আসে না। ফ্যানি, লিজা, ডেভিড — কেউ আসবে না!”
তারা কারা, সঠিক না জানলেও আন্দাজ করতে অসুবিধে হয়নি তার। কেউ মেয়ে, কেউ ছেলে, কেউ বোনপো, কেউ ভাগ্নে!
সেদিন শিয়ালদা-র দিকে হাঁটতে হাঁটতে পায়ে পা জড়িয়ে আসছিল মেয়েটার। কি এক অপরাধের ভারে ডুবে যাচ্ছিল কিশোরী হৃদয়!
তারপর কেটে গিয়েছে প্রায় তিরিশ বছর। একটা কাজে লেনিন সরণি দিয়ে আসতে আসতে সেই ভাঙাচোরা গেটের গায়ে লটকানো ফলকটায় চোখ আটকেছিল। কালোর উপর সাদা অক্ষরগুলো হলদেটে হয়ে এসেছে!
”লরেন্স ডিসুজা হোম।”
হুড়মুড় করে স্মৃতিরা এসে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার কোলে।
না, যাওয়া হয়নি আর কখনো ওখানে। এমনকি, তার ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পাওয়ার সুখবরটুকুও তুলে দেওয়া যায়নি সেই অনাত্মীয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের কানে। জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত আর ঘটনাবাহুল্যের অভিঘাতে কখন যেন বিস্মৃতির চোরাবালিতে তলিয়ে গিয়েছিল লরেন্স ডিসুজা হোম।
গাড়ির জানলা দিয়ে ভাল করে চেয়ে দেখল সে। সময় যেখানে থমকে দাঁড়িয়ে আছে, হাতছানি দিচ্ছে ভবিতব্য।
একবার ভাবল, নেমে পড়বে, যাবে না কি একবার?
তারপরেই ভাবলো, নাঃ, থাক। যেতে তো হবেই একদিন। এখানে না হোক, অন্য কোনো ”হোমে”, যেখানে ভোরবেলাতেও গোধূলি ঘনাবে, বারোমাস হবে পাতাঝরার মরসুম, কুঁচকে যাওয়া চামড়া অপেক্ষায় থাকবে কোনো কচি হাতের স্পর্শের।
যেতে তো হবেই একদিন। আজ থাক।
PrevPreviousতবু অনন্ত জাগে: অডিও গল্প
Nextভারতীয় ন্যায় সংহিতা: ডাক্তাররা কি বলছেন?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর!

October 19, 2026 1 Comment

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর। (খেয়াল করুন, অর্বাচীন মাকুদের মতো করে – মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আজ যাদের বইয়ের স্টল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, সেই

বিট্টু তাবাহি – অসচেতন দেশে এক বিরল চেতনার নাম।i

October 19, 2026 No Comments

আপনারা কি সুরেন্দ্র সিং চৌধুরীর নাম শুনেছেন? শোনেননি তো? না, না! এই না শোনাটা কোনো অন্যায় নয়। খুব কেউকেটা মানুষ নয় সুরেন্দ্র। এদেশে নামের পাশে

অগ্রাধিকার আপনি দেখতে পাচ্ছেন কি?

October 19, 2026 No Comments

চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। সেটা হয়তো খুব একটা কাজের কথা নয় – কিন্তু অন্তত ওটুকু হলে পরের চুরি আটকানো যায়। এবার পুজোয় পুলিশ, খুব সম্ভবত

উৎসব মানুষের প্রাণের চেয়ে বড় হতে পারে না

October 18, 2026 No Comments

চোরবাগান সার্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানি: উদ্যোক্তাদের চরম গাফিলতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার জবাবদিহি চাই! ভয়াবহ, মর্মান্তিক! চোরবাগান সার্বজনীনে দুর্গাপুজোর ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে ২০ জনের মৃত্যু এবং

এ কোন সকাল, রাতের চেয়েও অন্ধকার!

October 18, 2026 No Comments

জনগণকে ন্যায়বিচারের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি, এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার করে তোলা এবং সাধারণ মানুষের আবেগ ও ন্যায়বিচারের দাবিকে ক্ষমতার লড়াইয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর!

Dr. Bishan Basu October 19, 2026

বিট্টু তাবাহি – অসচেতন দেশে এক বিরল চেতনার নাম।i

Somnath Mukhopadhyay October 19, 2026

অগ্রাধিকার আপনি দেখতে পাচ্ছেন কি?

Dr. Bishan Basu October 19, 2026

উৎসব মানুষের প্রাণের চেয়ে বড় হতে পারে না

West Bengal Junior Doctors Front October 18, 2026

এ কোন সকাল, রাতের চেয়েও অন্ধকার!

West Bengal Junior Doctors Front October 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

692433
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]